عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ ﴿١﴾
এ সব মুশরিকদের প্রতি আল্লাহ তদীয় রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে প্রে রণ করার পর তারা আবার কী বিষয়ে আপোসে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?!
হোম›তাফসির›An-Naba (78)
মাক্কী · 40 আয়াত
عَمَّ يَتَسَآءَلُونَ ﴿١﴾
এ সব মুশরিকদের প্রতি আল্লাহ তদীয় রাসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে প্রে রণ করার পর তারা আবার কী বিষয়ে আপোসে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?!
عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٢﴾
তারা পরস্পর একটি মস্ত বড় সংবাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আর তা হলো মূ লতঃ এ কু রআন যা পুনরুত্থানের সংবাদ নিয়ে তাদের রাসূলের উপর অবতীর্ণ হয়ে ছে।
ٱلَّذِى هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ ﴿٣﴾
এ সেই কু রআন যে সম্পর্কে তারা এ নিয়ে দ্বি ধা-দ্ব ›েদ্ব রয়ে ছে যে, এটি কি যাদু, কবিতা, জ্যোতির্বিদ্যা, না কি পূর্বেকার লোকজনের কিংবদন্তী। كلا سيعلمون
كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٤﴾
বস্তু তঃবিষয় টি তেমন নয় যেমনটি তারাধারণাকরছে। অচিরেই এসবকু রআন অস্বীকারকারীতাদেরনিকৃ ষ্টতম পরিণাম সম্পর্কে অবগত হবে। ثم كلا سيعلمون
ثُمَّ كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ﴿٥﴾
অতঃপর তারা এ ব্যাপারে আরো সুনিশ্চিত হবে।
أَلَمْ نَجْعَلِ ٱلْأَرْضَ مِهَـٰدًۭا ﴿٦﴾
আমি কি যমীনকে তাদের জন্য সুবিন্যস্ত করে তাদের বসবাসের উপযোগী করি নি?!
وَٱلْجِبَالَ أَوْتَادًۭا ﴿٧﴾
আমি এর উপরে স্থাপিত পাহাড় কে পেরেক বানিয়ে ছি। যা সেটি কে নড়াচড়া থেকে রক্ষা করে। وخلقنكم أ زوجا
وَخَلَقْنَـٰكُمْ أَزْوَٰجًۭا ﴿٨﴾
হে মানবসমাজ! আমি তোমাদেরকে পুরুষ ও নারী উভয় প্রকারেসৃষ্টি করেছি। وجعلنا نومكم سباتا
وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًۭا ﴿٩﴾
আমি তোমাদের জন্য নিদ্রাকে বানিয়ে ছি কর্মবিরতীর মাধ্যমে বিশ্রাম স্বরূপ। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَجَعَلْنَا ٱلَّيْلَ لِبَاسًۭا ﴿١٠﴾
আমি রাত্রিকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তোমাদের জন্য আচ্ছাদন বানিয়ে ছি। যেমনিভাবে পোশাকের মাধ্যমে তোমরা নিজেদের লজ্জাস্থান ঢেকে থাকো।
وَجَعَلْنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشًۭا ﴿١١﴾
আমি দিবসকে বানিয়ে ছি উপার্জ ন ওজীবিকাঅন্বে ষণেরময় দান। وبنينا فوقكم سبعا شدادا
وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًۭا شِدَادًۭا ﴿١٢﴾
আমি তোমাদেরউর্ধ্বে নির্মাণ করেছি সুদৃঢ় ও নিপুণ সপ্তাকাশ। وجعلنا سراجا وهاجا
وَجَعَلْنَا سِرَاجًۭا وَهَّاجًۭا ﴿١٣﴾
আমি সূর্যকে একটি দীপ্তি মান আলোকধারীপ্র দীপ বানিয়ে ছি।
وَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلْمُعْصِرَٰتِ مَآءًۭ ثَجَّاجًۭا ﴿١٤﴾
আমি বর্ষিয়ে ছি পরিপূর্ণ মেঘমালাথেকে মু ষলধারেবৃষ্টি । ب لنخرج به ح اونباتا
لِّنُخْرِجَ بِهِۦ حَبًّۭا وَنَبَاتًۭا ﴿١٥﴾
যা দিয়ে আমি বিভিন্ন রকমেরশস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করি। وجنت ألفافا
وَجَنَّـٰتٍ أَلْفَافًا ﴿١٦﴾
উপরন্তু ডালপালারপ্রাচু র্যে ঘনীভ‚ত উদ্যানসমূহ।
إِنَّ يَوْمَ ٱلْفَصْلِ كَانَ مِيقَـٰتًۭا ﴿١٧﴾
নিশ্চয় ই সৃষ্টি র মাঝে ফায় সালার দিন এমনভাবে নির্ধারিত যার অন্যথা হবে না।
يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًۭا ﴿١٨﴾
হে মানবসমাজ! সে দিন ফিরিশতাশিঙ্গায় দ্বি তীয় বারফু ৎকারদিলে তোমরাদলে দলে উপস্থি ত হবে।
وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتْ أَبْوَٰبًۭا ﴿١٩﴾
আকাশকে উম্মুক্ত করা হবে। ফলে খোলা দ্বারসমূ হের মতো তাতে ফাঁক সৃষ্টি হবে।
وَسُيِّرَتِ ٱلْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا ﴿٢٠﴾
পর্বতমালাকে চালিত করা হবে। ফলে তা ধুলিকণার রূপ ধারণ করে মরিচিকায় পরিণত হবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর إ ن جهن م كانت مرصادا
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًۭا ﴿٢١﴾
নিশ্চয় ই জাহান্নাম ওঁ ৎ পেতে অপেক্ষায় রয়ে ছে। للط غين مٔابا
لِّلطَّـٰغِينَ مَـَٔابًۭا ﴿٢٢﴾
যা হবেযালিমদেরজন্য প্রত্যাবর্ত ন স্থল। যেখানে তারা ফিরেযাবে।
لَّـٰبِثِينَ فِيهَآ أَحْقَابًۭا ﴿٢٣﴾
সেখানে তারা অনন্ত কালেরজন্য অবস্থান করবে। لا يذوقون فيها بردا ولا شرابا
لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًۭا وَلَا شَرَابًا ﴿٢٤﴾
সেখানে তারা গরমেরতাপ লাঘবকারী কোন ঠাÐা পানি পাবেনা। না তারা সেখানে সুপেয় কোন পানি পাবে। إلا حميما وغس اقا
إِلَّا حَمِيمًۭا وَغَسَّاقًۭا ﴿٢٥﴾
তারাসেখানে ফু টন্ত পানি ও জাহান্নামীদেরপ্র বাহিত পুঁজ ব্যতীত অন্যকিছু পাবেনা।
جَزَآءًۭ وِفَاقًا ﴿٢٦﴾
এটি তাদেরকু ফরীওভ্র ষ্টতারউপযুক্ত প্রতিদান। إن هم كانوالا يرجون حسابا
إِنَّهُمْ كَانُوا۟ لَا يَرْجُونَ حِسَابًۭا ﴿٢٧﴾
তারা দুনিয়াতে থাকাবস্থায় পরকালে তাদের থেকে আল্লাহর হিসাব নেয়ার ভয় করতো না। কেননা, তারা পুনরুত্থানে বিশ্বাস রাখে না। তারা যদি পুনরুত্থানে বিশ্বাসী হতো তাহলে অবশ্যই আল্লাহর উপর ঈমান আনতো এবং নেক আমল করতো। وكذ بوا بٔايتنا كذابا
وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا كِذَّابًۭا ﴿٢٨﴾
তারা আমার রাসূলগণের উপর অবতীর্ণ আয়াতগুলোর প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। وكل شىء أح ص ينهكتبا
وَكُلَّ شَىْءٍ أَحْصَيْنَـٰهُ كِتَـٰبًۭا ﴿٢٩﴾
আমি তাদেরসকল আমল লিপিবদ্ধ করেসংরক্ষণ করেছি। যাতাদেরআমলনামায় লিখিত রয়ে ছে। فذوقوا فلن نزيدكم إلا عذابا
فَذُوقُوا۟ فَلَن نَّزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ﴿٣٠﴾
সুতরাংহে অবাধ্যরা! তোমরাএখন স্থায়ীশাস্তি আস্বাদন করো। আমি তোমাদেরশাস্তি রউপরকেবল শাস্তি ই বৃদ্ধি করবো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর إن للمتقين مفازا
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ﴿٣١﴾
নিশ্চয় ই আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্যকারী মু ত্তাকীদের জন্য রয়ে ছে সফলতার আবাসন। যেখানে তারা নিজেদের জীবনের লক্ষ্যলাভে ধন্য হবে। আর তা হলো জান্নাত।
حَدَآئِقَ وَأَعْنَـٰبًۭا ﴿٣٢﴾
উদ্যানসমূ হ এবং রকমারি আঙ্গুর। وكواعب أ ترابا
وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًۭا ﴿٣٣﴾
উঠন্ত যৌবনা সমবয় স্কা তরুণীর দল। وكأ سا دهاقا
وَكَأْسًۭا دِهَاقًۭا ﴿٣٤﴾
আরো পরিপূর্ণ সুরা পাত্র। لا يسمعون فيها لغوا ولا كذبا
لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًۭا وَلَا كِذَّٰبًۭا ﴿٣٥﴾
তারা জান্নাতে কোনরূপ অসার ও মিথ্যা কথা শ্রবণ করবে না। না তারা পরস্পর মিথ্যা কথা বলবে।
جَزَآءًۭ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًۭا ﴿٣٦﴾
এ সবহবেআপনারপ্র তিপালকেরপক্ষ থেকে প্রদত্ত অনু গ্রহ ও অবদান। যা সত্যিই পর্যাপ্ত ।
رَّبِّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلرَّحْمَـٰنِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًۭا ﴿٣٧﴾
যিনি আকাশ মÐলী ও যমীন এবং এতদুভয়ে র সব কিছু র প্রতিপালক। যিনি ইহকাল ও পরকালের দয়াময় । তাঁর বিনা অনু মতিতে আসমান ও যমীনের কেউ তাঁকে কোন প্রশ্নকরতে সক্ষম হবেনা। ف
يَوْمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ صَفًّۭا ۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَقَالَ صَوَابًۭا ﴿٣٨﴾
সে দিন জিবরীলসহ সকল ফিরিশতা সারিবদ্ধভাবে দÐায় মান হবে। তাদের কেউ কারো জন্য সুপারিশ করতে পারবে না। কেবল দয়াময় যাকে সুপারিশ করতে অনু মতি দিবেন সে ব্যতীত। আরযে তাওহীদেরমূ ল মন্ত্রে র মতো সঠি ক কথা বলবে।
ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلْحَقُّ ۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا ﴿٣٩﴾
তোমাদের উদ্দেশ্যে উল্লে খিত উক্ত দিবসটি সন্দে হাতীতভাবে ঘটি তব্য। অতএব, যে ব্যক্তি তাতে মুক্তি লাভে আগ্র হী সে যেন নিজ প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সন্তোষজনক নেক আমল করে তাঁর নৈকট্যের পথ অবলম্বন করে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِنَّآ أَنذَرْنَـٰكُمْ عَذَابًۭا قَرِيبًۭا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَـٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا ﴿٤٠﴾
হে মানবসমাজ! নিশ্চয় ই আমি তোমাদেরকে ঘটি তব্যশাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি। সে দিন মানুষ তারঅগ্রে প্রে রিত দুনিয়ারকৃ তকর্ম প্রত্যক্ষ করবে। আর কাফির শাস্তি থেকে নিষ্কৃ তির আশায় বলবে, হায়! আমি যদি পশুর মতো মাটি হয়ে যেতাম। যখন সেগুলোকে কিয়ামতের দিন বলা হবে, তোমরা মাটি হয়ে যাও। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই