হোমতাফসিরAd-Dukhaan (44)

তাফসির Ad-Dukhaan (44) — الدخان

মাক্কী · 59 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

حمٓ ﴿١﴾

হা-মীম, এ সব যুক্তাক্ষরের অর্থের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাকারার শুরুতে করা হয়ে ছে।

وَٱلْكِتَـٰبِ ٱلْمُبِينِ ﴿٢﴾

আল্লাহ হকের পথকে সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনাকারী কু রআনের নামে শপথ করলেন।

إِنَّآ أَنزَلْنَـٰهُ فِى لَيْلَةٍۢ مُّبَـٰرَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ ﴿٣﴾

আমি অতীবকল্যাণপূর্ণ কদরেররাতে কু রআন অবতীর্ণ করেছি। আমি এই কু রআন দ্বারাসতর্ক কারী। فيها يفرق كل أمر حكيم

فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿٤﴾

উক্ত রজনীতে সকল চূ ড়ান্ত বিষয়াদি বন্ট ন করাহয় । যারিযিক,আয়ু ইত্যাদিসহ উক্ত বছরেআল্লাহ যাকিছু সংঘটি ত করবেন তারসাথে সম্পৃক্ত ।

أَمْرًۭا مِّنْ عِندِنَآ ۚ إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٥﴾

আমি আমারনিকট চূ ড়ান্ত সকলবিষয় বন্ট ন করি। আমি রাসূলদেরপ্রে রণকারী।

رَحْمَةًۭ مِّن رَّبِّكَ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٦﴾

হে রাসূল! আমি রাসূলদেরকে আপনার রবের পক্ষ থেকে ওদের উদ্দেশ্যে রহমত স্বরূপ প্রে রণ করে থাকি যাদের নিকট তাঁদেরকে প্রে রণ করি। তিনি স্বীয় বান্দাদেরকথাসমূ হ শ্রবণ করেন এবংতাদেরকাজ ও নিয় তসমূ হ সম্পর্কে জানেন। তাঁরনিকট এরকিছু ই গোপন থাকে না।

رَبِّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَآ ۖ إِن كُنتُم مُّوقِنِينَ ﴿٧﴾

তিনি আসমানসমূ হ, যমীন ও এতদুভয়ে র সব কিছু র মালিক। তোমরা যদি দৃঢ় বিশ্বাস রাখো তবে আমার রাসূলের উপর ঈমান আনয় ন করো।

لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ يُحْىِۦ وَيُمِيتُ ۖ رَبُّكُمْ وَرَبُّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ ﴿٨﴾

তিনি ব্যতীত অন্য কোন সত্যিকার মা’বূদ নেই। যে জীবন ও মরণ দিতে পারে। তিনি ব্যতীত কোন জীবিতকারী ও মৃত্যু প্রদানকারী নেই। যিনি তোমাদের ও তোমাদের পূর্বপূরুষদের প্রতিপালক। بل هم فىشك يلعبون

بَلْ هُمْ فِى شَكٍّۢ يَلْعَبُونَ ﴿٩﴾

এ সব মুশরিকরা এ ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে না বরং তারা এ ব্যাপারে সন্দে হের মধ্যে নিমজ্জিত। তারা ডু বে থাকা বাতিল দিয়ে এ থেকে উদাসীনতা প্রদর্শন করেথাকে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

فَٱرْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِى ٱلسَّمَآءُ بِدُخَانٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿١٠﴾

অতএব,হে রাসূল! আপনি নিজ জাতিরনিকটবর্তী শাস্তি রঅপেক্ষাকরুন। যে দিন আসমান সুস্পষ্ট ধোঁয়ানিয়ে আসবে। যাতারাকঠি ন বেদনাভরে স্বচক্ষে অবলোকন করবে।

يَغْشَى ٱلنَّاسَ ۖ هَـٰذَا عَذَابٌ أَلِيمٌۭ ﴿١١﴾

যা আপনার জাতিকে পরিবেষ্টি ত করবে এবং তাদেরকে বলা হবে, তোমাদেরকে যে শাস্তি আক্রান্ত করেছে তা অত্যন্ত বেদনাদায় ক।

رَّبَّنَا ٱكْشِفْ عَنَّا ٱلْعَذَابَ إِنَّا مُؤْمِنُونَ ﴿١٢﴾

ফলে তারা স্বীয় প্রতিপালকের দরবারে এই কামনা করবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের থেকে প্রে রিত শাস্তি দূর করুন। আমাদের থেকে তা দূর করলে আমরা অবশ্যই আপনার উপর ঈমান আনবো।

أَنَّىٰ لَهُمُ ٱلذِّكْرَىٰ وَقَدْ جَآءَهُمْ رَسُولٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿١٣﴾

কীভাবে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে ও স্বীয় প্রতিপালকের প্রতি অনুরাগী হবে? অথচ তাদের নিকট রিসালাতের বর্ণনা প্রদানকারী রাসূল আগমন করেছেন এবং তারা তাঁর সত্যতা ও আমনতদারিতার কথা জানতে পেরেছে। ثم تولوا عنه وقالوا معلم م جنون

ثُمَّ تَوَلَّوْا۟ عَنْهُ وَقَالُوا۟ مُعَلَّمٌۭ مَّجْنُونٌ ﴿١٤﴾

অতঃপর তাঁকে সত্যায় ন না করে তারা বলেছে, তিনি এমন এক শিষ্য যাকে অন্য কেউ শিক্ষা দিয়ে থাকে। তিনি রাসূল নন। তারা আরো বলে যে, তিনি একজন পাগল।

إِنَّا كَاشِفُوا۟ ٱلْعَذَابِ قَلِيلًا ۚ إِنَّكُمْ عَآئِدُونَ ﴿١٥﴾

বস্তু তঃআমি যখন তোমাদেরথেকে শাস্তি কে একটু খানি ফিরিয়ে রাখিতখনই তোমরানিজেদেরকু ফরীও পাপাচারেরপ্র তি প্রত্যাবর্ত ন করো।

يَوْمَ نَبْطِشُ ٱلْبَطْشَةَ ٱلْكُبْرَىٰٓ إِنَّا مُنتَقِمُونَ ﴿١٦﴾

হে রাসূল! তাদের জন্য আপনি সে দিনের অপেক্ষা করুন যে দিন আপনার সম্প্র দায়ে র কাফিরদেরকে বড় ধরনের পাকড়াও করা হবে তথা বদরের দিন। সে দিন আল্লাহকে অবিশ্বাস ও তদীয় রাসূলকে মিথ্যারাপ করারদরুন আমি তাদেরথেকে প্রতিশোধগ্র হণ করবো।

۞ وَلَقَدْ فَتَنَّا قَبْلَهُمْ قَوْمَ فِرْعَوْنَ وَجَآءَهُمْ رَسُولٌۭ كَرِيمٌ ﴿١٧﴾

আমি তাদের পূর্বে ফিরআউন সম্প্র দায় কে পরীক্ষা করেছি। তাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সম্মানী রাসূল আগমন করেছেন যিনি তাদেরকে আল্লাহরএকত্ব বাদ ও ইবাদাতেরপ্র তি আহŸান করেন। তিনি হলেন মূ সা(আলাইহিস-সালাম)।

أَنْ أَدُّوٓا۟ إِلَىَّ عِبَادَ ٱللَّهِ ۖ إِنِّى لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌۭ ﴿١٨﴾

মূসা (আলাইহিস-সালাম) ফিরআউন ও তার জাতিকে বললেন, তোমরা আমার জন্য বনী ইসরাইলকে ছেড়ে দাও। তারা মূলতঃ আল্লাহর বান্দা। তাদেরকে তোমাদের দাসে পরিণত করা তোমাদের জন্য আদৗ উচিৎ নয় । আমি তোমাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর প্রে রিত রাসূল। তিনি আমাকে যে বিষয়ে তোমাদেরকে দা’ওয়াত দিতে নির্দে শ করেছেন সে ব্যাপারেআমি বিশ্ব তস্। তা থেকে আমি কোন কিছু ই হ্রাসও করবো না; বৃদ্ধিও করবো না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَأَن لَّا تَعْلُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ ۖ إِنِّىٓ ءَاتِيكُم بِسُلْطَـٰنٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿١٩﴾

তোমরা আল্লাহর ইবাদাত পরিহার করে এবং তাঁর বান্দাদের উপর বড় ত্বপ্রদর্শন করার মাধ্যমে অহঙ্কার করো না। আমি তোমাদের সামনে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসব। وإنى عذت بربى وربكم أن ترجمون

وَإِنِّى عُذْتُ بِرَبِّى وَرَبِّكُمْ أَن تَرْجُمُونِ ﴿٢٠﴾

আমি তোমাদের পাথরের আঘাত জনিত মৃ ত্যু থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে আমার ও তোমাদের রবের নিকট আশ্র য় নিয়ে ছি।

وَإِن لَّمْ تُؤْمِنُوا۟ لِى فَٱعْتَزِلُونِ ﴿٢١﴾

আমার আনিত বিষয় সত্য বলে মেনে নিতে না চাইলে তোমরা আমার থেকে দূরে অবস্থান করো এবং আমাকে কোনরূপ অনিষ্ট দ্বারা স্পর্শ করো না।

فَدَعَا رَبَّهُۥٓ أَنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ قَوْمٌۭ مُّجْرِمُونَ ﴿٢٢﴾

তখন মূসা (আলাহিস-সালাম) স্বীয় রবকে এই বলে দু‘আ করলেন যে, ফিরআউন ও তার জাতি হলো এমন অপরাধী যারা তড়িৎ শাস্তি পাওয়ার উপযু ক্ত। فأسر بعبادى ليلا إنكم م تبعون

فَأَسْرِ بِعِبَادِى لَيْلًا إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ ﴿٢٣﴾

আল্লাহ মূ সা(আলাহিস-সালাম) কে নির্দে শ দিলেন যেন তিনি নিজ জাতিকে নিয়ে রাতে ভ্রমণ করে। তিনি তাঁকে আরোজানিয়ে দিলেন যে,ফিরআউন ও তার জাতি তাঁদের পেছনে ছু টবে।

وَٱتْرُكِ ٱلْبَحْرَ رَهْوًا ۖ إِنَّهُمْ جُندٌۭ مُّغْرَقُونَ ﴿٢٤﴾

তিনি তাঁকে নির্দে শ দিলেন যে,যখন তিনি ওতাঁরজাতি পারহয়ে যাবেন তখন যেন সাগরটি কে শান্ত অবস্থায় রেখেদেন। অবশ্যই ফিরআউন ওতার জাতি সাগরে ডু বে মরবে। كم تركوامن جنت وعيون

كَمْ تَرَكُوا۟ مِن جَنَّـٰتٍۢ وَعُيُونٍۢ ﴿٢٥﴾

ফিরাউন ও তার জাতি কতো বাগান আর ঝর্না রেখে গিয়ে ছে! وزروع ومقام كريم

وَزُرُوعٍۢ وَمَقَامٍۢ كَرِيمٍۢ ﴿٢٦﴾

আর কতোই না খামার ও সুন্দ রতম বৈঠক খানা রেখে গিয়ে ছে! ونعمةكانوا فيها فكهين

وَنَعْمَةٍۢ كَانُوا۟ فِيهَا فَـٰكِهِينَ ﴿٢٧﴾

আর কতোই না আরাম-আয়ে শের ভোগসামগ্রী রেখে গেছে! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

كَذَٰلِكَ ۖ وَأَوْرَثْنَـٰهَا قَوْمًا ءَاخَرِينَ ﴿٢٨﴾

বস্তু তঃ তোমাদেরকে যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়ে ছে তাদের ক্ষেত্রে তাই ঘটে। আর আমি তাদের বাগান, ঝর্নাধারা, ক্ষেত-খামার ও আসনগুলোকে অন্য জাতির উত্তরাধিকারে পরিণত করেছি। যারা ছিলো বনী ইসরাইল।

فَمَا بَكَتْ عَلَيْهِمُ ٱلسَّمَآءُ وَٱلْأَرْضُ وَمَا كَانُوا۟ مُنظَرِينَ ﴿٢٩﴾

ফলে ফিরআউন ও তার জাতি ডু বার সময় তাদের জন্য আসমান ও যমীনবাসীর কেউ কাঁদে নি। আর না তারা তাওবার সুযোগ পেয়ে ছিলো।

وَلَقَدْ نَجَّيْنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ مِنَ ٱلْعَذَابِ ٱلْمُهِينِ ﴿٣٠﴾

বস্তু তঃ আমি বনী ইসরাইলকে অপমানকর শাস্তি থেকে মুক্তি দিয়েছি। যখন ফিরআউন তাদের ছেলে-সন্তানদেরকে হত্যা করতো এবং কন্যা- সন্তানদেরকে জীবিত রাখতো।

مِن فِرْعَوْنَ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ عَالِيًۭا مِّنَ ٱلْمُسْرِفِينَ ﴿٣١﴾

আমি তাদেরকে ফিরআউনের শাস্তি থেকে নিস্কৃতি দিয়ে ছি। সে ছিলো অহঙ্কারী, আল্লাহর নির্দে শ ও তাঁর দ্বীনকে লঙ্ঘনকারী।

وَلَقَدِ ٱخْتَرْنَـٰهُمْ عَلَىٰ عِلْمٍ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٣٢﴾

আমি বনী ইসরাইলকে আমার জ্ঞানগোচরে অধিকহারে নবীদের মাধ্যমে সমসাময়ি ক সকলের উপর প্রাধান্য দিয়ে ছি।

وَءَاتَيْنَـٰهُم مِّنَ ٱلْـَٔايَـٰتِ مَا فِيهِ بَلَـٰٓؤٌۭا۟ مُّبِينٌ ﴿٣٣﴾

তাদেরকে এমন সব দলীল-প্রমাণাদি দিয়ে ছি যদ্বারা আমি মূসা (আলাহিস-সালাম) কে সহযোগিতা করেছি। যাতে তাদের জন্য মান্না-সালওয়ার মতো স্পষ্ট নি‘আমতরয়ে ছে।

إِنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ لَيَقُولُونَ ﴿٣٤﴾

এ সব মিথ্যারোপকারী মু শরিক পুনরুত্থানকে অবিশ্বাস করতে গিয়ে বলে:

إِنْ هِىَ إِلَّا مَوْتَتُنَا ٱلْأُولَىٰ وَمَا نَحْنُ بِمُنشَرِينَ ﴿٣٥﴾

এতো কেবল আমাদের একটাই মৃ ত্যু। এরপর আর কোন জীবন নেই। আর না আমরা এই মৃ ত্যুর পর পুনরুত্থিত হবো।

فَأْتُوا۟ بِـَٔابَآئِنَآ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿٣٦﴾

তবে হে মুহাম্মদ! আপনি তোমার সাথীদেরসহ আমাদের মৃত পূর্বসূরীদেরকে জীবিত অবস্থায় নিয়ে আসো। যদি তোমরা নিজেদের উক্ত দাবিতে সত্যবাদী হয়ে থাকো যে, আল্লাহ মৃ তদেরকে হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে পুনরুত্থিত করবেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

أَهُمْ خَيْرٌ أَمْ قَوْمُ تُبَّعٍۢ وَٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۚ أَهْلَكْنَـٰهُمْ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ مُجْرِمِينَ ﴿٣٧﴾

হে রাসূল! আপনার প্রতি মিথ্যারোপকারী এ সব মুশরিক কি ক্ষমতা ও প্রতিরক্ষায় ভালো, না কি তু ব্বা ও তাদের পূর্ববর্তী আদ ও সামূদ জাতি। যাদের সবাইকে আমি ধ্বংস করেছি। তারাছিলোসত্যিই অপরাধী।

وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَـٰعِبِينَ ﴿٣٨﴾

আমি আসমান, যমীন ও এতদুভয়ে র মধ্যবর্তী বস্তু সামগ্রীকে খেল-তামাশা স্বরূপ সৃষ্টি করি নি।

مَا خَلَقْنَـٰهُمَآ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٩﴾

বরং আমি আসমান ও যমীনকে এক মহৎ তাৎপর্যকে সামনে রেখে সৃষ্টি করেছি। কিন্তু বেশীর ভাগ মানু ষ তা বুঝতে অক্ষম।

إِنَّ يَوْمَ ٱلْفَصْلِ مِيقَـٰتُهُمْ أَجْمَعِينَ ﴿٤٠﴾

নিশ্চয় ই কিয়ামত দিবস যাতে আল্লাহ বান্দাদের মধ্যে বিচার ফায় সালা করবেন তা সকল সৃষ্টি র জন্য এক নির্ধারিত দিবস। সে দিন আল্লাহ সবাইকে সমবেত করবেন। يوم لا يغنى مولى عن مولى شئا ولا هم ينصرون

يَوْمَ لَا يُغْنِى مَوْلًى عَن مَّوْلًۭى شَيْـًۭٔا وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ ﴿٤١﴾

সে দিন নিকটতম ব্যক্তি তার নিকটতমজনের উপকার করতে পারবে না। আর না কোন বন্ধু তার বন্ধুর উপকার করতে পারবে। তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকেও মু ক্তকরতে পারবে না। কেননা, সে দিনের রাজত্ব কেবল আল্লাহর জন্য নির্ধারিত। কেউ তা দাবি করতে পারবে না।

إِلَّا مَن رَّحِمَ ٱللَّهُ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ ﴿٤٢﴾

কেবল মানুষের মধ্যে যাকে আল্লাহ দয়া করবেন। কেননা, সে পূর্বে প্রে রিত নেক আমল দ্বাারা উপকৃ ত হবে। আল্লাহ সেই পরাক্র মশালী যাঁকে কেউ পরাস্ত করতে পারেনা। তিনি তাঁরসৃষ্টি ,নির্ধারণ ও পরিচালনায় প্রজ্ঞাবান।

إِنَّ شَجَرَتَ ٱلزَّقُّومِ ﴿٤٣﴾

যে যাক্কু ম বৃক্ষ আল্লাহ জাহান্নামেরগভীরেউদ্গত করেছেন।

طَعَامُ ٱلْأَثِيمِ ﴿٤٤﴾

এটি মহাপাপীর খাদ্য। আর সে হলো কাফির যে এর অভোগ্য ফল ভক্ষণ করবে।

كَٱلْمُهْلِ يَغْلِى فِى ٱلْبُطُونِ ﴿٤٥﴾

উক্ত ফল হলো কালো তেল তথা আলকাতরার মতো। যা প্রচÐ গরমের তাপে তাদের পেটে উৎলাতে থাকবে।

كَغَلْىِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٦﴾

চূ ড়ান্ত পর্যায়ে রগরম পানিরউৎলানোরমতো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

خُذُوهُ فَٱعْتِلُوهُ إِلَىٰ سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ ﴿٤٧﴾

জানান্নামের প্রহরীকে বলা হবে, তোমরা একে ধরো এবং কঠোর ও নির্দ য় ভাবে তাকে জাহান্নামের মধ্যভাগে নিক্ষেপ করো।

ثُمَّ صُبُّوا۟ فَوْقَ رَأْسِهِۦ مِنْ عَذَابِ ٱلْحَمِيمِ ﴿٤٨﴾

অতঃপর উক্ত শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তি র মাথার উপর গরম পানি ঢেলে দাও। যাতে তার থেকে শাস্তি দূর না হয় ।

ذُقْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْكَرِيمُ ﴿٤٩﴾

আরতাকে ঠাট্টারছলে বলা হবে,এই স্বাদ আস্বাদন করো। কেননা,তু মি এমন পরাক্র মশালী যারসম্মান ক্ষু ন্নকরা হয় না এবংতু মি আপন জাতিরনিকট এক মহা মর্যাদাবান ব্যক্তি । إن هذا ما كنتم به تمترون

إِنَّ هَـٰذَا مَا كُنتُم بِهِۦ تَمْتَرُونَ ﴿٥٠﴾

এটাসেই শাস্তি যাসংঘটি ত হওয়ারব্যাপারেতোমরাসন্দি হান ছিলে। অথচ প্রত্যক্ষ করারমাধ্যমে তাদূরহয়ে গেলো।

إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى مَقَامٍ أَمِينٍۢ ﴿٥١﴾

অবশ্যই আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাকওয়া অবলম্বনকারীরা তাদের বসবাস করার স্থানে সর্ব প্রকার কষ্ট থেকে নিরাপদে থাকবে। فى جنت وعيون

فِى جَنَّـٰتٍۢ وَعُيُونٍۢ ﴿٥٢﴾

উদ্যান ও বহমান ঝর্না ধারার মাঝে। يلبسون من سندس وإستبرق متقبلين

يَلْبَسُونَ مِن سُندُسٍۢ وَإِسْتَبْرَقٍۢ مُّتَقَـٰبِلِينَ ﴿٥٣﴾

তারা জান্নাতে চিকন ও মোটা প্রকৃ তিররেশমী কাপড় পরিধান করবে। একে অপরেরসম্মুখ পানে তাকাবে। কেউ কারো পেছন দেখবেনা। كذلك وزوجنهم بحور عين

كَذَٰلِكَ وَزَوَّجْنَـٰهُم بِحُورٍ عِينٍۢ ﴿٥٤﴾

তাদেরকে যেমনিভাবে উল্লে খিত পুরস্কার দ্বারা সম্মাননা প্রদান করবো ঠি ক তদ্র ƒপ তাদেরকে সুন্দ রী এমন নারীদের সাথে বিয়ে ও করাবো যারা হবে পদ্মলোচন চোখের অধিকারিণী। يدعون فيها بكل فكهةءامنين

يَدْعُونَ فِيهَا بِكُلِّ فَـٰكِهَةٍ ءَامِنِينَ ﴿٥٥﴾

তারা তথায় তাদের সেবকদেরকে ডেকে তাদের পছন্দে র ফল আনাবে। যেগুলো না ফু রিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আর না তাতে কোন ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে।

لَا يَذُوقُونَ فِيهَا ٱلْمَوْتَ إِلَّا ٱلْمَوْتَةَ ٱلْأُولَىٰ ۖ وَوَقَىٰهُمْ عَذَابَ ٱلْجَحِيمِ ﴿٥٦﴾

তারা তথায় চিরস্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকবে। সেখানে তারা কখনো মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে না। কেবল সেটি ব্যতীত যা দুনিয়ার জীবনে প্রথমবার আস্বাদন করেছিলো। আর তাদের প্রতিপালক তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করবেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

فَضْلًۭا مِّن رَّبِّكَ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ﴿٥٧﴾

উপরোক্ত নিয়ামত তথা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রদান ও জান্নাতে প্রবিষ্ট করা এটি আপনার রবের পক্ষ থেকে তাদের জন্য দয়া ও অনু গ্রহস্ব রূপ। বস্তু তঃএটি ই সেই সফলতাযারসাথে কোন সফলতারতু লনাহয় না। فإنما يسرنه بلسانك لعلهم يتذكرون

فَإِنَّمَا يَسَّرْنَـٰهُ بِلِسَانِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ ﴿٥٨﴾

হে রাসূল! আমি এই কু রআনকে আরবীভাষায় অবতীর্ণ করারমাধ্যমে সহজ ওসরল করেছি। যাতে তারাউপদেশ গ্রহণ করতে পারে।

فَٱرْتَقِبْ إِنَّهُم مُّرْتَقِبُونَ ﴿٥٩﴾

অতএব, আপনি নিজ বিজয় ও তাদের ধ্বংসের অপেক্ষা করুন। তারা কিন্তু আপনার ধ্বংসের অপেক্ষায় রয়ে ছে। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · Ad-Dukhaan — الدخان

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা