হোমতাফসিরAl-Qamar (54)

তাফসির Al-Qamar (54) — القمر

মাক্কী · 55 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

ٱقْتَرَبَتِ ٱلسَّاعَةُ وَٱنشَقَّ ٱلْقَمَرُ ﴿١﴾

কিয়ামত নিকটবর্তী হয়ে ছে। আরনবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরজীবদ্দশায় চন্দ্র দ্বি খÐিত হয়ে ছে। ফলে এটি ছিল নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরএকটি চাক্ষু ষ নিদর্শন। ر وإن يروا ءاية يعرضوا ويقولوا س حر م ستم

وَإِن يَرَوْا۟ ءَايَةًۭ يُعْرِضُوا۟ وَيَقُولُوا۟ سِحْرٌۭ مُّسْتَمِرٌّۭ ﴿٢﴾

মু শরিকরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সত্যতার কোন প্রমাণ ও নিদর্শন দেখে তখন তারা তা গ্রহণ থেকে বিমু খ হয়ে বলে: আমরা তাঁর পক্ষ থেকে যতোদলীল-প্রমাণাদি প্রত্যক্ষ করেছিر তাসবই যাদু।

وَكَذَّبُوا۟ وَٱتَّبَعُوٓا۟ أَهْوَآءَهُمْ ۚ وَكُلُّ أَمْرٍۢ مُّسْتَقِرٌّۭ ﴿٣﴾

তাদের নিকট যে সত্য আগমন করেছে তারা সেটি র প্রতি মিথ্যারোপ করলো এবং এ মিথ্যারোপে তারা নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। বস্তু তঃ ভালো-মন্দ সবই কিয়ামত দিবসে ন্যায্যভাবেসংঘটি ত হবে।

وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّنَ ٱلْأَنۢبَآءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ ﴿٤﴾

অথচ যে সব জাতিকে আমি কু ফরী ও জুলুমের কারণে ধ্বংস করেছি তাদের নিকট ওদের সংবাদ এসেছে। যা তাদেরকে কু ফরী ও জুলুম থেকে বিরত রাখার জন্য যথেষ্ট ।

حِكْمَةٌۢ بَـٰلِغَةٌۭ ۖ فَمَا تُغْنِ ٱلنُّذُرُ ﴿٥﴾

তাদেরনিকট পূর্ণাঙ্গ প্রজ্ঞারকথা এসেছে যাতে তাদেরউপরপ্র মাণ সাব্যস্ত হয় । বস্তু তঃযে জাতি আল্লাহ ও পরকাল দিবসে বিশ্বাসী নয় সতর্ক -সঙ্কেত তাদের কোন উপকারে আসবে না।

فَتَوَلَّ عَنْهُمْ ۘ يَوْمَ يَدْعُ ٱلدَّاعِ إِلَىٰ شَىْءٍۢ نُّكُرٍ ﴿٦﴾

তারা হিদায়ে ত গ্রহণ না করলে হে রাসূল! আপনি সেই দিনেরঅপেক্ষায় তাদেরথেকে বিমু খ থাকু ন যে দিন সিঙ্গায় ফু ৎকারেনিয়োজিত ফিরিশতা এমন এক ভয়ানক বিষয়ে র দিকে আহŸান জানাবে যে সম্পর্কে ইতিপূর্বে সৃষ্টি কু ল অবগত ছিলো না।

خُشَّعًا أَبْصَـٰرُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ ٱلْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌۭ مُّنتَشِرٌۭ ﴿٧﴾

তাদের চক্ষু গুলো অপদস্ত থাকবে। তারা কবর থেকে উঠে হিসেবের মাঠের দিকে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের ন্যায় অগ্র সর হবে।

مُّهْطِعِينَ إِلَى ٱلدَّاعِ ۖ يَقُولُ ٱلْكَـٰفِرُونَ هَـٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌۭ ﴿٨﴾

অবস্থানেরপানে আহŸানকারীরডাকে ত্বরান্বি ত হয়ে । তখন কাফিররাবলবে:এ দিনটি অতি কঠি ন। কেননা,তাতে রয়ে ছে বিভীষিকাও ভয়াবহতা। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

۞ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍۢ فَكَذَّبُوا۟ عَبْدَنَا وَقَالُوا۟ مَجْنُونٌۭ وَٱزْدُجِرَ ﴿٩﴾

হে রাসূল! আপনার দাওয়াত অগ্রাহ্যকারী এ সব লোকের পূর্বে নূ হ (আলাইহিমাস-সালাম) এর জাতি আমার বান্দা নূ হ (আলাইহিমাস-সালাম) এর প্রতি মিথ্যারোপ করেযখন আমি তাঁকে তাদেরপ্র তি প্রে রণ করি। এমন কি তাদেরকে দাওয়াত প্রদান থেকে বিরত না হলে তারা তাঁরব্যাপারেবলেছিলো যে, তিনি পাগল এবং তাঁকে গাল-মন্দ ও ধমক দিয়ে হুমকিও দিয়ে ছিলো।

فَدَعَا رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَغْلُوبٌۭ فَٱنتَصِرْ ﴿١٠﴾

তখন নূহ (আলাইহিমাস-সালাম) স্বীয় রবকে আহŸান করে বললেন, আমার জাতি আমার উপর চড়াও হয়ে ছে এবং আমার দাওয়াত অগ্রাহ্য করেছে তাই আপনি তাদের উপর শাস্তি অবতীর্ণ করে আমাকে শক্তি শালী করুন।

فَفَتَحْنَآ أَبْوَٰبَ ٱلسَّمَآءِ بِمَآءٍۢ مُّنْهَمِرٍۢ ﴿١١﴾

তাই আমি আসমানেরদ্বারসমূ হ খুলে দিয়ে মু ষলধারেবারিবর্ষণ করলাম।

وَفَجَّرْنَا ٱلْأَرْضَ عُيُونًۭا فَٱلْتَقَى ٱلْمَآءُ عَلَىٰٓ أَمْرٍۢ قَدْ قُدِرَ ﴿١٢﴾

আমি যমীনকে ফাটি য়ে চৌচির করলাম। ফলে তা ঝর্নায় রূপান্ত রিত হলো। যা থেকে পানি প্রবাহিত হলো। অতঃপর আদিকালে নির্ধারিত আল্লাহর ফয় সালা অনু যায়ী আসমান থেকে বর্ষিত পানি যমীনেরপানিরসাথে মিলিত হয়ে আল্লাহরহেফাজতকৃ তরা ছাড়া সবাইকে ডু বিয়ে দেয় । وحملنهعل ذات ألوح ودسر

وَحَمَلْنَـٰهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَٰحٍۢ وَدُسُرٍۢ ﴿١٣﴾

আর আমি নূ হ (আলাইহিমাস-সালাম)কে ফলক ও পেরেক বিশিষ্ট কিশতিতে আরোহণ করিয়ে তাঁকে ও তাঁর সাথে আরোহণকারীদেরকে রেহাই দেই।

تَجْرِى بِأَعْيُنِنَا جَزَآءًۭ لِّمَن كَانَ كُفِرَ ﴿١٤﴾

উক্ত কিশতি আমার দৃষ্টি ও তত্ত¡াবধানে পানির উত্তাল তরঙ্গমালার উপর দিয়ে চলে। তা ছিলো নূ হ (আলাইহিমাস-সালাম) এর প্রতি মিথ্যারোপকারী সম্প্র দায় এবংতিনি আল্লাহরপক্ষ থেকে তাদেরনিকট যা নিয়ে এসেছিলেন তা অস্বীকারকারীদেরউপরবিজয় প্রদানেরনিমিত্তে।

وَلَقَد تَّرَكْنَـٰهَآ ءَايَةًۭ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿١٥﴾

বস্তু তঃআমি এই শাস্তি কে পরবর্তীদের মাঝে উপদেশ হিসাবে রেখে দিয়ে ছি। অতএব, এ থেকে উপদেশ গ্রহণকারী কি কেউ আছে?! فكيف كان عذابى ونذر

فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿١٦﴾

মিথ্যারোপকারীদের জন্য আমার শাস্তি কেমন ছিল?! আর আমার শাস্তি রমাধ্যমে আমারসতর্ক -সংকেতই বা কেমন ছিলো?!

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿١٧﴾

আমি কু রআনকে শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণেরজন্যসহজ করেছি। কেউ কি আছে তাতে নিহিত শিক্ষা ও উপদেশসমূ হ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর كذبت عاد فكيف كان عذابى ونذر

كَذَّبَتْ عَادٌۭ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿١٨﴾

আদ সম্প্র দায় তাদের নবী হূ দ (আলাইহিস-সালাম)কে মিথ্যারোপ করেছে। ফলে হে মক্কাবাসী! তোমরা ভেবে দেখো তাদের জন্য আমার শাস্তি কেমন ছিলো?! উপরন্তু তাদেরশাস্তি রমাধ্যমে অন্যদেরশিক্ষাকেমন ছিলো?!

إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًۭا صَرْصَرًۭا فِى يَوْمِ نَحْسٍۢ مُّسْتَمِرٍّۢ ﴿١٩﴾

আমি তাদের উপর এক কালো ও অশনির দিনে প্রচÐ শৈত্য হাওয়া প্রবাহিত করি। যা তাদের উপর জাহান্নামে পতিত হওয়া পর্যতন্ অব্যাহত থাকবে।

تَنزِعُ ٱلنَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍۢ مُّنقَعِرٍۢ ﴿٢٠﴾

যা মানুষকে মাটি থেকে উঠি য়ে তাদেরকে নিজেদের মাথার উপর দিয়ে নিক্ষেপ করবে। ফলে সেগুলো যেন তলদেশ থেকে উপড়ানো খেজুর বৃক্ষের শেকড়ে রন্যায় । فكيف كان عذابى ونذر

فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿٢١﴾

তাই হে মক্কাবাসীরা! তোমরা চিন্তা করে দেখো তাদের জন্যে আমার শাস্তি কেমন ছিলো?! আর তাদের শাস্তি র মাধ্যমে অন্যদের জন্য কেমন সতর্ক - সংকেত ছিলো?!

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿٢٢﴾

আমি কু রআনকে শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণেরজন্যসহজ করেছি। কেউ কি আছে তাতে নিহিত শিক্ষা ও উপদেশসমূ হ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে?!

كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِٱلنُّذُرِ ﴿٢٣﴾

সামূ দ সম্প্র দায় তাদেরকে তাদেররাসূল সালেহ (আলাইহিস-সালাম) যে বিষয়ে রপ্র তি আহŸান করেছিলো সেটি কে মিথ্যারোপ করে।

فَقَالُوٓا۟ أَبَشَرًۭا مِّنَّا وَٰحِدًۭا نَّتَّبِعُهُۥٓ إِنَّآ إِذًۭا لَّفِى ضَلَـٰلٍۢ وَسُعُرٍ ﴿٢٤﴾

তাই তারা অনিহা প্রকাশপূর্বক বলে: আমরা কি নিজেদের প্রকৃ তির একজনকে অনুসরণ করবো?! এমনটি করলে তো আমরা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবোএবংচরম ভোগান্তি তে পড়ে যাবো।

أَءُلْقِىَ ٱلذِّكْرُ عَلَيْهِ مِنۢ بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌۭ ﴿٢٥﴾

আমাদেরকে বাদ দিয়ে কি একাই তার উপর ওহী অবতীর্ণ করা হয়ে ছে?! না, বরং সে অহঙ্কারী মিথ্যাবাদী।

سَيَعْلَمُونَ غَدًۭا مَّنِ ٱلْكَذَّابُ ٱلْأَشِرُ ﴿٢٦﴾

বস্তু তঃ তারা অচিরেই কিয়ামত দিবসে জানবে যে, কে মহা মিথ্যাবাদী। সালেহ, না তারা? بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

إِنَّا مُرْسِلُوا۟ ٱلنَّاقَةِ فِتْنَةًۭ لَّهُمْ فَٱرْتَقِبْهُمْ وَٱصْطَبِرْ ﴿٢٧﴾

আমি অবশ্যই তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য পাথর থেকে উষ্ট্রীকে বের করবো। তাই হে সালেহ! আপনি অপেক্ষায় থাকু ন। আর তারা কী করে এবং তাদেরসাথে কীআচরণ করাহয় দেখতে থাকু ন। উপরন্তু তাদেরদেয়াকষ্টে রউপরধৈর্য ধারণ করুন।

وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ ٱلْمَآءَ قِسْمَةٌۢ بَيْنَهُمْ ۖ كُلُّ شِرْبٍۢ مُّحْتَضَرٌۭ ﴿٢٨﴾

তাদেরকে সংবাদ দিন যে, তাদের কূ পের পানি তাদের ও উষ্ট্রীর মাঝে বন্ট ন করা হয়ে ছে। একদিন তাদের জন্য। আর এক দিন উষ্ট্রীর জন্য। প্রত্যেক অংশেরজন্যতারমালিক নিজ নিজ সময়ে উপস্থি ত হবে। فنادوا صاحبهم فتعاط فعقر

فَنَادَوْا۟ صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ ﴿٢٩﴾

তারা উষ্ট্রীকে হত্যা করার জন্য তাদের সাথীকে আহŸান জানায় । ফলে সে তরবারি হাতে নিয়ে তার জাতির নির্দে শ মানতে উষ্ট্রীকে হত্যা করে। فكيف كان عذابى ونذر

فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿٣٠﴾

অতএব, হে মাক্কাবাসী! তোমরা ভেবে দেখো, তাদের উদ্দেশ্যে আমার শাস্তি কেমন ছিলো?! আর তাদের শাস্তি র মাধ্যমে অন্যদের জন্য আমার সতর্ক - সংকেতই বাকেমন ছিলো?!

إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةًۭ وَٰحِدَةًۭ فَكَانُوا۟ كَهَشِيمِ ٱلْمُحْتَظِرِ ﴿٣١﴾

আমি তাদের উপর একটি মাত্র বজ্রপাত ঘটাই যা তাদেরকে ধ্বংস করে দেয় । ফলে তারা খোয়াড় তৈরীকারীর ছাগলের জন্য বেড়া বানানোর শুষ্ক বৃক্ষের ন্যায় হয়ে যায়।

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿٣٢﴾

আমি কু রআনকে শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণেরজন্যসহজ করেছি। কেউ কি আছে তাতে নিহিত শিক্ষা ও উপদেশসমূ হ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে?!

كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍۭ بِٱلنُّذُرِ ﴿٣٣﴾

লুত (আলাইহিস-সালাম) এরজাতি তাদেরকে তিনি যদ্বারাসতর্ক করেন সেটি রপ্র তি মিথ্যারোপ করে।

إِنَّآ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّآ ءَالَ لُوطٍۢ ۖ نَّجَّيْنَـٰهُم بِسَحَرٍۢ ﴿٣٤﴾

আমি তাদেরউপরপাথরনিক্ষেপকারী এমন বায়ু প্রে রণ করলাম যা কেবল লুত পরিবারব্যতীত বাকী সবাইকে আঘাত করে। তাদেরকে শাস্তি পায় নি। কেননা,আমি তাদেরকে তাথেকে মু ক্তি দিয়ে ছি। যেহেতু তিনি শেষ রাতে শাস্তি সংঘটি ত হওয়ারপূর্বেই তাদেরকে নিয়ে সফরেবেরহয়ে যান।

نِّعْمَةًۭ مِّنْ عِندِنَا ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِى مَن شَكَرَ ﴿٣٥﴾

আমি তাদেরকে পুরস্কার স্বরূপ শাস্তি থেকে মুক্তি দিয়ে ছি। বস্তু তঃএই প্রতিদান যদ্বারা আমি লুতকে পুরস্কৃত করেছি তেমনিই আমি প্রত্যেক আল্লাহর নিআমতেরশুকরিয়াআদায় কারীকে প্রতিদান দেই। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا۟ بِٱلنُّذُرِ ﴿٣٦﴾

লুত (আলাইহিস-সালাম) তাদেরকে আমারশাস্তি রভীতি প্রদর্শন করেন। তবেতারাএ সতর্ক -সংকেত নিয়ে পরস্পরঝগড়ায় লিপ্ত হয় এবংতারাসেটি র প্রতি মিথ্যারোপ করে।

وَلَقَدْ رَٰوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِۦ فَطَمَسْنَآ أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿٣٧﴾

লুত (আলাইহিস-সালাম)কে তাঁর জাতি কু কর্মের উদ্দেশ্যে তাঁর মেহমান ফিরিশতাদের নিকট পৌঁছু তে পিড়াপিড়ি করে। ফলে আমি তাদের দৃষ্টি অন্ধ করে দেই। তাই তারা ওদেরকে দেখতে পেলো না। আমি তাদেরকে বললাম: তোমরা আমার শাস্তি ও আমার পক্ষ থেকে তোমাদের উদ্দেশ্যে সতর্ক - সংকেতেরস্বাদ আস্বাদন করো। ر ولقد صبحهم بكرةعذاب مستق

وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌۭ مُّسْتَقِرٌّۭ ﴿٣٨﴾

তাদের নিকট প্রভাতেই শাস্তি আগমন করে। যা পরকালে পাড়ি জমানো পর্যতন্ চলমান থাকবে। অতঃপর পরকালের শাস্তি তাদের নিকট আগমন করবে। فذوقوا عذابى ونذر

فَذُوقُوا۟ عَذَابِى وَنُذُرِ ﴿٣٩﴾

তাদেরকে বলা হবে, তোমরা আমার পক্ষ থেকে প্রে রিত শাস্তি ও লুত কর্তৃ ক সতর্ক -সংকতের পরিণতি আস্বাদন করো।

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا ٱلْقُرْءَانَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿٤٠﴾

আমি কু রআনকে শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণেরউদ্দেশ্যেসহজ করেছি। কেউ কি আছে তাতে নিহিত শিক্ষা ও উপদেশসমূ হ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে?!

وَلَقَدْ جَآءَ ءَالَ فِرْعَوْنَ ٱلنُّذُرُ ﴿٤١﴾

ফিরাউন পরিবারেরনিকট মূ সা ও হারূন (আলাইহিমাস-সালাম) এরযবানীতে আমারসতর্ক -সংকেত পৌঁছেছে। كذبوا بٔايتنا كلها فأخذنهم أخذ عزيز م قتدر

كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَـٰهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍۢ مُّقْتَدِرٍ ﴿٤٢﴾

তারা আমার পক্ষ থেকে আগত দলীল-প্রমাণাদিকে অবিশ্বাস করলো। ফলে আমি তাদের মিথ্যারোপের দরুন তাদেরকে এমন প্ররাক্র মশালীর শাস্তি প্রদান করলাম যাঁকে ঠেকানোরকেউ নেই। যিনি এমন ক্ষমতাধরযাঁকে কোন কিছু ই অপারগ করতে পারেনা।

أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌۭ مِّنْ أُو۟لَـٰٓئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَآءَةٌۭ فِى ٱلزُّبُرِ ﴿٤٣﴾

হে মক্কাবাসীরা! তোমাদের কাফিররা কি উপরোক্ত কাফিরদের অপেক্ষা উত্তম তথা নূহ (আলাইহিস-সালাম) এর জাতি, আদ, সামূদ, লুত (আলাইহিস- সালাম) এর জাতি, ফিরআউন ও তার জাতি?! না কি তোমরা আল্লাহর সেই শাস্তি থেকে মু ক্তযা আসমানী কিতাবসমূ হে বর্ণিত হয়ে ছে। أم يقولون نحن جميع منتصر

أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌۭ مُّنتَصِرٌۭ ﴿٤٤﴾

বরং মক্কার এ সব কাফির কি বলে যে, আমরা ওদের উপর বিজয়ী যারা আমাদেরকে পরাজিত করতে চায় কিংবা আমাদের ঐক্য বিনষ্ট করতে চায় ?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ ﴿٤٥﴾

অচিরেই এ সব কাফিরের দল পরাজিত হবে এবং তারা মু’মিনদের সম্মুখ থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাবে। বাস্ত বে তা বদর যুদ্ধের দিন সংঘটি ত হয়ে ছে।

بَلِ ٱلسَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَٱلسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ ﴿٤٦﴾

বরং তাদের আসল শাস্তি র জায় গা ওই কিয়ামত দিবস যা তারা অস্বীকার করে। আর কিয়ামত দিবস বদর যুদ্ধে তাদের পাওয়া শাস্তি অপেক্ষা সমধিক ভয়াবহ ওকঠি ন।

إِنَّ ٱلْمُجْرِمِينَ فِى ضَلَـٰلٍۢ وَسُعُرٍۢ ﴿٤٧﴾

নিশ্চয় ই কু ফরী ও পাপাচারের অপরাধীরা সত্য থেকে বহু দূরে রয়ে ছে এবং তারা শাস্তি ও কষ্টে র মধ্যে আছে।

يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِى ٱلنَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا۟ مَسَّ سَقَرَ ﴿٤٨﴾

যে দিন তাদেরকে মু খের ভরে আগুনে টেনে নেয়া হবে। আর ধমকের স্বরে বলা হবে, তোমরা আগুনের স্বাদ আস্বাদন করো। إنا كل شىء خلقنه بقدر

إِنَّا كُلَّ شَىْءٍ خَلَقْنَـٰهُ بِقَدَرٍۢ ﴿٤٩﴾

আমি সৃষ্টি কু লেরপ্র ত্যেকটি বস্তু আমারপূর্ব নির্ধারণ, জ্ঞান, ইচ্ছা ও লাওহে মাহফ‚যে লিখিত ফায় সালা অনু যায়ী সৃষ্টি করেছি।

وَمَآ أَمْرُنَآ إِلَّا وَٰحِدَةٌۭ كَلَمْحٍۭ بِٱلْبَصَرِ ﴿٥٠﴾

আমি যখন কোন কাজ সম্পাদন করতে চাই তখন শুধু একটি কথাই বলি। আরতাহলো“হয়ে যা”। ফলে আমি যাচাই তাচোখেরপলকে দ্র æত হয়ে যায় ।

وَلَقَدْ أَهْلَكْنَآ أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍۢ ﴿٥١﴾

আমি তোমাদের মতো তোমাদের পূর্বেকার কাফির জাতিকে ধ্বংস করেছি। তাই কেউ কি আছে উপদেশ গ্রহণ করে তার কু ফরী থেকে বিরত থাকবে?!

وَكُلُّ شَىْءٍۢ فَعَلُوهُ فِى ٱلزُّبُرِ ﴿٥٢﴾

বান্দারাযাকিছু করেতাসংরক্ষক ফিরিশতাদেরখাতায় লিপিবদ্ধ রয়ে ছে। কোন কিছু ই তাদেরথেকে বাদ পড়ে না। وكل صغير وكبير مستطر

وَكُلُّ صَغِيرٍۢ وَكَبِيرٍۢ مُّسْتَطَرٌ ﴿٥٣﴾

ছোট-বড় সবকথাও কাজ আমল নামাও লাওহে মাহফ‚জে লিপিবদ্ধ আছে। এরভিত্তিতেই প্রতিদান দেয়াহবে।

إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّـٰتٍۢ وَنَهَرٍۢ ﴿٥٤﴾

অবশ্যই আল্লাহরআদেশ-নিষেধমান্যকারী মু ত্তকীরা উদ্যানসমূ হ ও প্রবাহিত নদ-নদীতে উপভোগে থাকবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর فى مقعد صدق عند مليك مقتدر

فِى مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍۢ مُّقْتَدِرٍۭ ﴿٥٥﴾

সব কিছুর মালিক ও সব কাজে সামর্থ্যবানের নিকট সত্যনিষ্ঠ মাজলিসে। যেথায় কোন বাজে কিংবা পাপের কথা নেই। তাই তাদের অবিচ্ছিন্ন ভোগসামগ্রী সম্পর্কে জিজ্ঞেসের কোন অপেক্ষা রাখে না। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · Al-Qamar — القمر

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা