قَدْ أَفْلَحَ ٱلْمُؤْمِنُونَ ﴿١﴾
আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নকারী ও তাঁর শরীয় তের উপর আমলকারী মু ’মিনরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করে এবং ভীতিপ্র দ বস্তু থেকে নাজাত পেয়ে সফলকাম হয়ে ছে।
হোম›তাফসির›Al-Muminoon (23)
মাক্কী · 118 আয়াত
قَدْ أَفْلَحَ ٱلْمُؤْمِنُونَ ﴿١﴾
আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নকারী ও তাঁর শরীয় তের উপর আমলকারী মু ’মিনরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করে এবং ভীতিপ্র দ বস্তু থেকে নাজাত পেয়ে সফলকাম হয়ে ছে।
ٱلَّذِينَ هُمْ فِى صَلَاتِهِمْ خَـٰشِعُونَ ﴿٢﴾
যারা নিজেদের সালাতে বিনয়ী। সালাতে তাদের অঙ্গগুলো স্থি র এবং তাদের অন্ত রগুলো অন্যান্য সকল ব্যস্ত তা থেকে মু ক্তহয়ে ছে।
وَٱلَّذِينَ هُمْ عَنِ ٱللَّغْوِ مُعْرِضُونَ ﴿٣﴾
যারা বাতিল ও অসার এবং যে কথা ও কাজগুলোতে পাপ রয়ে ছে সেগুলো থেকে মু ক্ত।
وَٱلَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَوٰةِ فَـٰعِلُونَ ﴿٤﴾
যারা নিজেদের অন্ত রগুলোকে খারাপ বৈশিষ্ট্যাবলী থেকে এবং নিজেদের সম্পদগুলোকে সেগুলোর যাকাত আদায়ে র মাধ্যমে পরিচ্ছন্নকারী।
وَٱلَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَـٰفِظُونَ ﴿٥﴾
যারা নিজেদের লজ্জাস্থানগুলোকে ব্যভিচার, সমকামিতা ও সমূ হ অশ্লীলতা থেকে রক্ষাকারী। ফলে তারা সাধু ও পবিত্র।
إِلَّا عَلَىٰٓ أَزْوَٰجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَـٰنُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ ﴿٦﴾
তবে যারা নিজেদের স্ত্রী বা নিজেদের মালিকানাধীন বান্দীদেরকে সহবাস ইত্যাদির মাধ্যমে সম্ভোগ করলো তারা কখনোই নিন্দি ত হবে না।
فَمَنِ ٱبْتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْعَادُونَ ﴿٧﴾
কিন্তু যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রী বা মালিকানাধীন বান্দী ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে যৌন সম্ভোগ করতে চাইবে সে অবশ্যই আল্লাহর দেয়া সীমারেখাগুলো অতিক্র মকারী। কারণ,সে হালালকৃ ত সম্ভোগ অতিক্র ম করেহারামেরদিকে ধাবিত হয়ে ছে।
وَٱلَّذِينَ هُمْ لِأَمَـٰنَـٰتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَٰعُونَ ﴿٨﴾
আর যারা আল্লাহ অথবা তাঁর বান্দাদের আমানত ও অঙ্গীকারগুলো রক্ষাকারী। তারা সেগুলোকে নষ্ট না করে বরং সেগুলোকে পূর্ণ করেছে।
وَٱلَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَوَٰتِهِمْ يُحَافِظُونَ ﴿٩﴾
আর যারা নিজেদের সালাতগুলোকে নিয় মিত এবং সেগুলোর রুকন, ওয়াজিব ও মু তাহাবসহস্ সময় মতো আদায় করে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْوَٰرِثُونَ ﴿١٠﴾
এ বৈশিষ্ট্যাবলীর অধিকারীরাই হলো সত্যিকারের উত্তরাধিকারী।
ٱلَّذِينَ يَرِثُونَ ٱلْفِرْدَوْسَ هُمْ فِيهَا خَـٰلِدُونَ ﴿١١﴾
যারা জান্নাতের উচ্চাসনের উত্তরাধিকারী হবে এবং সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। তাদের নিয়ামতগুলো কখনোই শেষ হবে না।
وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ مِن سُلَـٰلَةٍۢ مِّن طِينٍۢ ﴿١٢﴾
আমি নিশ্চয় ই মানবপিতা আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি। যে মাটি নেয়া হয়ে ছে এমন সারাংশ থেকে যা জমিনের মাটি মিশ্রি ত পানি থেকে সংগৃ হিত। ثم جعلنهنطفة فى قرار مكين
ثُمَّ جَعَلْنَـٰهُ نُطْفَةًۭ فِى قَرَارٍۢ مَّكِينٍۢ ﴿١٣﴾
অতঃপর আমি তার সন্তানদিগকে বংশ পরম্পরায় বীর্য থেকে তৈরি করেছি যা প্রসব পর্যতন্ জরায়ুতেই অবস্থান করে।
ثُمَّ خَلَقْنَا ٱلنُّطْفَةَ عَلَقَةًۭ فَخَلَقْنَا ٱلْعَلَقَةَ مُضْغَةًۭ فَخَلَقْنَا ٱلْمُضْغَةَ عِظَـٰمًۭا فَكَسَوْنَا ٱلْعِظَـٰمَ لَحْمًۭا ثُمَّ أَنشَأْنَـٰهُ خَلْقًا ءَاخَرَ ۚ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ أَحْسَنُ ٱلْخَـٰلِقِينَ ﴿١٤﴾
অতঃপরআমি জরায়ুতে স্থি ত বীর্যকে লাল জমাট রক্তে রূপান্ত রিত করি। এরপরসে লাল জমাট রক্তকে চিবানোযোগ্য গোস্তে রটুকরোতে রূপান্ত রিত করি। অতঃপরসেই গোস্তে রটু করোকে শক্ত হাড়ে রূপান্ত রিত করি। অনন্ত রআমি সেই হাড় গুলোকে গোস্তে রপোশাক পরিয়ে দেই। এরপরতাতে রূহ ফুঁ কিয়ে তাকে জীব হিসেবে বের করে এনে অন্য এক সৃষ্টি বানিয়ে ফেলি। সর্বোত্তম ¯্রষ্টা আল্লাহ কতোইনা বরকতময় । ثم إنكم بعد ذلك لميتون
ثُمَّ إِنَّكُم بَعْدَ ذَٰلِكَ لَمَيِّتُونَ ﴿١٥﴾
এরপরহে মানু ষ! তোমরাএ পর্যায় গুলোঅতিক্র ম করেঅচিরেই তোমাদেরনির্ধারিত জীবন শেষে মৃ ত্যুবরণ করবে।
ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ تُبْعَثُونَ ﴿١٦﴾
অনন্ত র তোমাদেরকে মৃ ত্যুর পর কিয়ামতের দিন আবারো কবর থেকে উঠানো হবে। যাতে তোমাদের পেশকৃ ত আমলগুলোর হিসাব করা যায় ।
وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَآئِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ ٱلْخَلْقِ غَـٰفِلِينَ ﴿١٧﴾
হে মানুষ! নিশ্চয় ই আমি তোমাদেরউপরএকেরউপরআরেকটি করেসাতটি আকাশ তৈরিকরেছি। বস্তু তঃআমি কখনো আমারসৃষ্টি থেকে গাফিল ছিলাম না। না তাকে কখনো ভু লে গিয়ে ছিলাম।
وَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۢ بِقَدَرٍۢ فَأَسْكَنَّـٰهُ فِى ٱلْأَرْضِ ۖ وَإِنَّا عَلَىٰ ذَهَابٍۭ بِهِۦ لَقَـٰدِرُونَ ﴿١٨﴾
আমি আকাশ থেকে প্রয়োজন মাফিক বৃষ্টি রপানি নাযিল করেছি। নাএমন বেশি যাফসলকে নষ্ট করেদিবে। নাএতোকম যাযথেষ্ট নয় । অতঃপর আমি তাকে জমিনে স্থি তিশীল করেছি যাতে তা দ্বারা মানুষ ও চতু ষ্পদ জন্তু লাভবান হতে পারে। আবারআমি এটি কে উঠি য়ে নিয়ে যেতেও সক্ষম। ফলে তোমরা তা দিয়ে লাভবান হতে পরবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর فأنشأنا لكم به جنت من ن خيل وأعنب ل كم فيها فوكهكثيرة ومنها تأكلون
فَأَنشَأْنَا لَكُم بِهِۦ جَنَّـٰتٍۢ مِّن نَّخِيلٍۢ وَأَعْنَـٰبٍۢ لَّكُمْ فِيهَا فَوَٰكِهُ كَثِيرَةٌۭ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ ﴿١٩﴾
অতঃপর আমি তোমাদের জন্য এ পানি দিয়ে খেজুর ও আঙ্গুরের বাগানসমূহ বানিয়ে ছি। সেগুলোতে রয়ে ছে তোমাদের জন্য বিভিন্ন ধরন ও রঙের ফল। যেমন: ডু মু র, আনার ও আপেল। যেগুলো থেকে তোমরা খাচ্ছো।
وَشَجَرَةًۭ تَخْرُجُ مِن طُورِ سَيْنَآءَ تَنۢبُتُ بِٱلدُّهْنِ وَصِبْغٍۢ لِّلْـَٔاكِلِينَ ﴿٢٠﴾
তেমনিভাবে আমি তোমাদের জন্য এর মাধ্যমে যাইতু নের গাছ তৈরি করেছি। যা সাইনা পহাড়ী এলাকায় জন্মে। যার ফল থেকে তৈরি হয় তেল। যা কর্তৃ ক কোন বস্তু কে তৈলাক্ত করা হয় এবং তা তরকারী হিসেবেও খাওয়া হয় ।
وَإِنَّ لَكُمْ فِى ٱلْأَنْعَـٰمِ لَعِبْرَةًۭ ۖ نُّسْقِيكُم مِّمَّا فِى بُطُونِهَا وَلَكُمْ فِيهَا مَنَـٰفِعُ كَثِيرَةٌۭ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ ﴿٢١﴾
হে মানুষ! তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু তথা উট, গাভী ও ছাগলে শিক্ষণীয় বিষয় এবং প্রমাণ রয়ে ছে যেগুলোর মাধ্যমে তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর দয়া এবং তাঁর কু দরতের ব্যাপারে প্রমাণ গ্রহণ করতে পারো। আমি তোমাদেরকে এ পশুগুলোর পেট থেকে পানকারীদের জন্য সহজ পানীয় তথা খাঁটি দুধ পান করিয়ে থাকি। উপরন্তু তোমাদের জন্য রয়ে ছে এগুলোর মাঝে অনেক ফায়ে দা যেগুলো দ্বারা তোমরা লাভবান হচ্ছো। যেমন: আরোহণ,উল,পশম ও লোম ইত্যাদি সংগ্র হ করা। উপরন্তু তোমরাসেগুলোরগোস্ত খেতে পারো।
وَعَلَيْهَا وَعَلَى ٱلْفُلْكِ تُحْمَلُونَ ﴿٢٢﴾
স্থলভাগে গৃহপালিত পশু তথা উট এবং সাগরে জাহাজের উপর তোমাদেরকে আরোহণ করানো হয় ।
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِۦ فَقَالَ يَـٰقَوْمِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُۥٓ ۖ أَفَلَا تَتَّقُونَ ﴿٢٣﴾
নিশ্চয় ই আমি নূহ (আলাইহিস-সালাম) কে তাঁরসম্প্র দায়ে রনিকট পাঠি য়ে ছি যেন তিনি তাদেরকে আল্লাহরদিকে ডাকেন। তাই তিনি তাদেরকে ডেকে বললেন: হে আমার জাতি! তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত করো। তোমাদের জন্য তিনি ছাড়া সত্যিকার কোন মা’বূদ নেই। তোমরা কি আল্লাহর আদেশ- নিষেধগুলো মেনে তাঁকে ভয় করবে না?!
فَقَالَ ٱلْمَلَؤُا۟ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن قَوْمِهِۦ مَا هَـٰذَآ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُكُمْ يُرِيدُ أَن يَتَفَضَّلَ عَلَيْكُمْ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَأَنزَلَ مَلَـٰٓئِكَةًۭ مَّا سَمِعْنَا بِهَـٰذَا فِىٓ ءَابَآئِنَا ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٢٤﴾
অতঃপর তাঁর সম্প্র দায়ে র নেতৃ স্থানীয় ও পদমর্যাদাসম্পন্ন কাফিররা তাদের অনু সরণকারী ও জনসাধারণকে বললো: যে নিজেকে রাসূল বলে দাবি করছে সে তো তোমাদের মতোই একজন মানুষ। সে মূলতঃ এরই মাধ্যমে তোমাদের উপর তার নেতৃ ত্বও কর্তৃ ত্বখাটাতে চাচ্ছে। আল্লাহ যদি সত্যিকারার্থে আমাদেরনিকট কোন রাসূল পাঠাতে চাইতেন তাহলে তিনি ফিরিশতাই পাঠাতেন। কোন মানুষ পাঠাতেন না। আমরা কখনো এ জাতীয় কোন দাবি আমাদেরপূর্ববর্তী মু রুব্বিদেরনিকট শুনতে পাইনি। إن هوإلا رجل به جنة فتربصوابه حت حين
إِنْ هُوَ إِلَّا رَجُلٌۢ بِهِۦ جِنَّةٌۭ فَتَرَبَّصُوا۟ بِهِۦ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿٢٥﴾
মূলতঃ সে একজন পাগল ব্যক্তি। কী বলছে সে তা বুঝতে পারছে না। তাই তোমরা তার ব্যাপারে অপেক্ষা করো যতক্ষণ না তার ব্যাপারটি মানুষের কাছেসুস্পষ্ট হয় । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ رَبِّ ٱنصُرْنِى بِمَا كَذَّبُونِ ﴿٢٦﴾
নূ হ (আলাইহিস-সালাম) বললেন: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা করুন তথা আমাকে অস্বীকার করার দরুন তাদের থেকে আমার জন্য প্রতিশোধ নিন।
فَأَوْحَيْنَآ إِلَيْهِ أَنِ ٱصْنَعِ ٱلْفُلْكَ بِأَعْيُنِنَا وَوَحْيِنَا فَإِذَا جَآءَ أَمْرُنَا وَفَارَ ٱلتَّنُّورُ ۙ فَٱسْلُكْ فِيهَا مِن كُلٍّۢ زَوْجَيْنِ ٱثْنَيْنِ وَأَهْلَكَ إِلَّا مَن سَبَقَ عَلَيْهِ ٱلْقَوْلُ مِنْهُمْ ۖ وَلَا تُخَـٰطِبْنِى فِى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوٓا۟ ۖ إِنَّهُم مُّغْرَقُونَ ﴿٢٧﴾
অতঃপর আমি তাঁর নিকট এ মর্মে ওহী পাঠালাম যে, আপনি আমার শিখানো পদ্ধতি অনুযায়ী আমার চোখের সামনেই নৌকা তৈরি করুন। এরপর যখন তাদেরকে ধ্বংস করার আদেশ এসে গেলো এবং তন্দুর থেকে প্রবল বেগে পানি বের হতে শুরু করলো তখন আমি তাঁকে এ মর্মে আদেশ করলাম যে, আপনি প্রত্যেক জীব থেকে নর ও মাদী উভয় কেই এ নৌকাতে উঠি য়ে নিন যাতে তাদের বংশ পরম্পরা টি কে থাকে। উপরন্তু আপনি নিজ পরিবারকেও এতে প্রবেশ করান। তবে যাদের ব্যাপারে পূর্ব থেকেই আল্লাহর পক্ষ থেকে ধ্বংসের ফায় সালা করা হয়ে ছে তাদেরকে নয় । যেমন: আপনার জনৈকা স্ত্রী ও জনৈক সন্তান। আর আপনি যারা কু ফরির মাধ্যমে নিজেদের উপর যুলুম করেছে তাদের নাজাত ও তাদেরকে ধ্বংস না করার ব্যাপারেআমাকে সম্বোধন করবেন না। নিশ্চয় ই তারাঅনিবার্যভাবেতু ফানেরপানিতে ডু বেধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
فَإِذَا ٱسْتَوَيْتَ أَنتَ وَمَن مَّعَكَ عَلَى ٱلْفُلْكِ فَقُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى نَجَّىٰنَا مِنَ ٱلْقَوْمِ ٱلظَّـٰلِمِينَ ﴿٢٨﴾
যখন আপনি ও নাজাতপ্রাপ্ত মু’মিনরা আপনার সাথে নৌকায় উঠবে তখন আপনি বলুন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে কাফির সম্প্র দায়ে র হাত থেকে রক্ষা করে তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়ে ছেন।
وَقُل رَّبِّ أَنزِلْنِى مُنزَلًۭا مُّبَارَكًۭا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْمُنزِلِينَ ﴿٢٩﴾
আরোবলুন:হে আমারপ্র তিপালক! আপনি আমাকে জমিনেরবরকতময় জায় গায় অবতরণ করান। কারণ,আপনিই হলেন সর্বোত্তম অবতরণকারী। إن فى ذلك لٔايت وإن كنا لمبتلين
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ وَإِن كُنَّا لَمُبْتَلِينَ ﴿٣٠﴾
নিশ্চয় ই উপরোল্লি খিত নূহ (আলাইহিস-সালাম) ও তাঁর সাথের মু’মিনদেরকে নাজাত দেয়া, কাফিরদেরকে ধ্বংস করা, রাসূলদেরকে সাহায্য করা ও তাঁদেরপ্র তি মিথ্যারোপকারীদেরকে ধ্বংস করারমাঝে আমারকু দরতেরসুস্পষ্ট প্রমাণ রয়ে ছে। আমি নূহ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায়ে রনিকট তাঁকে পাঠি য়ে তাদেরকে মূ লতঃ পরীক্ষা করেছি। যাতে মু ’মিন কাফির থেকে এবং অনু গত পাপী থেকে সুস্পষ্ট ভাবে পৃথক হয়ে যায় । ثم أنشأنا من بعدهم قرنا ءاخرين
ثُمَّ أَنشَأْنَا مِنۢ بَعْدِهِمْ قَرْنًا ءَاخَرِينَ ﴿٣١﴾
অনন্ত রআমি নূ হ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায় কে ধ্বংস করেদিয়ে অন্যআরেকটি জাতি সৃষ্টি করেছি।
فَأَرْسَلْنَا فِيهِمْ رَسُولًۭا مِّنْهُمْ أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنْ إِلَـٰهٍ غَيْرُهُۥٓ ۖ أَفَلَا تَتَّقُونَ ﴿٣٢﴾
তাদের মাঝেও আমি একজন রাসূল পাঠি য়ে ছি যিনি তাদেরকে আল্লাহর দিকে ডেকে বললেন: তোমরা একমাত্র আল্লাহরই ইবাদাত করো। তোমাদের জন্য তিনি ছাড়া অন্য কোন সত্য মা’বূদ নেই। তোমরা কি আল্লাহর আদেশ ও নিষেধসমূ হ মেনে তাঁকে ভয় করবে না?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَقَالَ ٱلْمَلَأُ مِن قَوْمِهِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِلِقَآءِ ٱلْـَٔاخِرَةِ وَأَتْرَفْنَـٰهُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا مَا هَـٰذَآ إِلَّا بَشَرٌۭ مِّثْلُكُمْ يَأْكُلُ مِمَّا تَأْكُلُونَ مِنْهُ وَيَشْرَبُ مِمَّا تَشْرَبُونَ ﴿٣٣﴾
يأكل مما تأكلون منهويشرب مما تشربون তাঁর সম্প্র দায়ে র নেতৃ স্থানীয় ও সুধীজনেরা -যারা আল্লাহর সাথে কু ফরি করেছে এবং আখিরাতের শাস্তি ও প্রতিদানের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে উপরন্তু আমি তাদেরকে দুনিয়ার জীবনের নিয়ামতের যে প্রশস্ত তা দিয়ে ছি তা তাদেরকে গাদ্দার বানিয়ে দিয়ে ছে- তারা নিজেদের অনুসারী ও জনসাধারণকে বললো: এ তো তোমাদের মতোই একজন মানুষ। তোমরা যা খাচ্ছো সে তাই খায় এবং তোমরা যা পান করছো সে তাই পান করে। তোমাদের উপর তার এমন কোন বিশেষত্ব নেই যার দরুন তাকে তোমাদের নিকট রাসূল হিসেবে পাঠানো হবে। ولئن أطعتم بشرا مثلكم إنكم إذا ل خسرون
وَلَئِنْ أَطَعْتُم بَشَرًۭا مِّثْلَكُمْ إِنَّكُمْ إِذًۭا لَّخَـٰسِرُونَ ﴿٣٤﴾
যদি তোমরা তোমাদের মতো মানুষেরই আনুগত্য করো তাহলে তোমরা নিশ্চয় ই তার আনুগত্যে লাভবান না হয়ে বরং ক্ষতিগ্র তস্ই হবে। কারণ, তখন তোমরা নিজেদের মা’বূদগুলোকে পরিত্যাগ করলে এবং তোমাদের উপর যার কোন বিশেষত্ব নেই তারই অনু সরণ করলে। أيعدكم أنكم إذا متم وكنتم ترابا وعظما أنكم م خرجون
أَيَعِدُكُمْ أَنَّكُمْ إِذَا مِتُّمْ وَكُنتُمْ تُرَابًۭا وَعِظَـٰمًا أَنَّكُم مُّخْرَجُونَ ﴿٣٥﴾
যে নিজকে একজন রাসূল হিসেবে দাবি করছে সেকি তোমাদের সাথে এমন ওয়াদা করছে যে, তোমরা যখন মরে মাটি ও পুরনো হাড়ে পরিণত হবে তখন তোমাদেরকে কবর থেকে জীবিত উঠানো হবে?! এটাকি কোন যুক্তি সঙ্গত কথা?!
۞ هَيْهَاتَ هَيْهَاتَ لِمَا تُوعَدُونَ ﴿٣٦﴾
তোমাদের মৃ ত্যুর পর তোমাদেরকে যে কবর থেকে জীবিত বের করা হবে এবং তোমরা মাটি ও পুরনো হাড়ে পরিণত হবে এমন ওয়াদা বহু দূরের বিষয় ।
إِنْ هِىَ إِلَّا حَيَاتُنَا ٱلدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا نَحْنُ بِمَبْعُوثِينَ ﴿٣٧﴾
মূ লতঃ দুনিয়ার জীবনই তো আসল জীবন। আখিরাতের জীবন বলতে কিছু ই নেই। আমাদের জীবিতরা মরে যাবে। তারা আর জীবিত হবে না। বরং অন্যরাই জন্মের মাধ্যমে নতু ন জীবন ধারণ করবে। আমাদেরকে মৃ ত্যুর পর কিয়ামতের দিন আর হিসেবের জন্য উঠানো হবে না।
إِنْ هُوَ إِلَّا رَجُلٌ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا وَمَا نَحْنُ لَهُۥ بِمُؤْمِنِينَ ﴿٣٨﴾
যে নিজকে একজন রাসূল হিসেবে দাবি করছে সে তো এমনই একজন মানুষ, যে এ দাবির মাধ্যমে সত্যিই আল্লাহর উপর মিথ্যা বানিয়ে বলেছে। আমরা তাকে বিশ্বাস করি না।
قَالَ رَبِّ ٱنصُرْنِى بِمَا كَذَّبُونِ ﴿٣٩﴾
রাসূল বললেন: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য করুন। তারা আমাকে মিথ্যুক বলার দরুন আপনি আমার জন্য তাদের থেকে প্রতিশোধগ্র হণ করুন। قال عما قليل ليصبحن ندمين
قَالَ عَمَّا قَلِيلٍۢ لَّيُصْبِحُنَّ نَـٰدِمِينَ ﴿٤٠﴾
আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে এর উত্তরে বললেন: কিছু ক্ষণ পর আপনার আনীত বিধানের প্রতি মিথ্যারোপকারীরা অচিরেই তাদের মিথ্যারোপের জন্য লজ্জিত হবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ بِٱلْحَقِّ فَجَعَلْنَـٰهُمْ غُثَآءًۭ ۚ فَبُعْدًۭا لِّلْقَوْمِ ٱلظَّـٰلِمِينَ ﴿٤١﴾
তাদের গাদ্দারির দরুন তারা শাস্তি র উপযুক্ত হলে তাদেরকে এক কঠি ন ধ্বংসকারী আওয়াজ পেয়ে বসে। যা তাদেরকে বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া খড় কু টোরন্যায় ধ্বংসস্ত ‚পে পরিণত করলো। ধ্বংস হোকএযালিম সম্প্র দায় । ثم أنشأنا من بعدهم قرونا ءاخرين
ثُمَّ أَنشَأْنَا مِنۢ بَعْدِهِمْ قُرُونًا ءَاخَرِينَ ﴿٤٢﴾
এদের ধ্বংসের পর আমি আরো অন্যান্য সম্প্র দায় ও জাতি তৈরি করেছি। যেমন: লূত্ব , শু‘আইব ও ইউনু স (আলাইহিমু স-সালাম) এর সম্প্র দায় । ما تسبق من أمة أجلها وما يستٔخرون
مَا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَـْٔخِرُونَ ﴿٤٣﴾
এ মিথ্যারোপকারী জাতিসমূহের কোন জাতি তার ধ্বংস আসার নির্ধারিত সময়ে র কিছু আগেও যেতে পারবে না, তা থেকে কিছু পরেও থাকতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে তাদের যতো উপায় -উপকরণই থাক না কেন।
ثُمَّ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا تَتْرَا ۖ كُلَّ مَا جَآءَ أُمَّةًۭ رَّسُولُهَا كَذَّبُوهُ ۚ فَأَتْبَعْنَا بَعْضَهُم بَعْضًۭا وَجَعَلْنَـٰهُمْ أَحَادِيثَ ۚ فَبُعْدًۭا لِّقَوْمٍۢ لَّا يُؤْمِنُونَ ﴿٤٤﴾
يؤمنون অতঃপর আমি আমার রাসূলদেরকে ধারাবাহিকভাবে এক এক জন করে পাঠি য়ে ছি। যখনই সে জাতিসমূ হের কোন জাতির নিকট তাদের জন্য প্রে রিত রাসূল এসেছেন তখনই তারা তাঁকে মিথ্যুক বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই আমি তাদেরকে একের পর এক ধ্বংস করে দিয়ে ছি। ফলে মানুষের মুখের কাহিনী ছাড়া তাদের কোন অস্তি ত্বই আর বাকি থাকেনি। রাসূলগণ তাঁদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যে বিধানসমূহ নিয়ে এসেছেন সেগুলোর প্রতি অবিশ্বাসীজাতি ধ্বংস হোক। ثم أرسلنا موس وأخاههرون بٔايتنا وسلطن مبين
ثُمَّ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ وَأَخَاهُ هَـٰرُونَ بِـَٔايَـٰتِنَا وَسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍ ﴿٤٥﴾
এরপর আমি মূ সা ও তাঁর ভাই হারূনকে নয় টি নিদর্শন তথা লাঠি , উজ্জ্বল হাত, পঙ্গপাল, উকু ন, বেঙ, রক্ত , তু ফান, দুর্ভিক্ষ ও ফলমূ লের ঘাটতি ইত্যাদি সুস্পষ্ট প্রমাণদিয়ে পাঠি য়েছি।
إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَمَلَإِي۟هِۦ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ قَوْمًا عَالِينَ ﴿٤٦﴾
আমি তাঁদেরকে ফিরআউন ও তার সম্প্র দায়ে র সুধীজনদের নিকট পাঠালে তারা অহঙ্কার করে তাঁদের উপর ঈমান আনতে অস্বীকৃ তি জানায় । বস্তু তঃ তারা যুলুম ও প্রতিপত্তির মাধ্যমে মানু ষের উপর এক উদ্ধত জাতি হিসেবে পরিচিত ছিলো।
فَقَالُوٓا۟ أَنُؤْمِنُ لِبَشَرَيْنِ مِثْلِنَا وَقَوْمُهُمَا لَنَا عَـٰبِدُونَ ﴿٤٧﴾
তারা বললো: আমরা কি আমাদের ন্যায় এমন দু’টি মানু ষের উপর ঈমান আনবো, আমাদের উপর যাদের কোন বিশেষত্ব ই নেই। আর তাদের সম্প্র দায় বনূ ইসরাঈল তো আমাদের অনু গত ও আমাদের সামনে সদা বিনয়ী?!
فَكَذَّبُوهُمَا فَكَانُوا۟ مِنَ ٱلْمُهْلَكِينَ ﴿٤٨﴾
অতঃপর তারা এই দু’জন আল্লাহর পক্ষ থেকে যা নিয়ে এসেছেন তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। ফলে তাদের মিথ্যারোপের দরুন তারা পানিতে ডু বে ধ্বংস হয়ে ছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ ﴿٤٩﴾
আমি মূ সা(আলাইহিস-সালাম) কে তাওরাত দিয়ে ছে। যাতে তাঁরসম্প্র দায় এরই মাধ্যমে সত্যেরদিশাপায় ও তারউপরআমল করে।
وَجَعَلْنَا ٱبْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُۥٓ ءَايَةًۭ وَءَاوَيْنَـٰهُمَآ إِلَىٰ رَبْوَةٍۢ ذَاتِ قَرَارٍۢ وَمَعِينٍۢ ﴿٥٠﴾
আরআমি ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম ও তাঁরমা মারইয়ামকে আমারঅসীম ক্ষমতা বুঝায় এমন নিদর্শন বানিয়ে ছি। মারইয়াম তারকোন পিতা ছাড়াই তাকে গর্ভে ধারণ করেছে। আমি তাদেরকে জমিনেরএকটি উঁচু জায় গায় আশ্র য় দিয়ে ছি যা ছিলো সমতল ও অবস্থানেরউপযুক্ত। উপরন্তু তাতে ছিলো চলমান নতু ন পানি।
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلرُّسُلُ كُلُوا۟ مِنَ ٱلطَّيِّبَـٰتِ وَٱعْمَلُوا۟ صَـٰلِحًا ۖ إِنِّى بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌۭ ﴿٥١﴾
হে রাসূলগণ! আপনারা আমার হালালকৃ ত পবিত্র খাদ্য থেকে খান এবং শরীয় ত মাফিক নেক আমল করুন। আপনারা যে আমলগুলো করছেন তা আমি সবই জানি। আপনাদেরকোন আমলই আমারনিকট গোপন নয় ।
وَإِنَّ هَـٰذِهِۦٓ أُمَّتُكُمْ أُمَّةًۭ وَٰحِدَةًۭ وَأَنَا۠ رَبُّكُمْ فَٱتَّقُونِ ﴿٥٢﴾
হে রাসূলগণ! নিশ্চয় ই আপনাদেরধর্ম তো একই ধর্ম। তা হলো ইসলাম। আরআমি আপনাদেরপ্র তিপালক। আমি ছাড়া আপনাদেরআরকোন প্রতিপালক নেই। তাই আপনারাআমারআদেশ ওনিষেধমেনে একমাত্রআমাকেই ভয় করুন।
فَتَقَطَّعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ زُبُرًۭا ۖ كُلُّ حِزْبٍۭ بِمَا لَدَيْهِمْ فَرِحُونَ ﴿٥٣﴾
অতঃপর তাঁদের অনুসারীরা তাঁদের মৃত্যুর পর ধর্মকে নিয়ে বিভক্ত হয়ে ছে। ফলে তারা বিভিন্ন দল ও অনুসারী গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে গিয়ে ছে। প্রত্যেক দলই তার এ বিশ্বাস নিয়ে খুশি যে, আল্লাহর নিকট তার অনুসরণীয় দ্বীনই কেবল পছন্দ নীয় । তাই সে অন্যের কাছে থাকা ধর্মের দিকে সামান্যটুকু ও ভ্র ƒক্ষেপ করেনা। فذرهم فىغمرتهم حت حين
فَذَرْهُمْ فِى غَمْرَتِهِمْ حَتَّىٰ حِينٍ ﴿٥٤﴾
হে রাসূল! আপনি তাদেরকে তাদের উপর আযাব নাযিল হওয়া পর্যতন্ মূ র্খতা ও অস্থি রতায় ছেড়ে দিন। أيحسبون أنما نمدهم به من مال وبنين
أَيَحْسَبُونَ أَنَّمَا نُمِدُّهُم بِهِۦ مِن مَّالٍۢ وَبَنِينَ ﴿٥٥﴾
نُسَارِعُ لَهُمْ فِى ٱلْخَيْرَٰتِ ۚ بَل لَّا يَشْعُرُونَ ﴿٥٦﴾
নিজেদের তন্ত্রে র উপর খুশি থাকা দলগুলো কি ভাবছে যে, আমি তাদেরকে দুনিয়ার জীবনে যে সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি দিয়ে ছি তা তাদের উপযুক্ত অগ্রি ম কল্যাণ?! ব্যাপারটি তেমন নয় যা তারা ধারণা করেছে। বরংআমি তাদেরকে অবকাশ ও প্রচুরসময় দিচ্ছি। কিন্তু তারা তা অনুভবকরতে পারছে না।
إِنَّ ٱلَّذِينَ هُم مِّنْ خَشْيَةِ رَبِّهِم مُّشْفِقُونَ ﴿٥٧﴾
নিশ্চয় ই যারা ঈমান ও সৎকর্মশীলতা সত্তে¡ও নিজেদের প্রতিপালককে ভয় করে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَٱلَّذِينَ هُم بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ ﴿٥٨﴾
আর যারা তাঁর কিতাবের আয়াতসমূ হের উপর ঈমান আনে।
وَٱلَّذِينَ هُم بِرَبِّهِمْ لَا يُشْرِكُونَ ﴿٥٩﴾
আর যারা নিজেদের প্রতিপালককে এক ও অদ্বি তীয় বলে গণ্য করে এবং তাঁর সাথে কোন কিছু কেই শরীক করে না।
وَٱلَّذِينَ يُؤْتُونَ مَآ ءَاتَوا۟ وَّقُلُوبُهُمْ وَجِلَةٌ أَنَّهُمْ إِلَىٰ رَبِّهِمْ رَٰجِعُونَ ﴿٦٠﴾
যারা নেকের কর্মসমূহে প্রচেষ্টা চালায় এবং নেক কর্মকাÐের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জ ন করে; অথচ তারা এ ভয়ে ভীত যে, কিয়ামতের দিবসে যখন তারা আল্লাহ তা‘আলার নিকট ফিরে যাবে তখন তিনি তাদের সাদাকা ও নেক আমলগুলো গ্রহণ করবেন কিনা।
أُو۟لَـٰٓئِكَ يُسَـٰرِعُونَ فِى ٱلْخَيْرَٰتِ وَهُمْ لَهَا سَـٰبِقُونَ ﴿٦١﴾
এ মহান বৈশিষ্ট্যাবলীরঅধিকারীরা নেক কাজেরদিকে দ্র æত ধাবিত হয় এবংসেগুলোরপ্র তি তারা দ্র æতগামী। এ জন্যই তারা অন্যদেরচেয়ে অগ্র সর।
وَلَا نُكَلِّفُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۖ وَلَدَيْنَا كِتَـٰبٌۭ يَنطِقُ بِٱلْحَقِّ ۚ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ ﴿٦٢﴾
আমি কাউকে তারসাধ্যেরবাইরেকোন আমল চাপিয়ে দেই না। আমারনিকট এমন একটি কিতাবরয়ে ছে যাতে আমি প্রত্যেক আমলকারীরআমল লিপিবদ্ধ করেছি। যা নিঃসন্দে হে সত্য কথা বলে। সেখানে তাদের কোন নেক আমল কমিয়ে কিংবা বদ আমল বাড়ি য়ে তাদের উপর কোন ধরনের যুলুম করা হবে না। بل قلوبهم فى غمرةمن هذا ولهم أعمل من دون ذلك هم لها عملون
بَلْ قُلُوبُهُمْ فِى غَمْرَةٍۢ مِّنْ هَـٰذَا وَلَهُمْ أَعْمَـٰلٌۭ مِّن دُونِ ذَٰلِكَ هُمْ لَهَا عَـٰمِلُونَ ﴿٦٣﴾
বরং কাফিরদের অন্ত রগুলো এ কিতাব যা সত্য কথা বলে এবং যে কিতাব তাদের উপর নাযিল হয়ে ছে এতদুভয়ে র ব্যাপারেই গাফিল। কু ফরি ছাড়াও সেখানে তাদের অন্যান্য খারাপ আমল রয়ে ছে যা তারা করছে।
حَتَّىٰٓ إِذَآ أَخَذْنَا مُتْرَفِيهِم بِٱلْعَذَابِ إِذَا هُمْ يَجْـَٔرُونَ ﴿٦٤﴾
যখন আমি দুনিয়ার বিলাসীদেরকে কিয়ামতের আযাব দিয়ে শাস্তি দেবো তখন তারা ফরিয়াদের সুরে জোরে চিৎকার করে উঠবে।
لَا تَجْـَٔرُوا۟ ٱلْيَوْمَ ۖ إِنَّكُم مِّنَّا لَا تُنصَرُونَ ﴿٦٥﴾
তখন তাদেরকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ করে বলা হবে: আজ তোমরা চিৎকার ও ফরিয়াদ করো না। কারণ, আজ তোমাদের কোন সাহায্যকারী নেই যে তোমাদেরকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করবে।
قَدْ كَانَتْ ءَايَـٰتِى تُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فَكُنتُمْ عَلَىٰٓ أَعْقَـٰبِكُمْ تَنكِصُونَ ﴿٦٦﴾
দুনিয়াতে আল্লাহর কিতাবের আয়াতসমূহ তোমাদের সামনে তিলাওয়াত করা হয়ে ছিলো। তখন তোমরা সেগুলো শুনে সেগুলোকে অপছন্দ করে পেছনে ফিরে যেতে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর مستكبرين به سمرا تهجرون
مُسْتَكْبِرِينَ بِهِۦ سَـٰمِرًۭا تَهْجُرُونَ ﴿٦٧﴾
তোমরা মানুষের সাথে অহঙ্কার করে এমন করতে। কারণ, তোমরা এ কথা মনে করতে যে, তোমরাই ছিলে হারামের তথা পবিত্র মক্কার অধিবাসী। বস্তু তঃ তোমরা তার অধিবাসী নও। কেননা, তার অধিবাসী হলো মূ লতঃ মু ত্তাকীরা। উপরন্তু তোমরা এর আশেপাশে বিশ্রী কথার গল্প করতে। এর কোন সম্মান করতে না।
أَفَلَمْ يَدَّبَّرُوا۟ ٱلْقَوْلَ أَمْ جَآءَهُم مَّا لَمْ يَأْتِ ءَابَآءَهُمُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٦٨﴾
আল্লাহ তা‘আলা যে কু র‘আন নাযিল করেছেন তা নিয়ে এ মু শরিকরা কি এতটু কু ও চিন্তা করে দেখেনি। যাতে তারা এর উপর ঈমান আনতে এবং তার বিধানাবলীর উপর আমল করতে পারতো। না তাদের নিকট এমন কিছু এসেছে যা ইতিপূর্বে তাদের পূর্বপুরুষদের নিকট আসেনি। ফলে তারা তা থেকে মু খ ফিরিয়ে নিয়ে ছে এবংতারপ্র তি মিথ্যারোপ করেছে। أم لم يعرفوارسولهم فهم له منكرون
أَمْ لَمْ يَعْرِفُوا۟ رَسُولَهُمْ فَهُمْ لَهُۥ مُنكِرُونَ ﴿٦٩﴾
না কি তারা মু হাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে চিনতে পারেনি যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা তাদের নিকট পাঠি য়ে ছেন। ফলে তারা তাঁকে অস্বীকার করেছে। বস্তু তঃ তারা তাঁকে চিনেছে এবং তাঁর সত্যতা ও আমানতদারিতা সম্পর্কে ভালোই জানে।
أَمْ يَقُولُونَ بِهِۦ جِنَّةٌۢ ۚ بَلْ جَآءَهُم بِٱلْحَقِّ وَأَكْثَرُهُمْ لِلْحَقِّ كَـٰرِهُونَ ﴿٧٠﴾
অথচ তারাবলে:সে একজন পাগল। নিশ্চয় ই তারামিথ্যাবলেছে। বরংতিনি তাদেরনিকট আল্লাহরপক্ষ থেকে এমন এক সত্যনিয়ে এসেছেন যাতে সন্দে হের কোন অবকাশ নেই। বরং তাদের অধিকাংশই সত্যকে পছন্দ করে না। এমনকি তারা হিংসাবশত ও বাতিলের পক্ষ নিয়ে সত্যকে ঘৃণা করে।
وَلَوِ ٱتَّبَعَ ٱلْحَقُّ أَهْوَآءَهُمْ لَفَسَدَتِ ٱلسَّمَـٰوَٰتُ وَٱلْأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ ۚ بَلْ أَتَيْنَـٰهُم بِذِكْرِهِمْ فَهُمْ عَن ذِكْرِهِم مُّعْرِضُونَ ﴿٧١﴾
م عرضون আল্লাহ তা‘আলা যদি সকল ব্যাপার তাদের মন মতো পরিকল্পনা ও পরিচালনা করতেন তাহলে আকাশ ও জমিন ধ্বংস হয়ে যেতো। এমনকি এতদুভয়ে র মাঝে থাকা সবাই ধ্বংস হয়ে যেতো। কারণ, তারা কোন কিছু র পরিণতি সম্পর্কে জানতো না এবং পরিকল্পনার সময় শুদ্ধ ও অশুদ্ধ যাচাই করতো না।
أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ خَرْجًۭا فَخَرَاجُ رَبِّكَ خَيْرٌۭ ۖ وَهُوَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ ﴿٧٢﴾
হে রাসূল! না কি আপনি তাদেরনিকট যে বিধান নিয়ে এসেছেন তারপ্র তি দা’ওয়াত দিতে গিয়ে তাদেরথেকে কোন প্রতিদান চাচ্ছেন। তাই তারা আপনার দা’ওয়াতকে প্রত্যাখ্যান করছে? না, এটি তো আপনার পক্ষ থেকে ঘটেনি। কারণ, আপনার প্রতিপালকের সাওয়াব ও প্রতিদান এদের বা অন্যান্যদেরপ্র তিদানেরচেয়ে অনেক উত্তম। তিনিই তোসর্বোত্তম রিযিকদাতা। وإنك لتدعوهم إلى صرط م ستقيم
وَإِنَّكَ لَتَدْعُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ ﴿٧٣﴾
হে রাসূল! নিশ্চয় ই আপনি তো এদেরকে ও অন্যান্যদেরকে এমন এক সরল পথের দিকে ডাকছেন যাতে কোন বক্র তা নেই। সেটি হলো ইসলামের পথ। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَإِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ عَنِ ٱلصِّرَٰطِ لَنَـٰكِبُونَ ﴿٧٤﴾
নিশ্চয় ই যারা আখিরাত ও সেখানকার হিসাব, শাস্তি ও সাওয়াব অবিশ্বাস করবে তারা অবশ্যই ইসলামের পথ ছেড়ে এমন সব বাঁকা পথের দিকে ধাবিত যা তাদেরকে জাহান্নামের দিকে পৌঁছিয়ে দিবে।
۞ وَلَوْ رَحِمْنَـٰهُمْ وَكَشَفْنَا مَا بِهِم مِّن ضُرٍّۢ لَّلَجُّوا۟ فِى طُغْيَـٰنِهِمْ يَعْمَهُونَ ﴿٧٥﴾
আমি যদি তাদেরপ্র তি দয়াকরেতাদেরউপরথেকে ক্ষু ধাও দুর্ভিক্ষ উঠি য়ে নিতাম তাহলে তারাসত্যভ্র ষ্টহয়ে আরোবেশি দ্বি ধা-দ্ব ›েদ্ব ভু গতো।
وَلَقَدْ أَخَذْنَـٰهُم بِٱلْعَذَابِ فَمَا ٱسْتَكَانُوا۟ لِرَبِّهِمْ وَمَا يَتَضَرَّعُونَ ﴿٧٦﴾
আমি তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেছি এরপরও তারা নিজেদের প্রতিপালকের সামনে বিনয়ী ও অবনত হয় নি। না তারা বিপদ নাযিলের সময় তা উঠি য়ে নেয়ার জন্য তাঁকে বিনয়ে র সাথে ডেকেছে।
حَتَّىٰٓ إِذَا فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًۭا ذَا عَذَابٍۢ شَدِيدٍ إِذَا هُمْ فِيهِ مُبْلِسُونَ ﴿٧٧﴾
এমনকি আমি যখন তাদের উপরকঠি ন শাস্তি রদরজা খুলে দিলাম তখন তারা সকল কল্যাণ ও বিপদ কেটে যাওয়ারব্যাপারেনিরাশ হয়ে গেলো।
وَهُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَـٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تَشْكُرُونَ ﴿٧٨﴾
হে পুনরুত্থান অস্বীকারকারীরা! আল্লাহই তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন কান যাতে তোমরা তা দিয়ে শুনতে পারো এবং চোখ যাতে তোমরা তা দিয়ে দেখতে পারো আরো দিয়ে ছেন অন্ত র যাতে তোমরা তা দিয়ে অনুধাবন করতে পারো। এতদসত্তে¡ও তোমরা এ নিয়ামতগুলোর খুব কমই কৃ তজ্ঞতা আদায় করো।
وَهُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٧٩﴾
হে মানুষ! তিনিই তোমাদেরকে এ জমিনে সৃষ্টি করেছেন এবং একমাত্র তাঁর কাছেই কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে হিসাব ও প্রতিদানের জন্য একত্রিত করা হবে।
وَهُوَ ٱلَّذِى يُحْىِۦ وَيُمِيتُ وَلَهُ ٱخْتِلَـٰفُ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ ۚ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿٨٠﴾
তিনি একাই জীবিত করেন। তিনি ছাড়া আরকেউ জীবন দেয়ারমতো নেই। তিনি একাই মৃত্যু দেন। তিনি ছাড়া আরকেউ মৃত্যু দেয়ারমতো নেই। একমাত্র তাঁর হাতেই দিন ও রাতের পরিবর্ত ন তথা অন্ধকার ও আলোকিত করা এবং খাটো ও লম্বা করার ক্ষমতা। তোমরা কি তাঁর কু দরত এবং সৃষ্টি ও পরিকল্প নায় তাঁর এককত্বে রব্যাপারটি বুঝতে পারো না?!
بَلْ قَالُوا۟ مِثْلَ مَا قَالَ ٱلْأَوَّلُونَ ﴿٨١﴾
বরং তাদের বাপ-দাদা ও পূর্বপুরুষরা কু ফরির ব্যাপারে যাই বলেছে তারাও তাই বলছে।
قَالُوٓا۟ أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَـٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ﴿٨٢﴾
তারা এটি কে অস্বীকার ও অনেক দূরের ভেবে বললো: আমরা মরে মাটি ও পুরনো হাড় হয়ে গেলেও কি আমাদেরকে হিসাবের জন্য পুনরায় জীবিত করা হবে?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
لَقَدْ وُعِدْنَا نَحْنُ وَءَابَآؤُنَا هَـٰذَا مِن قَبْلُ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّآ أَسَـٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٨٣﴾
মৃ ত্যুর পর পুনরুত্থানের ওয়াদা আমাদের সাথে করা হয়ে ছে এমনকি ইতিপূর্বে একই ওয়াদা আমাদের পূর্বপুরুষদের সাথেও করা হয়ে ছে। অথচ আমরা এখনো পর্যতন্ এ ওয়াদা বাস্ত বায়ি ত হতে দেখিনি। এটি মূ লতঃ পূর্ববর্তীদের মিথ্যা ও কল্প কাহিনী মাত্র।
قُل لِّمَنِ ٱلْأَرْضُ وَمَن فِيهَآ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٨٤﴾
হে রাসূল! আপনি পনরুত্থান অস্বীকারকারী এ কাফিরদেরকে জিজ্ঞেস করুন: এ জমিন কার এবং এর অধিবাসীর মালিক কে? যদি তোমাদের এ সম্পর্কে কিছু জানা থাকে তাহলে উত্তর দাও।
سَيَقُولُونَ لِلَّهِ ۚ قُلْ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ﴿٨٥﴾
তারা অচিরেই বলবে: জমিন ও তার অধিবাসীর মালিক হলেন একমাত্র আল্লাহ। অতএব, আপনি তাদেরকে বলুন: তোমরা কি এ কথা মনে করতে পারো না যে, যিনি জমিন ও তার অধিবাসীর মালিক তিনি তোমাদেরকে মৃ ত্যুর পর আবারো জীবিত করতে পারেন?
قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ ٱلسَّبْعِ وَرَبُّ ٱلْعَرْشِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٨٦﴾
আপনি তাদেরকে বলুন: সাত আকাশের মালিক কে? উপরন্তু এ মহান আরশের মালিক কে, যার চেয়ে বড় সৃষ্টি আর নেই?
سَيَقُولُونَ لِلَّهِ ۚ قُلْ أَفَلَا تَتَّقُونَ ﴿٨٧﴾
তারা অচিরেই বলবে: সাত আকাশ ও মহান আরশের মালিক একমাত্র আল্লাহ। অতএব, আপনি তাদেরকে বলুন: তাহলে তোমরা কি আল্লাহর আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা মেনে তাঁকে ভয় করবে না, যাতে তোমরা তাঁর শাস্তি থেকে রক্ষা পেতে পারো? قل من بيده ملكوت كل شىء وهويجيرولا يجارعليه إن كنتمتعلمون
قُلْ مَنۢ بِيَدِهِۦ مَلَكُوتُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيْهِ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٨٨﴾
আপনি তাদেরকে বলুন: কার হাতে সকল জিনিসের মালিকানা? যাঁর মালিকানার বাইরে কোন জিনিসই থাকতে পারে না। তিনি তাঁর বান্দাদের যাকে চান সাহায্য করেন। তিনি কারো সাথে অনিষ্টে র ইচ্ছা করলে কেউ কি তার শাস্তি প্রতিরোধ করতে পারবে? যদি তোমাদের এ সম্পর্কে কিছু জানা থাকে তাহলে উত্তর দাও।
سَيَقُولُونَ لِلَّهِ ۚ قُلْ فَأَنَّىٰ تُسْحَرُونَ ﴿٨٩﴾
তারা অচিরেই বলবে: সকল কিছু র মালিকানা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলারই হাতে। অতএব, আপনি তাদেরকে বলুন: তাহলে তোমাদের বিবেক-বুদ্ধি কোথায় চলে যায় , যখন তোমরা এ কথা স্বীকার করা সত্তে¡ও তিনি ছাড়া অন্যের ইবাদাত করো?!
بَلْ أَتَيْنَـٰهُم بِٱلْحَقِّ وَإِنَّهُمْ لَكَـٰذِبُونَ ﴿٩٠﴾
ব্যাপারটি তেমন নয় যা তারা দাবি করছে। বরংআমি তাদের নিকট যে সত্য নিয়ে এসেছি তাতে কোন সন্দে হ নেই। তারা যে আল্লাহর অংশীদার ও সন্তান আছে বলে দাবি করে তাতে তারা মিথ্যুক। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এ কথা থেকে বহু ঊর্ধ্বে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
مَا ٱتَّخَذَ ٱللَّهُ مِن وَلَدٍۢ وَمَا كَانَ مَعَهُۥ مِنْ إِلَـٰهٍ ۚ إِذًۭا لَّذَهَبَ كُلُّ إِلَـٰهٍۭ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ ۚ سُبْحَـٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ ﴿٩١﴾
আল্লাহ তা‘আলা কোন সন্তান গ্রহণ করেননি। যা কাফিররা ধারণা করছে এবং তাঁর সাথে আর কোন সত্য মা’বূদ নেই। যদি ধরে নেয়া হয় যে, তাঁর সাথে অন্য কোন সত্য মা’বূদ রয়ে ছে তাহলে প্রত্যেক মা’বূদই তাঁর বানানো সৃষ্টি র অংশটু কু অধিগ্র হণ এবং একে অপরের উপর জয়ী হওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে দুনিয়ার শৃঙ্খলাই ভেঙ্গে পড় বে। বাস্ত ব কথা হলো এসব কোন কিছু ই ঘটেনি। সুতরাং তা থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, সত্য মা’বূদ হলেন শুধুমাত্র একজন, তিনি এক ও অদ্বি তীয় । তিনি হলেন এক আল্লাহ। তিনি মু শরিকরা যে তাঁকে সন্তান ও শরীকের বৈশিষ্ট্যে বিশিষ্ট করেছে তা থেকে পূত ও পবিত্র। যা তাঁর সাথে আদৌ মানায় না।
عَـٰلِمِ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَـٰدَةِ فَتَعَـٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ ﴿٩٢﴾
তিনি তাঁরসৃষ্টি রসবঅদৃশ্যই জানেন এবংযা দেখা ও পঞ্চেন্দ্রীয় দিয়ে বুঝা যায় তা সবই জানেন। এরকোন কিছু ই তাঁরনিকট গোপন নয় । আল্লাহর সাথে শরীক থাকার বিষয় থেকে তিনি সত্যিই অনেক ঊর্ধ্বে। قل رب إما ترينى ما يوعدون
قُل رَّبِّ إِمَّا تُرِيَنِّى مَا يُوعَدُونَ ﴿٩٣﴾
হে রাসূল! আপনি বলুন: হে আমারপ্র তিপালক! আপনি যদি আমাকে এ মু শরিকদেরব্যাপারেআপনারওয়াদাকৃ ত আযাবটু কু দেখাতেন।
رَبِّ فَلَا تَجْعَلْنِى فِى ٱلْقَوْمِ ٱلظَّـٰلِمِينَ ﴿٩٤﴾
হে আমারপ্র তিপালক! আপনি যদি আমারউপস্থি তিতেই তাদেরকে শাস্তি দেন তাহলে আপনি আমাকে তাদেরমাঝে রাখবেন না। যাতে যে আযাব তাদের উপর আসবে তা আমার উপর না আসে।
وَإِنَّا عَلَىٰٓ أَن نُّرِيَكَ مَا نَعِدُهُمْ لَقَـٰدِرُونَ ﴿٩٥﴾
বস্তু তঃ আমি আপনাকে তাদের সাথে ওয়াদাকৃ ত আযাবটু কু দেখাতে ও অবলোকন করাতে সক্ষম। আমি সেটা বা সেটা ছাড়া অন্য কিছু করতেও অক্ষম নই।
ٱدْفَعْ بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ٱلسَّيِّئَةَ ۚ نَحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَصِفُونَ ﴿٩٦﴾
হে রাসূল! যে আপনার সাথে খারাপ আচরণ করে আপনি ভালো আচরণ দিয়ে তার প্রতিরোধ করুন। আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তার দেয়া কষ্টে র উপর ধৈর্য ধরুন। আমি তাদের শিরক ও মিথ্যারোপ সম্পর্কে জানি এবং জানি আপনাকে দেয়া অশোভনীয় বিশেষণগুলোও যেমন: যাদুকর ও পাগল বলে আখ্যায়ি ত করা।
وَقُل رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَٰتِ ٱلشَّيَـٰطِينِ ﴿٩٧﴾
আপনি বলুন: হে আমারপ্র তিপালক! আমি আপনারনিকট শয় তানেরকু মন্ত্র ণা ও ওয়াসওয়াসা থেকে আপনারআশ্র য় কামনা করছি। وأعوذ بك رب أن يحضرون
وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ ﴿٩٨﴾
হে আমারপ্র তিপালক! আমি আরোআপনারআশ্র য় কামনাকরছি আমারযে কোন কাজে তাদেরউপস্থি তি হতে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءَ أَحَدَهُمُ ٱلْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ٱرْجِعُونِ ﴿٩٩﴾
এমনকি এ মুশরিকদের কারো কাছে যখন মৃত্যু এসে যায় এবংসে নাযিল হওয়া সবকিছু দেখতে পায় তখন সে তার গত জীবনে আল্লাহর শানে তার সকল ত্রæটি -বিচ্যুতির কথা স্মরণ করে তার উপর লজ্জিত হয়ে বলে: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে দুনিয়ার জীবনে ফিরিয়ে দিন।
لَعَلِّىٓ أَعْمَلُ صَـٰلِحًۭا فِيمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّآ ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآئِلُهَا ۖ وَمِن وَرَآئِهِم بَرْزَخٌ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ ﴿١٠٠﴾
যাতে আমি সেখানে ফিরেগিয়ে নেক আমল করতে পারি। বলা হবে: কখনোই না। তু মি যা কামনা করছো ব্যাপারটি তেমন নয় । বরংএটি একটি কথার কথা যা সে বললো। তাকে যদি দুনিয়ার জীবনে ফেরত দেয়া হয় তাহলে সে তার ওয়াদা পুরা করবে না। বস্তু তঃ এ মৃ তরা পুনরুত্থানের দিন পর্যতন্ দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যকার একটি আড়ালে অবস্থান করবে। তারা আর সেখান থেকে নিজেদের হারানো জিনিস ফিরে পেতে এবং নষ্ট কর্ম সংশোধনের জন্য দুনিয়াতে ফিরে আসতে পারবে না।
فَإِذَا نُفِخَ فِى ٱلصُّورِ فَلَآ أَنسَابَ بَيْنَهُمْ يَوْمَئِذٍۢ وَلَا يَتَسَآءَلُونَ ﴿١٠١﴾
শিঙ্গায় ফু ৎকারেদায়ি ত্বরত ফিরিশতাযখন কিয়ামতেরঘোষণাসংক্রান্ত দ্বি তীয় ফু ৎকারদিবেতখন তারাপরকালেরভয়াবহ অবস্থায় ব্যস্ত থাকারদরুন নিজেদের মধ্যকার বংশ পরিচিতি নিয়ে একে অপরের সাথে গর্ব করবে না এবং নিজেদের বিষয় সমূহ নিয়ে ব্যস্ত থাকার দরুন একে অপরকে কিছু জিজ্ঞাসাও করবে না।
فَمَن ثَقُلَتْ مَوَٰزِينُهُۥ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ ﴿١٠٢﴾
অতঃপর গুনাহর তু লনায় নেকি বেশি হওয়ার দরুন যাদের নেকির পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। তাদের উদ্দেশ্য হাসিল হবে এবং তারা আশঙ্কিত বস্তু থেকে দূরে থাকবে।
وَمَنْ خَفَّتْ مَوَٰزِينُهُۥ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ خَسِرُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ فِى جَهَنَّمَ خَـٰلِدُونَ ﴿١٠٣﴾
আর নেকির তু লনায় গুনাহ বেশি হওয়ার দরুন যাদের নেকির পাল্লা হালকা হবে তারা মূ লতঃ লাভজনক ঈমান-আমল ছেড়ে এবং ক্ষতিকর বস্তু তে লিপ্ত হয়ে নিজেদেরকেই ধ্বংস করেছে। তাই তারাজাহান্নামেরআগুনে অবস্থান করবে। তারাসেখান থেকে আরকখনোই বেরহতে পারবেনা।
تَلْفَحُ وُجُوهَهُمُ ٱلنَّارُ وَهُمْ فِيهَا كَـٰلِحُونَ ﴿١٠٤﴾
আগুন তাদের চেহারাগুলো পুড়ে ফেলবে এবং চেহারার কঠি ন বীভৎসতার দরুন তাদের দাঁতগুলো থেকে নিজেদের উপরের-নিচের ঠোঁটগুলো সঙ্কু চিত হবে। ألم تكن ءايتى تتل عليكم فكنتم بها تكذبون
أَلَمْ تَكُنْ ءَايَـٰتِى تُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ فَكُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ ﴿١٠٥﴾
তাদেরকে ধমক দিয়ে বলা হবে: দুনিয়াতে কি তোমাদেরকে কু র‘আনের আয়াতসমূ হ তিলাওয়াত করে শুনানো হয় নি?! তখন কিন্তু তোমরা সেগুলোকে অস্বীকার করেছিলে।
قَالُوا۟ رَبَّنَا غَلَبَتْ عَلَيْنَا شِقْوَتُنَا وَكُنَّا قَوْمًۭا ضَآلِّينَ ﴿١٠٦﴾
তারা বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! পূর্ব থেকেই আপনার জ্ঞানে থাকা দুর্ভাগ্য আমাদেরকে পরাস্ত করেছে। আর আমরা সত্যিই এক সত্যভ্র ষ্টজাতি ছিলাম। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
رَبَّنَآ أَخْرِجْنَا مِنْهَا فَإِنْ عُدْنَا فَإِنَّا ظَـٰلِمُونَ ﴿١٠٧﴾
হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে আগুন থেকে বের করে দিন। আমরা যদি আবারো পূর্বের কু ফরি ও ভ্রষ্টতার দিকে ফিরে যাই তাহলে আমরা সত্যিই নিজেদের উপর যুলুম করে বসবো। তখন আর আমাদের কোন ওযর থাকবে না।
قَالَ ٱخْسَـُٔوا۟ فِيهَا وَلَا تُكَلِّمُونِ ﴿١٠٨﴾
আল্লাহ তা‘আলাবলেন:তোমরালাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে আগুনেই বসবাস করো। আরআমারসাথে কোন কথাই বলবেনা।
إِنَّهُۥ كَانَ فَرِيقٌۭ مِّنْ عِبَادِى يَقُولُونَ رَبَّنَآ ءَامَنَّا فَٱغْفِرْ لَنَا وَٱرْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلرَّٰحِمِينَ ﴿١٠٩﴾
আমার একদল মু’মিন বান্দারা বলতো: হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার উপর ঈমান এনেছি। অতএব, আপনি আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করেদিন এবংআমাদেরকে নিজ অনু গ্রহে দয়াকরুন। আপনিই তোসর্বোত্তম দয়াবান।
فَٱتَّخَذْتُمُوهُمْ سِخْرِيًّا حَتَّىٰٓ أَنسَوْكُمْ ذِكْرِى وَكُنتُم مِّنْهُمْ تَضْحَكُونَ ﴿١١٠﴾
তোমরা তখন নিজেদের প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনাকারী এ মু’মিনদেরকে ঠাট্টার পাত্র বানিয়ে ছিলে। তোমরা তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা ও মশকারা করতে। তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করার ব্যস্ত তা তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণের কথা ভু লিয়ে দিয়ে ছে। আর তোমরা ঠাট্টা ও মশকারা করে তাদেরকে নিয়ে হাসি-তামাশায় মগ্ন থাকতে।
إِنِّى جَزَيْتُهُمُ ٱلْيَوْمَ بِمَا صَبَرُوٓا۟ أَنَّهُمْ هُمُ ٱلْفَآئِزُونَ ﴿١١١﴾
আমি কিয়ামতের দিন এ মু’মিনদেরকে জান্নাত পাওয়ার সফলতার প্রতিদান দেবো। এটা হবে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য এবং তোমাদের পক্ষ থেকে পাওয়া কষ্টে র উপর তাদের ধৈর্য ধারণের জন্য।
قَـٰلَ كَمْ لَبِثْتُمْ فِى ٱلْأَرْضِ عَدَدَ سِنِينَ ﴿١١٢﴾
তিনি বলেন: পৃথিবীতে তোমরা কতো বছর অবস্থান করছিলে? তোমরা সেখানে কতো সময় নষ্ট করেছিলে?
قَالُوا۟ لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍۢ فَسْـَٔلِ ٱلْعَآدِّينَ ﴿١١٣﴾
তখন তারা উত্তরে বলবে: আমরা একদিন বা তার কিয় দংশ সময় সেখানে অবস্থান করেছিলাম। আপনি মাস ও দিনের হিসাবকারীদেরকে জিজ্ঞাসা করুন।
قَـٰلَ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا قَلِيلًۭا ۖ لَّوْ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿١١٤﴾
তিনি বললেন: তোমরা আসলেই দুনিয়াতে খুব অল্প সময় ই অবস্থান করেছিলে। যখন আনুগত্যের উপর ধৈর্য ধরা তোমাদের জন্য সহজ ছিলো। তোমরা যদি আসলেই তোমাদেরঅবস্থানেরসময় টু কু ভালোভাবে জানতে! أفحسبتم أنما خلقنكم عبثا وأنكم إ لينا لا ترجعون
أَفَحَسِبْتُمْ أَنَّمَا خَلَقْنَـٰكُمْ عَبَثًۭا وَأَنَّكُمْ إِلَيْنَا لَا تُرْجَعُونَ ﴿١١٥﴾
হে মানুষ! তোমরা কি এমন মনে করছো যে, আমি তোমাদেরকে কোন উদ্দেশ্য ছাড়াই শুধুমাত্র তামাশার বস্তু হিসেবেই সৃষ্টি করেছি। পশুদের ন্যায় তোমাদেরও কোন শাস্তি বা প্রতিদান থাকবে না। আর তোমরা কিয়ামতের দিন হিসাব ও প্রতিদানের জন্য আমার নিকটও ফিরে আসবে না?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَتَعَـٰلَى ٱللَّهُ ٱلْمَلِكُ ٱلْحَقُّ ۖ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ ٱلْعَرْشِ ٱلْكَرِيمِ ﴿١١٦﴾
প্রকৃ ত মালিক আল্লাহ পূত ও পবিত্র। যিনি তাঁরসৃষ্টি রমাঝে যা চান তাই করেন। যিনি সত্য। যাঁরওয়াদা সত্য। যাঁরকথা সত্য। তিনি ছাড়া সত্যকোন মা’বূদ নেই। তিনি মহান আরশেরমালিক। যা তাঁরসকল সৃষ্টি রমধ্যে বড় । আরযিনি সবচেয়ে বড় সৃষ্টি রমালিক তিনি তো সবকিছু রই মালিক।
وَمَن يَدْعُ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ لَا بُرْهَـٰنَ لَهُۥ بِهِۦ فَإِنَّمَا حِسَابُهُۥ عِندَ رَبِّهِۦٓ ۚ إِنَّهُۥ لَا يُفْلِحُ ٱلْكَـٰفِرُونَ ﴿١١٧﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহর পাশাপাশি অন্য মা’বূদকে ডাকে -যার ইবাদাতের উপযুক্ত তার ব্যাপারে কোন প্রমাণই নেই- (আর এটি আল্লাহ ছাড়া সকল মা’বূদেরই অবস্থা) নিশ্চয় ই তার এ খারাপ আমলের প্রতিদান তার প্রতিপালকের নিকট রয়ে ছে। তিনি তাকে এর শাস্তি র মাধ্যমে প্রতিদান দিবেন। বস্তু তঃ কাফিররা নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করে এবং আশঙ্কিত বস্তু থেকে নাজাত পেয়ে কখনোই সফলকাম হতে পারবে না।
وَقُل رَّبِّ ٱغْفِرْ وَٱرْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ ٱلرَّٰحِمِينَ ﴿١١٨﴾
হে রাসূল! আপনি বলুন: হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমার গুনাহগুলো ক্ষমা করুন এবং আপনার নিজ অনুগ্র হে আমাকে দয়া করুন। শুধুমাত্র আপনিই একজন পাপীরপ্র তি সর্বোত্তম দয়াশীল। আপনিই তারতাওবাকবুল করেথাকেন। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই