قٓ ۚ وَٱلْقُرْءَانِ ٱلْمَجِيدِ ﴿١﴾
ক্বাফ, এসব যুক্তাক্ষরের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাক্বারার শুরুতেই করা হয়ে ছে। আল্লাহ এ জন্য কু রআনের শপথ করেছেন। যেহেতু তাতে রয়ে ছে প্রচু র অর্থ ও অধিক কল্যাণ এবং বরকত। অবশ্যই তোমাদেরকে কিয়ামত দিবসে হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে পুনর্বার উঠানো হবে।
بَلْ عَجِبُوٓا۟ أَن جَآءَهُم مُّنذِرٌۭ مِّنْهُمْ فَقَالَ ٱلْكَـٰفِرُونَ هَـٰذَا شَىْءٌ عَجِيبٌ ﴿٢﴾
তাদের দ্বারা আপনাকে পরিত্যাগের কারণ এটি ছিলো না যে, তারা আপনাকে মিথ্যুক ধারণা করে। বরং তারা আপনার সত্যতার কথা জানে। তবে তারা এ কথার উপর আশ্চর্য বোধ করেছে যে, ফিরিশতাদের মধ্য থেকে রাসূল না এসে তাদের মধ্য থেকে রাসূল কীভাবে আসলেন?! তাই তারা আশ্চর্য বোধ করে বলেছে: মানু ষের মধ্য থেকে আমাদের প্রতি রাসূল আগমন একটি উদ্ভট ব্যাপার।
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا ۖ ذَٰلِكَ رَجْعٌۢ بَعِيدٌۭ ﴿٣﴾
আমরা মরে যাওয়া ও মাটি হয়ে যাওয়ার পর আবারো কি আমাদেরকে উঠানো হবে?! এই পুনরুত্থান ও আমাদের শরীর নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর জীবন ফেরত আসাএকটি অসম্ভ বব্যাপার;যাআদৗসংঘটি ত হওয়ারনয় ।
قَدْ عَلِمْنَا مَا تَنقُصُ ٱلْأَرْضُ مِنْهُمْ ۖ وَعِندَنَا كِتَـٰبٌ حَفِيظٌۢ ﴿٤﴾
আমি অবশ্যই তাদের মরে যাওয়ার পর মাটি তাদের শরীরের কী ভক্ষণ করে ও কীভাবে নিঃশেষ করে তা জানি। আমার নিকট এর কোন কিছু ই গোপন থাকে না। এমন কি আমার নিকট এমন এক দফতর রয়ে ছে যাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত তাদের জীবনে ও মরণোত্তর যা কিছু হবে সবই সংরক্ষিত আছে।
بَلْ كَذَّبُوا۟ بِٱلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمْ فَهُمْ فِىٓ أَمْرٍۢ مَّرِيجٍ ﴿٥﴾
বরং এ সব মু শরিক তাদের নিকট রাসূল কু রআন নিয়ে আগমন করলে তারা তা অস্বীকার করে। ফলে তারা এক অস্থি তিশীল অবস্থায় রয়ে ছে। কোন ব্যাপারেতাদেরস্থায়ি ত্বনেই।
أَفَلَمْ يَنظُرُوٓا۟ إِلَى ٱلسَّمَآءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَـٰهَا وَزَيَّنَّـٰهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍۢ ﴿٦﴾
পুনরুত্থান অস্বীকারকারীরা কি তাদের উপর বিদ্যমান আসমান নিয়ে চিন্তা করে না যে, আমি কীভাবে তা সৃষ্টি করেছি, প্রস্তু ত করেছি এবং সেটি কে তারকারাজি দ্বারা সুন্দ রকরেসাজিয়ে ছি। যাকে দোষযুক্ত করারকোন খুঁত নেই?! অতএব, যিনি এই আসমান সৃষ্টি করেছেন তিনি মৃতদেরকে জীবিত করে পুনরুত্থানে অবশ্যই সক্ষম।
وَٱلْأَرْضَ مَدَدْنَـٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ وَأَنۢبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍۭ بَهِيجٍۢ ﴿٧﴾
আমি যমীনকে তাতে বসবাস করার মতো করে বিছিয়ে ছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছি। যাতে তা নড়াচড়া না করে। আর আমি তাতে সর্বপ্র কার উদ্ভিদ ও সুদর্শন বৃক্ষরাজি উদগত করেছি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর تبصرةوذكر لكل عبد منيب
تَبْصِرَةًۭ وَذِكْرَىٰ لِكُلِّ عَبْدٍۢ مُّنِيبٍۢ ﴿٨﴾
আমি এ সব এ জন্য সৃষ্টি করেছি যাতে তা আপন প্রতিপালকের প্রতি প্রত্যাবর্ত নকারী প্রত্যেক ব্যক্তি র জন্য চিন্তার খোরাক ও উপদেশ হিসাবে পরিগণিত হয় ।
وَنَزَّلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ مُّبَـٰرَكًۭا فَأَنۢبَتْنَا بِهِۦ جَنَّـٰتٍۢ وَحَبَّ ٱلْحَصِيدِ ﴿٩﴾
আর অমি আসমান থেকে বহু উপকারী ও কল্যাণপূর্ণ বারি বর্ষিয়ে ছি এবং তদ্বারা বহু বাগান ও তোমাদের উৎপাদিত যবসহ অন্যান্য শস্যাদির ব্যবস্থা করেছি।
وَٱلنَّخْلَ بَاسِقَـٰتٍۢ لَّهَا طَلْعٌۭ نَّضِيدٌۭ ﴿١٠﴾
অমি উঁ চু উঁ চু সুদীর্ঘ খেজুরবৃক্ষ উৎপন্ন করেছি। যারশেকড় একটি রউপরঅপরটি ঘনীভূ ত।
رِّزْقًۭا لِّلْعِبَادِ ۖ وَأَحْيَيْنَا بِهِۦ بَلْدَةًۭ مَّيْتًۭا ۚ كَذَٰلِكَ ٱلْخُرُوجُ ﴿١١﴾
আমি যা কিছু উৎপন্ন করেছি তা বান্দাদের জীবিকার উদ্দেশ্যেই করেছি। যা তারা ভক্ষণ করবে এবং আমি তদ্বারা এমন নগর জীবিত করেছি যথায় কোন উদ্ভিদ নেই। বস্তু তঃআমি যেভাবেউদ্ভিদবিহীন এই নগরকে জীবিত করেছি এভাবেই তোমাদেরপুনরুত্থান করবো।
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍۢ وَأَصْحَـٰبُ ٱلرَّسِّ وَثَمُودُ ﴿١٢﴾
হে রাসূল! আপনার পূর্বের জাতিরা তাদের নবীদেরকে মিথ্যারোপ করেছে। নূহ (আলাইহিস-সালাম) এর সম্প্র দায় ও কু য়াবাসীরা মিথ্যারোপ করছে। তেমনিভাবেমিথ্যারোপ করেছে সামূ দ সম্প্র দায় । وعاد وفرعون وإخون لوط
وَعَادٌۭ وَفِرْعَوْنُ وَإِخْوَٰنُ لُوطٍۢ ﴿١٣﴾
অনু রূপভাবেআদ, ফিরআউন ও লুত জাতি মিথ্যারোপ করেছে। ل
وَأَصْحَـٰبُ ٱلْأَيْكَةِ وَقَوْمُ تُبَّعٍۢ ۚ كُلٌّۭ كَذَّبَ ٱلرُّسُلَ فَحَقَّ وَعِيدِ ﴿١٤﴾
তেমনিভাবে শু‘আইব (আলাইহিস-সালাম) এর জাতি আইকাবাসী ও ইয়ে মেনের বাদশাহ তুব্বা’র জাতিও মিথ্যারোপ করে। ফলে তাদের উপর অঙ্গীকারকৃ তশাস্তি অবধারিতহয় ।
أَفَعَيِينَا بِٱلْخَلْقِ ٱلْأَوَّلِ ۚ بَلْ هُمْ فِى لَبْسٍۢ مِّنْ خَلْقٍۢ جَدِيدٍۢ ﴿١٥﴾
আমি কি প্রথমবারের সৃষ্টি তে অপারগ হয়ে ছি, তাই পুনরুত্থানে অপারগ হবো?! বরং তারা নিজেদের প্রথম সৃষ্টি র পর নতু ন সৃষ্টি র ব্যাপারে অনিশ্চয় তার মধ্যেহাবুডু বু খাচ্ছে।
وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ وَنَعْلَمُ مَا تُوَسْوِسُ بِهِۦ نَفْسُهُۥ ۖ وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ ٱلْوَرِيدِ ﴿١٦﴾
আমি অবশ্যই মানু ষ সৃষ্টি করেছি এবংতারমনে যে সবমনোভাবও চিন্তারউদয় হয় তাআমি জানি। আমি তারঅন্ত রেরসাথে যুক্ত ঘাড়ে অবস্থি ত শিরা অপেক্ষা আরো নিকটবর্তী। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِذْ يَتَلَقَّى ٱلْمُتَلَقِّيَانِ عَنِ ٱلْيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ قَعِيدٌۭ ﴿١٧﴾
যখন তার আমল সংরক্ষণকারী উভয় ফিরিশতা মিলিত হবে। তাদের একজন তার ডান পার্শ্বে বসবে ও অপরজন বসবে তার বাম পার্শ্বে। ما يلفظ من قول إلا لديه رقيب عتيد
مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌۭ ﴿١٨﴾
সে যে কথাই বলুক না কেন তার জন্য তার পার্শ্বে একজন পর্যবেক্ষক পিরিশতা উপস্থি ত থাকে।
وَجَآءَتْ سَكْرَةُ ٱلْمَوْتِ بِٱلْحَقِّ ۖ ذَٰلِكَ مَا كُنتَ مِنْهُ تَحِيدُ ﴿١٩﴾
যথার্থই মৃ ত্যুরযাতনাউপস্থি ত হলো। এটি ই সেই বস্তু যাথেকে হে উদাসীন মানু ষ! তু মি পিছিয়ে ওপলায় নরত ছিলে।
وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ ۚ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْوَعِيدِ ﴿٢٠﴾
ফু ৎকারেরজন্যনিয়োজিত ফিরিশতাশিঙ্গায় দ্বি তীয় বারফু ৎকারদিবে। এটি ই কিয়ামত দিবস তথাকাফিরও পাপীদেরজন্যশাস্তি রদিন।
وَجَآءَتْ كُلُّ نَفْسٍۢ مَّعَهَا سَآئِقٌۭ وَشَهِيدٌۭ ﴿٢١﴾
প্রত্যেক সত্তা তাকে চালনাকারী একজন ফিরিশতাসহ উপস্থি ত হবে। আর অপর ফিরিশতা তার আমলের সাক্ষী হিসাবে উপস্থি ত হবে।
لَّقَدْ كُنتَ فِى غَفْلَةٍۢ مِّنْ هَـٰذَا فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَآءَكَ فَبَصَرُكَ ٱلْيَوْمَ حَدِيدٌۭ ﴿٢٢﴾
সেই চালিত ব্যক্তিকে বলা হবে: তু মি নিজ বিভ্রান্তি , মনোবৃত্তি ও ভোগ-বিলাসে লিপ্ত থাকার ফলে এই দিবস থেকে উদাসীন ছিলে। তাই আমি তোমার উদাসীনতাদূরিভ‚ত করলাম। যাতে তু মি শাস্তি ও আপদ পর্যবেক্ষণ করো। وقال قرينه هذا ما لدى عتيد
وَقَالَ قَرِينُهُۥ هَـٰذَا مَا لَدَىَّ عَتِيدٌ ﴿٢٣﴾
তারসাথে নিয়োজিত ফিরিশতাবলবে:এই যে আমারনিকট তারকৃ তকর্ম কোনরূপ বেশ-কম ব্যতিরেকে বিদ্যমান রয়ে ছে। ألقيا فى جهنمكل كف ار عنيد
أَلْقِيَا فِى جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِيدٍۢ ﴿٢٤﴾
আল্লাহ চালনাকারী ও সাক্ষ্যদাতা উভয় ফিরিশতাকে বলবেন: তোমরা প্রত্যেক সত্য অমান্যকারী গোঁড়াদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করো। م ناع للخير معتد مريب
مَّنَّاعٍۢ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍۢ مُّرِيبٍ ﴿٢٥﴾
আল্লাহ যে সব অধিকার অবধারিত করেন তা বেশী বেশী প্রত্যাখ্যানকারী, আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘনকারী এবং তিনি যে সব পুরস্কার ও শাস্তি র সংবাদ দিয়ে ছেন তাঅস্বীকারকারী।
ٱلَّذِى جَعَلَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَأَلْقِيَاهُ فِى ٱلْعَذَابِ ٱلشَّدِيدِ ﴿٢٦﴾
যে আল্লাহর সাথে অন্য মাবূদকে শরীক করে নিয়ে ছে। তাঁর সাথে ওকে ইবাদাতে শরীক করে থাকে। তাই তোমরা তাকে কঠি ন শাস্তি তে নিক্ষেপ করো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
۞ قَالَ قَرِينُهُۥ رَبَّنَا مَآ أَطْغَيْتُهُۥ وَلَـٰكِن كَانَ فِى ضَلَـٰلٍۭ بَعِيدٍۢ ﴿٢٧﴾
তার সাথে নিজ শয় তান সঙ্গী সম্পর্ক চ্ছেদ করে বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাকে ভ্রষ্টকরি নি। বরং সে সত্য থেকে বহু দূরে অবস্থানকারী ছিলো।
قَالَ لَا تَخْتَصِمُوا۟ لَدَىَّ وَقَدْ قَدَّمْتُ إِلَيْكُم بِٱلْوَعِيدِ ﴿٢٨﴾
আল্লাহ বলবেন: তোমরা আমার নিকট ঝগড়া করো না। কেননা, তাতে কোন লাভ নেই। আমি তোমাদের উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বেই দুনিয়াতে আমার রাসূলদের মাধ্যমে আমাকে অমান্যকরী ও আমার অবাধ্যদের জন্য কঠি ন শাস্তি র কথা জানিয়ে দিয়ে ছি।
مَا يُبَدَّلُ ٱلْقَوْلُ لَدَىَّ وَمَآ أَنَا۠ بِظَلَّـٰمٍۢ لِّلْعَبِيدِ ﴿٢٩﴾
আমার কথা ও অঙ্গীকার কখনো পরিবর্ত ন হয় না। আর না আমি বান্দাদের পুণ্য কমিয়ে কিংবা পাপ বাড়ি য়ে তাদের উপর অবিচার করি। বরং আমি যার যার আমল অনু যায়ী তাকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
يَوْمَ نَقُولُ لِجَهَنَّمَ هَلِ ٱمْتَلَأْتِ وَتَقُولُ هَلْ مِن مَّزِيدٍۢ ﴿٣٠﴾
সে দিন আমি জাহান্নামকে বলব: তু মি কি তোমার মধ্যে নিক্ষেপিত কাফির ও পাপীদেরকে দিয়ে পরিপূর্ণ হয়ে ছো? তখন সে অধিক কামনা করতঃ ও স্বীয় রবের রাগের ফলে তার রবকে এই বলে উত্তর দিবে: আরো কি আছে?
وَأُزْلِفَتِ ٱلْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ غَيْرَ بَعِيدٍ ﴿٣١﴾
আর স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে আল্লাহভীরুদের উদ্দেশ্যে জান্নাত নিকটবর্তী করা হবে। তাই তারা নিকটে থেকে তথায় বিদ্যমান উপভোগ্যনিয়ামত প্রত্যক্ষ্যকরবে। هذا ما توعدون لكل أواب حفيظ
هَـٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِكُلِّ أَوَّابٍ حَفِيظٍۢ ﴿٣٢﴾
আর তাদেরকে বলা হবে: এটি আল্লাহ কর্তৃক তার প্রতি কৃ ত অঙ্গীকার যে তাওবার মাধ্যমে নিজ প্রতিপালকের দিকে ফিরে আসে এবং তার উপর বাধ্যতামূ লক বিধানের হিফাযত করে।
مَّنْ خَشِىَ ٱلرَّحْمَـٰنَ بِٱلْغَيْبِ وَجَآءَ بِقَلْبٍۢ مُّنِيبٍ ﴿٣٣﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহকে এমন গোপনে ভয় করেযেখানে তিনি ব্যতীত অন্যকেউ তাকে দেখারনেই এবংআল্লাহরসাথে নিরাপদ ও তাঁরপ্র তি ধাবমান অন্ত র নিয়ে সাক্ষাৎ করে। উপরন্তু তাঁরপ্র তি বেশীবেশীপ্র ত্যাবর্ত নকারী।
ٱدْخُلُوهَا بِسَلَـٰمٍۢ ۖ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْخُلُودِ ﴿٣٤﴾
আরতাদরেকে বলা হবে,তোমরা নিজেদেরঅপছন্দে রবিষয় থেকে মুক্ত অবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করো। এটি সেই চিরস্থায়ী দিন যারকোন লয় -ক্ষয় নেই।
لَهُم مَّا يَشَآءُونَ فِيهَا وَلَدَيْنَا مَزِيدٌۭ ﴿٣٥﴾
তথায় তাদেরজন্যরয়ে ছে নিজেদেরচাহিদানু যায়ীঅবারিত নিয়ামত। আরআমারনিকট রয়ে ছে এমন সবঅতিরিক্ত নিয়ামত যাকোন চক্ষু দেখে নি। আরনা কোন কান শ্রবণ করেছে। আরনা কোন মানু ষেরঅন্ত রতা হৃ দয় ঙ্গম করেছে। তন্মধ্যেমহান আল্লাহরদর্শন অন্যতম। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّن قَرْنٍ هُمْ أَشَدُّ مِنْهُم بَطْشًۭا فَنَقَّبُوا۟ فِى ٱلْبِلَـٰدِ هَلْ مِن مَّحِيصٍ ﴿٣٦﴾
আমি এ সব মিথ্যারোপাকারী মক্কাবাসী মু শরিকের পূর্বে কতো জাতিকে ধ্বংস করেছি। তাই তারা পৃথিবীতে খুঁজে দেখলো। হয় তো বা তারা শাস্তি থেকে পালানোরকোন জায় গাখুঁজে পাবে। কিন্তু তারাতাপায় নি।
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَذِكْرَىٰ لِمَن كَانَ لَهُۥ قَلْبٌ أَوْ أَلْقَى ٱلسَّمْعَ وَهُوَ شَهِيدٌۭ ﴿٣٧﴾
পূর্বেকার জাতিদের ধ্বংসলীলার উপরোক্ত এ সব বর্ণনায় চিন্তাশীল অন্ত র সম্পন্ন ব্যক্তি কিংবা সচেতন ও মনোযোগ সহকারে শ্রবণকারীদের জন্য রয়ে ছে উপদেশ।
وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِى سِتَّةِ أَيَّامٍۢ وَمَا مَسَّنَا مِن لُّغُوبٍۢ ﴿٣٨﴾
আমি নিজ প্রচু র ক্ষমতা থাকা সত্তে¡ও আসমান, যমীন ও এতদুভয়ে র মধ্যবর্তী সব কিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি। তাতে ইহুদীরা যেমন বলছে তেমন কোন কষ্ট ই আমারহয় নি।
فَٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ ٱلشَّمْسِ وَقَبْلَ ٱلْغُرُوبِ ﴿٣٩﴾
অতএব হে রাসূল! আপনি ইহুদী কিংবা অন্যদের কথার উপর ধৈর্য ধারণ করুন। আর নিজ রবের প্রশংসা করতে সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বে তাঁর উদ্দেশ্যে ফজরেরনামায পড়ু ন এবংসূর্য অস্ত মিত হওয়ারপূর্বে আসরেরনামায পড়ু ন।
وَمِنَ ٱلَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَأَدْبَـٰرَ ٱلسُّجُودِ ﴿٤٠﴾
রাত্রেও তাঁর উদ্দেশ্যে নামায পড়ু ন এবং ফরয নামাযের পর তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
وَٱسْتَمِعْ يَوْمَ يُنَادِ ٱلْمُنَادِ مِن مَّكَانٍۢ قَرِيبٍۢ ﴿٤١﴾
হে রাসূল! আপনি মনোযোগ সহকারেশ্র বণ করুন সে দিনেরকথাযে দিন দ্বি তীয় বারশিঙ্গায় ফু ৎকারেরজন্যনিয়োজিত ফিরিশতানিকটতম স্থান থেকে আহŸান করবেন।
يَوْمَ يَسْمَعُونَ ٱلصَّيْحَةَ بِٱلْحَقِّ ۚ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْخُرُوجِ ﴿٤٢﴾
সে দিন সকল সৃষ্টি সত্যিই পুনরুত্থানের এমন গর্জ ন শুনতে পাবে যাতে কোনরূপ সন্দে হ নেই। যে দিন তারা এটি শুনবে সেটি মূলতঃ হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে মৃ তদের বেরিয়ে আসার দিন।
إِنَّا نَحْنُ نُحْىِۦ وَنُمِيتُ وَإِلَيْنَا ٱلْمَصِيرُ ﴿٤٣﴾
আমিই জীবন ও মৃত্যু প্রদান করি। আমি ব্যতীত অন্য কোন জীবনদাতা নেই। আরনা কোন মরণদাতা আছে। এককভাবেআমারদিকেই কিয়ামত দিবসে হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে বান্দাদের প্রত্যাবর্ত ন।
يَوْمَ تَشَقَّقُ ٱلْأَرْضُ عَنْهُمْ سِرَاعًۭا ۚ ذَٰلِكَ حَشْرٌ عَلَيْنَا يَسِيرٌۭ ﴿٤٤﴾
সে দিন তাদেরযমীন ফেটে চৌচিরহবে। ফলে তারাদ্র æত তাথেকে বেরিয়ে পড় বে। এই হাশরসংঘটি ত করাআমারজন্যঅতি সহজ। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ ۖ وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِجَبَّارٍۢ ۖ فَذَكِّرْ بِٱلْقُرْءَانِ مَن يَخَافُ وَعِيدِ ﴿٤٥﴾
আমি এ সব মিথ্যারোপকারীর কথা অধিক জানি। আর হে রাসূল! আপনি তাদের উপর দারোগা নন। যার ভিত্তিতে আপনি তাদেরকে ঈমান আনতে বাধ্য করবেন। বরং আপনি তো কেবল আল্লাহ যে বিষয় প্রচার করতে নির্দেশ প্রদান করেন তা পৌঁছোনোর জন্য দায়ি ত্বপ্রাপ্ত । অতএব, আপনি কু রআনের মাধ্যমে কাফির ও পাপীদের মধ্যে তাকে ভীতি প্রদর্শন করুন যে আমার শাস্তি কে ভয় পায় । কেননা, কেবল ভীতজনই উপদেশ গ্রহণের জন্য বললে সে তা গ্রহণ করেএবংস্মরণ করিয়ে দিলে সে তা স্মরণ করে। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম