يسٓ ﴿١﴾
ইয়াসীন, এসব যুক্ত অক্ষরের অর্থের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাক্বারার শুরুতে অতিক্রান্ত হয়ে ছে।
হোম›তাফসির›Yaseen (36)
মাক্কী · 83 আয়াত
يسٓ ﴿١﴾
ইয়াসীন, এসব যুক্ত অক্ষরের অর্থের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাক্বারার শুরুতে অতিক্রান্ত হয়ে ছে।
وَٱلْقُرْءَانِ ٱلْحَكِيمِ ﴿٢﴾
আল্লাহ ঐ কোরআনের শপথ করছেন যার আয়াতগুলোকে নিপুণ করা হয়ে ছে। আর যেগুলোর প্রতি সম্মুখ বা পিছন থেকে বাতিল আগমন করতে পারবে না।
إِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿٣﴾
হে রাসূল! আপনি সেই সব রাসূলের অন্ত র্ভুক্ত যাদেরকে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি প্রে রণ করেছেন। যেন তাঁরা তাদেরকে তাঁর একত্ব বাদ ও এককভাবেতাঁরএবাদতেরনির্দে শ দেয় । عل صرط مستقيم
عَلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ ﴿٤﴾
تَنزِيلَ ٱلْعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٥﴾
সঠি ক পদ্ধতি ও সুদৃঢ় কর্মপন্থার উপর। আর এই সঠি ক পদ্ধতি ও সুদৃঢ় কর্মপন্থা তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ। যিনি পরাক্র মশালী; যাঁকে পরাভূ তকারী কেউ নেই। তিনি তাঁরমু মিন বান্দাদেরপ্র তি দয়াপরবশ।
لِتُنذِرَ قَوْمًۭا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمْ فَهُمْ غَـٰفِلُونَ ﴿٦﴾
আমি আপনারপ্র তি তা অবতীর্ণ করেছি। যাতে আপনি এক জাতি তথা এমন আরবদেরকে ভীতি প্রদর্শন করতে পারেন। যাদেরকে সতর্ক করারজন্য কোন রাসূল আগমন করেননি। ফলে তারা ঈমান ও একত্ব বাদ থেকে উদাসীন। আর এটি ই প্রত্যেক এমন জাতির অবস্থা যারা ভীতি প্রদর্শন থেকে বঞ্চিত রয়ে ছে। তারাএমন রাসূলেরমু খাপেক্ষীযিনি তাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করবেন।
لَقَدْ حَقَّ ٱلْقَوْلُ عَلَىٰٓ أَكْثَرِهِمْ فَهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿٧﴾
এদের বেশীর ভাগের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূলদের মুখে তাদের নিকট হক পৌঁছার পর আল্লাহর শাস্তি অবধারিত হয়ে ছে। ফলে তারা ঈমান আনয় ন করেনি। বরং তাদের কু ফরির উপর অটল রয়ে গেছে। তাই তারা না আল্লাহর উপর, আর না তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনবে এবং তারা তাদের নিকট আগত সত্যের উপর আমলও করবে না।
إِنَّا جَعَلْنَا فِىٓ أَعْنَـٰقِهِمْ أَغْلَـٰلًۭا فَهِىَ إِلَى ٱلْأَذْقَانِ فَهُم مُّقْمَحُونَ ﴿٨﴾
এতে তাদেরউদাহরণ হচ্ছে ওই সবলোকজনেরন্যায় যাদেরগর্দানে শিকল চাপিয়ে দেয়া হয়ে ছে। আরতাদেরহাতকে গর্দানসহ দাড়ি সমষ্টি রনিচে জড় করা হয়ে ছে। ফলে তারা আসমানের দিকে মাথা উঠাতে এমনভাবে বাধ্য হয়ে ছে যে, তা আর নিচের দিকে আনতে পারে না। ফলে এরা ঈমান আনয় নের পথে শিকলাবদ্ধ। তারা এটি মেনে নেয়ার জন্য সম্মত হবে না এবং এতদুদ্দেশ্যে তাদের মাথাও নত করবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর د د وجعلنامن بينأيديهم س اومن خلفهم س افأغشينهم فهم لا يبصرون
وَجَعَلْنَا مِنۢ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّۭا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّۭا فَأَغْشَيْنَـٰهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ ﴿٩﴾
আমি তাদের সামনে ও পিছনে হক কবুলের পথে পর্দা দিয়ে ছি। আর তাদের চক্ষু কে হক থেকে ঢেকে দিয়ে ছি। ফলে তারা এরূপ দেখা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ে ছে যেভাবেদেখলে উপকৃ ত হতে পারত। বস্তু তঃতাতখনই ঘটেছে যখন তাদেরহঠকারিতাওকু ফরিরউপরগোঁড়ামীপ্র কাশ পেয়ে ছে।
وَسَوَآءٌ عَلَيْهِمْ ءَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ﴿١٠﴾
হে মু হাম্মদ! হকের ক্ষেত্রে এসব হঠকারীদেরকে আপনার সতর্ক করা না করা উভয় ই সমান। তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আনিত আপনার কথায় বিশ্বাস করবে না।
إِنَّمَا تُنذِرُ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلذِّكْرَ وَخَشِىَ ٱلرَّحْمَـٰنَ بِٱلْغَيْبِ ۖ فَبَشِّرْهُ بِمَغْفِرَةٍۢ وَأَجْرٍۢ كَرِيمٍ ﴿١١﴾
আপনার ভীতি প্রদর্শনে কেবল সে ব্যক্তিই উপকৃ ত হবে যে এই কোরআনে বিশ্বাসী ও তার শিক্ষার অনুসারী আর স্বীয় প্রতিপালককে একাকিত্বে অন্যদের চোখের আড়ালে ভয় করে। তাই আপনি এসব গুণাবলীর অধিকারী ব্যক্তিকে আনন্দে র সুসংবাদ দিন যে, আল্লাহ তার পাপ মোচন ও ক্ষমা করবেন। আরো এক মহা পুরস্কারের যা পরকালে তার অপেক্ষায় রয়ে ছে তা হচ্ছে জান্নাতে প্রবেশ।
إِنَّا نَحْنُ نُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰ وَنَكْتُبُ مَا قَدَّمُوا۟ وَءَاثَـٰرَهُمْ ۚ وَكُلَّ شَىْءٍ أَحْصَيْنَـٰهُ فِىٓ إِمَامٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿١٢﴾
আমি অবশ্যই মৃতদেরকে হিসাব নেয়ার উদ্দেশ্যে কিয়ামত দিবসে জীবিত করবো। আর লিপিবদ্ধ করবো তারা দুরিয়ার জীবনে ভাল মন্দ যা করেছে। আমি আরো লিপিবদ্ধ করে রাখব যা তাদের মরণের পর অবশিষ্ট থাকবে। যেমন ভাল কাজের মধ্যে রয়ে ছে চলমান সাদকা কিংবা মন্দ যেমন কু ফরি। বস্তু তঃআমি সবকিছু ই একটি সুস্পষ্ট কিতাবেরক্ষিত করেরেখেছি যারনাম লাওহে মাহফু জ।
وَٱضْرِبْ لَهُم مَّثَلًا أَصْحَـٰبَ ٱلْقَرْيَةِ إِذْ جَآءَهَا ٱلْمُرْسَلُونَ ﴿١٣﴾
আরহে রাসূল! এসবঅবিশ্বাসীগোঁড়াদেরজন্যআপনি একটি উদাহরণ পেশ করুন। যাতে তাদেরজন্যউপদেশ রয়ে ছে। আরএটি হচ্ছে গ্রামবাসীদের নিকট তাদের রাসূলগণের আগমনেরসময় ঘটে যাওয়া কাহিনী।
إِذْ أَرْسَلْنَآ إِلَيْهِمُ ٱثْنَيْنِ فَكَذَّبُوهُمَا فَعَزَّزْنَا بِثَالِثٍۢ فَقَالُوٓا۟ إِنَّآ إِلَيْكُم مُّرْسَلُونَ ﴿١٤﴾
আমি যখন তাদের নিকট দু’জন রাসূল প্রে রণ করলাম তাদেরকে আল্লাহর একত্ব বাদ ও তাঁর এবাদতের প্রতি আহŸান জানানোর উদ্দেশ্যে তখন তারা তাঁদেরকে অবিশ্বাস করল। ফলে আমি তাদেরকে তৃ তীয় জন দ্বারা শক্তি শালী করলাম। তাঁরা তিনজন বললেন,আমরা তোমাদেরপ্র তি প্রে রিত রাসূল। আমরা তোমাদেরকে আল্লাহরএকত্ব বাদ ও তাঁরশরীয় ত অনু সরণেরপ্র তি আহŸান করি।
قَالُوا۟ مَآ أَنتُمْ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُنَا وَمَآ أَنزَلَ ٱلرَّحْمَـٰنُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا تَكْذِبُونَ ﴿١٥﴾
গ্রামবাসী রাসূলগণকে বললো, তোমরা তো কেবল আমাদের মত মানুষ। অতএব, আমাদের উপর তোমাদের কোন বিশেষত্ব নেই। আর না আল্লাহ তোমাদের উপর কোন ওহী নাযিল করেছেন। বরং তোমরা তো এই দাওয়াতে আল্লাহর উপর কেবলই মিথ্যারোপ করছো।
قَالُوا۟ رَبُّنَا يَعْلَمُ إِنَّآ إِلَيْكُمْ لَمُرْسَلُونَ ﴿١٦﴾
রাসূল তিনজনই গ্রামবাসীদের মিথ্যারোপের প্রতিবাদে বললেন, হে গ্রামবাসী! আমাদের প্রতিপালক জানেন যে, আমরা তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি প্রে রিত। বস্তু তঃআমাদেরজন্যপ্র মাণ হিসাবেএটি ই যথেষ্ট । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَمَا عَلَيْنَآ إِلَّا ٱلْبَلَـٰغُ ٱلْمُبِينُ ﴿١٧﴾
আর আমাদের উপর দায়ি ত্বহলো শুধু সুস্পষ্ট ভাবে এটি ই পৌঁছানো যা পৌঁছানোর জন্য আমাদের উপর নির্দে শ জারি করা হয়ে ছে।
قَالُوٓا۟ إِنَّا تَطَيَّرْنَا بِكُمْ ۖ لَئِن لَّمْ تَنتَهُوا۟ لَنَرْجُمَنَّكُمْ وَلَيَمَسَّنَّكُم مِّنَّا عَذَابٌ أَلِيمٌۭ ﴿١٨﴾
গ্রামবাসীরা রাসূলগণকে বললো: আমরা তোমাদেরকে কু লক্ষণ হিসাবে ধরে নিয়ে ছি। যদি একত্ব বাদের দাওয়াত থেকে বিরত না হও তবে আমরা তোমাদেরকে মৃত্যু না হওয়া পর্যতন্ পাথরের আঘাতে শাস্তি দিতে থাকবো। আর তোমাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকে অবশ্যই কষ্ট দায় ক শাস্তি পোহাতে হবে।
قَالُوا۟ طَـٰٓئِرُكُم مَّعَكُمْ ۚ أَئِن ذُكِّرْتُم ۚ بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌۭ مُّسْرِفُونَ ﴿١٩﴾
রাসূলগণ তাদের প্রতিবাদে বললেন: তোমাদের কু লক্ষণ তোমাদেরকে ঘিরে রয়ে ছে এজন্য যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কু ফরি ও তাঁর রাসূলগণের আনুগত্যকে বর্জ ন করেছ। তোমরাকি আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়াকে কু লক্ষণ মনে করো? বরং তোমরা কু ফরি ও পাপের মাধ্যমে সীমা লঙ্ঘন করেছ।
وَجَآءَ مِنْ أَقْصَا ٱلْمَدِينَةِ رَجُلٌۭ يَسْعَىٰ قَالَ يَـٰقَوْمِ ٱتَّبِعُوا۟ ٱلْمُرْسَلِينَ ﴿٢٠﴾
আর গ্রামের বহু দূর প্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে আগমন করল এই ভয়ে যে, তার জাতি রাসূলগণকে অবিশ্বাস করে ফেলে ও তাঁদেরকে হত্যা ও কষ্টে র ভয় দেখায় । সে বললো: হে আমারজাতি! তোমরা এসবরাসূলেরআনা বিষয়ে রঅনু সরণ করো।
ٱتَّبِعُوا۟ مَن لَّا يَسْـَٔلُكُمْ أَجْرًۭا وَهُم مُّهْتَدُونَ ﴿٢١﴾
হে আমার জাতি! যারা তোমাদের নিকট আনিত বাণী পৌঁছানের উপর কোন প্রতিদান চায় না।বরং তাঁরা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত যে ওহী পৌঁছায় তাতে হেদায় ত প্রাপ্ত । বস্তু তঃযারঅবস্থাএমনটি হয় সে অনু সরণযোগ্য।
وَمَا لِىَ لَآ أَعْبُدُ ٱلَّذِى فَطَرَنِى وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٢٢﴾
উক্ত শুভাকাঙ্খী ব্যক্তিটি বললো: যে আল্লাহ আমাকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদাত থেকে আমাকে কিসে বাধা দিবে?! আর তোমাদেরকেইবা যে প্রতিপালক সৃষ্টি করেছেন তাঁরইবাদাত থেকে কিসে বাধাদিবে?! অথচ একাতাঁরপ্র তিই তোমরাফিরত যাবে।
ءَأَتَّخِذُ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً إِن يُرِدْنِ ٱلرَّحْمَـٰنُ بِضُرٍّۢ لَّا تُغْنِ عَنِّى شَفَـٰعَتُهُمْ شَيْـًۭٔا وَلَا يُنقِذُونِ ﴿٢٣﴾
আমি কি যে আল্লাহ আমাকে সৃষ্টি করেছেন তাঁকে বাদ দিয়ে অন্যায় ভাবে বিভিন্নজনকে মাবূদ হিসাবে গ্রহণ করবো?! দয়াময় যদি আমার কোন ক্ষতি চান তবে এসব মাবূদগুলোর সুপারিশ আমার কোন কাজে আসবে না। ফলে তারা আমার না কোন উপকার করতে পারবে, আর না কোনরূপ অপকার। আর না আমি কু ফরির উপর মারা গেলে আল্লাহ আমাকে শাস্তি দিতে চাইলে তা থেকে উদ্ধার করার ক্ষমতা রাখে।
إِنِّىٓ إِذًۭا لَّفِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍ ﴿٢٤﴾
আমি যখন আল্লাহরপরিবর্তে অন্যদেরকে মাবূদ হিসাবেগ্র হণ করবো তখন আমি সুস্পষ্ট ভুল করবো। যেহেতু যে এবাদতেরহকদারনয় আমি তার ইবাদাত করেছি। আর যে এবাদতের হকদার আমি তার ইবাদাত পরিহার করেছি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِنِّىٓ ءَامَنتُ بِرَبِّكُمْ فَٱسْمَعُونِ ﴿٢٥﴾
হে আমার জাতি! আমি আমার ও তোমাদের প্রতিপালকের উপর ঈমান আনলাম। তাই তোমরা আমার কথা শুন। আমি তোমাদের কর্তৃ ক হত্যার হুমকিরভয় করিনা। একথা বলারপরই তারজাতি তাকে হত্যা করে। আরআল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করেন।
قِيلَ ٱدْخُلِ ٱلْجَنَّةَ ۖ قَالَ يَـٰلَيْتَ قَوْمِى يَعْلَمُونَ ﴿٢٦﴾
بِمَا غَفَرَ لِى رَبِّى وَجَعَلَنِى مِنَ ٱلْمُكْرَمِينَ ﴿٢٧﴾
শাহাদতের মর্যাদা লাভের পর তাকে সসম্মানে বলা হল, তুমি জান্নাতে প্রবেশ করো। সে যখন জান্নাতে প্রবেশ করলো এবং তথায় বিদ্যমান নিয়ামতসমুহ প্রদর্শন করলো তখন আকাঙ্খাভরে বলে উঠল, হায়! আমার সম্প্র দায় যারা আমাকে অবিশ্বাস করে হত্যা করে তারা যদি আমার প্রতিপালক কর্তৃ ক আমার পাপ মার্জ না করে আমাকে পুরস্কৃত করার কথা জানত তাহলে তারা আমার মত ঈমান এনে আমার মত প্রতিদান লাভ করত।
۞ وَمَآ أَنزَلْنَا عَلَىٰ قَوْمِهِۦ مِنۢ بَعْدِهِۦ مِن جُندٍۢ مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا كُنَّا مُنزِلِينَ ﴿٢٨﴾
যে জাতি তাকে হত্যা করেছে তাদেরকে ধ্বংস করার জন্য আমি আসমান থেকে কোন ফিরিশতা বাহিনী প্রে রণ করতে বাধ্য হইনি। কেননা, তাদের বিষয় টি আমার নিকট তদপেক্ষা সহজতর। আমি স্থি র করেছি যে, তাদের ধ্বংস হবে আসমান থেকে একটি বিকট শব্দের মাধ্যমে। তাতে শাস্তি র ফিরিশতা অবতরণেরকোন প্রয়োজন হবেনা। إن كانت إلا صيحة وحدة فإذا هم خمدون
إِن كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةًۭ وَٰحِدَةًۭ فَإِذَا هُمْ خَـٰمِدُونَ ﴿٢٩﴾
তার জাতিকে ধ্বংস করার কাহিনী কেবল একটি বিকট শব্দ মাত্র। অগত্যা তারা মরে লাশ হয়ে গেল। তাদের কোন চিহ্নঅবশিষ্ট থাকল না।
يَـٰحَسْرَةً عَلَى ٱلْعِبَادِ ۚ مَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ ﴿٣٠﴾
হায় কিয়ামত দিবসে অবিশ্বাসী বান্দাদেরলজ্জা ও আক্ষেপ! যখন তারা শাস্তি দেখতে পাবে। আরতারকারণ এই যে, দুনিয়াতে তাদেরনিকট যখনই কোন নবী আগমন করেছেন তখনই তারা তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্র ƒপ করেছে। ফলে আল্লাহর অধিকারে ত্রæটি করার কারণে তাদের পরিণাম ছিল কিয়ামত দিবসে লজ্জিত হওয়া।
أَلَمْ يَرَوْا۟ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنَ ٱلْقُرُونِ أَنَّهُمْ إِلَيْهِمْ لَا يَرْجِعُونَ ﴿٣١﴾
রাসূলদের নিয়ে এসব ঠাট্টা-বিদ্র ƒপকারীরা কি তাদের পূর্বেকার জাতিদের মাঝে কোনরূপ উপদেশ খুঁজে পায় না? তারা তো মারা গেছে। দুনিয়াতে দ্বি তীয় বারের মত ফেরত আসবে না। বরং তারা যে সব আমল করেছে তার প্রতিইلন্যস্ত হবে এবং তাদেরকে এর প্রতিদান দেয়া হবে। ون ك لما جميع لدينا محضرون
وَإِن كُلٌّۭ لَّمَّا جَمِيعٌۭ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ ﴿٣٢﴾
জাতি নির্বিশেষে প্রত্যেককেই আমার নিকট কিয়ামত দিবসে পুনরুত্থানের পর হাজির করা হবে। যাতে করে আমি তাদেরকে তাদের প্রতিদান দিতে ب পারি।
وَءَايَةٌۭ لَّهُمُ ٱلْأَرْضُ ٱلْمَيْتَةُ أَحْيَيْنَـٰهَا وَأَخْرَجْنَا مِنْهَا حَبًّۭا فَمِنْهُ يَأْكُلُونَ ﴿٣٣﴾
পুনরুত্থানকে অবিশ্বাসকারীদের জন্য পুনরুত্থান সত্য হওয়ার চিহ্ন হচ্ছে এই শুকনো ও খরাগ্র তস্ যমীন যার উপর আমি আসমান থেকে বারি বর্ষিয়ে নানাবিধ উদ্ভিদ উদ্গত করি এবং নানাবিধ শস্য নির্গত করি। যাতে করে মানু ষ ভক্ষণ করতে পারে। বস্তু তঃ যিনি এই যমীনকে মৃ ত্যুর পর বৃষ্টি বর্ষানো ও উদ্ভিদ ফলানোরমাধ্যমে জীবিত করলেন তিনি মৃ তদেরকে জীবিত করা ও পুনরুত্থানে সক্ষম। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّـٰتٍۢ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَـٰبٍۢ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ ٱلْعُيُونِ ﴿٣٤﴾
আমি যে যমীনে বারিবর্ষিয়ে ছি তাতে খেজুরও আঙ্গুরেরবাগান উদ্গত করেছি। আরতাতে পানি সঞ্চারেরউদ্দেশ্যেঝর্নাপ্র বাহিত করেছি।
لِيَأْكُلُوا۟ مِن ثَمَرِهِۦ وَمَا عَمِلَتْهُ أَيْدِيهِمْ ۖ أَفَلَا يَشْكُرُونَ ﴿٣٥﴾
যাতে করেআল্লাহ মানু ষদেরকে নিয়ামত স্বরূপ যে ফল-মূ ল প্রদান করেছেন তা ভক্ষণ করতে পারে। যাতে তাদেরকোন প্রকারশ্র ম ছিল না। তারা কি এককভাবে আল্লাহর ইবাদাত করা ও তাঁর রাসূলদের উপর ঈমান আনয় নের মাধ্যমে তাঁর প্রদত্ত নিআমতের শুকরিয়া আদায় করবে না?
سُبْحَـٰنَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَزْوَٰجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنۢبِتُ ٱلْأَرْضُ وَمِنْ أَنفُسِهِمْ وَمِمَّا لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٦﴾
আল্লাহ পবিত্র ও সমু ন্নত। যিনি উদ্ভিদ ও বৃক্ষরাজি উদ্গত করেছেন। যিনি মানবজাতিরপুরুষ ও মহিলাদেরজীবন দিয়ে ছেন। জল ও স্থলসহ অন্যান্য জায় গায় অজানাআরোকতকিছু সৃষ্টি করেছেন।
وَءَايَةٌۭ لَّهُمُ ٱلَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ ٱلنَّهَارَ فَإِذَا هُم مُّظْلِمُونَ ﴿٣٧﴾
মানুষের উদ্দেশ্যে আল্লাহর একত্ব বাদের উপর প্রমাণ হচ্ছে যে, আমি দিনের অবসান ও রাত্রির আগমনে দিনকে সরিয়ে নেয়ার মাধ্যমে আলো সরিয়ে নেই। আরদিন চলে যাওয়ারপরঅন্ধকারআনয় ন করি। ফলে মানু ষ অন্ধকারেপ্র বেশ করে।
وَٱلشَّمْسُ تَجْرِى لِمُسْتَقَرٍّۢ لَّهَا ۚ ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ ٱلْعَزِيزِ ٱلْعَلِيمِ ﴿٣٨﴾
আল্লাহর একত্ব বাদের আরেকটি নিদর্শন হলো এই সূর্য যা তার লক্ষ্য পথে চলতে থাকে। যার পরিমাণ আল্লাহর জানা। সে তাকে অতিক্র ম করে না। এই নির্ধারক মহাপরাক্র মশালীযাকে কেউ পরাস্ত করতে পারেনা। তিনি সর্বজ্ঞাতা। যাঁরনিকট সৃষ্টি কু লেরকোন কিছু ই গোপন থাকে না।
وَٱلْقَمَرَ قَدَّرْنَـٰهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَٱلْعُرْجُونِ ٱلْقَدِيمِ ﴿٣٩﴾
তাদেরউদ্দেশ্যেতাঁরএকত্ব বাদেরআরেকটি প্রমাণ হচ্ছে এই চন্দ্র যাকে আমি প্রতি রাতে একেকটি কক্ষ হিসাবেনির্ধারণ করেছি। সে ছোট হয়ে প্রকাশ পায় । অতঃপরবড় হয় । এরপরআবারছোট আকৃ তি ধারণ করে। অবশেষে তারউড্ডয় ন,বিলীন ও চিকণ হওয়াতে এবংহলুদ বর্ণ ও পুরাতন হওয়ার ক্ষেত্রে খেজুর বৃক্ষের ডালের রূপ পরিগ্র হلকরে।
لَا ٱلشَّمْسُ يَنۢبَغِى لَهَآ أَن تُدْرِكَ ٱلْقَمَرَ وَلَا ٱلَّيْلُ سَابِقُ ٱلنَّهَارِ ۚ وَكُلٌّۭ فِى فَلَكٍۢ يَسْبَحُونَ ﴿٤٠﴾
আর চন্দ্র -সূর্য এবং দিবা-রজনীর নির্ঘন্ট ও আল্লাহর নিদর্শন। ফলে সেগুলো নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে না। তাই সূর্যের জন্য উচিত নয় যে, সে তার চলার পথ পাল্টি য়ে কিংবা তার জ্যোতি হারিয়ে চন্দ্র কে পেয়ে বসে। আর না রাতের জন্য সম্ভ ব যে, সে দিনকে ছাড়ি য়ে যায় কিংবা তার সময় শেষ হওয়ার পূর্বেই তাতে প্রবেশ করে। বলতে কি আল্লাহর নির্ধারণ ও সংরক্ষণে এসব সঞ্চালিত এবং অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্ররাজি জাতীয় সৃষ্টি তে রয়ে ছে সুনির্ধারিত চলার পথ।
وَءَايَةٌۭ لَّهُمْ أَنَّا حَمَلْنَا ذُرِّيَّتَهُمْ فِى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ ﴿٤١﴾
তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর একত্ব বাদের প্রমাণাদি ও বান্দাদের উপর তাঁর অন্যতম নিয়ামত হলো, আমি আদম সন্তানদের মধ্যে যাদেরকে নূ হ নবীর যুগে আল্লাহর সৃষ্টি দ্বারা ভরপুর জাহাজে আরোহণ করানোর মাধ্যমে প্লাবন থেকে রক্ষা করেছি। যাতে আল্লাহ প্রত্যেক সৃষ্টি থেকে জোড়া জোড়া অরোহণ করিয়ে ছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর وخلقنا لهم من مثله ما يركبون
وَخَلَقْنَا لَهُم مِّن مِّثْلِهِۦ مَا يَرْكَبُونَ ﴿٤٢﴾
আর তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর একত্ব বাদ ও তাঁর বান্দাদের উপর প্রদত্ত পুরস্কারের প্রমাণাদির অন্যতম হচ্ছেএই যে, আমি তাদের উদ্দেশ্যে নূহ নবীর কিশতীরন্যায় বাহন তৈরী করেছি। وإن نشأ نغرقهم فلا صريخلهم ولا هم ينقذون
وَإِن نَّشَأْ نُغْرِقْهُمْ فَلَا صَرِيخَ لَهُمْ وَلَا هُمْ يُنقَذُونَ ﴿٤٣﴾
আমি তাদেরকে ডু বাতে চাইলে তাকরতে পারি। আর তাদেরকে ডু বাতে চাইলে কোন ত্রাণকর্তা তাদেরকে সাহায্য করতে পারবে না। আর না আমার নির্দে শ ও ফয় সালায় তারাডু বলে তাদেরকে কোন উদ্ধারকারীউদ্ধারকরতে সক্ষম। إلا رحمة منا ومتعا إلى حين
إِلَّا رَحْمَةًۭ مِّنَّا وَمَتَـٰعًا إِلَىٰ حِينٍۢ ﴿٤٤﴾
হ্যাঁ, কেবল আমি যদি দয়া করে তাদেরকে ডু বার হাত থেকে রক্ষা করি ও এপরিমাণ নির্ধারিত সময়ে র জন্য ফেরত দেই যা তারা অতিক্র ম করতে পারবে না। যেন তারাউপদেশ গ্রহণ করেঈমান আনয় ন করতে পারে।
وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّقُوا۟ مَا بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَمَا خَلْفَكُمْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ ﴿٤٥﴾
আর যখন এসব ঈমানবিমু খ মু শরিকদেরকে বলা হয় যে, তোমরা সামনের পরকালীন বিষয় ও তার ভয়ানক পরিস্থি তিকে ভয় করো। আরো ভয় করো পেছনের ইহকালীন জীবনকে। যাতে করে আল্লাহ তোমাদের উপর দয়া পরবশ হন। তখন তারা তা মান্য করে নি বরং বেপরওয়াভাবে তারা তা উপেক্ষা করে। وما تأتيهم من ءاية من ءايت ربهم إلا كانواعنها معرضين
وَمَا تَأْتِيهِم مِّنْ ءَايَةٍۢ مِّنْ ءَايَـٰتِ رَبِّهِمْ إِلَّا كَانُوا۟ عَنْهَا مُعْرِضِينَ ﴿٤٦﴾
আর যখনই এসব গোঁড়া মুশরিকদের নিকট আল্লাহর একত্ব বাদ ও এককভাবে তাঁর এবাদতের অধিকারের উপর প্রমাণবাহী নিদর্শনাদি আগমন করত তারা তখন তা থেকে অবহেলায় মু খ ফিরিয়ে রাখত।
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ أَنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ قَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنُطْعِمُ مَن لَّوْ يَشَآءُ ٱللَّهُ أَطْعَمَهُۥٓ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٤٧﴾
فى ضلل مبين আর যখন এসব গোঁড়াপন্থীদেরকে বলা হয় , তোমাদেরকে আল্লাহর দেয়া জীবিকা হতে তোমরা এসব ফকীর মিসকীনদেরকে সাহায্য করো। তখন তারা অনীহাভরে মু মিনদেরকে বলে, আমরা কি তাদেরকে খাওয়াবো যাদেরকে চাইলে আল্লাহ নিজেই খাওয়াতে পারেন। অতএব আমরা তার বিপরীত কিছু করছি না। ওহে মু মিনরা! তোমরা তো সুস্পষ্ট ভু ল ও সত্য থেকে দূরে রয়ে ছো।
وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَـٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿٤٨﴾
আর পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী ও তা অস্বীকারকারী একে দুকষ্র ভেবে বলে, হে মু মিনরা! তোমাদের দাবি সত্য হলে তা কবে বাস্ত বায়ি ত হবে? ما ينظرون إلا صيحة وحدة تأخذهم وهم يخصمون
مَا يَنظُرُونَ إِلَّا صَيْحَةًۭ وَٰحِدَةًۭ تَأْخُذُهُمْ وَهُمْ يَخِصِّمُونَ ﴿٤٩﴾
এসব পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী ও তাকে অসম্ভ ব বলে ধারণাকারীরা কেবল প্রথম ফু ৎকারের অপেক্ষা করে। যখন সিঙ্গায় ফু ৎকার দেয়া হবে তখন তাদেরকে এই ফু ৎকারতাদেরক্র য় ,বিক্র য় ,সেচ ও চাষ জাতীয় দুনিয়াবীকাজে ব্যস্ত থাকাবস্থায় আকষ্মিকভাবেআক্রান্ত করবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَلَا يَسْتَطِيعُونَ تَوْصِيَةًۭ وَلَآ إِلَىٰٓ أَهْلِهِمْ يَرْجِعُونَ ﴿٥٠﴾
যখন তাদেরকে আকষ্মিকভাবে এই বিকট ফু ৎকার আক্র মণ করবে তখন একে অপরে সুপারিশ আদান প্রদানের সুযোগ পাবে না। আর না তারা তাদের আবাস ও পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার সুযোগ লাভ করবে। বরং তারা তাদের কর্মস্থ লেই মারা যাবে।
وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ فَإِذَا هُم مِّنَ ٱلْأَجْدَاثِ إِلَىٰ رَبِّهِمْ يَنسِلُونَ ﴿٥١﴾
আর সিঙ্গায় দ্বি তীয় বারের মত পুনরুত্থানের উদ্দেশ্যে ফু ৎকার দেয়া হলে তারা সবাই হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে স্বীয় প্রতিপালকের দিকে কবর থেকে বেরহয়ে দ্র æত দৌড়াতে থাকবে।
قَالُوا۟ يَـٰوَيْلَنَا مَنۢ بَعَثَنَا مِن مَّرْقَدِنَا ۜ ۗ هَـٰذَا مَا وَعَدَ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَصَدَقَ ٱلْمُرْسَلُونَ ﴿٥٢﴾
পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী ও অস্বীকারকারী এসব কাফির লজ্জিত হয়ে বলবে, হায়! আমাদের ধ্বংস। কে আমাদেরকে কবর থেকে উঠাল? তখন তাদের প্রশ্নের উত্তরে বলা হবে, এটি ই আল্লাহর অঙ্গীকার যা সঙ্ঘটি ত হওয়া অবধারিত। আর রাসূলগণ এব্যাপারে যে বার্তা পৌঁছিয়ে ছেন তাতে তাঁরা সত্য ছিলেন। إن كانت إلا صيحة وحدة فإذا هم جميع لدينا محضرون
إِن كَانَتْ إِلَّا صَيْحَةًۭ وَٰحِدَةًۭ فَإِذَا هُمْ جَمِيعٌۭ لَّدَيْنَا مُحْضَرُونَ ﴿٥٣﴾
কবরথেকে পুনরুত্থিত হওয়া কেবল দ্বি তীয় ফু ৎকারেরফলাফলই মাত্র। তখনই কিয়ামত দিবসে হিসাবেরউদ্দেশ্যে সকল সৃষ্টি আমারনিকট উপস্থি ত হবে।
فَٱلْيَوْمَ لَا تُظْلَمُ نَفْسٌۭ شَيْـًۭٔا وَلَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿٥٤﴾
হে বান্দারা! সেদিন ইনসাফ সহকারে ফয় সালা করা হবে। ফলে তোমাদের পুণ্য কমিয়ে কিংবা পাপ বৃদ্ধি করে তোমাদের উপর জুলুম করা হবে না। বরং তোমাদের দুনিয়ার জীবনের কৃ তকর্মের পূর্ণ প্রতিদানই দেয়া হবে।
إِنَّ أَصْحَـٰبَ ٱلْجَنَّةِ ٱلْيَوْمَ فِى شُغُلٍۢ فَـٰكِهُونَ ﴿٥٥﴾
জান্নাতবাসীরা কিয়ামত দিবসে অন্যদেরকে নিয়ে চিন্তা করা থেকে অন্য মনস্ক থাকবে। যখন তারা স্থায়ী নিয়ামত ও মহা সাফল্য দেখতে পাবে তখন তারা তথায় আনন্দ চিত্তে উপভোগে মত্ত থাকবে।
هُمْ وَأَزْوَٰجُهُمْ فِى ظِلَـٰلٍ عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ مُتَّكِـُٔونَ ﴿٥٦﴾
তারা তাদের স্ত্রীদেরকে নিয়ে জান্নাতের সুশীতল ছায়াতলে খাট পালঙ্কের উপর উপভোগে লিপ্ত থাকবে। لهم فيها فكهة ولهم ما يدعون
لَهُمْ فِيهَا فَـٰكِهَةٌۭ وَلَهُم مَّا يَدَّعُونَ ﴿٥٧﴾
তাদের জন্য উক্ত জান্নাতে রয়ে ছে উত্তম প্রকৃ তির আঙ্গুর, ডু মুর ও ডালিম জাতীয় ফলমূল। তাদের জন্য অরো রয়ে ছে সুস্বাদু ও রকমারি নিয়ামত। বস্তু তঃ তারা যা চাইবে তা-ই পাবে। سلم قولا من رب رحيم
سَلَـٰمٌۭ قَوْلًۭا مِّن رَّبٍّۢ رَّحِيمٍۢ ﴿٥٨﴾
আর তাদের জন্য এই নিআমতের উপর রয়ে ছে তাদের উপর করুণাময় প্রতিপালকের পক্ষ থেকে শান্তি র অভিবাদন। যখন তিনি তাদের উপর সালাম পেশ করবেন তখন তারাসর্বদিক দিয়ে নিরাপত্তালাভ করবে। বস্তু তঃতাদেরনিকট এমন অভিবাদন পৌঁছাল যারউপরআরকোন অভিবাদন হয় না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَٱمْتَـٰزُوا۟ ٱلْيَوْمَ أَيُّهَا ٱلْمُجْرِمُونَ ﴿٥٩﴾
আর মুশরিকদেরকে কিয়ামত দিবসে বলা হবে তোমরা মুমিনদের থেকে পৃথক হয়ে যাও। তোমাদের সাথে থাকা তাদের জন্য মানায় না। কেননা, তোমাদের প্রতিদান ও বৈশিষ্ট্যوতাদের প্রতিদান ও বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা ভিন্নতর।
۞ أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَـٰبَنِىٓ ءَادَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا۟ ٱلشَّيْطَـٰنَ ۖ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّۭ مُّبِينٌۭ ﴿٦٠﴾
আমি কি আমার রাসূলদের যবানিতে এই বলে তোমাদেরকে উপদেশ ও নির্দে শ প্রদান করিনি যে, হে আদম সন্তান! তোমরা কু ফরিও পাপাচারে লিপ্ত হওয়ারমাধ্যমে শয় তানেরপদাঙ্ক অনুসরণ করোনা। নিশ্চয় ই শয় তান তোমাদেরষ্পষ্ট শত্রæ। তাই এটাকীভাবেহতে পারেযে,একজন বিবেকবান তার স্পষ্ট শত্রæর আনু গত্য করবে?!
وَأَنِ ٱعْبُدُونِى ۚ هَـٰذَا صِرَٰطٌۭ مُّسْتَقِيمٌۭ ﴿٦١﴾
আর হে আদম সন্তান! আমি তোমাদেরকে নির্দে শ দিয়ে ছি যে, তোমরা এককভাবে আমার ইবাদাত করবে। আমার সাথে কোন কিছু কে শরীক করবে না। এককভাবে আমার ইবাদাত ও আনু গত্য এমন সরল পথ যা আমার সন্তু ষ্টি ও জান্নাতের দিকে পথ দেখায় । কিন্তু তোমরা আমার উপদেশ ও নির্দে শ গ্রহণ করোনি। ل
وَلَقَدْ أَضَلَّ مِنكُمْ جِبِلًّۭا كَثِيرًا ۖ أَفَلَمْ تَكُونُوا۟ تَعْقِلُونَ ﴿٦٢﴾
আর শয়তান তোমাদের মধ্যকার বহু সংখ্যক সৃষ্টি কে পথভ্র ষ্টকরেছে। তোমাদেরকি এমন বিবেক ছিলনা যা তোমাদেরকে তোমাদের মহান প্রতিপালকের আনুগত্য ও এককভাবে তাঁর এবাদতের প্রতি নির্দে শনা দেয় । আর তোমাদেরকে তোমাদের সুস্পষ্ট শত্রæ শয় তানের আনুগত্য থেকে সতর্ক করে?!
هَـٰذِهِۦ جَهَنَّمُ ٱلَّتِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ ﴿٦٣﴾
এটি ই সেই জাহান্নাম তোমাদের কু ফরির কারণে যার প্রতিশ্র æতি তোমাদেরকে দেয়া হত। আর যা তোমাদের দৃষ্টি র আড়াল ছিল। তবে আজ তোমরা সেটি কে স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছ।
ٱصْلَوْهَا ٱلْيَوْمَ بِمَا كُنتُمْ تَكْفُرُونَ ﴿٦٤﴾
আজ তাতে প্রবেশ করোএবংদুনিয়ারজীবনে কু ফরিকরারফলশ্র æতিতে আজ সেটি রউত্তাপ উপভোগ করো।
ٱلْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَىٰٓ أَفْوَٰهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَآ أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ ﴿٦٥﴾
আজ আমি তাদের মু খে মোহর লাগিয়ে দেবো। তাতে তারা বোবা হয়ে পড় বে। ফলে তারা কু ফরি ও পাপাচারের যে সব কথা বলত সেগুলো অস্বীকার করতে গেলে তারা কথা বলতে পারবে না। বরং দুনিয়ার জীবনে তাদের কৃ তকর্ম সম্পর্কে আমার সাথে তাদের হাতগুলো কথা বলবে এবং তাদের পাগুলো তাদের কৃ ত পাপ ও তার প্রতি চলার ব্যাপারে সাক্ষী প্রদান করবে।
وَلَوْ نَشَآءُ لَطَمَسْنَا عَلَىٰٓ أَعْيُنِهِمْ فَٱسْتَبَقُوا۟ ٱلصِّرَٰطَ فَأَنَّىٰ يُبْصِرُونَ ﴿٦٦﴾
আমি তাদের দৃষ্টি শক্তি কেড়ে নিতে চাইলেতা পারতাম। ফলে তারা দেখতে পেতনা। তখন তারা জান্নাতে পৌঁছার লক্ষ্যে পুলসিরাতের প্রতি প্রতিযোগিতামূ লকভাবেঅগ্র সরহত। কিন্তু তাহত দূরেরকথা। কেননা,তাদেরচক্ষু শেষ হয়ে গিয়ে ছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর ي
وَلَوْ نَشَآءُ لَمَسَخْنَـٰهُمْ عَلَىٰ مَكَانَتِهِمْ فَمَا ٱسْتَطَـٰعُوا۟ مُضِيًّۭا وَلَا يَرْجِعُونَ ﴿٦٧﴾
আরআমি চাইলে তাদেরআকৃ তি বিকৃ ত করেতাদেরকে পায়ে রউপরবসিয়ে দিতে পারতাম। ফলে তারা তাদেরঅবস্থান স্থল থেকে সরতে পারত না। আর না তারা সামনে কিংবা পিছনে আসা যাওয়া করতে পারত।
وَمَن نُّعَمِّرْهُ نُنَكِّسْهُ فِى ٱلْخَلْقِ ۖ أَفَلَا يَعْقِلُونَ ﴿٦٨﴾
আর আমি মানু ষের মধ্যে যার আয়ু দীর্ঘ করার মাধ্যমে জীবন বৃদ্ধি করি তাকে দুর্বল অবস্থার প্রতি ফিরিয়ে দেই। তারা কি তাদের বিবেক দ্বারা চিন্তা করে না আর একথা বুঝে না যে, এই জগত অবশিষ্ট ও চিরস্থায়ী থাকার নয় । পক্ষান্ত রে পরকালের জগতই হচ্ছে স্থায়ী আবাস।
وَمَا عَلَّمْنَـٰهُ ٱلشِّعْرَ وَمَا يَنۢبَغِى لَهُۥٓ ۚ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ وَقُرْءَانٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٦٩﴾
আমি মু হাম্মাদকে কবিতা শিক্ষা দেইনি। আর না এটা তাঁর জন্য শোভনীয় । কেননা, এটা তাঁর স্বভাবজাত বা অভ্যাস নয় । যাতে তোমরা বলতে পারতে যে, তিনি একজন কবি। আমি তাঁকে যা শিক্ষা দিয়ে ছি তা তো কেবল সুস্পষ্ট يউপদেশ ও কোরআন। চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই তা বুঝতে সক্ষম।
لِّيُنذِرَ مَن كَانَ حَيًّۭا وَيَحِقَّ ٱلْقَوْلُ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ ﴿٧٠﴾
যাতে করে তিনি জীবন্ত অন্ত র ও আলোকিত দৃষ্টি শক্তির অধিকারী ব্যক্তিকে সতর্ক করতে সক্ষম হন। কেননা, শুধু এমন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী মানুষই কেবল তা দ্বারা উপকৃ ত হতে পারে। আরযাতে করেকাফিরদেরজন্য শাস্তি অবধারিত হয় । কেননা, তাদেরউপরপ্র মাণ সাব্যস্ত হয়ে ছে তা অবতীর্ণ হওয়া ও তার আহŸান পৌঁছার মাধ্যমে। ফলে তাদের পক্ষ থেকে আপত্তি উত্থাপন করার কোন অবকাশ অবশিষ্ট নেই।
أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا خَلَقْنَا لَهُم مِّمَّا عَمِلَتْ أَيْدِينَآ أَنْعَـٰمًۭا فَهُمْ لَهَا مَـٰلِكُونَ ﴿٧١﴾
তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের উদ্দেশ্যে চতু ষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছি। তারা এসব জন্তু র বিষয়ে আধিপত্যের অধিকারী। তাদের সুবিধানু যায়ী এদেরকে পরিচালনা করে। وذللنها لهم فمنها ركوبهم ومنها يأكلون
وَذَلَّلْنَـٰهَا لَهُمْ فَمِنْهَا رَكُوبُهُمْ وَمِنْهَا يَأْكُلُونَ ﴿٧٢﴾
আর আমি এগুলোকে তাদের অধীন ও অনু গত করে দিয়ে ছি। ফলে তারা এসবের কোনটার পিঠে আরোহণ করে। আর কোনটার উপর বোঝা উঠায় । আবার কোনটার মাংস তারা ভক্ষণ করে।
وَلَهُمْ فِيهَا مَنَـٰفِعُ وَمَشَارِبُ ۖ أَفَلَا يَشْكُرُونَ ﴿٧٣﴾
আর তাদের জন্য সেগুলোর পিঠে আরোহণ ও মাংস ভক্ষণ ব্যতীত আরো অনেক উপকারিতা রয়ে ছে যথা সেগুলোর লোম, পশম, চু ল ও মূ ল্যইত্যাদি। এথেকে তারা বিছানা ও পোষাক তৈরী করে। এগুলোতে তাদের পানীয় রয়ে ছে যথা তারা এর দুধ পান করে। তারা কি ওই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে না যিনি তাদেরকে এসব নিয়ামতসহ আরো অন্যান্য নিয়ামত দ্বারা ধন্য করেছেন।
وَٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِ ٱللَّهِ ءَالِهَةًۭ لَّعَلَّهُمْ يُنصَرُونَ ﴿٧٤﴾
আর মু শরিকরা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে মাবূদ বানিয়ে ছে। যাতে করে এরা তাদেরকে সাহায্য প্রদান করার মাধ্যমে আল্লাহর শাস্তি থেকে উদ্ধার করতে পারে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর لا يستطيعون نصرهم وهم لهم جند محضرون
لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَهُمْ وَهُمْ لَهُمْ جُندٌۭ مُّحْضَرُونَ ﴿٧٥﴾
যে সব মাবূদকে তারা দেবতা হিসাবে গ্রহণ করেছে তারা তাদের নিজেদের সাহায্যই করতে পারে না। আর না তাদের সাহায্য করতে পারবে যারা আল্লাহর পরিবর্তে তাদের ইবাদাত করে। তারা ও তাদের দেবতারা এক সাথে শাস্তি ভোগ করবে। তবে একজন অপরজন থেকে পৃথক বলে ঘোষণা দিবে।
فَلَا يَحْزُنكَ قَوْلُهُمْ ۘ إِنَّا نَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ ﴿٧٦﴾
অতএব হে রাসূল! আপনাকে তাদের এই বলে মন্ত ব্যযেন চিন্তি ত না করে যে, আপনি প্রে রিত নন অথবা আপনি কবি কিংবা এতদ্ব্যতীত তাদের আরো যত অপবাদ। অবশ্যই আমি তাদেরএসবলুক্কায়ি ত ও প্রকাশমান সকল বিষয়ে অবগত আছি। আমারনিকট তাদেরকোন কিছু ই গোপন থাকে না। আমি অবশ্যই তারপ্র তিদান দেবো।
أَوَلَمْ يَرَ ٱلْإِنسَـٰنُ أَنَّا خَلَقْنَـٰهُ مِن نُّطْفَةٍۢ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٧٧﴾
যে মানু ষ মৃ ত্যুর পরের পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে সেকি চিন্তা করে না যে, আমি তাকে ধাতু থেকে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর সে বহু ধাপ অতিক্র ম করে জন্ম লাভ করেও প্রতিপালিত হয় । অতঃপরসে অতি ঝগড়াটে ও তর্ক বাগিশ হয়ে ওঠে। সেকি পুনরুত্থান সম্ভ বহওয়ারউপরএটি দেখে প্রমাণ গ্রহণ করে না?
وَضَرَبَ لَنَا مَثَلًۭا وَنَسِىَ خَلْقَهُۥ ۖ قَالَ مَن يُحْىِ ٱلْعِظَـٰمَ وَهِىَ رَمِيمٌۭ ﴿٧٨﴾
এই কাফির নির্বুদ্ধিতা ও মূ র্খতার পরিচয় দিয়ে ছে যখন সে পুরোনো হাড় দ্বারা পুনরুত্থান অসম্ভ ব হওয়ার উপর প্রমাণ গ্রহণ করে বলেছে, এগুলোকে কে প্রত্যার্পণ করবে? অথচ সে তারনিজেরঅনস্তি ত্বথেকে অস্তি ত্বে আসারকথা ভু লে গিয়ে ছে।
قُلْ يُحْيِيهَا ٱلَّذِىٓ أَنشَأَهَآ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ خَلْقٍ عَلِيمٌ ﴿٧٩﴾
হে মুহাম্মদ! আপনি তারউত্তরেবলুন, এসবপুরোনো হাড় গুলোকে তিনিই জীবিত করবেন যিনি এগুলোকে প্রথম বারেরমত সৃষ্টি করেছেন। কেননা, যিনি এগুলোকে প্রথমবারসৃষ্টি করেছেন তিনি এগুলোরপ্র তি প্রাণ ফিরত দিতে অপারগ নন। তিনি প্রতিটি সৃষ্টি রবিষয়ে পরিজ্ঞাত। তাঁরনিকট কোন কিছু ই গোপন থাকে না।
ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلشَّجَرِ ٱلْأَخْضَرِ نَارًۭا فَإِذَآ أَنتُم مِّنْهُ تُوقِدُونَ ﴿٨٠﴾
হে মানব সমাজ! তিনি টাটকা সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন সৃষ্টি করেছেন। যা থেকে তোমরা তা উদ্ধার করে থাক। অগত্যা তোমরা এদ্বারা আগুন প্রজ্জলিত করো। অতএবযিনি দু’টি বিপরীত বস্তু রমধ্যে সমন্ব য় সৃষ্টি করলেন যথা সবুজ বৃক্ষেরতরলতা এবংলেলিহান শিখাবিশিষ্ট অগ্নি তিনি অবশ্যই মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম।
أَوَلَيْسَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِقَـٰدِرٍ عَلَىٰٓ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُم ۚ بَلَىٰ وَهُوَ ٱلْخَلَّـٰقُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٨١﴾
যিনি এত বিশাল আসমান-যমীন সৃষ্টি করেছেন তিনিকি মৃতকে মরণোত্তর জীবিত করতে সক্ষম নন? হাঁ, অবশ্যই। তিনি এমন মহান ¯্রষ্টা যিনি সৃষ্টি কু লসৃষ্টি করেছেন। তিনি এসম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তাঁরনিকট কোন কিছু গোপন থাকেনা।
إِنَّمَآ أَمْرُهُۥٓ إِذَآ أَرَادَ شَيْـًٔا أَن يَقُولَ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ ﴿٨٢﴾
আল্লাহরশান হচ্ছে এই যে,তিনি কোন কিছু সৃষ্টি করতে চাইলে তাকে হওবলে নির্দে শ দেয়ামাত্রই তাহয়ে যায় । আরযে সবজিনিস তিনি চান তন্মধ্যে রয়ে ছে জীবন,মরণ ও পুনরুত্থান ইত্যাদি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَسُبْحَـٰنَ ٱلَّذِى بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ﴿٨٣﴾
অতএব আল্লাহ মুশরিকদের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি আরোপিত অপারগতার অপবাদ থেকে মুক্ত। বরং তাঁর হাতেই সকল কিছুর আধিপত্য। তিনি ইচ্ছামত সেগুলোকে পরিচালনাকরেন। আরতাঁরহাতে রয়ে ছে সকল কিছু রচাবি। তোমরাপরকালে কেবল তাঁরদিকেই প্রত্যাবর্ত ন করবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকেপ্র তিদান দিবেন। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই