হোমতাফসিরAn-Najm (53)

তাফসির An-Najm (53) — النجم

মাক্কী · 62 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

وَٱلنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ﴿١﴾

মহান আল্লাহ তারকাযখন পতিত হয় তখনকারশপথ করেছেন। ما ضل صاحبكم وما غو

مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ﴿٢﴾

মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেদায়ে তেরপথ থেকে বিচ্যুত হন নি। আরনাতিনি পথভ্র ষ্টহয়ে ছেন। বরংতিনি সুপথগামী।

وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ﴿٣﴾

তিনি এই কু রআন দিয়ে তাঁরমনোবৃত্তিরতাড় নাঅনু যায়ীকথাবলেন না। إن هو إ ل اوحى يوحى

إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ﴿٤﴾

এই কু রআন ওহীব্যতীত আরকিছু ই নয় । যাজিবরীল (আলাইহিস-সালাম) মারফত আল্লাহ তাঁরউপরঅবতীর্ণ করেছেন।

عَلَّمَهُۥ شَدِيدُ ٱلْقُوَىٰ ﴿٥﴾

তাঁকে এটি এমন এক ফিরিশতাশিক্ষাদিয়ে ছেন যিনি মহাশক্তি ধর। তিনি হলেন জিবরীল (আলাইহস সালাম)।

ذُو مِرَّةٍۢ فَٱسْتَوَىٰ ﴿٦﴾

জিবরীল (আলাইহিস সালাম) হলেন সুন্দর রূপধারী। তিনি রাসূলের সামনে আল্লাহ তাঁকে যে আকৃ তিতে সৃষ্টি করেছেন সেই আকৃ তিতে প্রকাশ পেলেন।

وَهُوَ بِٱلْأُفُقِ ٱلْأَعْلَىٰ ﴿٧﴾

তখন তিনি আকাশেরদিগন্তে অবস্থানরত। ثم دنا فتدلى

ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ ﴿٨﴾

অতঃপরজিবরীল (আলাইহিস-সালাম) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরনিকটবর্তী হলেন। এরপরআরো নিকবর্তী বাড় লেন। فكان قاب قوسين أو أدنى

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ ﴿٩﴾

তাঁর দূরত্ব ছিল দুই ধনু ক সমপরিমাণ কিংবা আরো কম।

فَأَوْحَىٰٓ إِلَىٰ عَبْدِهِۦ مَآ أَوْحَىٰ ﴿١٠﴾

তখন জিবরীল (আলাইহিস-সালাম) আল্লাহর বান্দা মু হাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

مَا كَذَبَ ٱلْفُؤَادُ مَا رَأَىٰٓ ﴿١١﴾

মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরঅন্ত রতাঁরচক্ষু যা প্রদর্শন করেছে সেটি কে মিথ্যারোপ করেনি। أفتمرونه عل ما ير

أَفَتُمَـٰرُونَهُۥ عَلَىٰ مَا يَرَىٰ ﴿١٢﴾

হে মু শরিকরা! তোমরা কি তাঁকে তাঁর প্রতিপালক ভ্রমণের রাতে যা দেখিয়ে ছেন সে ব্যাপারে তাঁর সাথে ঝগড়া করছো?! ولقد رءاه نزلةأخر

وَلَقَدْ رَءَاهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ ﴿١٣﴾

মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুনর্বারতাঁকে ভ্রমণেররাতে নিজ আকৃ তিতে দেখেছেন।

عِندَ سِدْرَةِ ٱلْمُنتَهَىٰ ﴿١٤﴾

সিদরাতু ল মু তাহারন্ নিকট। সেটি হলো সপ্তাকাশেরউপরএকটি মহা প্রকাÐ বৃক্ষ।

عِندَهَا جَنَّةُ ٱلْمَأْوَىٰٓ ﴿١٥﴾

উক্ত বৃক্ষেরনিকট রয়ে ছে জান্নাতু ল মা’ওয়া।

إِذْ يَغْشَى ٱلسِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ ﴿١٦﴾

যখন আল্লাহরকোন মহান বিষয় সেটি কে আচ্ছাদিত করে। যারমূ ল রহস্যআল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না।

مَا زَاغَ ٱلْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ ﴿١٧﴾

তার (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দৃষ্টি ডান-বাঁ হেলে নি। আর না তাঁর জন্য নির্ধারিত সীমা তিনি অতিক্র ম করেছেন।

لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ ءَايَـٰتِ رَبِّهِ ٱلْكُبْرَىٰٓ ﴿١٨﴾

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মেরাজের রাতে স্বীয় প্রতিপালকের ক্ষমতার প্রমাণবাহী বহু মহা নিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি জান্নাত দেখেছেন। জাহান্নাম দেখেছেন। এতদুভয়ে রবাইরেআরো অনেক কিছু দেখেছেন।

أَفَرَءَيْتُمُ ٱللَّـٰتَ وَٱلْعُزَّىٰ ﴿١٩﴾

হে মু শরিকরা! তোমরা কি দেখেছো সে সব দেবতাকে আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যেগুলোর ইবাদাত করছো। তারা হলো “লাত” ও “উযযা”।

وَمَنَوٰةَ ٱلثَّالِثَةَ ٱلْأُخْرَىٰٓ ﴿٢٠﴾

আর তোমাদের তৃ তীয় আরেকটি দেবতা “মানাত”। বলো সেকি তোমাদের কোন উপকার কিংবা অপকার করতে পারে?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

أَلَكُمُ ٱلذَّكَرُ وَلَهُ ٱلْأُنثَىٰ ﴿٢١﴾

হে মু শরিকরা! তোমাদের জন্য কি তোমাদের পছন্দে র ছেলে। আর আল্লাহর জন্য কি তোমাদের অপছন্দে র মেয়ে ।

تِلْكَ إِذًۭا قِسْمَةٌۭ ضِيزَىٰٓ ﴿٢٢﴾

তোমাদের প্রবৃত্তি কেন্দ্রি ক এই ভাগাভাগি কিন্তু জুলুমের উপর ভিত্তিশীল।

إِنْ هِىَ إِلَّآ أَسْمَآءٌۭ سَمَّيْتُمُوهَآ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُم مَّآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بِهَا مِن سُلْطَـٰنٍ ۚ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا ٱلظَّنَّ وَمَا تَهْوَى ٱلْأَنفُسُ ۖ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّن رَّبِّهِمُ ٱلْهُدَىٰٓ ﴿٢٣﴾

এ সব দেবতা তো কেবল অর্থহীন কিছু নাম মাত্র। এগুলোর মধ্যে উলূহিয়্যাতের গুনাবলীর কোন কিছু ই নেই। যে সব নামকরণ তোমরা ও তোমাদের বাপ দাদারা মিলে নিজেরাই করেছো। যেগুলোরউপরআল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেন নি। বস্তু তঃমুশরিকরা তাদেরআকীদায় কেবল ধারণারই অনুসরণ করে। আরঅনুসরণ করেশয় তান কর্তৃ ক তাদেরমনে আকর্ষণ সৃষ্টি কারী কু প্রবৃত্তির। অথচ তাদেরনিকট তাদেরপ্র তিপালকেরপক্ষ থেকে নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরযবান মারফত হেদায়ে ত আগমন করেছে। কিন্তু তারাতদ্বারাহেদায়ে ত গ্রহণ করেনি। أم للإنسن ما تمن

أَمْ لِلْإِنسَـٰنِ مَا تَمَنَّىٰ ﴿٢٤﴾

না কি মানু ষ আল্লাহরনিকট দেবতাদেরযে সুপারিশ চায় তা পায় ?!

فَلِلَّهِ ٱلْـَٔاخِرَةُ وَٱلْأُولَىٰ ﴿٢٥﴾

না, বস্তু তঃ মানুষ যা কামনা করে তা পায় না। আল্লাহর জন্য এককভাবে প্রথম এবং শেষ তথা দুনিয়া ও আখিরাত। তিনি তা থেকে যা ইচ্ছা দান করেন। আর যা ইচ্ছা বারণ করেন।

۞ وَكَم مِّن مَّلَكٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ لَا تُغْنِى شَفَـٰعَتُهُمْ شَيْـًٔا إِلَّا مِنۢ بَعْدِ أَن يَأْذَنَ ٱللَّهُ لِمَن يَشَآءُ وَيَرْضَىٰٓ ﴿٢٦﴾

আসমানে কতেক ফিরিশতা রয়ে ছেন যাঁরা সুপারিশ করতে চাইলে আল্লাহ কর্তৃ ক সে জন্য অনুমতি ও সুপারিশকৃ তের ব্যাপারে সন্তু ষ্টি ব্যতীত তাঁদের সুপারিশ কোন কাজে আসবে না। বস্তু তঃ আল্লাহ কস্মিনকালেও সুপারিশের উদ্দেশ্যে তাঁর সাথে যে ব্যক্তি কাউকে শরীক করেছে তার উপর সন্তু ষ্টহবেন না। আর না তিনি তার সুপারিশের পাত্র যে তাকে আল্লাহর পরিবর্তে মাবূদ বানিয়ে ছে তার উপর সন্তু ষ্টহবেন।

إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ لَيُسَمُّونَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ تَسْمِيَةَ ٱلْأُنثَىٰ ﴿٢٧﴾

অবশ্যই যারা পরকালের পুনরুত্থানে বিশ্বাসী না তারা ফিরিশতাদেরকে মহিলাদের নামে নামকরণ করে এই বিশ্বাসে যে, তারা মূলতঃ মহিলা। আল্লাহ তাদেরএই কট‚ক্তি থেকে বহু উর্দ্ধে ।

وَمَا لَهُم بِهِۦ مِنْ عِلْمٍ ۖ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا ٱلظَّنَّ ۖ وَإِنَّ ٱلظَّنَّ لَا يُغْنِى مِنَ ٱلْحَقِّ شَيْـًۭٔا ﴿٢٨﴾

বস্তু তঃতাদেরএই মহিলা প্রকৃ তিরনামকরণে এমন কোন জ্ঞান নেই যারউপরতারা ভিত্তি করে। তারা এতে কেবল ধারণারই অনুসরণ করে। যা হক হওয়া তো দূরের কথা। বরং তা হকের ব্যাপারে কোন কাজেই আসবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

فَأَعْرِضْ عَن مَّن تَوَلَّىٰ عَن ذِكْرِنَا وَلَمْ يُرِدْ إِلَّا ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا ﴿٢٩﴾

হে রাসূল! আপনি ওর প্রতি বিমু খ থাকু ন যে আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে থাকে এবং এর কোন কদর করে না। সে কেবল ইহকালই কামনা করে থাকে। ফলে সে পরকালের জন্য কোন কাজই করে না। কেননা, সে পরকালকে বিশ্বাস করে না।

ذَٰلِكَ مَبْلَغُهُم مِّنَ ٱلْعِلْمِ ۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ ٱهْتَدَىٰ ﴿٣٠﴾

মু শরিকরা যে আল্লাহর ফিরিশতাদের ব্যাপারে এ সব নেতিবাচক কথা বলে তা কিন্তু তাদের বিদ্যার শেষ সীমা বৈ আর কিছু ই নয় । কেননা, তারা মূ র্খ। ফলে তারা চ‚ড়ান্ত জ্ঞান পর্যতন্ পৌঁছু তে অক্ষম। হে রাসূল! যে ব্যক্তি আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত তার ব্যাপারে আপনার প্রতিপালক সম্যক অবগত। তিনি ওরব্যাপারেও অধিক অবগত যে তাঁরপথ অবলম্বন করেছে। তাঁরনিকট এরকোন কিছু ই গোপন নয় ।

وَلِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ لِيَجْزِىَ ٱلَّذِينَ أَسَـٰٓـُٔوا۟ بِمَا عَمِلُوا۟ وَيَجْزِىَ ٱلَّذِينَ أَحْسَنُوا۟ بِٱلْحُسْنَى ﴿٣١﴾

আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবকিছু রমালিকানা, সৃষ্টি ও পরিচালনা এককভাবেআল্লাহরই নিয় ন্ত্র ণাধীন। তিনিই তাদেরমধ্যকারযারা মন্দ আমল করেছে তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি এবং যারা নেক আমল করেছে তাদেরকে পুরস্কার হিসেবে জান্নাত দিবেন।

ٱلَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَـٰٓئِرَ ٱلْإِثْمِ وَٱلْفَوَٰحِشَ إِلَّا ٱللَّمَمَ ۚ إِنَّ رَبَّكَ وَٰسِعُ ٱلْمَغْفِرَةِ ۚ هُوَ أَعْلَمُ بِكُمْ إِذْ أَنشَأَكُم مِّنَ ٱلْأَرْضِ وَإِذْ أَنتُمْ أَجِنَّةٌۭ فِى بُطُونِ أُمَّهَـٰتِكُمْ ۖ فَلَا تُزَكُّوٓا۟ أَنفُسَكُمْ ۖ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ ٱتَّقَىٰٓ ﴿٣٢﴾

যারা ছোট-খাটো অপরাধ ছাড়া গুরুতর ও অশ্লীল পাপগুলো থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে এবং বেশী বেশী নফল আমল করবে তাদেরকে ক্ষমা করা হবে। হে রাসূল! নিশ্চয় ই আপনারপ্র তিপালক অপরিসীম ক্ষমারঅধিকারী। বান্দারাতাওবাকরলেই তিনি তাদেরকে ক্ষমাকরেন। তিনি তাদেরঅবস্থা ও বিষয়াদি সম্পর্কে তখন থেকেই জানেন যখন তাদের পিতা আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেন। আর তখন থেকে যখন তোমরা নিজেদের মাতাদের পেটে বোঝা হিসাবে দফায় দফায় রূপান্ত রিত হচ্ছিলে। তাঁর নিকট এ সবের কোন কিছু ই গোপন নয় । তাই তোমরা নিজেরা নিজেদের সাফাই গেয়ে মু ত্তাকী হওয়ার প্রশংসায় পঞ্চমু খ হয়ো না। কেননা, তিনিই ভালো জানেন, কে তাঁর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করে থাকে।

أَفَرَءَيْتَ ٱلَّذِى تَوَلَّىٰ ﴿٣٣﴾

আপনি কি ওই ব্যক্তি র নোংরামির অবস্থা দেখেছেন যে ইসলামের নিকটবর্তী হয়ে ও তা থেকে বিমু খ হয়ে ছে।

وَأَعْطَىٰ قَلِيلًۭا وَأَكْدَىٰٓ ﴿٣٤﴾

আর যৎসামান্য অর্থ দান করে আবার ক্ষান্ত হয়ে গেছে। কেননা, কার্পণ্যই হলো তার মজ্জাগত অভ্যাস। এতদসত্তে¡ও সে তার নিজের সাফাই গেয়ে বেড়ায় ।

أَعِندَهُۥ عِلْمُ ٱلْغَيْبِ فَهُوَ يَرَىٰٓ ﴿٣٥﴾

না কি তার নিকট গাইবের জ্ঞান রয়ে ছে। ফলে সে দেখে এবং গাইবের সংবাদ দেয় ?! أم لم ينبأ بما فى صحف موس

أَمْ لَمْ يُنَبَّأْ بِمَا فِى صُحُفِ مُوسَىٰ ﴿٣٦﴾

না কি সে আল্লাহর উপর মিথ্যারোপকারী?! না কি আল্লাহর উপর এই মিথ্যারোপকারী ব্যক্তিকে মূসা (আলাইহিস-সালাম) এর উপর অবতীর্ণ পূর্বের কিতাবেবিদ্যমান বিষয় সম্পর্কে সংবাদ দেয়াহয় নি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَإِبْرَٰهِيمَ ٱلَّذِى وَفَّىٰٓ ﴿٣٧﴾

আর ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) এর পুস্তি কাদিতে যা রয়ে ছে তা সম্পর্কেও। যিনি তাঁর উপর স্বীয় রবের পক্ষ থেকে আপতিত সকল দায় -দায়ি ত্বপূর্ণমাত্রায় সম্পন্ন করেছেন। ألا تزر وازرة وزر أخر

أَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌۭ وِزْرَ أُخْرَىٰ ﴿٣٨﴾

আর তা হলো, কোন মানু ষ অন্যের পাপ বহন করবে না। وأن ليس للإنسن إلا ما سعى

وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنسَـٰنِ إِلَّا مَا سَعَىٰ ﴿٣٩﴾

আর মানু ষের জন্যে তার নিজ আমলের প্রতিদান ছাড়া অন্য কিছু নেই। وأن سعيهسوف ير

وَأَنَّ سَعْيَهُۥ سَوْفَ يُرَىٰ ﴿٤٠﴾

আরসে অচিরেই কিয়ামত দিবসে তারআমল প্রত্যক্ষ করবে।

ثُمَّ يُجْزَىٰهُ ٱلْجَزَآءَ ٱلْأَوْفَىٰ ﴿٤١﴾

অতঃপর তার আমলের প্রতিদান পূর্ণমাত্রায় প্রদান করা হবে।

وَأَنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلْمُنتَهَىٰ ﴿٤٢﴾

হে রাসূল! আপনার রবের নিকটই বান্দাদের প্রত্যাবর্ত ন এবং তাদের মৃ ত্যুর পর তাদের ঠি কানা। وأنه هوأض حك وأبكى

وَأَنَّهُۥ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَىٰ ﴿٤٣﴾

আর তিনি যাকে ইচ্ছা আনন্দ দেন ফলে তাকে হাসান এবং যাকে ইচ্ছা চিন্তাগ্র তস্ করেন ফলে তাকে কাঁদান। وأنه هو أمات وأحيا

وَأَنَّهُۥ هُوَ أَمَاتَ وَأَحْيَا ﴿٤٤﴾

আর তিনি দুনিয়াতে জীবিতদেরকে মৃ ত্যু দেন এবং মৃ তদেরকে পুনরুত্থানের মাধ্যমে জীবিত করেন।

وَأَنَّهُۥ خَلَقَ ٱلزَّوْجَيْنِ ٱلذَّكَرَ وَٱلْأُنثَىٰ ﴿٤٥﴾

আর তিনি পুরুষ ও নারী উভয় প্রকার সৃষ্টি করেছেন। من نطفة إذا تمن

مِن نُّطْفَةٍ إِذَا تُمْنَىٰ ﴿٤٦﴾

যাগর্ভাশয়ে শুক্রাণু স্থাপন করারমাধ্যমে হয়ে থাকে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَأَنَّ عَلَيْهِ ٱلنَّشْأَةَ ٱلْأُخْرَىٰ ﴿٤٧﴾

আর তাঁর উপরই এতদুভয়ে র মৃ ত্যুর পর পুনরুত্থানের উদ্দেশ্যে পুনর্বার সৃষ্টি র দায়ি ত্ব। وأنه هو أغن وأقن

وَأَنَّهُۥ هُوَ أَغْنَىٰ وَأَقْنَىٰ ﴿٤٨﴾

আর তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা সম্পদ প্রদানের মাধ্যমে ধনী বানিয়ে ছেন এবং মানুষের খাদ্য নির্বাহের জন্য তিনি তাদেরকে সম্পদ প্রদান করেছেন।

وَأَنَّهُۥ هُوَ رَبُّ ٱلشِّعْرَىٰ ﴿٤٩﴾

আর তিনি কোন কোন মু শরিক কর্তৃ ক আল্লাহর সাথে পূজিত “শিরা” নামক তারকার প্রতিপালক।

وَأَنَّهُۥٓ أَهْلَكَ عَادًا ٱلْأُولَىٰ ﴿٥٠﴾

আরতিনি পূর্ব যুগেরহূ দ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায় আদকে ধ্বংস করেছেন। যখন তারানিজেদেরকু ফরীরউপরগোঁড়ামি প্রদর্শন করেছে।

وَثَمُودَا۟ فَمَآ أَبْقَىٰ ﴿٥١﴾

আরতিনি সালেহ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায় সামূ দকে ধ্বংস করেছেন। তিনি তাদেরকাউকে অবশিষ্ট রাখেন নি।

وَقَوْمَ نُوحٍۢ مِّن قَبْلُ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ هُمْ أَظْلَمَ وَأَطْغَىٰ ﴿٥٢﴾

তিনি আদ এবংসামূদ (আলাইহিমাস-সালাম) এরপূর্বে নূহ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায় কে ধ্বংস করেছেন। বস্তু তঃনূহ (আলাইহিস-সালাম) এর জাতি ছিলো আদ ও সামূ দ অপেক্ষা অধিক জালিম ও অবাধ্য। কেননা, নূ হ (আলাইহিস-সালাম) তাদেরমাঝে সাড়ে নয় শত বৎসরআল্লাহরএকত্ব বাদের দাওয়াত নিয়ে অবস্থান করেছেন। অথচ তারাতাঁরডাকে সাড়াদেয় নি।

وَٱلْمُؤْتَفِكَةَ أَهْوَىٰ ﴿٥٣﴾

আরলুত সম্প্র দায়ে রগ্রামকে আসমানে তু লে এরপরসেটি কে উল্টি য়ে যমীনে ফেলে দেন। فغش ىها ما غش

فَغَشَّىٰهَا مَا غَشَّىٰ ﴿٥٤﴾

অতঃপর সেটি কে ঢেকে দেয় তথা সেটি কে উপরে তু লে মাটি তে নিক্ষেপের পর পাথর এসে সেটি কে ঢেকে দেয় ।

فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكَ تَتَمَارَىٰ ﴿٥٥﴾

অতএব, হে মানু ষ! তোমার রবের ক্ষমতার উপর প্রমাণবাহী কোন কোন নিআমতের ব্যাপারে তু মি ঝগড়া করছো। আর তা থেকে উপদেশ গ্রহণ করছো না?!

هَـٰذَا نَذِيرٌۭ مِّنَ ٱلنُّذُرِ ٱلْأُولَىٰٓ ﴿٥٦﴾

তোমাদেরনিকট প্রে রিত এই রাসূল প্রথম যুগে প্রে রিত রাসূলদেরই প্রকৃ তির। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

أَزِفَتِ ٱلْـَٔازِفَةُ ﴿٥٧﴾

নিকটতমকিয়ামতনিকটবর্তী হয়ে এসেছে।

لَيْسَ لَهَا مِن دُونِ ٱللَّهِ كَاشِفَةٌ ﴿٥٨﴾

সেটি কে প্রতিহতকারী কেউ নেই। আরনা আল্লাহ ব্যতীত এ ব্যাপারেকেউ অবগত আছে।

أَفَمِنْ هَـٰذَا ٱلْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ ﴿٥٩﴾

তোমরা কি তোমাদের সামনে পঠি ত কু রআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হওয়ার ব্যাপারে আশ্চর্য বোধ করছো?! وتضحكون ولا تبكون

وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ﴿٦٠﴾

আর সেটি কে নিয়ে ঠাট্টার ছলে হাসাহাসি করছো এবং সেটি র উপদেশসমূ হ শ্রবণের সময় কাঁদছো না?! وأ نتم سمدون

وَأَنتُمْ سَـٰمِدُونَ ﴿٦١﴾

আর তোমরা এর ব্যাপারে উদাসীন। এর কোন কদর করছো না?!

فَٱسْجُدُوا۟ لِلَّهِ وَٱعْبُدُوا۟ ۩ ﴿٦٢﴾

তাই এককভাবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাজদা করো এবং তাঁর উদ্দেশ্যে একনিষ্ঠ ভাবে ইবাদাত করো। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · An-Najm — النجم

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা