صٓ ۚ وَٱلْقُرْءَانِ ذِى ٱلذِّكْرِ ﴿١﴾
সা-দ, এসব বিচ্ছিন্ন অক্ষরের অর্থের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাক্বারার শুরুতে করা হয়ে ছে। কু রআনের নামে আল্লাহ শপথ করেছেন। যাতে মানু ষের ইহকালীন ও পরকালীন উপকারী বিষয়াদি বিবৃত হয়ে ছে। এটা মু শরিকদের ধারণা অনু যায়ী আল্লাহর সাথে অন্য শরীক প্রমাণ করার জন্য নয় ।
بَلِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى عِزَّةٍۢ وَشِقَاقٍۢ ﴿٢﴾
কিন্তু কাফিররা আল্লাহর একত্ব বাদের ক্ষেত্রে ভÐামী ও অহংকার এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বিরুদ্ধাচরণ ও শত্রæতায় লিপ্ত থাকে। كم أهلكنا من قبلهم من قرن فنادواولات حين مناص
كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍۢ فَنَادَوا۟ وَّلَاتَ حِينَ مَنَاصٍۢ ﴿٣﴾
আমি তাদের পূর্বে কতো জাতিকে ধ্বংস করেছি। যারা নিজেদের রাসূলদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। অতঃপর তারা আবার নিজেদের উপর শাস্তি আপতিত হলে আর্ত নাদ করেছে। অথচ সেটি শাস্তি থেকে রেহাই পাওয়ারএমন সময় ছিলোনাযে,তাতে তাদেরআর্ত নাদ কোন কাজে আসবে।
وَعَجِبُوٓا۟ أَن جَآءَهُم مُّنذِرٌۭ مِّنْهُمْ ۖ وَقَالَ ٱلْكَـٰفِرُونَ هَـٰذَا سَـٰحِرٌۭ كَذَّابٌ ﴿٤﴾
যখন তাদের নিকট তাদের মধ্য থেকে একজন রাসূল এ কথা নিয়ে আগমন করলেন যে, যদি তারা কু ফরির উপর অটল থাকে তবে তাদের জন্য শাস্তি র ভয় রয়ে ছে তখন তারা আশ্চার্যান্বি ত হয়ে গেলো। কাফিররা যখন মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক আনিত বিষয়ে র সত্যতার প্রমাণ প্রত্যক্ষ করলো তখন তারা বললো: এতো একজন যাদুকর। যে মানুষকে যাদু করে বেড়াচ্ছে। সে দাবি করছে যে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রে রিত এমন রাসূল যার উপর তিনি ওহী নাযিল করেন। আসলে সে মহা মিথ্যাবাদী।
أَجَعَلَ ٱلْـَٔالِهَةَ إِلَـٰهًۭا وَٰحِدًا ۖ إِنَّ هَـٰذَا لَشَىْءٌ عُجَابٌۭ ﴿٥﴾
সে ব্যক্তি কি বহু দেবতাকে এক দেবতায় পরিণত করতে চায় । যে তিনি ব্যতীত আরকোন দেবতানেই?! তারএই আচরণ চূ ড়ান্ত পর্যায়ে রউদ্ভট কাজ।
وَٱنطَلَقَ ٱلْمَلَأُ مِنْهُمْ أَنِ ٱمْشُوا۟ وَٱصْبِرُوا۟ عَلَىٰٓ ءَالِهَتِكُمْ ۖ إِنَّ هَـٰذَا لَشَىْءٌۭ يُرَادُ ﴿٦﴾
আর তাদের গণ্যমান্য ও মোড় লরা তাদের অনু সারীদেরকে এই বলে চললো যে, তোমরা যে আদর্শের উপর রয়ে ছো তার উপর অবিচল থাকো। তোমরা মুহাম্মাদের ধর্মে প্রবেশ করো না। বরং তোমাদের দেবতাদের ইবাদাতের উপর অটল থাকো। মুহাম্মদ যে এক দেবতার ইবাদাতের প্রতি আহŸান জানাচ্ছে তাহলোএকটি পরিকল্পি ত বিষয় । যদ্বারাসে আমাদেরউপরকর্তৃ ত্বচালাতে ও আমাদেরকে তারঅনু সারীবানাতে চায় ।
مَا سَمِعْنَا بِهَـٰذَا فِى ٱلْمِلَّةِ ٱلْـَٔاخِرَةِ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا ٱخْتِلَـٰقٌ ﴿٧﴾
আমরা আমাদের বাপ-দাদার জীবনাদর্শে আল্লাহর একত্ব বাদের যে কথা মুহাম্মদ বলছে তা কখনো শুনিনি। আর না তা ঈসা (আলাইহিস-সালাম) এর ধর্মে ছিলো। বরং আমরা যা শুনছি তা কেবল মিথ্যা আর অপবাদ।
أَءُنزِلَ عَلَيْهِ ٱلذِّكْرُ مِنۢ بَيْنِنَا ۚ بَلْ هُمْ فِى شَكٍّۢ مِّن ذِكْرِى ۖ بَل لَّمَّا يَذُوقُوا۟ عَذَابِ ﴿٨﴾
এটা কি হতে পারে যে, আমাদের মধ্যে শুধু তার উপরই কু রআন অবতীর্ণ হবে। আর আমাদের উপর অবতীর্ণ হবে না? অথচ আমরা হলাম উচ্চ শ্রে ণীর নেতা। হে রাসূল! এসব মু শরিকরা আপনার উপর অবতীর্ণ ওহীর ক্ষেত্রে সন্দি হান। তারা এখনও আল্লাহর শাস্তি আস্বাদন করে নি। তাদেরকে দেয়া بلغ আল-কু রআন · তাফসীর অবকাশের দরুন তারা অহমিকায় নিপতিত। তারা যদি তা আস্বাদন করতো তাহলে তারা আল্লাহর সাথে কু ফরি, শিরক ও আপনার উপর অবতীর্ণ ওহীর ক্ষেত্রে সন্দে হ পোষণে দুঃসাহসী হতো না।
أَمْ عِندَهُمْ خَزَآئِنُ رَحْمَةِ رَبِّكَ ٱلْعَزِيزِ ٱلْوَهَّابِ ﴿٩﴾
না কি এসব অবিশ্বাসী মু শরিকদের নিকট আপনার পরাক্র মশালী প্রতিপালকের অনু গ্রহের ভাÐার রয়ে ছে। যাঁকে কেউ পরাভূ ত করতে পারে না। তিনি যাকে যা ইচ্ছা দান করেন। আর তাঁর অনু গ্রহের ভাÐারের মধ্যে রয়ে ছে নবুওয়াত। ফলে তিনি যাকে ইচ্ছা তা প্রদান করেন। বস্তু তঃ এটি তাদের হাতে নয় যে, যাকে ইচ্ছা দিবে বা বারণ করবে।
أَمْ لَهُم مُّلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ۖ فَلْيَرْتَقُوا۟ فِى ٱلْأَسْبَـٰبِ ﴿١٠﴾
না কি তাদের হাতে আসমান-যমীন ও এতদুভয়ে র রাজত্ব রয়ে ছে? যার ফলে তাদের জন্য কিছু প্রদান করা কিংবা বারণ করার অধিকার সাব্যস্ত হয়ে গেছে? যদি এটি ই তাদের ধারণা হয়ে থাকে তবে যেন তারা আসমান পর্যতন্ পৌঁছার সিঁড়ি অবলম্বন করে। যাতে করে তারা প্রদান ও বারণের বিধান বাস্ত বায় ন করতে পারে। অথচ কস্মিনকালেও তারাতাকরতে পারবেনা।
جُندٌۭ مَّا هُنَالِكَ مَهْزُومٌۭ مِّنَ ٱلْأَحْزَابِ ﴿١١﴾
মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে অস্বীকারকারী এসব লোকজন হলো পরাজিত বাহিনী। যেমন তাদের পূর্বে অতিবাহিত নবীদেরকে অস্বীকারকারী বাহিনীর অবস্থা ছিলো।
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍۢ وَعَادٌۭ وَفِرْعَوْنُ ذُو ٱلْأَوْتَادِ ﴿١٢﴾
এসব অস্বীকারকারীরাই প্রথম অস্বীকারকারী নয় । বরংতাদের পূর্বে নূহের জাতি অস্বীকার করেছে, আদ সম্প্র দায় অবিশ্বাস করেছে এবংপ্র তাপশালী ফিরআউনও অবিশ্বাস করেছে।
وَثَمُودُ وَقَوْمُ لُوطٍۢ وَأَصْحَـٰبُ لْـَٔيْكَةِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلْأَحْزَابُ ﴿١٣﴾
আরো অবিশ্বাস করেছে সামূদ সম্প্র দায় , লূতের জাতি ও শুআইবের সম্প্র দায় । এরাই সেই গোষ্ঠী যারা রাসূলদেরকে ও তাদের কর্তৃ ক আনিত বিষয় কে অবিশ্বাস করতে জোট বেঁধেছে।
إِن كُلٌّ إِلَّا كَذَّبَ ٱلرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ ﴿١٤﴾
এসব জোটের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে রাসূলদেরকে অবিশ্বাস করার কাজ সংঘটি ত হয়ে ছে। ফলে কিছু কাল বিলম্বে হলেও তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি অবধারিত ও আপতিত হয়ে ছে।
وَمَا يَنظُرُ هَـٰٓؤُلَآءِ إِلَّا صَيْحَةًۭ وَٰحِدَةًۭ مَّا لَهَا مِن فَوَاقٍۢ ﴿١٥﴾
আর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে অস্বীকারকারী এসব কাফিররা শুধু শিঙ্গায় দ্বি তীয় ফু ৎকারের অপেক্ষায় রয়ে ছে। যা থেকে ফেরত আসার কোন অবকাশ নেই। যদি তারা তাঁকে অস্বীকার করার উপর মৃ ত্যুবরণ করে তাহলে তাদের উপর শাস্তি আপতিত হবেই।
وَقَالُوا۟ رَبَّنَا عَجِّل لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ يَوْمِ ٱلْحِسَابِ ﴿١٦﴾
তারা বিদ্র ƒপেরছলে বলে থাকে: হে আমাদেরপ্র তিপালক! আপনি কিয়ামত আসারপূর্বেই পার্থিবজীবনে আমাদেরঅংশটু কু প্রদান করুন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
ٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَٱذْكُرْ عَبْدَنَا دَاوُۥدَ ذَا ٱلْأَيْدِ ۖ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ ﴿١٧﴾
হে রাসূল! এসব অবিশ্বাসীরা আপনার অপছন্দে র যে সব কথা বলে আপনি তার উপর ধৈর্য ধারণ করুন। আর আপনি আমার বান্দাহ দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) এর কথা স্মরণ করুন। যিনি শত্রæর বিরোধিতায় ও আল্লাহর আনুগত্যে শক্তিশালী ছিলেন। তিনি ছিলেন তাওবা ও আল্লাহর সন্তু ষ্টি রকাজেরমাধ্যমে আল্লাহরপ্র তি বেশীপ্র ত্যাবর্ত নশীল।
إِنَّا سَخَّرْنَا ٱلْجِبَالَ مَعَهُۥ يُسَبِّحْنَ بِٱلْعَشِىِّ وَٱلْإِشْرَاقِ ﴿١٨﴾
আমি দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) এরসাথে পাহাড় কে পরিচালিত করেছি। তিনি যখন দিনেরশুরুতে ও শেষভাগে তাসবীহ পাঠ করতেন তখন তারাও তাঁরসাথে তাসবীহ পড় তো। ل
وَٱلطَّيْرَ مَحْشُورَةًۭ ۖ كُلٌّۭ لَّهُۥٓ أَوَّابٌۭ ﴿١٩﴾
আর আমি পক্ষিকু লকে বাতাসের সাহায্যে স্থি র রেখেছি। বস্তু তঃপ্র ত্যেক অনু গামী তাঁর অনু সরণে তাসবীহ জপে।
وَشَدَدْنَا مُلْكَهُۥ وَءَاتَيْنَـٰهُ ٱلْحِكْمَةَ وَفَصْلَ ٱلْخِطَابِ ﴿٢٠﴾
আর আমি তাঁর শত্রæদের মধ্যে তাঁর ভীতি এবং তাদের উপর তাঁকে শক্তি ও বিজয় প্রদানের মাধ্যমে তাঁর রাজত্ব কে দৃঢ় তর করেছি। আমি তাঁকে নবুওয়াত ও তাঁর সকল কাজে বিশুদ্ধতা প্রদান করেছি। আরো প্রদান করেছি তাঁর সকল অভিপ্রায়ে সন্তোষজনক বক্তব্য, সুস্পষ্ট কথা ও ফায় সালার যোগ্যতা।
۞ وَهَلْ أَتَىٰكَ نَبَؤُا۟ ٱلْخَصْمِ إِذْ تَسَوَّرُوا۟ ٱلْمِحْرَابَ ﴿٢١﴾
হে রাসূল! আপনারনিকট কি ওই দুই ঝগড়াকারী ব্যক্তি রসংবাদ এসেছে। যারা দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) এরইবাদাতখানায় ঢু কে পড়ে ছে?
إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَىٰ دَاوُۥدَ فَفَزِعَ مِنْهُمْ ۖ قَالُوا۟ لَا تَخَفْ ۖ خَصْمَانِ بَغَىٰ بَعْضُنَا عَلَىٰ بَعْضٍۢ فَٱحْكُم بَيْنَنَا بِٱلْحَقِّ وَلَا تُشْطِطْ وَٱهْدِنَآ إِلَىٰ سَوَآءِ ٱلصِّرَٰطِ ﴿٢٢﴾
যখন তারা উভয়ে আকস্মিকভাবেতাঁরনিকট প্রবেশ করেতখন তিনি তাঁরনিকট এই আকস্মিক ও অস্বাভাবিকভাবেপ্র বেশেরফলে ভীত হন। যখন তারা বুঝতে পারলো যে, তিনি ভয় পেয়ে ছেন তখন তারা তাঁকে বললো: আপনি ভয় পাবেন না। আসলে আমরা পরস্পরে বিবাদের কারণে একে অপরের উপর অত্যাচার করেছি। তাই আপনি আমাদের মাঝে ইনসাফ ভিত্তিক ফায় সালা করুন। বিচারে আমাদের উপর জুলুম না করে আমাদেরকে সরল পথ দেখান।
إِنَّ هَـٰذَآ أَخِى لَهُۥ تِسْعٌۭ وَتِسْعُونَ نَعْجَةًۭ وَلِىَ نَعْجَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ فَقَالَ أَكْفِلْنِيهَا وَعَزَّنِى فِى ٱلْخِطَابِ ﴿٢٣﴾
দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) কে বিবাদকারীদেরএকজন বললো: এ লোকটি আমারভাই। তাররয়ে ছে নিরানব্বইটি ভেড়ী। আরআমাররয়ে ছে মাত্র একটি ভেড়ী। অথচ সে সেটি ও নিতে চাচ্ছে এবংপ্র মাণ উপস্থাপনে আমারউপরবিজয়ীহয়ে ছে।
قَالَ لَقَدْ ظَلَمَكَ بِسُؤَالِ نَعْجَتِكَ إِلَىٰ نِعَاجِهِۦ ۖ وَإِنَّ كَثِيرًۭا مِّنَ ٱلْخُلَطَآءِ لَيَبْغِى بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَقَلِيلٌۭ مَّا هُمْ ۗ وَظَنَّ دَاوُۥدُ أَنَّمَا فَتَنَّـٰهُ فَٱسْتَغْفَرَ رَبَّهُۥ وَخَرَّ رَاكِعًۭا وَأَنَابَ ۩ ﴿٢٤﴾
তখন দাউদ (আলাইহিস-সালাম) উভয়ে র মধ্যে মীমাংসা করতে গিয়ে বাদীকে বললেন: তোমার ভাই তোমার ভেড়ীকে তার ভেড়ীগুলোর সাথে মিলিয়ে নেয়ার দাবি জানিয়ে তোমার উপর জুলুম করেছে। আর অনেক অংশীদারই অপরের অধিকার হরণ ও বেইনসাফীর মাধ্যমে একে অপরের উপর জুলুম بلغ আল-কু রআন · তাফসীর করে থাকে। কেবল পূণ্যবান মু মিনরা ব্যতীত। কেননা, তারা তাদের শরীকদের উপর ইনসাফ করে এবং তাদের উপর জুলুম করে না। তবে এই গুণে গুণান্বি ত ব্যক্তিরা সংখ্যায় কম। আর দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করেছেন যে, আমি তাঁকে এই ঝগড়া দ্বারা পরীক্ষায় ফেলেছি। তাই তিনি স্বীয় প্রতিপালকেরনিকট ক্ষমাচেয়ে ছেন এবংআল্লাহরনৈকট্যকামনায় সাজদাবনত হয়ে তাঁরনিকট তাওবাকরেছেন।
فَغَفَرْنَا لَهُۥ ذَٰلِكَ ۖ وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلْفَىٰ وَحُسْنَ مَـَٔابٍۢ ﴿٢٥﴾
আমি তাঁর তাওবা কবুল করলাম। বস্তু তঃ তিনি আমার নৈকট্য অর্জ নকারীদের একজন। তাঁর জন্য পরকালে আছে উত্তম প্রতিদান।
يَـٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلْنَـٰكَ خَلِيفَةًۭ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱحْكُم بَيْنَ ٱلنَّاسِ بِٱلْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلْهَوَىٰ فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ ۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُمْ عَذَابٌۭ شَدِيدٌۢ بِمَا نَسُوا۟ يَوْمَ ٱلْحِسَابِ ﴿٢٦﴾
হে দাঊদ! আমি আপনাকে যমীনে প্রতিনিধীবানিয়ে ছি। যাতে আপনি দ্বীন ও দুনিয়াবীবিষয়ে বিধি-বিধান বাস্ত বায় ন করতে পারেন। তাই আপনি মানু ষের মাঝে ইনসাফ সহকারে ফায় সালা করুন। আর মানু ষের মাঝে আপনার কৃ ত ফায় সালায় প্রবৃত্তির অনু সরণ করবেন না। - যেমন: নিকটাত্মীয় কিংবা বন্ধুত্বে র কারণে পক্ষপাতিত্ব করা এবং শত্রæতার কারণে বিরোধিতা করা - তাহলে প্রবৃত্তি আপনাকে সরল পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে। তবে যারা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হবে তাদের জন্য হিসাবের কথা ভু লে যাওয়ার দায়ে রয়ে ছে কঠি ন শাস্তি । কারণ, তারা যদি হিসাবের কথা মনে রাখতো ও তার ভয় করতো তবে তারা এই প্রবৃত্তির দিকে ধাবিত হতো না।
وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَآءَ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَـٰطِلًۭا ۚ ذَٰلِكَ ظَنُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۚ فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ ﴿٢٧﴾
আমি আসমান ও যমীনকে অনর্থক সৃষ্টি করি নি। অনর্থক সৃষ্টি করার ধারণাটি কেবলমাত্র কাফিরদের। তাই যেসব কাফির এমন ধারণা পোষণ করে এবং এর উপরই মৃ ত্যু বরণ করে তাদের জন্য রয়ে ছে কিয়ামত দিবসে আগুনের ধ্বংসাত্মক শাস্তি ।
أَمْ نَجْعَلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ كَٱلْمُفْسِدِينَ فِى ٱلْأَرْضِ أَمْ نَجْعَلُ ٱلْمُتَّقِينَ كَٱلْفُجَّارِ ﴿٢٨﴾
আমি কস্মিনকালেও আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নকারী, তাঁর রাসূলের অনুসরণকারী ও নেক আমলকারীদেরকে কু ফরি ও পাপে লিপ্ত ফাসাদ সৃষ্টি কারীদের বরাবর করবো না। আর না স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় কারীদেরকে পাপে ডুবে থাকা কাফির মুনাফিকদের সাথে সমান করবো। এতদুভয়ে র মাঝে সমান বিবেচনা করা জুলুম। যা আল্লাহর শানে বেমানান। বরং আল্লাহ মুমিন-মুত্তাকীদেরকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করারমাধ্যমে প্রতিদান দিবেন। পক্ষান্ত রেহতভাগাকাফিরদেরকে জাহান্নামে প্রবিষ্ট করারমাধ্যমে বদলাদিবেন। কেননা,তারাসবাই আল্লাহরনিকট সমান নয় । ফলে তাঁরনিকট তাদেরপ্র তিদানও সমান হওয়ারনয় ।
كِتَـٰبٌ أَنزَلْنَـٰهُ إِلَيْكَ مُبَـٰرَكٌۭ لِّيَدَّبَّرُوٓا۟ ءَايَـٰتِهِۦ وَلِيَتَذَكَّرَ أُو۟لُوا۟ ٱلْأَلْبَـٰبِ ﴿٢٩﴾
এই কু রআন এমন কিতাব,যাআমি আপনারপ্র তি অবতীর্ণ করেছি। যাকল্যাণ ও উপকারিতায় প্রাচু র্যপূর্ণ। যেন মানু ষ তারআয়াতগুলোনিয়ে ভাবতে পারে ও তার অর্থ নিয়ে চিন্তা করে এবং তা থেকে আলোকিত অন্তঃকরণসম্পন্ন ব্যক্তি রা উপদেশ গ্রহণ করে।
وَوَهَبْنَا لِدَاوُۥدَ سُلَيْمَـٰنَ ۚ نِعْمَ ٱلْعَبْدُ ۖ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ ﴿٣٠﴾
আমি আমার পক্ষ থেকে অনু গ্রহ স্বরূপ দাঊদ (আলাইহিস-সালাম) এর জন্য তাঁর পুত্র হিসাবে সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) কে উপহার দিলাম। তিনি আল্লাহর প্রতি অধিক হারে তাওবাকারী, প্রত্যাবর্ত নশীল ও অনু রাগী।
إِذْ عُرِضَ عَلَيْهِ بِٱلْعَشِىِّ ٱلصَّـٰفِنَـٰتُ ٱلْجِيَادُ ﴿٣١﴾
সে সময়ে রকথা স্মরণ করুন যখন আসরেরসময়ে তাঁরনিকট উৎকৃ ষ্টও দ্র æতগামী ঘোড়া পেশ করা হলো। যেগুলো তিন পায়ে রউপরভরকরেএক পা তু লে রাখে। সূর্যাস্ত পর্যতন্ তাঁর সামনে এগুলোকে পেশ করা হতে থাকে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَقَالَ إِنِّىٓ أَحْبَبْتُ حُبَّ ٱلْخَيْرِ عَن ذِكْرِ رَبِّى حَتَّىٰ تَوَارَتْ بِٱلْحِجَابِ ﴿٣٢﴾
তখন সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) বললেন: আমি সম্পদের মোহকে -যার মধ্যে রয়ে ছে এসব ঘোড়া- আমার রবের স্মরণের উপর প্রাধান্য দিতে গিয়ে সূর্যাস্ত পর্যতন্ আসরের নামাযকে পিছিয়ে দিয়ে ছি।
رُدُّوهَا عَلَىَّ ۖ فَطَفِقَ مَسْحًۢا بِٱلسُّوقِ وَٱلْأَعْنَاقِ ﴿٣٣﴾
তোমরা আমার নিকট এসব ঘোড়া নিয়ে আস। এ নির্দে শের পরিপ্রে ক্ষিতে সেগুলোকে নিয়ে আসা হলে তিনি সেগুলোর পায়ে র নলা ও গর্দানে তরবারী দ্বারা আঘাত করলেন। ولقد فتنا سليمن وألقينا عل كرسيه جسدا ثم أناب
وَلَقَدْ فَتَنَّا سُلَيْمَـٰنَ وَأَلْقَيْنَا عَلَىٰ كُرْسِيِّهِۦ جَسَدًۭا ثُمَّ أَنَابَ ﴿٣٤﴾
আমি সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) কে পরীক্ষা করলাম; তাঁর সিংহাসনে একটি সন্তানের অর্ধাংশ রেখে দিলাম। ঘটনাটি ছিলো এমন যে, একদা সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) কসম খেয়ে বললেন:আমি এ রাতে সকল স্ত্রীরনিকট গমন করবো। ফলশ্র æতিতে প্রত্যেকেরএকটি করেসন্তান হবে। যে হবে অশ্বারোহী বীর যোদ্ধা, আল্লাহর পথের বীর সৈনিক। কিন্তু তিনি ইনশাআল্লাহ বলতে ভুলে গেলেন। যাই হোক, তিনি সকলের নিকট গমন করলেন। কিন্তু কারোই সন্তান হলো না। তবেএকজনেরঘরেএকটি বিকলাঙ্গ সন্তান বা সন্তানেরঅর্ধাংশ জন্ম নিলো। এ দেখে তিনি ভু ল বুঝতে পেরে আল্লাহর নিকট তাওবা করলেন।
قَالَ رَبِّ ٱغْفِرْ لِى وَهَبْ لِى مُلْكًۭا لَّا يَنۢبَغِى لِأَحَدٍۢ مِّنۢ بَعْدِىٓ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْوَهَّابُ ﴿٣٥﴾
সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) বললেন:হে আমারপ্র তিপালক! আপনি আমারপাপ ক্ষমাকরুন এবংআমাকে একান্ত ভাবেএমন রাজত্ব দান করুন যা আমার পরে অন্য কাউকে দেয়া হবে না। হে প্রতিপালক! আপনি অতীব দয়াবান ও মহা দানশীল।
فَسَخَّرْنَا لَهُ ٱلرِّيحَ تَجْرِى بِأَمْرِهِۦ رُخَآءً حَيْثُ أَصَابَ ﴿٣٦﴾
আমি তাঁর দু‘আ কবুল করলাম এবং বায়ুকে তাঁর অনুগত করে দিলাম। যা বিন¤্রভাবে তাঁর নির্দে শ মেনে চলে। শক্তি ও দ্র æততা সত্তে¡ও তাতে কোনরূপ কম্পন নেই। সে তাঁকে নিয়ে যথেচ্ছ ঘুরেবেড়ায় ।
وَٱلشَّيَـٰطِينَ كُلَّ بَنَّآءٍۢ وَغَوَّاصٍۢ ﴿٣٧﴾
আমি তাঁর জন্য জিন শয় তানদেরকে বাধ্য করে দেই। যারা তাঁর নির্দে শ মেনে চলে। তাদের মধ্যে রয়ে ছে নির্মাণকারী। আর রয়ে ছে ডু বুরী। যারা সাগরে ডু ব দিয়ে তা থেকে মূ ল্যবান রতœ উদ্ধার করে আনে।
وَءَاخَرِينَ مُقَرَّنِينَ فِى ٱلْأَصْفَادِ ﴿٣٨﴾
শয় তানদের মধ্যে কিছু আছে অবাধ্য। সেগুলোকেও তাঁর করতলগত করা হয়ে ছে। তারা শিকলে বাঁধা, নড়াচড়া করতে অপারগ।
هَـٰذَا عَطَآؤُنَا فَٱمْنُنْ أَوْ أَمْسِكْ بِغَيْرِ حِسَابٍۢ ﴿٣٩﴾
হে সুলাইমান! এসবই আমারদান। যাআমি আপনারআবদাররক্ষার্থে আপনাকে প্রদান করেছি। অতএব,আপনি এ থেকে যাকে ইচ্ছাপ্র দান করুন। আর যাকে ইচ্ছা বারণ করুন। আপনার নিকট থেকে এর কোন হিসাব নেয়া হবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর وإن له عندنا لزلف وحسن مٔاب
وَإِنَّ لَهُۥ عِندَنَا لَزُلْفَىٰ وَحُسْنَ مَـَٔابٍۢ ﴿٤٠﴾
সুলাইমান (আলাইহিস-সালাম) আমার নৈকট্যলাভকারীদের অন্ত র্ভু ক্ত। তাঁর ফিরে যাওয়ার উত্তম ঠি কানা হলো জান্নাত।
وَٱذْكُرْ عَبْدَنَآ أَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَسَّنِىَ ٱلشَّيْطَـٰنُ بِنُصْبٍۢ وَعَذَابٍ ﴿٤١﴾
হে রাসূল! আমারবান্দাহ আইয়ুব(আলাইহিস-সালাম) এরকথাস্মরণ করুন। যখন তিনি স্বীয় প্রতিপালককে এই বলে আহŸান করেন যে,শয় তান আমাকে কষ্ট ও ক্লান্তি তে ফেলেছে।
ٱرْكُضْ بِرِجْلِكَ ۖ هَـٰذَا مُغْتَسَلٌۢ بَارِدٌۭ وَشَرَابٌۭ ﴿٤٢﴾
তখন আমি বললাম:আপনি নিজ পাদিয়ে যমীনে আঘাত করুন। ফলে তিনি স্বীয় পাদিয়ে যমীনে আঘাত করলেন। তাতে সেখান থেকে পানির প্রশ্রবণ সৃষ্টি হলো। যাথেকে তিনি পান করতে ও গোসল করতে পারেন। যারফলে তাঁরদুঃখ-কষ্ট দূরহয়ে যায় ।
وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ أَهْلَهُۥ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةًۭ مِّنَّا وَذِكْرَىٰ لِأُو۟لِى ٱلْأَلْبَـٰبِ ﴿٤٣﴾
আমি তাঁর দু‘আ কবুল করে তাঁর কষ্ট দূর করলাম এবং তাঁকে তাঁর পরিজন ফেরত দিলাম। এমনকি আমার পক্ষ থেকে রহমত ও তাঁর ধৈর্যের প্রতিদান স্বরূপ আরো রহমত বাড়ি য়ে দিলাম। প্রবল বিবেকবান ব্যক্তি রা যেন স্মরণ রাখে যে, ধৈর্যেরপ্র তিদান হলো বিপদমু ক্তি ও পারিতোষিক।
وَخُذْ بِيَدِكَ ضِغْثًۭا فَٱضْرِب بِّهِۦ وَلَا تَحْنَثْ ۗ إِنَّا وَجَدْنَـٰهُ صَابِرًۭا ۚ نِّعْمَ ٱلْعَبْدُ ۖ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌۭ ﴿٤٤﴾
আইয়ুব(আলাইহিস-সালাম) স্বীয় স্ত্রীরউপররাগান্বি ত হয়ে শপথ করলেন যে, তিনি তাকে এক শত বেত্রাঘাত করবেন। তখন আমি তাঁকে বললাম: হে আইয়ুব! আপনি নিজ হাতে কিছু ডালপালা নিন এবং সেগুলো দিয়ে আপনার শপথ পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে আঘাত করুন। আমি তাঁকে যে বিষয়ে ই পরীক্ষাকরেছি তাতেই তাঁকে ধৈর্য ধারণকারীহিসাবেপেয়ে ছি। তিনি কতোইনাউত্তম বান্দাহ। তিনি আল্লাহরদিকে অনেক বেশীপ্র ত্যাবর্ত নকারী।
وَٱذْكُرْ عِبَـٰدَنَآ إِبْرَٰهِيمَ وَإِسْحَـٰقَ وَيَعْقُوبَ أُو۟لِى ٱلْأَيْدِى وَٱلْأَبْصَـٰرِ ﴿٤٥﴾
হে রাসূল! আপনি আমার নির্বাচিত বান্দাহ ও আমার প্রে রিত রাসূলদের কথা স্মরণ করুন। যথা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূ ব (আলাইহিমুস-সালাম)। তাঁরা আল্লাহরআনু গত্য ও তাঁরসন্তু ষ্টি কামনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তাঁরা ছিলেন সত্য অনু সন্ধানে বড় ই দূরদর্শী।
إِنَّآ أَخْلَصْنَـٰهُم بِخَالِصَةٍۢ ذِكْرَى ٱلدَّارِ ﴿٤٦﴾
অবশ্যই আমি তাঁদের উপর আমার প্রদত্ত বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে অনুগ্র হ প্রদর্শন করেছি। যাতে করে তাঁদের অন্তঃকরণ পরকালের স্মরণ এবং সৎকর্ম সম্পাদন করতে পারে এবং মানু ষকে তাঁর উদ্দেশ্যে আমল করতে উদ্বুদ্ধ করা যায় ।
وَإِنَّهُمْ عِندَنَا لَمِنَ ٱلْمُصْطَفَيْنَ ٱلْأَخْيَارِ ﴿٤٧﴾
তাঁরা আমার নিকট আমার সেসব বান্দার অন্ত র্ভু ক্তযাদেরকে আমি আমার ইবাদাত, আনুগত্য, বার্তা বহন ও মানুষের নিকট তা পৌঁছে দেয়ার জন্য নির্বাচন করেছি। ل
وَٱذْكُرْ إِسْمَـٰعِيلَ وَٱلْيَسَعَ وَذَا ٱلْكِفْلِ ۖ وَكُلٌّۭ مِّنَ ٱلْأَخْيَارِ ﴿٤٨﴾
হে নবী! আপনি ইবরাহীমপুত্র ইসমাঈলকে স্মরণ করুন। আরো স্মরণ করুন আল-ইয়াসা’ এর কথা। সেই সাথে যুল-কিফল এর কথা এবং তাদের ভূ য় সী প্রশংসা করুন। যেহেতু তাঁরা এরযোগ্য। আরএসবব্যক্তি গণ আল্লাহরনিকট নির্বাচিত ও মনোনীত। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
هَـٰذَا ذِكْرٌۭ ۚ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَـَٔابٍۢ ﴿٤٩﴾
এটি হলো কু রআনে এসব মনোনীত ব্যক্তিদের সুনাম। আর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে আল্লাহভীরু ব্যক্তিদের জন্য রয়ে ছে পরকালে উৎকৃ ষ্টঠি কানা।
جَنَّـٰتِ عَدْنٍۢ مُّفَتَّحَةًۭ لَّهُمُ ٱلْأَبْوَٰبُ ﴿٥٠﴾
সেই উৎকৃ ষ্টঠি কানা হলো অবস্থানেরউদ্যানসমূ হ। যাতে তাঁরা কিয়ামত দিবসে প্রবেশ করবেন। তাঁদেরউদ্দেশ্যেযেগুলোরদ্বারসমূ হ সেদিন খুলে দেয়া হবে। متكٔين فيها يدعون فيها بفكهةكثيرة وشراب
مُتَّكِـِٔينَ فِيهَا يَدْعُونَ فِيهَا بِفَـٰكِهَةٍۢ كَثِيرَةٍۢ وَشَرَابٍۢ ﴿٥١﴾
তারা তাঁদের উদ্দেশ্যে সজ্জিত কেদারায় হেলান দিয়ে উপবিষ্ট থাকবেন। তাঁরা নিজেদের সেবকদেরকে তাঁদের পছন্দে র পর্যাপ্ত ফলমূল ও মদজাতীয় পানীয় ইত্যাদি প্রদানেরআদেশ করবেন।
۞ وَعِندَهُمْ قَـٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ أَتْرَابٌ ﴿٥٢﴾
আর তাঁদের জন্য থাকবে এমনসব নারী যারা শুধু আপন স্বামীদের প্রতিই স্বীয় দৃষ্টি সীমাবদ্ধ রাখে। তাদেরকে ছাড়ি য়ে অন্যদের পর্যতন্ তাদের দৃষ্টি গড়ায় না। আর তারা হবে বয় সেও সমান।
هَـٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ ﴿٥٣﴾
হে মু ত্তাকীরা! এটি তোমাদেরকে দেয়াওয়াদাকৃ ত বস্তু । যাছিলোতোমাদেরপার্থিবজীবনে কৃ ত সৎ কর্মেরউপরপরকালে প্রদত্ত উত্তম প্রতিদান। إن هذا لرزقنا ما له من نفاد
إِنَّ هَـٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهُۥ مِن نَّفَادٍ ﴿٥٤﴾
উল্লে খিত প্রতিদান হলো আমারসেই জীবিকা যা আমি মুত্তাকীদেরজন্যপরকালে প্রদান করবো। এটি হবেস্থায়ী জীবিকা। যা ছিন্ন কিংবা শেষ হওয়ার নয় ।
هَـٰذَا ۚ وَإِنَّ لِلطَّـٰغِينَ لَشَرَّ مَـَٔابٍۢ ﴿٥٥﴾
উল্লে খিত প্রতিদান হচ্ছে মুত্তকীদের জন্য। পক্ষান্ত রে কু ফরী ও পাপের মাধ্যমে আল্লাহর সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য রয়ে ছে মুত্তাকীদের বিপরীত প্রতিদান। তাদেরজন্যরয়ে ছে মন্দ ঠি কানা। যেখানে তারাকিয়ামত দিবসে প্রত্যাবর্ত ন করবে।
جَهَنَّمَ يَصْلَوْنَهَا فَبِئْسَ ٱلْمِهَادُ ﴿٥٦﴾
এই প্রতিদান হলো সেই জাহান্নাম যা তাদেরকে ঘিরে রাখবে এবং তারা তার উত্তাপ ও প্রদাহ পোহাতে থাকবে। তাদের জন্য থাকবে তদ্বারা প্রস্তু ত বিছানা। আরতা কতইনা নিকৃ ষ্টবিছানা। هذا فليذوقوهحميم وغساق
هَـٰذَا فَلْيَذُوقُوهُ حَمِيمٌۭ وَغَسَّاقٌۭ ﴿٥٧﴾
এ শাস্তি হলো চ‚ড়ান্ত পর্যায়ে র ফু টন্ত পানি, শাস্তি প্রাপ্ত জাহান্নামীদের থেকে নির্গত পুঁজ। তারা তাই পান করবে। এটি এমন এক পানীয় যা তৃঞ্চা নিবারণে ব্যর্থ । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَءَاخَرُ مِن شَكْلِهِۦٓ أَزْوَٰجٌ ﴿٥٨﴾
তাদেরজন্যরয়ে ছে উক্ত প্রকারেরঅপরআরেক শাস্তি । অর্থাৎ তাদেরকে পরকালে রকমারিশাস্তি প্রদান করাহবে।
هَـٰذَا فَوْجٌۭ مُّقْتَحِمٌۭ مَّعَكُمْ ۖ لَا مَرْحَبًۢا بِهِمْ ۚ إِنَّهُمْ صَالُوا۟ ٱلنَّارِ ﴿٥٩﴾
জাহান্নামীরা আগুনে প্রবেশ করার সময় পরস্পর বিবাদকারীদের মত গালাগালি শুরু করবে এবং একজন অপরজন থেকে পৃথক হয়ে গিয়ে বলবে: এই জাহান্নামী দলটি তোমাদের সাথে আগুনে প্রবেশ করবে। তখন প্রতিউত্তরে এরা বলবে: তাদের জন্য কোন স্বাগতম নেই বরং তারা আমাদের মত জাহান্নামে শাস্তি পোহাবে।
قَالُوا۟ بَلْ أَنتُمْ لَا مَرْحَبًۢا بِكُمْ ۖ أَنتُمْ قَدَّمْتُمُوهُ لَنَا ۖ فَبِئْسَ ٱلْقَرَارُ ﴿٦٠﴾
অনুসারীরা অনুসরণীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে বলবে: হে নেতারা! তোমাদের জন্য কোন স্বাগতম নেই। কেননা, তোমরাই আমাদেরকে ভ্রষ্টও বিভ্রান্তি তে নিপতিত করেএ কঠি ন শাস্তি রকারণ হয়ে ছো। বস্তু তঃতাকতই নানিকৃ ষ্টঅবস্থান। তথাজাহান্নামেরআগুন তাদেরসবারই ঠি কানা।
قَالُوا۟ رَبَّنَا مَن قَدَّمَ لَنَا هَـٰذَا فَزِدْهُ عَذَابًۭا ضِعْفًۭا فِى ٱلنَّارِ ﴿٦١﴾
অনুসারীরা বললো: হে আমাদের প্রতিপালক! যে ব্যক্তি হেদায় ত আসার পর তা থেকে আমাদেরকে বিচ্যুত করেছে তাকে আপনি দ্বি গুণ শাস্তি প্রদান করুন।
وَقَالُوا۟ مَا لَنَا لَا نَرَىٰ رِجَالًۭا كُنَّا نَعُدُّهُم مِّنَ ٱلْأَشْرَارِ ﴿٦٢﴾
অবাধ্য অহঙ্কারীরা বললো: আমাদের কী হল যে, আমাদের সাথে এমন কিছু ব্যক্তি কে দেখতে পাচ্ছি না যাদেরকে আমরা দুনিয়াতে এমন হতভাগা ধারণা করতাম যারা শাস্তি রহকদার।
أَتَّخَذْنَـٰهُمْ سِخْرِيًّا أَمْ زَاغَتْ عَنْهُمُ ٱلْأَبْصَـٰرُ ﴿٦٣﴾
তবে কি তাদেরকে নিয়ে আমাদের বিদ্র ƒপ করা ভুল ছিলো। তাই তারা শাস্তি র হকদার হবে না। না কি তাদেরকে নিয়ে আমাদের ঠাট্টা করা সঠি ক ছিলো। তাই তারাজাহান্নামে পৌঁছে গেছে। তবেআমরাদেখিনি?! ق
إِنَّ ذَٰلِكَ لَحَقٌّۭ تَخَاصُمُ أَهْلِ ٱلنَّارِ ﴿٦٤﴾
আমি তোমাদেরউদ্দেশ্যেকিয়ামত দিবসে কাফিরদেরমাঝে যে বিবাদেরকথাউল্লে খ করলাম তাকিন্তু চিরসত্য। এতে কোন সন্দে হ নেই।
قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ مُنذِرٌۭ ۖ وَمَا مِنْ إِلَـٰهٍ إِلَّا ٱللَّهُ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّارُ ﴿٦٥﴾
হে মুহাম্মদ! আপনি নিজ সম্প্র দায়ে র কাফিরদেরকে বলুন: আমি কেবল সেই শাস্তি র ভয় দেখাচ্ছি যেখানে আল্লাহকে অবিশ্বাস এবং রাসূলদেরকে অস্বীকারকারারকারণে তোমাদেরকে প্রবেশ করতে হবে। বস্তু তঃমহান আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন মা‘বূদ নেই যে ইবাদাতেরহকদারহবে। তিনি তাঁর মহত্তে¡, গুণে ও নামে একক। তিনি এমন প্রতাপশালী যে, তদ্বারা তিনি অন্য সব কিছুকে তাঁর করতলগত করে রেখেছেন। ফলে সব কিছু তাঁর অনু গত। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
رَبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفَّـٰرُ ﴿٦٦﴾
তিনি আসমানসমূহ, যমীনসমূহ ও এতদুভয়ে র মাঝে থাকা সব কিছু র প্রতিপালক। তিনি তাঁর রাজত্বে এমন প্ররাক্র মশালী; যাঁকে কেউ কখনো পরাস্ত করতে পারে না। তিনি স্বীয় বান্দাদের মধ্যকার যারা ক্ষমা চায় তাদেরকে বেশী বেশী ক্ষমাকারী। قل هو نبؤا عظيم
قُلْ هُوَ نَبَؤٌا۟ عَظِيمٌ ﴿٦٧﴾
হে রাসূল! আপনি এসব মিথ্যারোপকারীকে বলুন, অবশ্যই কু রআন হলো এক মহা সম্মানী সংবাদ বাহক। أ نتم عنه معرضون
أَنتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُونَ ﴿٦٨﴾
তোমরা এই মহা সংবাদ থেকে বিমু খ এবংতারপ্র তি কোনরূপ ভ্র ƒক্ষেপ করছো না।
مَا كَانَ لِىَ مِنْ عِلْمٍۭ بِٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰٓ إِذْ يَخْتَصِمُونَ ﴿٦٩﴾
আমারনিকট আদমেরসৃষ্টি সক্রান্ত বিষয়ে ফিরিশতাদেরমধ্যকারকথোপকথন সম্পর্কে কোন জ্ঞান ছিলো না। যদি আল্লাহ আমারপ্র তি ওহী অবতীর্ণ না করতেন ও আমাকে শিক্ষা না দিতেন।
إِن يُوحَىٰٓ إِلَىَّ إِلَّآ أَنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌ ﴿٧٠﴾
আল্লাহ আমারপ্র তি ওহী অবতীর্ণ করেন। কেবল এজন্য যে, আমি তোমাদেরউদ্দেশ্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
إِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ إِنِّى خَـٰلِقٌۢ بَشَرًۭا مِّن طِينٍۢ ﴿٧١﴾
আপনি স্মরণ করুন সে সময়ে রকথা যখন আল্লাহ ফিরিশতাদেরউদ্দেশ্যে বললেন, আমি অবশ্যই মানুষকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করবো। এখানে আদম (আলাইহিস-সালাম) কে বুঝানো হয়ে ছে। فإذا سويته ونفخت فيه من روحى فقعواله سجدين
فَإِذَا سَوَّيْتُهُۥ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُوا۟ لَهُۥ سَـٰجِدِينَ ﴿٧٢﴾
এরপরআমি তাঁরসৃষ্টি রকাজ পূর্ণ করেতাঁরআকৃ তি সুসম্পন্ন করবো। অবশেষে তাতে আমি আমারপক্ষ থেকে আত্মাফুঁ কে দেবো। তখন তোমরাতাঁর সম্মানে সাজদাবনত হবে।
فَسَجَدَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ ﴿٧٣﴾
ফলে ফিরিশতারা স্বীয় প্রতিপালকের নির্দে শ মান্য করল এবং সবাই তাঁকে সম্মানের সাজদা জানালো। অর্থাৎ সবাই আদমের উদ্দেশ্যে সাজদা করলো।
إِلَّآ إِبْلِيسَ ٱسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ ٱلْكَـٰفِرِينَ ﴿٧٤﴾
শুধু ইবলীস ব্যতীত। কেননা, সে সাজদা করার ক্ষেত্রে অহঙ্কার প্রদর্শন করলো। বস্তু তঃ সে স্বীয় প্রতিপালকের নির্দে শের বিপরীতে অহঙ্কার প্রদর্শন করারমাধ্যমেকাফিরদেরঅন্ত র্ভু ক্তহয়ে গেলো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ يَـٰٓإِبْلِيسُ مَا مَنَعَكَ أَن تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَىَّ ۖ أَسْتَكْبَرْتَ أَمْ كُنتَ مِنَ ٱلْعَالِينَ ﴿٧٥﴾
আল্লাহ বললেন: হে ইবলীস! যেখানে আমি আমার নিজ হাতে তৈরি আদম (আলাইহিস-সালাম) কে সাজদাহ করার জন্য তোমাকে নির্দেশ দিলাম সেখানে তাঁকে সাজদাহ করতে তোমাকে কে বারণ করলো? তু মি কি অহঙ্কার করেছো, না কি পূর্ব থেকেই তু মি অহঙ্কারী ছিলে?!
قَالَ أَنَا۠ خَيْرٌۭ مِّنْهُ ۖ خَلَقْتَنِى مِن نَّارٍۢ وَخَلَقْتَهُۥ مِن طِينٍۢ ﴿٧٦﴾
ইবলীস বললো:আমি তাঁরচেয়ে উত্তম। কেননা,আপনি আমাকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আরতাঁকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দিয়ে । তারধারণা অনু যায়ী উপাদান হিসাবেমাটি অপেক্ষা আগুন উত্তম।
قَالَ فَٱخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌۭ ﴿٧٧﴾
আল্লাহ ইবলীসকে বললেন:তু মি জান্নাত থেকে বেরহয়ে যাও। কারণ,তু মি অভিশপ্ত ওধিকৃ ত।
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلدِّينِ ﴿٧٨﴾
আর তোমার জন্য প্রতিদান দিবস তথা কিয়ামত পর্যতন্ বঞ্চনা।
قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿٧٩﴾
তখন ইবলীস বললো: তাহলে আপনি আমাকে অবকাশ দিন। আর কিয়ামতের দিন আপনার বান্দাদের পুনরুত্থানের পূর্ব পর্যতন্ আমাকে মৃত্যু প্রদান করবেন না।
قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ ﴿٨٠﴾
আল্লাহ বললেন:যাওতু মি অবকাশপ্রাপ্ত হলে।
إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْوَقْتِ ٱلْمَعْلُومِ ﴿٨١﴾
নির্ধারিত সময় কাল পর্যতন্; অর্থাৎ তোমার ধ্বংসের নির্দিষ্ট সময় পর্যতন্। قال فبعز تك لأغوين هم أجمعين
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٨٢﴾
ইবলীস বললো: তবে আমি আপনার ক্ষমতা ও প্রতাপের শপথ করে বলছি যে, অবশ্যই আমি আদম সন্তানদের সবাইকে পথভ্র ষ্টকরবো।
إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ ٱلْمُخْلَصِينَ ﴿٨٣﴾
কেবল আপনার বান্দাদের মধ্যকার সে ব্যতীত যাকে আপনি আমার ভ্রষ্টতার হাত থেকে রক্ষা করবেন এবং শুধুমাত্র আপনার ইবাদাতের উদ্দেশ্যে বিশেষত্ব প্রদানকরবেন।
قَالَ فَٱلْحَقُّ وَٱلْحَقَّ أَقُولُ ﴿٨٤﴾
মহান আল্লাহ বলেন, মূ লতঃ হক আমার পক্ষ থেকে। আর আমি হক ছাড়া অন্য কিছু বলি না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর لأملأن جهن م منك ومم نتبعك منهم أجمعين
لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنكَ وَمِمَّن تَبِعَكَ مِنْهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٨٥﴾
অবশ্যই আমি তোমাকে এবং তোমার অনু সারী আদম সন্তানদেরকে দিয়ে জাহান্নামকে ভরপুর করবো।
قُلْ مَآ أَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍۢ وَمَآ أَنَا۠ مِنَ ٱلْمُتَكَلِّفِينَ ﴿٨٦﴾
হে রাসূল! আপনি এসব মু শরিককে বলুন: আমি তোমাদের নিকট উপদেশ প্রদানের বিনিময়ে কোন প্রতিদান কামনা করি না। আর না আমার উপর যা প্রত্যাদেশ করাহয়ে ছে তাহ্রাস-বৃদ্ধি করারমাধ্যমে লৌকিকতাপ্র দর্শনকারী। إن هو إل اذكر للعلمين
إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَـٰلَمِينَ ﴿٨٧﴾
কু রআন তোকেবল জিন ও ইনসানেরমধ্যকারউপযুক্ত দায়ি ত্বপ্রাপ্ত দেরজন্যউপদেশ মাত্র। ولتعلمن نبأه بعد حين
وَلَتَعْلَمُنَّ نَبَأَهُۥ بَعْدَ حِينٍۭ ﴿٨٨﴾
আর অবশ্যই তোমরা এই কু রআনের সংবাদ ও তার সত্যতা অচিরেই তোমাদের মৃ ত্যুর সময় জানতে পারবে। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম