وَٱلصَّـٰٓفَّـٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾
তিনি তাঁর ফিরিশতাদের নামে শপথ করলেন। যাঁরা তাঁদের এবাদতে পরস্পর মিলিতভাবে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান।
হোম›তাফসির›As-Saaffaat (37)
মাক্কী · 182 আয়াত
وَٱلصَّـٰٓفَّـٰتِ صَفًّۭا ﴿١﴾
তিনি তাঁর ফিরিশতাদের নামে শপথ করলেন। যাঁরা তাঁদের এবাদতে পরস্পর মিলিতভাবে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান।
فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ﴿٢﴾
তিনি আরো শপথ করেছেন ওই সকল ফিরিশতারনামে যাঁরা আল্লাহরকালাম পাঠ করেন।
فَٱلتَّـٰلِيَـٰتِ ذِكْرًا ﴿٣﴾
তিনি আরো শপথ করলেন ওই সবফিরিশতাদেরনামে যাঁরা মেঘমালাকে হাঁকিয়ে ওই স্থানে চালিয়ে নিয়ে যান যেখানে আল্লাহ পানি বর্ষাতে ইচ্ছা করেন। إن إلهكم لوحد
إِنَّ إِلَـٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ﴿٤﴾
হে লোক সকল তোমাদেরমাবূদ নিঃসন্দে হে একজনই। তাঁরকোন শরীক নেই। আরতিনি হলেন আল্লাহ।
رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَـٰرِقِ ﴿٥﴾
তিনি আসমান, যমীন ও এতদুভয়ে রসব কিছু র প্রতিপালক। তিনি বছর ব্যাপী সূর্যের উদয়াচল ও অস্তাচলের প্রতিপালক।
إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ﴿٦﴾
আমি যমীনেরনিকটবর্তী আসমানকে সুন্দ রঅলঙ্কারতথা এমন নক্ষত্ররাজি দ্বারা সাজিয়ে ছি যা দেখতে চমকপ্র দ মাণিক্য স্বরূপ। وحفظا من كل شيطن مارد
وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَـٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ﴿٧﴾
আর আমি দুনিয়ার আসমানকে সকল আনু গত্যের সীমা লঙ্ঘনকারী অবাধ্য শয় ত্বান থেকে তারকারাজির নিক্ষেপণের মাধ্যমে হেফাজত করেছি।
لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ﴿٨﴾
এসবশয় তানরাআসমানে ফিরিশতাদেরউপরতাঁদেরপ্র তিপালক দ্বীন কিংবাদুনিয়াবীবিষয়ে যে সবপ্র ত্যাদেশ অবগত করেন তাশুনতে পায় না। বরং তাদেরকে সব দিক থেকে স্ফু লিঙ্গ দ্বারা আঘাত করা হয় ।
دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ﴿٩﴾
তাদেরকে বিতাড়ি ত করণ ও শ্রবণ থেকে দূরে সরানোর নিমিত্তে। আর তাদের জন্য রয়ে ছে পরকালের কষ্ট দায় ক, অবিচ্ছিন্ন ও স্থায়ী শাস্তি । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ﴿١٠﴾
তবে যে শয় তান কেড়ে নিয়ে কিছু কথা শ্রবণ করে ফেলে তার কথা ব্যতিক্রম। আর এটি হচ্ছে সেই কথা যা যমীনবাসীর নিকট পৌঁছার পূর্বে ফিরিশতাগণ পরস্পর বলাবলি করেন এবংতখনই তাকে চমকপ্র দ তারকা আঘাত হেনে জ্বালিয়ে ফেলে। কখনও তাকে অগ্নিস্ফু লিঙ্গ পোড়ানোর পূর্বে সে উক্ত কথাটি তার জ্যোতিষী বন্ধুদের নিকট পৌঁছিয়ে দেয় । ফলে তারা এর সাথে শত মিথ্যা যুক্ত করে।
فَٱسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَآ ۚ إِنَّا خَلَقْنَـٰهُم مِّن طِينٍۢ لَّازِبٍۭ ﴿١١﴾
হে মুহাম্মদ! আপনি পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী কাফিরদেরকে প্রশ্নকরুন। তারাকি আমি যে আসমান, যমীন ও ফিরিশতা সৃষ্টি করেছি এতদপেক্ষা দৃঢ় তর অবকাঠামো, শক্তিশালী শরীর ও প্রকাÐ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অধিকারী? আমি তো তাদেরকে আঠালো মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি। অতএব তারা কীভাবে পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে? অথচ তারা একটি দুর্বল উপাদান তথা আঠালো মাটি থেকে সৃষ্ট । بل عجبت ويسخرون
بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ ﴿١٢﴾
বরংহে মু হাম্মদ! আপনি আশ্চর্যান্বি ত হয়ে ছেন আপনারপ্র তিপালকেরসৃষ্টি গত অভিনবক্ষমতা ও পরিচালনা দেখে যেমন আপনি আশ্চর্যান্বি ত হয়ে ছেন মু শরিকদের পুনরুত্থানকে অস্বীকার করা দেখে। এসব মু শরিকদের কর্তৃ ক পুনরুত্থানকে কঠি নভাবে অবিশ্বাস করার একটি ধরন হচ্ছে এই যে, তারা এ ব্যাপারে আপনার কথা নিয়ে বিদ্র ƒপ করে। وإذا ذكروالا يذكرون
وَإِذَا ذُكِّرُوا۟ لَا يَذْكُرُونَ ﴿١٣﴾
এসব মু শরিকদের অন্ত র কঠি ন হওয়ার দরুন তাদেরকে উপদেশের কোন কথা বলা হলে তারা এথেকে উপদেশ গ্রহণ করে না। না এদ্বারা তারা উপকৃ ত হয় । وإ ذا رأوا ءاية يستسخرون
وَإِذَا رَأَوْا۟ ءَايَةًۭ يَسْتَسْخِرُونَ ﴿١٤﴾
যখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সত্যতার উপর প্রমাণবাহী কোন নিদর্শন দেখতে পায় তখন তারা একে নিয়ে আরো বেশী বিদ্র ƒপ ও আশ্চর্য প্রকাশকরে।
وَقَالُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ مُّبِينٌ ﴿١٥﴾
আর বলে, মু হাম্মদ যা নিয়ে এসেছেন তা সুস্পষ্ট যাদু বৈআরকিছু নয় । أءذا متنا وكنا ترابا وعظما أءنا لمبعوثون
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَـٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿١٦﴾
আমরা যখন মরে গিয়ে মাটি আর বিক্ষিপ্ত পুরানো হাড়ে পরিণত হবো এরপর কি আবার জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবো? এ তো দুস্কর ব্যাপার।
أَوَءَابَآؤُنَا ٱلْأَوَّلُونَ ﴿١٧﴾
তবে কি আমাদের পূর্ব পুরুষরাও পুনরুত্থিত হবে যারা আমাদের পূর্বে মারা গিয়ে ছে?! قل نعم وأنتمدخرون
قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَٰخِرُونَ ﴿١٨﴾
হে মুহাম্মদ! আপনি তাদের প্রতি উত্তরে বলুন, হ্যাঁ। তোমরা মাটি ও পুরোনো হাড়ে পরিণত হওয়ার পর আর তোমাদের পূর্ব পুরুষরা সবাই অপমান অপদস্ত হয়ে পুনরুত্থিতহবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর فإنما هى زجرة وحدة فإذا هم ينظرون
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ ﴿١٩﴾
এটি হবে সিঙ্গায় দ্বি তীয় বারের মত একটি মাত্র ফু ৎকার। সহসা তারা সবাই কিয়ামত দিবসের ভয়াবহতা দেখতে থাকবে। আল্লাহ তাদের সাথে কী আচরণ করবেন তারঅপেক্ষায় বিভোর।
وَقَالُوا۟ يَـٰوَيْلَنَا هَـٰذَا يَوْمُ ٱلدِّينِ ﴿٢٠﴾
আর পুনরুত্থানকে অস্বীকারকারী মু শরিকরা বলবে, হায় আমাদের ধ্বংস! এটি তো সেই দিন যেদিন আল্লাহ স্বীয় বান্দাদেরকে দুনিয়ার জীবনের তাদের সমূ হ কৃ তকর্মেরপ্র তিদান দিবেন।
هَـٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ ﴿٢١﴾
তখন তাদের উদ্দেশ্যে বলা হবে, আজকের দিন হচ্ছে বান্দাদের মধ্যে ওই ফয় সালার দিন যাকে তোমরা দুনিয়াতে অবিশ্বাস ও অস্বীকার করতে।
۞ ٱحْشُرُوا۟ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَأَزْوَٰجَهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ ﴿٢٢﴾
مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٢٣﴾
এই দিন ফিরিশতাদেরকে বলা হবে, তোমরা শিরকের মাধ্যমে জুলুমকারী মুশরিকদেরকে ও শিরকের ক্ষেত্রে তাদের মত অপরাধী এবং মিথ্যারোপের কাজে তাদেরকে উৎসাহ প্রদানকারীদেরকে সেই সাথে আল্লাহর পরিবর্তে তারা যে সব মূর্তির পূজা করত তাদের সবাইকে জাহান্নামের পথ চিনিয়ে ও দেখিয়ে দিয়ে তথায় হাঁকিয়ে নিয়ে যাও।কেননা,এটি ইতাদেরঠিকানা।
وَقِفُوهُمْ ۖ إِنَّهُم مَّسْـُٔولُونَ ﴿٢٤﴾
আর তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশের পূর্বে হিসাবের উদ্দেশ্যে আটক করো। কেননা, তারা জিজ্ঞাসিত হবে। অতঃপর তাদেরকে জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাও। ما لكم لا تناصرون
مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ ﴿٢٥﴾
তিনি তাদেরকে ধমকের স্বরে বলবেন: তোমাদের কী হল, একজন অপরজনের কোন সাহয্য করছ না যে, যেমন দুনিয়াতে তোমরা একে অপরের সাহয্য করতে। আরো ভাবতে যে, তোমাদের দেবতারা তোমাদেরকে সাহায্য করবে?!
بَلْ هُمُ ٱلْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ ﴿٢٦﴾
বরংতারা আজ আল্লাহরনির্দে শে অপমানিত অবস্থায় পরিচালিত। অপারগতা ও অনটনেরফলে আজ কেউ কারো সাহায্যকরতে সমর্থ নয় ।
وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ﴿٢٧﴾
আরএকজন অপরজনেরপ্র তি দোষারোপ ও ঝগড়া নিয়ে অগ্র সরহবে। যখন দোষারোপ আরঝগড়া কোন উপকারেআসবেনা। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ كُنتُمْ تَأْتُونَنَا عَنِ ٱلْيَمِينِ ﴿٢٨﴾
অনুসারীরা অনুসৃতদেরকে বলবে: হে বড় রা! তোমরা আমাদের নিকট দ্বীন ও হকের দোহাই দিয়ে আসতে। অতঃপর আমাদের সামনে আল্লাহর সাথে কু ফরি, শিরক ও পাপাচারকে সুন্দ রময় করে তু লতে। আর আমাদেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূলগণ কর্তৃ ক আনিত সত্য থেকে ঘৃণাভরে দূরে সরিয়ে রাখতে। قالوا بل لم تكونوامؤمنين
قَالُوا۟ بَل لَّمْ تَكُونُوا۟ مُؤْمِنِينَ ﴿٢٩﴾
অনু সৃতরা অনু সারীদেরকে বলবে: বিষয় টি তোমাদের ধারণা অনু যায়ী নয় । বরং তোমরা মু ’মিন ছিলে না। তোমরা মূ লতঃ কাফির ও বেঈমান ছিলে।
وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيْكُم مِّن سُلْطَـٰنٍۭ ۖ بَلْ كُنتُمْ قَوْمًۭا طَـٰغِينَ ﴿٣٠﴾
হে অনু সারীরা! তোমাদের উপর আমাদের এমন কোন দাপট কিংবা প্রতাপ ও প্রতিপত্তি ছিল না যে, তা খাটি য়ে আমরা তোমাদেরকে কু ফরী, শিরক আর পাপাচারে বাধ্য করতাম। বরং তোমরা ছিলে কু ফরি ও পথভ্র ষ্টতায় সীমালঙ্ঘনকারী।
فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَآ ۖ إِنَّا لَذَآئِقُونَ ﴿٣١﴾
ফলে আমাদের ও তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি অবধারিত হয়ে ছে। যা কোরআনে এভাবে পরিবেশিত হয়ে ছে। যার অর্থ: “আমি অবশ্যই তোকে ও তোর অনু সারীদেরকে দিয়ে জাহান্নাম পরিপূর্ণ করবো”। (সাদ: ৮৫) অতএব আমরা আল্লাহর অঙ্গীকার অনু যায়ী শাস্তি পোহাতে বাধ্য। فأغوينكم إنا كنا غوين
فَأَغْوَيْنَـٰكُمْ إِنَّا كُنَّا غَـٰوِينَ ﴿٣٢﴾
আমরা তোমাদেরকে পথভ্র ষ্টতা ও কু ফরিরপ্র তি আহŸান করেছি মাত্র। মূ লতঃআমরা হেদায় তেরপথ থেকে ভ্রষ্টছিলাম।
فَإِنَّهُمْ يَوْمَئِذٍۢ فِى ٱلْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ ﴿٣٣﴾
কেননা, অনু সারী ও অনু সৃতরা কিয়ামত দিবসে শাস্তি তে শরীক থাকবে।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِٱلْمُجْرِمِينَ ﴿٣٤﴾
আমি এদেরকে যেরূপ শাস্তি দিয়ে ছি এমনিভাবেঅন্যান্যপাপীদেরকেওশাস্তি প্রদান করবো।
إِنَّهُمْ كَانُوٓا۟ إِذَا قِيلَ لَهُمْ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ ﴿٣٥﴾
এসব মুশরিকদেরকে দুনিয়াতে যখন বলা হত “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর দাবি অনুযায়ী আমল করতে ও তার বিপরীত কাজ থেকে বিরত থাকতে তখন তারা সত্য থেকে অহঙ্কার ও দূরে অবস্থান নিতে গিয়ে তা অমান্য ও অগ্রাহ্য করত।
وَيَقُولُونَ أَئِنَّا لَتَارِكُوٓا۟ ءَالِهَتِنَا لِشَاعِرٍۢ مَّجْنُونٍۭ ﴿٣٦﴾
তারা তাদের কু ফরির উপর প্রমাণ পেশ করতে গিয়ে বলে: আমরা কি একজন পাগল কবির কথা মানতে গিয়ে আমাদের দেবতাদের ইবাদাত ছেড়ে দিব?! তারা তাদের উক্ত কথা দ্বারা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে উদ্দেশ্য করছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
بَلْ جَآءَ بِٱلْحَقِّ وَصَدَّقَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿٣٧﴾
তারা মহা মিথ্যা অপবাদ রটি য়ে ছে। কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) না পাগল ছিলেন। আর না কবি ছিলেন। বরং তিনি এমন কিতাব নিয়ে এসেছেন যা আল্লাহর একত্ব বাদ ও তদীয় রাসূলের অনুসরণের প্রতি আহŸান জানায়। আর তিনি রাসূলদেরকে তাঁরা যে একত্ব বাদ ও পুনরুত্থানকেসাব্যস্ত করারদায়ি ত্বনিয়ে এসেছেন তারসত্যায় ন করছেন। এসবেরকোন কিছু তে তাঁদেরবিরুদ্ধাচরণ করেননি।
إِنَّكُمْ لَذَآئِقُوا۟ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَلِيمِ ﴿٣٨﴾
হে মু শরিকরা! তোমরা অবশ্যই তোমাদেরকু ফরিও রাসূলদেরকে মিথ্যারোপ করারকারণে কিয়ামত দিবসে কষ্ট দায় ক শাস্তি রস্বাদ আস্বাদন করবে। وما تجزون إلا ما كنتمتعملون
وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٣٩﴾
হে মু শরিকরা! তোমাদেরকে কেবল দুনিয়ারজীবনে কৃ ত কু ফরি ও পাপাচারেরপ্র তিদান দেয়া হবে।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿٤٠﴾
কিন্তু আল্লাহ যে সব মুমিন বান্দাকে তাঁর এবাদতের জন্য খাঁটি ভাবে বাছাই করেছেন এবং তারা তাঁর ইবাদাতকে খাঁটি করেছে তারা তাথেকে রেহাই পাবে।
أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ رِزْقٌۭ مَّعْلُومٌۭ ﴿٤١﴾
এসব খাঁটি বান্দার উদ্দেশ্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রিযিকের ব্যবস্থা রয়ে ছে। যা উত্তম, সুন্দ র ও স্থায়ি ত্বে সুপরিচিত।
فَوَٰكِهُ ۖ وَهُم مُّكْرَمُونَ ﴿٤٢﴾
এসব রিযিকের মধ্যে রয়ে ছে তাদেরকে উত্তম প্রকৃ তির যে সব ফলমূল তারা ভক্ষণ করতে চায় ও আগ্র হ রাখে তা তারেকে প্রদান করা হবে। তারা তদুপরি সম্মানিত হবে বহু মাত্রায় তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও তাদের সম্মানী প্রতিপালকের চেহারার দর্শন লাভের মাধ্যমে।
فِى جَنَّـٰتِ ٱلنَّعِيمِ ﴿٤٣﴾
এসব কিছু তারা লাভ করবে ভোগসামগ্রী দ্বারা ভরপুর স্থায়ী জান্নাতসমূ হে। যার ফল্গুধারা কখনো বিচ্ছিন্ন হওয়ার নয় । عل سرر متقبلين
عَلَىٰ سُرُرٍۢ مُّتَقَـٰبِلِينَ ﴿٤٤﴾
তারাসামনা-সামনি পালঙ্কে হেলান দিয়ে আসন পেতে বসে পরস্পরেরদিকে তাকাতে থাকবে। يطاف عليهم بكأس من معين
يُطَافُ عَلَيْهِم بِكَأْسٍۢ مِّن مَّعِينٍۭ ﴿٤٥﴾
তাদের সামনে মদের পেয়ালা পরিবেশন করা হবে যা প্রবাহিত পানির ন্যায় স্বচ্ছ।
بَيْضَآءَ لَذَّةٍۢ لِّلشَّـٰرِبِينَ ﴿٤٦﴾
তা শুভ্র বর্ণের। তা পানে পানকারী পূর্ণ স্বাদ আস্বাদন করবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর لا فيها غول ولا هم عنها ينزفون
لَا فِيهَا غَوْلٌۭ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنزَفُونَ ﴿٤٧﴾
এটি দুনিয়ার মদের মত নয় । কেননা, তাতে নেশার দরুন বিবেক হরণকারী কোন উপাদান থাকবে না। আর না গ্রহণকারীকে মাথা ব্যাথায় আক্রান্ত করবে। তা পানকারীর শরীর ও বিবেক নিরাপদে থাকবে।
وَعِندَهُمْ قَـٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ عِينٌۭ ﴿٤٨﴾
তাদের উদ্দেশ্যে জান্নাতে থাকবে সতী-সাধ্বী নারীরা। যাদের দৃষ্টি তাদের স্বামী ব্যতীত অন্য পুরুষের দিকে প্রসারিত হয় না। তারা পদ্মপলাশলোচন চোখের অধিকারিনী। كأن هن بيض مكنون
كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌۭ مَّكْنُونٌۭ ﴿٤٩﴾
তারাহলুদ মিশ্রি ত শুভ্র তায় যেন উড্ডয় মান রক্ষিত ডিমেরন্যায় । যাকেকোন হাত স্পর্শ করেনি।
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ﴿٥٠﴾
তখন জান্নাতীদেরএকজন অপরজনেরপ্র তি তাদেরঅতীত ও দুনিয়াতে সংঘটি ত বিষয়ে প্রশ্ননিয়ে অগ্র সরহবে।
قَالَ قَآئِلٌۭ مِّنْهُمْ إِنِّى كَانَ لِى قَرِينٌۭ ﴿٥١﴾
তাদের মধ্য থেকে একজন মু ’মিন বলে উঠবে, পুনরুত্থান অবিশ্বাসী আমার এক সাথী ছিল।
يَقُولُ أَءِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُصَدِّقِينَ ﴿٥٢﴾
আমাকে অস্বীকার ও ঠাট্টার ছলে বলে: হে বন্ধু! তু মি কি মৃ তদের পুনরুত্থানে বিশ্বাসী? أءذا متنا وكنا ترابا وعظما أءنا لمدينون
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَـٰمًا أَءِنَّا لَمَدِينُونَ ﴿٥٣﴾
আমরা যখন মারা যাব এবং মাটি ও চূ র্ণবিচূ র্ণহাড়ে পরিণত হবো তখন কি আমাদেরকে পুনরুত্থান ঘটানোর মাধ্যমে দুনিয়ার কৃ তকর্মের উপর প্রতিদান দেয়া হবে? قال هل أنتم مط لعون
قَالَ هَلْ أَنتُم مُّطَّلِعُونَ ﴿٥٤﴾
তার মু ’মিন সাথী স্বীয় জান্নাতী সাথীদেরকে বলবে, তোমরা আমার সাথে উঁ কি দিয়ে দেখ তো, আমার পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী সাথীর পরিণতি কী হয়ে ছে।
فَٱطَّلَعَ فَرَءَاهُ فِى سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٥٥﴾
তখন সে উঁ কি মারতেই দেখবে, তার সাথী জাহান্নামের মধ্যভাগে অবস্থান করছে।
قَالَ تَٱللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ ﴿٥٦﴾
সে বলে উঠবে, আল্লাহরশপথ! হে সাথী! তু মি আমাকে কু ফরিও পুনরুত্থান অস্বীকারেরপ্র তি আহŸান করেজাহান্নামে নিক্ষেপেরমাধ্যমে ধ্বংস করার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে ছিলে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَلَوْلَا نِعْمَةُ رَبِّى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُحْضَرِينَ ﴿٥٧﴾
যদি আমার উপর ঈমান ও তাওফীকের পথ নির্দে শের মাধ্যমে আল্লাহর অনু গ্রহ না থাকত তবে আমিও তোমার মত শাস্তি তে নিমজ্জিত থাকতাম। যখন তার জাহান্নামী সাথীর সঙ্গে কথোপকথন শেষ করবে তখন সে তার জান্নাতী সাথীদেরকে সম্বোধন করে বলবে, أفما نحن بميتين
أَفَمَا نَحْنُ بِمَيِّتِينَ ﴿٥٨﴾
আমরা জান্নাতীরা মরণশীল নই।
إِلَّا مَوْتَتَنَا ٱلْأُولَىٰ وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ﴿٥٩﴾
আমাদের দুনিয়ার জীবনের প্রথমবারের মৃ ত্যু ব্যতীত। বরং আমরা জান্নাতে চিরস্থায়ী থাকব। আর আমরা কাফিরদের ন্যায় শাস্তি প্রাপ্ত হব না।
إِنَّ هَـٰذَا لَهُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ﴿٦٠﴾
এই প্রতিদান যা আমাদেরপ্র তিপালক আমাদেরকে প্রতিদানস্ব রূপ দিয়ে ছেন তথা জান্নাতে প্রবেশ ও তথায় চিরস্থায়ী থাকারব্যবস্থা এবংজাহান্নাম থেকে মু ক্তি এগুলো হলো মহা সাফল্য। যার সাথে অন্য কোন সাফল্যের তু লনা হতে পারে না।
لِمِثْلِ هَـٰذَا فَلْيَعْمَلِ ٱلْعَـٰمِلُونَ ﴿٦١﴾
এই মহা প্রতিদানের জন্য আমলকারীদের আমল করা উচিত। কেননা, এটি হলো লাভজনক বাণিজ্য।
أَذَٰلِكَ خَيْرٌۭ نُّزُلًا أَمْ شَجَرَةُ ٱلزَّقُّومِ ﴿٦٢﴾
উপরোল্লি খিত এই স্থায়ী নিয়ামত যা আল্লাহ সেসববান্দারউদ্দেশ্যে প্রতুস্ত করেছেন যাদেরকে তিনি তাঁরআনুগত্যেরজন্য খাঁটি করেছেন তা সম্মান ও অবস্থানের ক্ষেত্রে উত্তম, না কি ‘যাক্কু ম’ নামক কু রআনের অভিশপ্ত বৃক্ষ যা কাফিরদের খাদ্য। যা না পুষ্ট করে, না ক্ষু ধা নিবারণ করে?! إنا جعلنها فتنة للظ لمين
إِنَّا جَعَلْنَـٰهَا فِتْنَةًۭ لِّلظَّـٰلِمِينَ ﴿٦٣﴾
আমি উক্ত বৃক্ষকে ফিতনা স্বরূপ বানিয়ে ছি। এর সাহায্যে কু ফরি ও পাপাচারের মাধ্যমে জুলুমকারীদেরকে ফিতনায় ফেলে দেয়া হবে। যেখানে তারা বলেছে,আগুন বৃক্ষকে খেয়ে ফেলে। তাই এটি তাতে গজিয়ে উঠতে পারবেনা।
إِنَّهَا شَجَرَةٌۭ تَخْرُجُ فِىٓ أَصْلِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٦٤﴾
‘যাক্কু ম’ হলোএকটি নোংরাউৎসেরবৃক্ষ। এটি জাহান্নামেরতলদেশে জন্মায় ।
طَلْعُهَا كَأَنَّهُۥ رُءُوسُ ٱلشَّيَـٰطِينِ ﴿٦٥﴾
তা থেকে উদ্গত ফলের দৃশ্য এমন দৃষ্টি কটু যে, তাকে শয় তানের মাথার মত দেখায় । আর কু দৃশ্য কু স্বভাবেরই পরিচায় ক। তাই এটি প্রমাণ করে যে, তার ফল হবে বিস্বাদ। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَإِنَّهُمْ لَـَٔاكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِـُٔونَ مِنْهَا ٱلْبُطُونَ ﴿٦٦﴾
কাফিররা এর তিতা ও বিস্বাদ ফল ভক্ষণ করবে এবং তা দিয়ে তাদের খালি উদর পূর্ণ করবে। ثم إن لهم عليها لشوبا من حميم
ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًۭا مِّنْ حَمِيمٍۢ ﴿٦٧﴾
অতঃপরতাদেরউক্ত খাবারেরপরতাদেরজন্যরয়ে ছে মিশ্রি ত অপেয় উত্তপ্ত পানীয় ।
ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى ٱلْجَحِيمِ ﴿٦٨﴾
অতঃপর তাদেরকে ফেরত দেয়া হবে জাহান্নামের শাস্তি র দিকে। বস্তু তঃ তারা এক শাস্তি থেকে অপর শাস্তি র দিকে স্থানান্ত রিত হতে থাকবে।
إِنَّهُمْ أَلْفَوْا۟ ءَابَآءَهُمْ ضَآلِّينَ ﴿٦٩﴾
এসব কাফিরতাদেরপূর্ব পুরুষদেরকে হেদায়ে তেরপথ থেকে ভ্রষ্টপেয়ে ছে। তাই তারা প্রমাণবিহীন তাদেরঅন্ধ অনু সরণ করছে।
فَهُمْ عَلَىٰٓ ءَاثَـٰرِهِمْ يُهْرَعُونَ ﴿٧٠﴾
ফলে তারা ভ্রষ্টতার কাজে দ্র æততার সাথে পূর্ব পুরুষদের পদাঙ্ক অনু সরণ করে।
وَلَقَدْ ضَلَّ قَبْلَهُمْ أَكْثَرُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٧١﴾
তাদেরপূর্বেকারঅধিকাংশ লোকজন পথভ্র ষ্টহয়ে ছে। অতএবহে রাসূল! আপনারজাতি প্রথম পথভ্র ষ্টজাতি নয় । ولقد أرسلنا فيهم منذرين
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا فِيهِم مُّنذِرِينَ ﴿٧٢﴾
আমি পূর্বেকার সেসব জাতির নিকট রাসূলদেরকে প্রে রণ করেছি। তাঁরা তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি র ভয় দেখিয়ে ছে। কিন্তু তারা কু ফরি করেছে।
فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلْمُنذَرِينَ ﴿٧٣﴾
অতএব হে রাসূল! আপনি সেসব জাতির পরিণতির প্রতি লক্ষ্য করুন যাদরকে তাদের রাসূলগণ ভীতি প্রদর্শন করা সত্তে¡ও তারা তাঁদের ডাকে সাড়া দেয় নি। তাদের পরিণতি ছিল কু ফরি এবংতাদের রাসূলদেরকে মিথ্যারোপ করার প্রতিদান হিসাবে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নাামে প্রবেশ করা।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿٧٤﴾
কেবল যাদেরকে আল্লাহ তাঁর উপর ঈমান আনয় নের উদ্দেশ্যে খাঁটি করেছেন তারা ওইসব মিথ্যারোপকারী কাফিরের পরিণতিমূ লক শাস্তি থেকে মু ক্তি লাভ করবে।
وَلَقَدْ نَادَىٰنَا نُوحٌۭ فَلَنِعْمَ ٱلْمُجِيبُونَ ﴿٧٥﴾
আমার নিকট আমার নবী নূহ (আলাইহিস-সালাম) তাঁকে মিথ্যারোপকারী জাতির উপর বদ দু‘আ করেছিলেন। ফলে আমি কতইনা উত্তম সাড়া দানকারী ছিলাম। আমি অতিসত্ব র তাদের উপর তাঁর বদ দু‘আ কবুল করেছি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَنَجَّيْنَـٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٧٦﴾
আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে এবং ঈমানদারদেরকে তাঁর সম্প্র দায়ে র কাফিরদের কষ্ট থেকে এবং তাদেরকে মহা প্রলয়ংকারী প্লাবন থেকে রেহাই দিয়ে ছি।
وَجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُۥ هُمُ ٱلْبَاقِينَ ﴿٧٧﴾
আমি আল্লাহ শুধু তাঁর পরিবার ও অনু সারী মু মিনদেরকে উদ্ধার করেছি। পক্ষান্ত রে তাঁর সম্প্র দায়ে র অন্যান্য কাফিরদেরকে ধ্বংস করেছি।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْـَٔاخِرِينَ ﴿٧٨﴾
আমি পরবর্তী উম্মতেরমাঝে তাঁরসুনাম অক্ষু ণœ রেখেছি। যদ্ব রুন তারাতাঁরপ্র শংসাকরে।
سَلَـٰمٌ عَلَىٰ نُوحٍۢ فِى ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٧٩﴾
নূ হের জন্য নিরাপত্তা ও শান্তি । পরবর্তী কেউ তাঁর ব্যাপারে কটূ ক্তি করবে না। বরং তাঁর বারংবার প্রশংসা ও সুনাম অব্যাহত থাকবে।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿٨٠﴾
আমি নূহ (আলাইহস-সালাম) কে যে প্রতিদান দিয়ে ছি তেমনি প্রতিদান দেবো তাদেরকেও যারা এককভাবে আল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্যের মাধ্যমে উৎকৃষ্ট সাব্যস্ত হয়েছে।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٨١﴾
অবশ্যই নূ হ (আলাইহস-সালাম) আমারআনু গত্যেরমাধ্যমে আমলকারী মু ’মিন বান্দাদেরঅন্ত র্ভু ক্ত।
ثُمَّ أَغْرَقْنَا ٱلْـَٔاخَرِينَ ﴿٨٢﴾
অতঃপরআমি তাদেরউপরঅবধারিত প্লাবন দ্বারাঅবশিষ্ট দেরকে ডু বিয়ে দিলাম। ফলে তাদেরকেউই রেহাই পেল না।
۞ وَإِنَّ مِن شِيعَتِهِۦ لَإِبْرَٰهِيمَ ﴿٨٣﴾
আর ইবরাহীম (আলাইহস-সালাম) ছিলেন তাঁর দ্বীনের সেসব অনু সারীদের অন্ত র্ভু ক্তযারা ছিল একত্ব বাদের দা’ওয়াতে তাঁর সাথে একমত।
إِذْ جَآءَ رَبَّهُۥ بِقَلْبٍۢ سَلِيمٍ ﴿٨٤﴾
সেই সময়ে রকথাস্মরণ করুন যখন তিনি স্বীয় প্রতিপালকেরসাথে শিরক করাথেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে একান্ত আন্ত রিক হয়ে এসেছিলেন আল্লাহর সৃষ্টি র নিকট শুভাকাঙ্খী হিসাবে। إذ قال لأبيه وقومه ماذا تعبدون
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَاذَا تَعْبُدُونَ ﴿٨٥﴾
যখন তিনি তাঁর মু শরিক পিতা ও সম্প্র দায় কে ধমকির স্বরে বলেছিলেন: তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে কার ইবাদাত করো?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
أَئِفْكًا ءَالِهَةًۭ دُونَ ٱللَّهِ تُرِيدُونَ ﴿٨٦﴾
তোমরাকি আল্লাহর পরিবর্তে মিথ্যা দেবতাদের ইবাদাত করো?
فَمَا ظَنُّكُم بِرَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٨٧﴾
হে আমার সম্প্র দায়! তোমরা জগতসমূ হের প্রতিপালকের ব্যাপারে কী ধারণা করো - যখন তোমরা অন্যের ইবাদাত করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে তখন তিনি তোমাদেরসাথে কী আচরণ করবেন?
فَنَظَرَ نَظْرَةًۭ فِى ٱلنُّجُومِ ﴿٨٨﴾
ইবরাহীম (আলাইহস-সালাম) তাঁর জাতির সাথে বের হওয়া থেকে বাঁচার পথ খোঁজার জন্য ফন্দি আঁটতে তারকারাজির প্রতি দৃষ্টি দিলেন। فقال إنى سقيم
فَقَالَ إِنِّى سَقِيمٌۭ ﴿٨٩﴾
তাই তাঁর জাতির সাথে তাদের উৎসবে বের না হওয়ার কারণ দর্শালেন এই বলে যে, তিনি অসুস্থ । فتولوا عنه مدبرين
فَتَوَلَّوْا۟ عَنْهُ مُدْبِرِينَ ﴿٩٠﴾
ফলে তারা তাঁকে পেছনে রেখে চলে গেল।
فَرَاغَ إِلَىٰٓ ءَالِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٩١﴾
তখন তিনি আল্লাহর পরিবর্তে তাদের বানানো দেবতাদের দিকে ধাবিত হয়ে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বিদ্র ƒপের ছলে বললেন: তোমাদের কী হল? তোমাদের উদ্দেশ্যে মু শরিকরা যে খাবার প্রস্তু ত করেছে তোমরা তা খাচ্ছ না কেন?! ما لكم لا تنطقون
مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ ﴿٩٢﴾
তোমাদের কী হল? তোমরা কথা বলছ না? আবার কেউ তোমাদেরকে প্রশ্নকরলে তার উত্তরও দিচ্ছ না?! এমন কারো কি আল্লাহর পরিবর্তে ইবাদাত করা যায় ?!
فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًۢا بِٱلْيَمِينِ ﴿٩٣﴾
এবারইবরাহীম (আলাইহস-সালাম) তাদেরদিকে অগ্র সরহয়ে সেগুলোকে ভাঙ্গারজন্য তাঁরডান হাত দিয়ে আঘাত করলেন।
فَأَقْبَلُوٓا۟ إِلَيْهِ يَزِفُّونَ ﴿٩٤﴾
অতঃপর তাঁর প্রতি এসব দেবতাদের পূজারীরা তড়ি ত অগ্র সর হলো। قال أتعبدون ما تنحتون
قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ ﴿٩٥﴾
ইবরাহীম (আলাইহস-সালাম) দৃঢ় তার সাথে তাদের মু কাবিলা করলেন এবং তাদেরকে ধমকির স্বরে বললেন: তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন দেবতার ইবাদাত করো যাদেরকে তোমরা নিজ হাতে তৈরী করেছ?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَٱللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾
অথচ মহান আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের কাজকেও সৃষ্টি করেছেন। আর তোমাদের কাজের মধ্যে রয়ে ছে এসব দেবতা। তাই কেবল তিনিই এবাদতের হকদার। তাঁর সাথে অন্যকে শরীক করা যাবে না।
قَالُوا۟ ٱبْنُوا۟ لَهُۥ بُنْيَـٰنًۭا فَأَلْقُوهُ فِى ٱلْجَحِيمِ ﴿٩٧﴾
তারা যখন প্রমাণ ভিত্তিক জবাব দানে ব্যর্থ হলো তখন ক্ষমতার আশ্র য় নিলো। তারা পরস্পর পরামর্শ করলো যে, ইবরাহীমের ব্যাপারে কী করা যায় । তারা বললো: একটি চৌহদ্দি ঘেরা পরিখা খনন করো। অতঃপর তাতে কিছু কাঠ জড়ো করে সেগুলোতে আগ্নি সংযোগ করো এবং তাতে তাকে নিক্ষেপ করো।
فَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًۭا فَجَعَلْنَـٰهُمُ ٱلْأَسْفَلِينَ ﴿٩٨﴾
ইবরাহীমের জাতি তাঁকে কষ্ট দিয়ে ধ্বংস করে তাঁর থেকে রেহাই পেতে চাইলো। তখন আমি তাঁর উপর আগুনকে সুশীতল বানিয়ে দিয়ে তাদেরকেই ক্ষতিগ্র তস্ করলাম। وقال إنى ذاهب إلى ربى سيهدين
وَقَالَ إِنِّى ذَاهِبٌ إِلَىٰ رَبِّى سَيَهْدِينِ ﴿٩٩﴾
তখন ইবরাহীম (আলাইহস-সালাম) বললেন: আমি আমারজাতিরদেশ ছেড়ে আমারপ্র তিপালকেরএবাদতেরউদ্দেশ্যে তাঁরদিকেই হিজরত করছি। আমার প্রতিপালক অচিরেই আমাকে ইহ ও পরকালীন কল্যাণের পথ দেখাবেন।
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ ﴿١٠٠﴾
হে আমারপ্র তিপালক! আমাকে একটি সুসন্তান দিন। যে আমারসহযোগী হবেও আমারসম্প্র দায়ে রমাঝে আমারস্থ লাভিষিক্ত হবে। فبشرنه بغلم حليم
فَبَشَّرْنَـٰهُ بِغُلَـٰمٍ حَلِيمٍۢ ﴿١٠١﴾
আমি তাঁর দু‘আ কবুল করলাম এবং তাঁকে এক আনন্দ দায় ক সুসংবাদ জানালাম। তাকে এমন এক সন্তানের সুসংবাদ দিলাম যে বড় ও সহনশীল হবে। আরতিনি হলেন ইসমাঈল (আলাইহিস-সালাম)।
فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ ٱلسَّعْىَ قَالَ يَـٰبُنَىَّ إِنِّىٓ أَرَىٰ فِى ٱلْمَنَامِ أَنِّىٓ أَذْبَحُكَ فَٱنظُرْ مَاذَا تَرَىٰ ۚ قَالَ يَـٰٓأَبَتِ ٱفْعَلْ مَا تُؤْمَرُ ۖ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَآءَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلصَّـٰبِرِينَ ﴿١٠٢﴾
ইসমা‘ইল (আলাইহিস-সালাম) যৌবনে পদার্পণ করলে তাঁর কর্মচাঞ্চল্য স্বীয় পিতার কর্মতৎপরতার সাথে যুক্ত হলো। পিতা ইবরাহীম একটি স্বপ্ন দেখলেন। বস্তু তঃ নবীদের স্বপ্ন হলো এক প্রকার ওহী। ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) স্বীয় পুত্রকে তাঁর স্বপ্নে র ইঙ্গিত সম্পর্কে অবগত করতে গিয়ে বললেন:আমি স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে ছি,আমি যেন তোমাকে কু রবানীকরি। এবারতোমারমতামত কীতাবলো। তখন ইসমাঈল (আলাইহিস-সালাম) তাঁর পিতাকে এই বলে উত্তরদিলেন যে,হে আমারপ্রাণপ্রি য় পিতা! আল্লাহ আমাকে কু রবানীকরতে আপনারউপরযে নির্দে শ জারীকরেছেন তাবাস্ত বায় ন করুন। আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে অচিরেই তাঁর নির্দে শের উপর ধৈর্যশীল ও সন্তু ষ্টপাবেন।
فَلَمَّآ أَسْلَمَا وَتَلَّهُۥ لِلْجَبِينِ ﴿١٠٣﴾
যখন উভয় জন আল্লাহরউদ্দেশ্যেঅবনমিত ও আনু গত্যশীল হলোএবংইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) স্বীয় পুত্রকে যবাই করারনির্দে শ বাস্ত বায় ন করার জন্য তাঁর চেহারার পার্শ্বদেশ ফিরালেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَنَـٰدَيْنَـٰهُ أَن يَـٰٓإِبْرَٰهِيمُ ﴿١٠٤﴾
তিনি তখন পুত্রকে যবাই করারব্যাপারেআমারনির্দে শ বাস্ত বায় নে ব্যস্ত ছিলেন তখনই আমি তাঁকে ডেকে বললাম:হে ইবরাহীম!
قَدْ صَدَّقْتَ ٱلرُّءْيَآ ۚ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٠٥﴾
অবশ্যই আপনি নিজ পুত্রকে যবাই করারচূ ড়ান্ত প্রতিজ্ঞারমাধ্যমে স্বপ্নে রনির্দে শ বাস্ত বেরূপ দিয়ে ছেন। মূলতঃআপনাকে যেভাবেএই কঠি ন পরীক্ষা থেকে রেহাই দিয়ে ছি এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে কঠি ন পরীক্ষাথেকে উদ্ধারকরারমাধ্যমে প্রতিদান দেই।
إِنَّ هَـٰذَا لَهُوَ ٱلْبَلَـٰٓؤُا۟ ٱلْمُبِينُ ﴿١٠٦﴾
এটি হলোএক সুস্পষ্ট পরীক্ষা। যাতে ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) উত্তীর্ণ হয়ে ছেন। وفدينهبذب ح عظيم
وَفَدَيْنَـٰهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍۢ ﴿١٠٧﴾
আমি ইসমাঈলেরপরিবর্তে একটি বিরাট আকারেরভেড়াপাঠালাম। তাঁরপরিবর্তে যেটি কে যবাই করাহবে।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْـَٔاخِرِينَ ﴿١٠٨﴾
আর আমি ইবরাহীমের জন্য পরবর্তী জাতিদের মধ্যে সুনাম রেখে দিলাম।
سَلَـٰمٌ عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ ﴿١٠٩﴾
যা আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর জন্য শান্তি এবং এটি সর্বপ্র কার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তার দু‘আ স্বরূপও।
كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١١٠﴾
আমি যেভাবেইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) কে তাঁরআনু গত্যেরউপরপ্র তিদান দিয়ে ছি তেমনিভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে প্রতিদান দেবো।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١١١﴾
ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) আমার সেসব মু মিন বান্দাদের অন্ত র্ভু يক্তযারা আল্লাহর এবাদতের দাবি পূরণে সক্ষম।
وَبَشَّرْنَـٰهُ بِإِسْحَـٰقَ نَبِيًّۭا مِّنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ ﴿١١٢﴾
আমি তাঁকে আরেকটি পুত্রের সুসংবাদ দিয়ে ছি। যিনি নবী ও আল্লাহর সৎ বান্দাহ হবেন। যিনি হলেন ইসহাক (আলাইহিস-সালাম)। এটি সেই আনু গত্যেরপ্র তিদান স্বরূপ আল্লাহ তাঁকে দিয়ে ছেন যাতিনি তাঁরএকমাত্রসন্তান ইসমাঈলকে যবাই করারমাধ্যমে প্রমাণ করছেন।
وَبَـٰرَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰٓ إِسْحَـٰقَ ۚ وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌۭ وَظَالِمٌۭ لِّنَفْسِهِۦ مُبِينٌۭ ﴿١١٣﴾
আরআমি তাঁরও তাঁরসন্তান ইসহাকেরপ্র তি আমারপক্ষ থেকে বরকত অবতীর্ণ করি। ফলে তাঁদেরউভয়ে রউদ্দেশ্যেনিআমতেরপ্রাচু র্যপ্রদান করি। তন্মধ্যে রয়ে ছে উভয়ে র সন্তানদের আধিক্য। আর তাদের সন্তানদের মধ্যে রয়ে ছে স্বীয় প্রতিপালকের আনু গত্যের মাধ্যমে সৎকর্মশীল। আবার তাদের কেউ আপন আত্মার উপর কু ফরি ও সুস্পষ্ট জুলুম এবং পাপাচারের মাধ্যমে অবিচারকারী। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর ولقدمنناعل موس وهرون
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَـٰرُونَ ﴿١١٤﴾
আর আমি মূ সা ও হারূনের উপর নবুওয়াত দ্বারা অনু গ্রহ করি।
وَنَجَّيْنَـٰهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ ﴿١١٥﴾
আমি তাঁদের উভয় কে ও তাঁদের জাতি বানী ইসরাইলকে ফিরাউনের দাসত্ব ও ডু বার হাত থেকে রক্ষা করি।
وَنَصَرْنَـٰهُمْ فَكَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَـٰلِبِينَ ﴿١١٦﴾
আর আমি তাঁদেরকে ফিরআউন ও তার বাহিনীর উপর বিজয় দান করি। ফলে তাঁদের শত্রæদের উপর তাঁদের বিজয় নিশ্চিত হয় ।
وَءَاتَيْنَـٰهُمَا ٱلْكِتَـٰبَ ٱلْمُسْتَبِينَ ﴿١١٧﴾
আমি মূ সাও তাঁরভাই হারূনকে আল্লাহরপক্ষ থেকে সুস্পষ্ট তাওরাত কিতাবপ্র দান করি। যাতে কোন অস্পষ্ট তানেই।
وَهَدَيْنَـٰهُمَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ ﴿١١٨﴾
আর আমি তাঁদের উভয় কে বক্র তাহীন সরল পথ দেখাই। যা হলো ইসলাম ধর্মের সেই পথ যেটি ¯্রষ্টার সন্তু ষ্টি পর্যতন্ পৌঁছে দেয় ।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِى ٱلْـَٔاخِرِينَ ﴿١١٩﴾
আমি তাঁদের উভয়ে র জন্য পরবর্তীদের মধ্যে প্রশংসা ও সুনাম রেখে দিয়ে ছি। سلمعل موس وهرون
سَلَـٰمٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَـٰرُونَ ﴿١٢٠﴾
আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁদের উভয়ে র উদ্দেশ্যে উত্তম অভিবাদন ও সর্ব প্রকার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তার আশির্বাদ।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٢١﴾
আমি যেভাবে মূসা ও হারূনকে এই উত্তম প্রতিদান দিয়ে ছি তেমনিভাবে আমি সৎকর্মশীলদেরকে স্বীয় প্রতিপালকের আনুগত্যের উপর প্রতিদান দেবো।
إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٢٢﴾
অবশ্যই মূসা ও হারূন আমার সেসব বান্দাদের অন্ত র্ভু ক্তযারা আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নকারী ও তাঁর কর্র্তৃক বিধিবদ্ধ বিধান অনুযায়ী নেক আমলকারী।
وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٢٣﴾
আরইলিয়াস (আলাইহিস-সালাম) স্বীয় প্রতিপালকেরপক্ষ থেকে প্রে রিত ছিলেন। আল্লাহ তাঁকে নবুওয়াত ও রিসালত দ্বারাধন্যকরেছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَلَا تَتَّقُونَ ﴿١٢٤﴾
যখন তাঁর জাতি বানী ইসরাইলকে উদ্দেশ্য করে বললেন: হে আমার জাতি! তোমরা কি আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করো না?তাঁরঅদেশেরঅন্ত র্ভু ক্তরয়ে ছে তাওহীদ। আরতাঁরনিষেধেরমধ্যেরয়ে ছে শিরক?!
أَتَدْعُونَ بَعْلًۭا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ ٱلْخَـٰلِقِينَ ﴿١٢٥﴾
তোমরা নিজেদের “বা’ল” নামক মূ র্র্তির পূঁজা করো। আর সর্বাপেক্ষা সুন্দ রতম ¯্রষ্টার ইবাদাত পরিহার করছো?!
ٱللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿١٢٦﴾
আল্লাহই হচ্ছেন তোমাদের একমাত্র প্রতিপালক। যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনিই এবাদতের হকদার; অন্যসব মূ র্তি নয় । যা না কোন উপকার করতে পারে; না অপকার। فكذبوه فإن هم لمحضرون
فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٢٧﴾
তাঁর জাতি এর জবাবে তাঁকে মিথ্যারোপ করলো। ফলে তারা শাস্তি তে পতিত হলো।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٢٨﴾
তবে তাঁর জাতির মধ্যে যারা ঈমানদার ও আল্লাহর উপাসনায় একনিষ্ঠ ছিলো তারা শাস্তি তে পতিত হওয়া থেকে দূরে ছিল।
وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْـَٔاخِرِينَ ﴿١٢٩﴾
আমি পরবর্তী জাতির নিকট তাঁর সুনাম ও সুখ্যাতি অবশিষ্ট রেখে দিলাম।
سَلَـٰمٌ عَلَىٰٓ إِلْ يَاسِينَ ﴿١٣٠﴾
এটি আল্লাহরপক্ষ থেকে আশির্বাদ ও প্রশংসা স্বরূপ।
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ ﴿١٣١﴾
আমি যেভাবেইলিয়াস (আলাইহিস-সালাম) কে প্রতিদান দিয়ে ছি ঠি ক তেমনিভাবেআমি নিজ মু ’মিন বান্দাদেরকে প্রতিদান দেবো।
إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿١٣٢﴾
অবশ্যই ইলিয়াস (আলাইহিস-সালাম) আমারসেসবপ্র কৃ ত মুু ’মিন বান্দাদেরঅন্ত র্ভু ক্তযারাস্বীয় প্রতিপালকেরউপরঈমানে সত্যপরায় ণ।
وَإِنَّ لُوطًۭا لَّمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٣﴾
অবশ্যই লুত্ব (আলাইহিস-সালাম) হলেন আল্লাহরসেসবপ্রে রিত রাসূলদেরঅন্ত র্র্ভু ক্তযাঁদেরকে তিনি স্বীয় সম্প্র দায়ে রপ্র তি সুসংবাদদাতাও সতর্ক কারী হিসাবেপ্রে রণ করেছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর إ ذ نجينه وأهله أجمعين
إِذْ نَجَّيْنَـٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ أَجْمَعِينَ ﴿١٣٤﴾
তাই আপনি সে সময়ে রকথাস্মরণ করুন যখন আমি তাঁরজাতিকে ধ্বংসকারীশাস্তি থেকে তাঁকে ও তাঁরপরিবারকে রেহাই দিয়ে ছি।
إِلَّا عَجُوزًۭا فِى ٱلْغَـٰبِرِينَ ﴿١٣٥﴾
শুধুমাত্র তাঁর স্ত্রী ছাড়া। কারণ, সে তাঁর জাতির মত অবিশ্বাসী ছিলো। তাই তাঁর জাতির শাস্তি তাকেও পেয়ে ছিলো।
ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْـَٔاخَرِينَ ﴿١٣٦﴾
এরপর আমি তাঁর জাতির অবশিষ্ট মিথ্যারোপকারী এবং তাঁর কর্র্তৃ ক আনিত বিষয় প্রত্যাখ্যানকারীদেরকে ধ্বংস করে দিয়ে ছি। وإ نكم لتمرون عليهم م ص بحين
وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِم مُّصْبِحِينَ ﴿١٣٧﴾
হে মক্কাবাসীরা! তোমরা সিরিয়ায় গমনের সময় সকাল বেলা তাদের আবাসের উপর দিয়ে অতিক্র ম করে থাক।
وَبِٱلَّيْلِ ۗ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿١٣٨﴾
এমনিভাবে এসবের উপর দিয়ে রাত্রেও গমন করো। তোমরা কি অনুধাবন করো না এবং তাদের মিথ্যারোপ, কু ফরি ও অশ্লীল কাজের ফলে তাদের উপরআপতিত পরিণতি থেকে উপদেশ গ্রহণ করোনা?
وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٣٩﴾
আমার বান্দা ইউনু স (আলাইহিস-সালাম) অবশ্যই সেসব রাসূলদের অন্ত র্ভু ক্তযাঁদেরকে আল্লাহ তাঁদের জাতির নিকট সুসংবাদদাতা ও সতর্ক কারী হিসাবে প্রে রণ করেছেন।
إِذْ أَبَقَ إِلَى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ ﴿١٤٠﴾
প্রতিপালকেরঅনু মতি ছাড়াই নিজ জাতি থেকে পালিয়ে তিনি এমন এক জাহাজে আরোহণ করেছিলেন যেটি আরোহীও আসবাবপ্র ত্রেপূর্ণ ছিলো।
فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ ٱلْمُدْحَضِينَ ﴿١٤١﴾
যখন পূর্ণ জাহাজটি ডু বারউপক্র ম হলোতখন আরোহীদেরআধিক্যেরকারণে জাহাজটি কে ডু বারভয় থেকে রক্ষার্থে কিছু সংখ্যক আরোহীকে পানিতে ফেলে দেয়ার জন্য তারা লটারীর ব্যবস্থা করলো। অতঃপর ইউনু স (আলাইহিস-সালাম) এর নাম তালিকায় এসে গেলে তারা তাঁকে সমু দ্রে ফেলে দিলো।
فَٱلْتَقَمَهُ ٱلْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌۭ ﴿١٤٢﴾
যখন তারাতাঁকে সমুদ্রে ফেলেদিলোতখন তাঁকে একটি মাছ গিলেফেললো। বস্তু তঃতিনি তখন নিন্দ নীয় কাজটি ই করেছিলেন। কেননা,তিনি স্বীয় প্রতিপালকেরঅনু মতি ব্যতিরেকে পালিয়ে সমু দ্রে রপথে পা বাড়ি য়ে ছেলেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَلَوْلَآ أَنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُسَبِّحِينَ ﴿١٤٣﴾
যদি ইউনুস (আলাইহিস-সালাম) তৎপূর্বে স্বীয় প্রতিপালকের বেশী বেশী স্মরণকারী না হতেন। আর যদি তিনি মাছের পেটে থাকাবস্থায় তাসবীহ না পড় তেন তবে
لَلَبِثَ فِى بَطْنِهِۦٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿١٤٤﴾
কিয়ামত পর্যতন্ মাছের পেটেই থেকে যেতেন তথা সেটি তাঁর কবরে পরিণত হয়ে যেতো।
۞ فَنَبَذْنَـٰهُ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ سَقِيمٌۭ ﴿١٤٥﴾
আমি তাঁকে মাছেরপেট থেকে গাছ-পালা ও ঘর-বাড়ী-বিহীন একটি অনাবাদি যমীনে ফেলারব্যবস্থা করলাম। বস্তু তঃতিনি তখন মাছেরপেটে থাকার ফলে রুগ্ন ও শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন। وأنبتنا عليه شجرة من يقطين
وَأَنۢبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةًۭ مِّن يَقْطِينٍۢ ﴿١٤٦﴾
অমি তাঁরউপরউক্ত যমীনে লাউ গাছ জন্মালাম। যাথেকে তিনি ছায়াও খাবারগ্র হণ করবেন। وأرسلنهإ لى مائة ألف أو يزيدون
وَأَرْسَلْنَـٰهُ إِلَىٰ مِا۟ئَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ ﴿١٤٧﴾
আর আমি তাঁকে তাঁর জাতির নিকট পাঠালাম। যাদের সংখ্যা ছিলো এক লক্ষ বা ততোধিক। فٔامنوافمتعنهم إلى حين
فَـَٔامَنُوا۟ فَمَتَّعْنَـٰهُمْ إِلَىٰ حِينٍۢ ﴿١٤٨﴾
তারা ঈমান আনয় ন করলো ও তাঁরআনিত বিষয় কে সত্যায় ন করলো। ফলে আল্লাহ তাদেরকে তাদেরইহকালীন জীবনেরনির্ধারিত শেষ আয়ু পর্যতন্ উপভোগ করালেন।
فَٱسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ ٱلْبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلْبَنُونَ ﴿١٤٩﴾
হে মু হামম্মদ! আপনি মু শরিকদেরকে নেতিবাচক প্রশ্নকরতঃ তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, তোমরা কি আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান দাবি করছো যা তোমরা নিজেদের জন্য অপছন্দ করো। আর নিজেদের জন্য ছেলে সন্তান দাবি করছো যা তোমরা নিজেদের জন্য পছন্দ করো?! এটি কোন্ ধরনের বন্ট ন নীতি?!
أَمْ خَلَقْنَا ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ إِنَـٰثًۭا وَهُمْ شَـٰهِدُونَ ﴿١٥٠﴾
তারা কীভাবে ধারণা করলো যে, ফিরিশতারা হলেন মহিলা। অথচ তারা তাঁদের সৃষ্টি কালে না উপস্থি ত হয়ে ছে। আর না তারা তাতে প্রত্যক্ষদর্শী ছিলো।
أَلَآ إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ ﴿١٥١﴾
জেনে রেখো, মু শরিকরা আল্লাহর উপর মিথ্যাচার ও মিথ্যা অপবাদে লিপ্ত রয়ে ছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَلَدَ ٱللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَـٰذِبُونَ ﴿١٥٢﴾
তারা তাঁরপ্র তি সন্তানকে সম্বন্ধ করেথাকে। অথচ তারা তাদেরএই দাবিতে মিথ্যাবাদী।
أَصْطَفَى ٱلْبَنَاتِ عَلَى ٱلْبَنِينَ ﴿١٥٣﴾
তবে কি আল্লাহ তাঁর জন্য তোমাদের নিকট পছন্দ নীয় ছেলেদের পরিবর্তে ওই সব কন্যাদেরকে পছন্দ করলেন যাদেরকে তোমরা অপছন্দ করো?! কস্মিনকালেও তা হতে পারে না। مالكم كيف تحكمون
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ﴿١٥٤﴾
হে মু শরিকরা! তোমাদের কী হলো যে, তোমরা এই অবিচার করছো। আল্লাহর জন্য কন্যা আর নিজেদের জন্য পুত্র সন্তান নির্ধারণ করছো?! أفلا تذك رون
أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿١٥٥﴾
তোমরা কি নিজেদের ভ্রান্ত বিশ্বাসের বাতু লতার কথা স্মরণ করো না?! কেননা, তোমরা এবিষয় টি স্মরণ করলে এই কথা বলতে না। أم لكم سلطن مبين
أَمْ لَكُمْ سُلْطَـٰنٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿١٥٦﴾
না কি এক্ষেত্রে তোমাদের নিকট কোন কিতাব কিংবা রাসূল মারফত সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ রয়ে ছে?! فأتوا بكتبكم إن كنتم صدقين
فَأْتُوا۟ بِكِتَـٰبِكُمْ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿١٥٧﴾
তোমরা নিজেদের দাবিতে সত্য হলে প্রমাণবিশিষ্ট কিতাব নিয়ে আসো।
وَجَعَلُوا۟ بَيْنَهُۥ وَبَيْنَ ٱلْجِنَّةِ نَسَبًۭا ۚ وَلَقَدْ عَلِمَتِ ٱلْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ ﴿١٥٨﴾
মুশরিকরা আল্লাহ ও তাঁর অদৃশ্য ফিরিশতাদের মাঝে সম্বন্ধ সাব্যস্ত করেছে। যখন তারা ধারণা করেছে যে, ফিরিশতাগণ আল্লাহর কন্যা। অথচ ফিরিশতাগণ জানেন যে,আল্লাহ অচিরেই মু শরিকদেরকে হিসাবেরউদ্দেশ্যেউপস্থি ত করবেন।
سُبْحَـٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٥٩﴾
মহান আল্লাহ মু শরিকদের দ্বারা তাঁর সাথে সন্তান কিংবা অন্য কিছু কে অংশীদার সাব্যস্ত করা থেকে বহু উর্দ্ধে ও পবিত্র।
إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٠﴾
তবে হ্যাঁ, আল্লাহর খাঁটি বান্দাদের ব্যাপারটি ভিন্ন। কেননা, তারা আল্লাহকে তাঁর সাথে মানানসই সম্মানজনক পুর্ণাঙ্গ গুণ ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা অভিহিত করে না। فإنكم وما تعبدون
فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ ﴿١٦١﴾
হে মু শরিকরা! তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদাত করে থাকো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ بِفَـٰتِنِينَ ﴿١٦٢﴾
তোমরা কেউই আল্লাহরইচ্ছারবিরুদ্ধে কাউকে সত্য ধর্ম থেকে বিচ্যুত করতে সক্ষম নও।
إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ ٱلْجَحِيمِ ﴿١٦٣﴾
তবে কেবল সে ব্যতীত যার ব্যাপারে আল্লাহ ফয় সালা করেছেন যে, সে জাহান্নামী। কেননা, আল্লাহ তার বিষয়ে স্বীয় ফয় সালা অবশ্যই বাস্তাবায় ন করবেন। ফলে সে কু ফরি করবে এবং জাহান্নামে প্রবেশ করবে। পক্ষান্ত রে তোমরা ও তোমাদের দেবতাদের এ ব্যাপারে কোনই ক্ষমতা নেই।
وَمَا مِنَّآ إِلَّا لَهُۥ مَقَامٌۭ مَّعْلُومٌۭ ﴿١٦٤﴾
ফিরিশতাগণ আল্লাহর উদ্দেশ্যে তাঁদের ইবাদাত নিবেদন করেন এবং মুশরিকদের ধারণা থেকে তাদের ইবাদাতের পবিত্রতা ঘোষণা করে বলেন, আমাদেরমধ্যে এমন কেউ নেই যারজন্য আল্লাহরইবাদাত ও আনু গত্যে নির্ধারিত কোন স্থান রয়ে ছে।
وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلصَّآفُّونَ ﴿١٦٥﴾
وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلْمُسَبِّحُونَ ﴿١٦٦﴾
আমরা ফিরিশতাগণ আল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্যে সারিবদ্ধভাবে দÐায় মান রয়ে ছি। আমরা আল্লাহকে তাঁর সাথে বেমানান এমন সব বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী থেকে পবিত্র ঘোষণা করি। وإ نكانوا ليقولون
وَإِن كَانُوا۟ لَيَقُولُونَ ﴿١٦٧﴾
لَوْ أَنَّ عِندَنَا ذِكْرًۭا مِّنَ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿١٦٨﴾
لَكُنَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿١٦٩﴾
فَكَفَرُوا۟ بِهِۦ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ ﴿١٧٠﴾
মক্কার মুশরিকরা বলে, যদি আমাদের নিকট পূর্বসূরীদের কোন কিতাব থাকতো যেমন: তাওরাত, তাহলে আমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ইবাদাতকে খাঁটি করতাম। অথচ তারা নিজেদেরদাবিতে মিথ্যাবাদী। কেননা, তাদেরনিকট মু হাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃ ক কু রআন আনা সত্তে¡ও তারা তাঁকে অস্বীকারকরেছে। ফলে তারাঅচিরেই জানতে পারবে,কিয়ামত দিবসে তাদেরউদ্দেশ্যেকেমন শাস্তি অপেক্ষমাণ রয়ে ছে।
وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٧١﴾
إِنَّهُمْ لَهُمُ ٱلْمَنصُورُونَ ﴿١٧٢﴾
وَإِنَّ جُندَنَا لَهُمُ ٱلْغَـٰلِبُونَ ﴿١٧٣﴾
আমার রাসূলদের ক্ষেত্রে আমার প্রত্যাহার ও রদবদলমু ক্তফয় সালা ইতিপূর্বেই হয়ে গেছে যে, তাঁরাই আল্লাহ প্রদত্ত প্রমাণ ও ক্ষমতা বলে স্বীয় শত্রæদের উপর বিজয়ী হবেন। আর বিজয় আমার বাহিনীর জন্যই। যারা আল্লাহর বাণীকে উড্ডীন করার নিমিত্তে তাঁর পথে যুদ্ধ করে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর فتول عنهمحت حين
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿١٧٤﴾
অতএব হে রাসূল! এসব হঠকারী মু শরিকদের থেকে আল্লাহর জ্ঞানে নির্ধারিত সময় পর্যতন্ আপনি মু খ ফিরিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না তাদের শাস্তি র সময় উপস্থি তহয় । وأبصرهم فسوف يبصرون
وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٥﴾
আরআপনি তাদেরশাস্তি দেখারঅপেক্ষায় থাকু ন। অচিরেই তারাওতাদেখবে। যখন এ দেখাতাদেরকোন উপকারেই আসবেনা। أ فبعذابنا يستعجلون
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٧٦﴾
এসব মু শরিকরা কি আল্লাহর শাস্তি র জন্য তাড়াহুড়ো করছে?!
فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَآءَ صَبَاحُ ٱلْمُنذَرِينَ ﴿١٧٧﴾
যখন আল্লাহরশাস্তি তাদেরউপরনিপতিত হবেতখন তাদেরপ্র ভাত কতই নামন্দ প্রভাতে পরিণত হবে। وتول عنهمحت حين
وَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿١٧٨﴾
আর হে রাসূল! আপনি তাদের থেকে মু খ ফিরিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না আল্লাহ তাদের শাস্তি র ফয় সালা করেন। وأبصر فسوف يبصرون
وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ ﴿١٧٩﴾
আরহ্যাঁ, আপনি তাদেরশাস্তি দেখারঅপেক্ষায় থাকু ন। অচিরেই তারা তাদেরউপরনিপতিত আযাবও শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। যখন এ দেখা তাদের কোনই উপকারে আসবে না।
سُبْحَـٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿١٨٠﴾
হে মু হাম্মদ! আপনারপ্র তিপালক মু শরিকদেরক্রু টি পূর্ণ আখ্যা থেকে বহু উর্দ্ধে ও পবিত্র।
وَسَلَـٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿١٨١﴾
আর আল্লাহর সম্মানী রাসূলদের উপর তাঁর আশির্বাদ ও বহুল প্রশংসা।
وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿١٨٢﴾
বস্তু তঃসকল প্রশংসা আল্লাহরনিমিত্তে। তিনিই এরহকদার। কেননা,তিনি সকল সৃষ্টি রপ্র তিপালক। তিনি ব্যতীত তাদেরজন্যআরকোন প্রতিপালক নেই। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই