وَٱلذَّٰرِيَـٰتِ ذَرْوًۭا ﴿١﴾
আল্লাহ ঝড় হাওয়ারশপথ করছেন।
হোম›তাফসির›Adh-Dhaariyat (51)
মাক্কী · 60 আয়াত
وَٱلذَّٰرِيَـٰتِ ذَرْوًۭا ﴿١﴾
আল্লাহ ঝড় হাওয়ারশপথ করছেন।
فَٱلْحَـٰمِلَـٰتِ وِقْرًۭا ﴿٢﴾
আরওই মেঘমালারযাপ্র চু রপানি বর্ষায় ।
فَٱلْجَـٰرِيَـٰتِ يُسْرًۭا ﴿٣﴾
আরওই নৌকারযা সমু দ্রে অতি সহজে চলমান।
فَٱلْمُقَسِّمَـٰتِ أَمْرًا ﴿٤﴾
আর ওই সকল ফিরিশতার যাঁরা আল্লাহর নির্দে শে বান্দাদের মধ্যকার বিষয় গুলো বণ্ট ন করে থাকেন। إنما توعدون لصادق
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌۭ ﴿٥﴾
অবশ্যই তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের সাথে যে হিসাব ও প্রতিদানের অঙ্গীকার করেছেন তা চির সত্য।
وَإِنَّ ٱلدِّينَ لَوَٰقِعٌۭ ﴿٦﴾
কিয়ামত দিবসে বান্দাদেরহিসাব-নিকাশ অবশ্যই সংঘটি ত হবে।
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلْحُبُكِ ﴿٧﴾
আল্লাহ বহু কক্ষপথ বিশিষ্ট সুন্দ রতম আসমানসমূ হেরশপথ করছেন। إنكم لفى قول م ختلف
إِنَّكُمْ لَفِى قَوْلٍۢ مُّخْتَلِفٍۢ ﴿٨﴾
হে মক্কাবসীরা! তোমরা অবশ্যই ভিন্ন ও বৈপরীত্যপূর্ণ কথার মধ্যে রয়ে ছো। কখনো বলো যে, কু রআন যাদু। আবার কখনো বলো যে, কবিতা। আবার কখনো বলো যে, মু হাম্মাদ যাদুকর। আবার কখনো বলো যে, সে কবি। يؤفك عنهمن أفك
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ﴿٩﴾
কু রআন ও নবীরউপরঈমান আনা থেকে কেবল তাকেই বারণ করা হয় যাকে আল্লাহরইলমে বারণ করা হয়ে ছে। যেহেতু আল্লাহ জানেন যে, সে ঈমান আনবে না। ফলে তাকে হিদায়ে তের তাওফীক প্রদান করা হবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قُتِلَ ٱلْخَرَّٰصُونَ ﴿١٠﴾
কু রআন ও তাদের নবীর ব্যাপারে অমূ লক মন্ত ব্যকরার কারণে এ সব মিথ্যাবাদীকে অভিশাপ করা হয়ে ছে।
ٱلَّذِينَ هُمْ فِى غَمْرَةٍۢ سَاهُونَ ﴿١١﴾
যারা মূ র্খতারদরুন পরকাল থেকে উদাসীনতায় রয়ে ছে। সে ব্যাপারে কোনরূপ পরওয়াই করেনা।
يَسْـَٔلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ ٱلدِّينِ ﴿١٢﴾
তারা জিজ্ঞেস করে প্রতিদান দিবস কবে? অথচ তারা এর উদ্দেশ্যে আমলই করে না।
يَوْمَ هُمْ عَلَى ٱلنَّارِ يُفْتَنُونَ ﴿١٣﴾
আল্লাহ তাদেরপ্র শ্নে রউত্তরেবলেন:এটি সেই দিন যে দিন তাদেরকে আগুনে শাস্তি প্রদান করাহবে।
ذُوقُوا۟ فِتْنَتَكُمْ هَـٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَسْتَعْجِلُونَ ﴿١٤﴾
তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করে বলা হবে, তোমরা শাস্তি র স্বাদ আস্বাদন করো। এটি ই সেই বস্তু যে ব্যাপারে তোমাদেরকে সতর্ক করা হলে তোমরা তা তড়ি ৎ কামনাকরতে।
إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّـٰتٍۢ وَعُيُونٍ ﴿١٥﴾
অবশ্যই আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে আল্লাহভীরুরা কিয়ামত দিবসে উদ্যান ও ঝর্নাধারার মধ্যে অবস্থান করবে।
ءَاخِذِينَ مَآ ءَاتَىٰهُمْ رَبُّهُمْ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَبْلَ ذَٰلِكَ مُحْسِنِينَ ﴿١٦﴾
তাদের প্রতিপালক সম্মানী প্রতিদান হিসাবে যা তাদেরকে প্রদান করবেন তা তারা ধরে রাখবে। তারা এই সম্মানী প্রতিদান লাভের পূর্বে দুনিয়াতে সৎকর্ম শীল ছিলো।
كَانُوا۟ قَلِيلًۭا مِّنَ ٱلَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ﴿١٧﴾
তারা রাতের বেলা এতো বেশী সময় ধরে নামায পড় তো যে, তারা খুব অল্প সময়ে র জন্যই ঘুমাতো।
وَبِٱلْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ﴿١٨﴾
আর রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর নিকট তাদের পাপ মার্জ নার জন্য প্রার্থনাقকরতো।
وَفِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّۭ لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ ﴿١٩﴾
তাদের সম্পদে যে তাদের নিকট চাইতো আর যে চাইতো না উভয়ে র জন্যই নফল স্বরূপ অধিকার ছিলো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَفِى ٱلْأَرْضِ ءَايَـٰتٌۭ لِّلْمُوقِنِينَ ﴿٢٠﴾
যমীন এবং আল্লাহ তাতে যে সব পাহাড় , সমু দ্র , নদী-নালা, বৃক্ষরাজি, উদ্ভিদ ও জীবজন্তু রেখেছেন তাতে বিশ্বাসী সম্প্র দায়ে র জন্য আল্লাহর কু দরতের বহু নিদর্শন রয়ে ছে। যারা আল্লাহকে রূপকার ¯্রষ্টা বলে জ্ঞান করে।
وَفِىٓ أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ﴿٢١﴾
হে লোকসকল! তোমাদের ব্যক্তি সত্তায় আল্লাহর ক্ষমতার নিদর্শনাবলী রয়ে ছে। তোমরা কি উপদেশ গ্রহণের জন্য দৃষ্টি নিক্ষেপ করো না?!
وَفِى ٱلسَّمَآءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ﴿٢٢﴾
আসমানে তোমাদের পার্থিব ও ধর্মীয় জীবিকা এবং তোমাদেরকেقযে সব ভালো-মন্দে র ওয়াদা প্রদান করা হয়ে ছে সবই রয়ে ছে।
فَوَرَبِّ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ إِنَّهُۥ لَحَقٌّۭ مِّثْلَ مَآ أَنَّكُمْ تَنطِقُونَ ﴿٢٣﴾
আসমান ও যমীনের প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই পুনরুত্থান সত্য; তাতে কোনরূপ সন্দে হ নেই। যেমন তোমাদের কথা বলার সময় কথা বলতে কোনরূপ সন্দে হ থাকে না।
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْمُكْرَمِينَ ﴿٢٤﴾
হে রাসূল! আপনারনিকট কি ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) এরসে সবমেহমানেরবর্ণনা এসেছে যাদেরকে তিনি সম্মান করেছিলেন?
إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَـٰمًۭا ۖ قَالَ سَلَـٰمٌۭ قَوْمٌۭ مُّنكَرُونَ ﴿٢٥﴾
তাঁরা যখন তাঁর নিকট প্রবেশ করে বললেন: সালাম। ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম)ও তাদের প্রতিউত্তরে বললেন: সালাম এবং মনে মনে বললেন: এ সবলোকজনকে তো আমি চিনতে পারছি না।
فَرَاغَ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦ فَجَآءَ بِعِجْلٍۢ سَمِينٍۢ ﴿٢٦﴾
তখন তিনি চু পিসারে তাঁর পরিবারের দিকে অগ্র সর হয়ে তাদের নিকট থেকে একটি হৃষ্ট পুষ্ট ভুনা গোবাছু র নিয়ে আসলেন। যেহেতু তিনি তাঁদেরকে মানু ষ বলেই মনে করছিলেন। فقربه إليهم قال ألا تأكلون
فَقَرَّبَهُۥٓ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ﴿٢٧﴾
অতঃপর তিনি ভুনা বাছু রটি কে তাঁদের নিকটবর্তী করলেন এবং ন¤্রতার সাথে তাঁদেরকে সম্বোধন করলেন এই বলে যে, আপনাদের উদ্দেশ্যে যে খাবারপরিবেশন করাহয়ে ছে আপনারাকি তাগ্র হণ করবেন না?
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةًۭ ۖ قَالُوا۟ لَا تَخَفْ ۖ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَـٰمٍ عَلِيمٍۢ ﴿٢٨﴾
তাঁরা যখন খাবার গ্রহণ করলেন না তখন তিনি ভিতরে ভিতরে ভীত হলেন। এতে করে তাঁরা বুঝে গেলেন। তাই তাঁরা তাঁকে সান্ত ¦না দিয়ে বললেন: আপনি ভয় পাবেন না। আমরা আল্লাহরপক্ষ থেকে প্রে রিত রাসূল এবংতাঁরা তাঁকে আনন্দ দায় ক একটি সুসংবাদ দিলেন এই বলে যে, তাঁরএমন একটি ছেলে হবে যে হবে প্রচু র জ্ঞানের অধিকারী। বস্তু তঃ এই সুসংবাদটি ছিলো ইসহাক (আলাইহিস-সালাম) এর ব্যাপারে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَأَقْبَلَتِ ٱمْرَأَتُهُۥ فِى صَرَّةٍۢ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌۭ ﴿٢٩﴾
যখন তাঁরস্ত্রীসুসংবাদ শ্রবণ করলেন তখন তিনি আনন্দে চিৎকারকরেঅগ্র সরহয়ে নিজ চেহারায় থাপ্প ড় মেরেআশ্চর্য হয়ে বললেন,বুড়ি কি সন্তান প্রসব করবে; অথচ সে হলো মূ লতঃ বন্ধ্যা!
قَالُوا۟ كَذَٰلِكِ قَالَ رَبُّكِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْحَكِيمُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٣٠﴾
ফিরিশতারা তাঁকে বললেন, আমরা যে বিষয়ে আপনাকে সংবাদ দিয়ে ছি এটি হলো মূলতঃ আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে। তিনি যা বলেন তা বারণ করারকেউ নেই। বস্তু তঃতিনি তাঁরসৃষ্টি ও ফায় সালায় প্রজ্ঞাবান। তিনি তাঁরসৃষ্টি ও তাদেরসুবিধাসম্পর্কে জ্ঞাত।
۞ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ ﴿٣١﴾
ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) ফিরিশতাগণকে বললেন, আপনাদের ব্যাপারটি কী? আর আপনারা কীই বা চান?
قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍۢ مُّجْرِمِينَ ﴿٣٢﴾
প্রতিউত্তরেফিরিশতাগণ বলেন, আল্লাহ আমাদেরকে অশ্লীল পাপে লিপ্ত অপরাধী জাতিরনিকট প্রে রণ করেছেন। لنرسل عليهم حجارةمن طين
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةًۭ مِّن طِينٍۢ ﴿٣٣﴾
আমি অবশ্যই তাদেরউপরশক্ত মাটি রপাথরনিক্ষেপ করবো। م سومة عند ربك للمسرفين
مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ ﴿٣٤﴾
যা তোমার রবের নিকট চিহ্নি ত হে ইবরাহীম! যেগুলো আল্লাহর সীমা লঙ্ঘনকারী এবং কু ফরী ও পাপাচারে বাড়াবাড়ি প্রদর্শনকারীদের উপর প্রে রণ করা হয়ে থাকে।
فَأَخْرَجْنَا مَن كَانَ فِيهَا مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٣٥﴾
তাই আমি লুত সম্প্র দায়ে রগ্রামেরমু মিনদেরকে বেরকরেদিলাম। যাতে তাদেরকে অপরাধীদেরশাস্তি না পেয়ে বসে।
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍۢ مِّنَ ٱلْمُسْلِمِينَ ﴿٣٦﴾
তবে তাতে কেবল একটি মাত্র ঘর তথা লুত (আলাইহিস সালাম) এর পরিবার ব্যতীত অন্য কোন মু সলামানের ঘর পেলাম না।
وَتَرَكْنَا فِيهَآ ءَايَةًۭ لِّلَّذِينَ يَخَافُونَ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَلِيمَ ﴿٣٧﴾
আমি লুত সম্প্র দায়ে রগ্রামে এমন শাস্তি রচিহ্ন অবশিষ্ট রেখে দিয়ে ছি যাতাদেরশাস্তি রপ্র মাণ বহন করে। যাদেখে তাদেরকে আক্র মণকারীকষ্ট সাধ্য শাস্তি কে ভয় কারী ব্যক্তি উপদেশ গ্রহণ করবে। ফলে সে তা থেকে রক্ষা পাওয়ারউদ্দেশ্যে তাদেরমত আচরণ করবেনা। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَفِى مُوسَىٰٓ إِذْ أَرْسَلْنَـٰهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٣٨﴾
মূ সা(আলাইহিস সালাম)কে যখন আমি ফিরআউনেরনিকট সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ প্রে রণ করলাম তখনকারঘটনাতেও সে ব্যক্তি রজন্যউপদেশ রয়ে ছে যেকষ্ট দায় কশাস্তি কেভয় করে। فتولى بركنه وقال سحرأو مجنون
فَتَوَلَّىٰ بِرُكْنِهِۦ وَقَالَ سَـٰحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌۭ ﴿٣٩﴾
তখন ফিরআউন নিজ ক্ষমতা ও বাহিনীরদাপট দেখিয়ে হক গ্রহণ থেকে বিরত থাকলো। আরমূ সা (আলাইহিস-সালাম) সম্পর্কে বললো,তিনি একজন যাদুকর; যে মানু ষকে যাদু করে কিংবা এমন একজন পাগল যে কী বলে সে নিজেও তা বুঝে না।
فَأَخَذْنَـٰهُ وَجُنُودَهُۥ فَنَبَذْنَـٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌۭ ﴿٤٠﴾
তাই আমি তাকে তার বাহিনীসহ পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। ফলে তারা ডু বে গেলো এবং ধ্বংস হলো। আর ফিরাউন তার জন্য নিন্দ নীয় মিথ্যারোপ ও ইলাহ দাবি করার মতো আচরণ দেখালো।
وَفِى عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلرِّيحَ ٱلْعَقِيمَ ﴿٤١﴾
হূ দ (আলাইহিস-সালাম) এরসম্প্র দায় আদেরমধ্যেও কষ্ট দায় ক শাস্তি কে ভয় কারীরজন্যনিদর্শন রয়ে ছে। যখন আমি তাদেরউপরএমন বায়ু প্রে রণ করলাম যানাবৃষ্টি বহন করে। আরনাতাকোন বৃক্ষ উদ্গত করে। আরনাতাতে কোন বরকত রয়ে ছে।
مَا تَذَرُ مِن شَىْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَٱلرَّمِيمِ ﴿٤٢﴾
সে কোন ব্যক্তি , সম্পদ কিংবা এ ছাড়া অন্য যে কোন কিছু রউপরআসলেই তাকে ধ্বংস করেদেয় এবংতাকে বিধ্বস্ত ধ্বংসস্ত ‚পে পরিণত করে। وفى ثمودإذ قيل لهم تمتعواحت حين
وَفِى ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا۟ حَتَّىٰ حِينٍۢ ﴿٤٣﴾
সালেহ (আলাইহিস-সালাম) এরজাতি সামূ দেরমধ্যেও রয়ে ছে কষ্ট দায় ক শাস্তি কে ভয় কারীরজন্য নিদর্শন। যখন তাদেরকে বলা হয়ে ছিলো, তোমাদের আয়ু শেষ হওয়ারপূর্বেই তোমরানিজেদেরঅঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারাউপকৃ ত হও।
فَعَتَوْا۟ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّـٰعِقَةُ وَهُمْ يَنظُرُونَ ﴿٤٤﴾
তখন তারা নিজেদেরপ্র তিপালকেরউপরঅহঙ্কারকরেঈমান ও আনুগত্যেরব্যাপারেবড় ত্বপ্রদর্শন করলো। তখন তাদেরকে শাস্তি রগর্জ ন আক্র মণ করলো যার তারা অবতরণের অপেক্ষায় ছিলো। যেহেতু তাদেরকে তা অবতরণের তিন দিন পূর্বেই শাস্তি র ভয় দেখানো হয় ।
فَمَا ٱسْتَطَـٰعُوا۟ مِن قِيَامٍۢ وَمَا كَانُوا۟ مُنتَصِرِينَ ﴿٤٥﴾
তখন তারা নিজেদেরউপরঅবতীর্ণ শাস্তি প্রতিহত করারশক্তি হারিয়ে ফেললো। তাদেরএমন কোন শক্তি ছিলো না যদ্বারা তারা তা প্রতিরোধকরতে পারে।
وَقَوْمَ نُوحٍۢ مِّن قَبْلُ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًۭا فَـٰسِقِينَ ﴿٤٦﴾
আমি নূহ (আলাইহিস-সালাম) এর জাতিকে এ সব উল্লি খিত লোকজনের পূর্বে ডু বিয়ে ধ্বংস করেছি। তারা আল্লাহর আনুগত্য থেকে বেরিয়ে পড়ে ছে। ফলে তাঁর শাস্তি র হকদার হয়ে ছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَٱلسَّمَآءَ بَنَيْنَـٰهَا بِأَيْي۟دٍۢ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ﴿٤٧﴾
আমি আসমানকে সৃষ্টি করেছি এবং এর ভিত্তিকে দৃঢ় তার সাথে নিপুণ করেছি। আর আমি এর প্রান্ত গুলোকে প্রশস্ত করেছি।
وَٱلْأَرْضَ فَرَشْنَـٰهَا فَنِعْمَ ٱلْمَـٰهِدُونَ ﴿٤٨﴾
আমি যমীনকে তাতে বসবাসকারীদের জন্য বিছানার মতো বিন্যস্ত করেছি। আমি তাদের জন্য তাকে কতোই না উত্তম বিন্যস্ত কারী। ومن كل شىء خلقنا زوجين لعل كم تذكرون
وَمِن كُلِّ شَىْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ﴿٤٩﴾
আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি। যথা নারী ও পুরুষ, আসমান ও যমীন এবংজল ও স্থল। যাতে তোমরা এমন আল্লাহরএকত্ব বাদের কথা চিন্তা করতে পারো যিনি সকল বস্তু কে দু’প্রকার করে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা তাঁর ক্ষমতার কথাও ভাবতে পরো।
فَفِرُّوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٥٠﴾
তাই তোমরা আল্লাহর আনু গত্য করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে তাঁর শাস্তি থেকে তাঁর প্রতিদানের প্রতি পালিয়ে আসো। হে লোক সকল! অবশ্যই আমি তোমাদেরজন্যতাঁরশাস্তি থেকে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
وَلَا تَجْعَلُوا۟ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٥١﴾
তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য মা‘বূদ গ্রহণ করো না। আমার পরিবর্তে তোমরা যার ইবাদাত করবে। আমি তোমাদের জন্য তাঁর বিষয়ে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ﴿٥٢﴾
মক্কাবাসীদের এই মিথ্যাচারের মতো পূর্বের জাতিরাও মিথ্যারোপ করেছিলো। তাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে যে রাসূলই এসেছিলেন তারা তাঁর ব্যাপারে বলেছিলো, তিনি যাদুকর কিংবা পাগল।
أَتَوَاصَوْا۟ بِهِۦ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌۭ طَاغُونَ ﴿٥٣﴾
কাফিরদের পূর্বসূরী ও উত্তরসূরীরা কি পরষ্পর রাসূলগণকে অস্বীকার করার পরামর্শ দেয় ?! না, বরং তাদের হঠকারিতাই তাদেরকে এ ব্যাপারে একমত করেছে।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَآ أَنتَ بِمَلُومٍۢ ﴿٥٤﴾
তাই হে রাসূল! আপনি এ সবমিথ্যারোপকারীদেরথেকে বিমুখ থাকু ন। এতে করেআপনি নিন্দি ত হবেন না। কেননা, আপনি তাদেরনিকট যে বার্তা নিয়ে এসেছেন তাতাদেরকে পৌঁছে দিয়ে ছেন।
وَذَكِّرْ فَإِنَّ ٱلذِّكْرَىٰ تَنفَعُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٥٥﴾
তবে তাদের থেকে বিমুখ হওয়া যেন আপনাকে তাদের প্রতি উপদেশ প্রদান থেকে বিরত না রাখে। তাই আপনি তাদেরকে উপদেশ প্রদান করুন। কেননা, উপদেশ ঈমানদারদের বিশেষ উপকারে আসে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ﴿٥٦﴾
আমি জ্বি ন ও ইনসানকে কেবল আমার ইবাদতের উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছি। আমি তাদেরকে আমার সাথে কাউকে শরীক করার জন্য সৃষ্টি করি নি।
مَآ أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍۢ وَمَآ أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ ﴿٥٧﴾
আমি তাদের কাছ থেকে জীবিকা চাই না। আর না আমি তাদের নিকট চাই যে, তারা আমাকে খাবার দান করুক।
إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلْقُوَّةِ ٱلْمَتِينُ ﴿٥٨﴾
অবশ্যই আল্লাহ বান্দাদেরমহা জীবিকাদাতা। সবাই তাঁরজীবিকারমুখাপেক্ষী। তিনি মহান শক্তিধর। যাঁকে কেউ পরাভূত করতে পারেনা। বরংজ্বি ন ও ইনসানের সবাইই তাঁর অনু গামী। فإن للذين ظلمواذنوبا مثل ذنوب أصحبهم فلا يستعجلون
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذَنُوبًۭا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَـٰبِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ﴿٥٩﴾
হে রাসূল! যারা আপনাকে অস্বীকার করার মাধ্যমে নিজেদের আত্মার উপর অবিচার করেছে তাদের জন্য রয়ে ছে তাদের পূর্বসূরীদের মতো শাস্তি র নির্ধারিত সময় । তাই তারাযেন একে সময়ে রপূর্বে তরান্বি ত করারদাবিনারাখে।
فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن يَوْمِهِمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ ﴿٦٠﴾
যারা আল্লাহর সাথে কু ফরী করেছে ও তাঁর রাসূলদেরকে মিথ্যারোপ করেছে তাদের জন্য রয়ে ছে কিয়ামত দিবসের ধ্বংস ও ক্ষতি। যে দিন তাদের উপর শাস্তি অবতারিত করার ওয়াদা দেয়া হয়ে ছে। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই