طه ﴿١﴾
ত্বা-হা। সূরা বাকারাহর শুরুতে এ জাতীয় অক্ষরগুলোর উপর কথা হয়ে ছে।
হোম›তাফসির›Taa-Haa (20)
মাক্কী · 135 আয়াত
طه ﴿١﴾
ত্বা-হা। সূরা বাকারাহর শুরুতে এ জাতীয় অক্ষরগুলোর উপর কথা হয়ে ছে।
مَآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ لِتَشْقَىٰٓ ﴿٢﴾
হে রাসূল! আমি আপনার উপর এ কু র‘আন এ জন্য নাযিল করিনি যে, তা আপনার সম্প্র দায় আপনার উপর ঈমান আনা থেকে বিমুখতার দরুন দীর্ঘ আপসোসবশতঃনিজকে ক্লান্ত করারকারণ হয়ে দাঁড়ায় । إلا تذكرة لمن يخش
إِلَّا تَذْكِرَةًۭ لِّمَن يَخْشَىٰ ﴿٣﴾
বরং আমি কু র‘আন নাযিল করেছি, যেন তা ওদের জন্য উপদেশ হয় যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে ভয় করার তাওফীক দিয়ে ছেন।
تَنزِيلًۭا مِّمَّنْ خَلَقَ ٱلْأَرْضَ وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ ٱلْعُلَى ﴿٤﴾
আল্লাহ তা‘আলাই তা নাযিল করেছেন যিনি জমিন ও উঁ চু আকাশমÐলী সৃষ্টি করেছেন। অতএব, তা এক মহিমান্বি ত কু র‘আন। কারণ, তা নিশ্চয় ই মহান সত্তারনিকট থেকেই নাযিলকৃ ত।
ٱلرَّحْمَـٰنُ عَلَى ٱلْعَرْشِ ٱسْتَوَىٰ ﴿٥﴾
দয়ালু প্রভু আরশেরউপরই সমু ন্নত হয়ে ছেন এমনভাবেযাতাঁরমহত্তে¡রসাথে একান্ত মানানসই।
لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ ٱلثَّرَىٰ ﴿٦﴾
একমাত্র তাঁর জন্যই আকাশ, জমিন ও মাটি র নিচে যে সকল সৃষ্টি রয়ে ছে তা সবই। তিনি সেগুলোর ¯্রষ্টা, মালিক ও পরিচালক।
وَإِن تَجْهَرْ بِٱلْقَوْلِ فَإِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلسِّرَّ وَأَخْفَى ﴿٧﴾
হে রাসূল! আপনি যদি উঁ চু কিংবানিচু স্বরেবলেন তাসবই আল্লাহ তা‘আলাজানেন। তিনি সংগোপন এবংতারচেয়ে ও আরোবেশি গোপন ব্যাপারও জানেন। যেমন:অন্ত রেরভাবও কল্প না। এসবেরকোন কিছু ই তাঁরনিকট গোপন নয় ।
ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ ﴿٨﴾
আল্লাহ মহান। তিনি ছাড়া সত্য মা’বূদ আরকেউ নেই। কেবল তাঁরজন্যই সুন্দ রতম ও পরিপূর্ণ নামসমূ হ।
وَهَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ ﴿٩﴾
হে রাসূল! নিশ্চয় ই আপনারনিকট মূ সাইবনু ইমরান (আলাইহিস-সালাম) এরসংবাদ এসেছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
إِذْ رَءَا نَارًۭا فَقَالَ لِأَهْلِهِ ٱمْكُثُوٓا۟ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًۭا لَّعَلِّىٓ ءَاتِيكُم مِّنْهَا بِقَبَسٍ أَوْ أَجِدُ عَلَى ٱلنَّارِ هُدًۭى ﴿١٠﴾
যখন তিনি তাঁরসফরেআগুন দেখতে পেলেন তখন তিনি নিজ পরিবারকেবললেন:তোমরাএজায় গায় অবস্থান করো। আমি নিশ্চয় ই আগুন দেখতে পেয়ে ছি। আশাতোআমি তোমাদেরনিকট এ আগুন থেকে একটি জ্বলন্ত অগ্নি স্ফু লিঙ্গ নিয়ে আসবোঅথবাসেখানে এমন কাউকে পাবোযে আমাকে পথ দেখাবে।
فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِىَ يَـٰمُوسَىٰٓ ﴿١١﴾
যখন তিনি আগুনেরনিকট আসলেন তখন আল্লাহ তা‘আলাতাঁকে ডেকে বললেন:হে মূ সা!
إِنِّىٓ أَنَا۠ رَبُّكَ فَٱخْلَعْ نَعْلَيْكَ ۖ إِنَّكَ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًۭى ﴿١٢﴾
নিশ্চয় ই আমি আপনার প্রতিপালক। তাই আমার সাক্ষাতের প্রস্তু তি স্বরূপ আপনি নিজের জুতো দু’টি খুলে ফেলুন। নিশ্চয় ই আপনি পবিত্র তুয়া উপত্যকায় রয়ে ছেন।
وَأَنَا ٱخْتَرْتُكَ فَٱسْتَمِعْ لِمَا يُوحَىٰٓ ﴿١٣﴾
হে মূসা! নিশ্চয় ই আমি আপনাকে বেছে নিয়ে ছি আমাররিসালাত পৌঁছানোরজন্য। তাই আপনারউপরআমি যা ওহী করছি তা আপনি মনোযোগ দিয়ে শুনু ন।
إِنَّنِىٓ أَنَا ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدْنِى وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِذِكْرِىٓ ﴿١٤﴾
নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ। আমি ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই। তাই তুমি এককভাবে আমারই ইবাদাত করো। আর আমাকে স্মরণ করার জন্য পরিপূর্ণরূপে সালাত আদায় করো।
إِنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٌ أَكَادُ أُخْفِيهَا لِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا تَسْعَىٰ ﴿١٥﴾
নিশ্চয় ই কিয়ামত আসাঅবশ্যম্ভাবীও তাঅতি বাস্ত ব। কিন্তু আমি তাগোপন রেখেছি। তাই তারসময় আমারকোন সৃষ্টি জানে না। তবেতারাতার আলামতগুলো জানে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সে ব্যাপারে সংবাদ দেয়ার দরুন। যাতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্মের প্রতিদান দেয়া যায় । চাই তা ভালো হোক কিংবা মন্দ ।
فَلَا يَصُدَّنَّكَ عَنْهَا مَن لَّا يُؤْمِنُ بِهَا وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ فَتَرْدَىٰ ﴿١٦﴾
তাই যে কাফির একে বিশ্বাস করে না এবং সে স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়ে হারাম কাজের অনুসরণ করে নিজকে ধ্বংস করে দেয় সে যেন আপনাকে পরকালেরপ্র তি বিশ্বাস স্থাপন করা এবংনেক আমলেরমাধ্যমে তারজন্য প্রতুস্তি গ্রহণ করা থেকে ফিরিয়ে না রাখে। وماتلك بيمينك يموس
وَمَا تِلْكَ بِيَمِينِكَ يَـٰمُوسَىٰ ﴿١٧﴾
হে মূ সা! তোমারডান হাতেরএটি কী? قال هى عصاى أتوك ؤاعليها وأهش بها عل غنمى ولى فيها مٔارب أخر
قَالَ هِىَ عَصَاىَ أَتَوَكَّؤُا۟ عَلَيْهَا وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِى وَلِىَ فِيهَا مَـَٔارِبُ أُخْرَىٰ ﴿١٨﴾
মূ সা (আলাইহিস-সালাম) বললেন: এটি আমার লাঠি । চলার সময় আমি তার উপর ভর দেই। আর আমি এটি কে দিয়ে গাছকে ঝাড়া দেই। যাতে তার পাতাগুলো আমার চাগলের জন্য ঝরে পড়ে । এ ছাড়াও তাতে আমার অনেক ফায়ে দা রয়ে ছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর قال ألقها يموس
قَالَ أَلْقِهَا يَـٰمُوسَىٰ ﴿١٩﴾
আল্লাহ তা‘আলাবলেন:হে মূ সা! আপনি এটি কে নিক্ষেপ করুন। فألقىها فإذا هى حية تسعى
فَأَلْقَىٰهَا فَإِذَا هِىَ حَيَّةٌۭ تَسْعَىٰ ﴿٢٠﴾
মূ সা(আলাইহিস-সালাম) লাঠি টি কে নিক্ষেপ করলে তাসাপে রূপান্ত রিত হয় । যাদ্র æত ও ক্ষিপ্র বেগে চলতে থাকে।
قَالَ خُذْهَا وَلَا تَخَفْ ۖ سَنُعِيدُهَا سِيرَتَهَا ٱلْأُولَىٰ ﴿٢١﴾
আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আলাইহিস-সালাম) কে বললেন: আপনি লাঠি ধরুন। তা সাপে রূপান্ত রিত হওয়াতে আপনি একটুও ভয় পাবেন না। আপনি তাকে ধরলেই আমি অচিরেই তাকে প্রথম অবস্থায় ফিরিয়ে দেবো।
وَٱضْمُمْ يَدَكَ إِلَىٰ جَنَاحِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ ءَايَةً أُخْرَىٰ ﴿٢٢﴾
আর আপনি নিজের হাতকে আপনার পার্শ্ব দেশের সাথে মিলান। দেখবেন তা কোন শ্বেত রোগ ছাড়াই সাদা হয়ে বেরিয়ে আসবে। যা আপনার জন্য দ্বি তীয় আলামত।
لِنُرِيَكَ مِنْ ءَايَـٰتِنَا ٱلْكُبْرَى ﴿٢٣﴾
হে মূসা! আমি আপনাকে এ দু’টি আলামত দেখালাম। যাতে আমি আপনাকে আমারকু দরত এবংআপনি যে আল্লাহরপক্ষ থেকে একজন রাসূল তা বুঝায় এমন কিছু মহান নিদর্শনাবলীদেখাতে পারি।
ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ﴿٢٤﴾
হে মূ সা! আপনি ফির‘আউনেরনিকট যান। কারণ, সে আল্লাহর সাথে কু ফরিও গাদ্দারিকরারব্যাপারেসীমাতিক্র ম করেছে।
قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى ﴿٢٥﴾
মূ সা(আলাইহিস-সালাম) বললেন:হে আমারপ্র তিপালক! আপনি আমারঅন্ত রকে প্রশস্ত করুন। যাতে আমি কষ্ট সইতে পারি।
وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى ﴿٢٦﴾
আর আমার ব্যাপারটি কে সহজ করে দিন।
وَٱحْلُلْ عُقْدَةًۭ مِّن لِّسَانِى ﴿٢٧﴾
আর আমাকে সুস্পষ্ট কথা বলার শক্তি দিন। يفقهوا قولى
يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى ﴿٢٨﴾
যাতে আমি যখন আপনাররিসালাত তাদেরনিকট পৌঁছিয়ে দেবোতখন তারাযেন আমারকথাবুঝতে পারে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَٱجْعَل لِّى وَزِيرًۭا مِّنْ أَهْلِى ﴿٢٩﴾
উপরন্তু আপনি আমারপরিবারবর্গ থেকে আমারএকজন সহযোগীবানিয়ে দিন যে আমারবিষয়াবলীতে আমাকে সহযোগিতাকরবে। هرون أ خى
هَـٰرُونَ أَخِى ﴿٣٠﴾
তথাআমারভাই হারূন ইবনু ইমরানকে।
ٱشْدُدْ بِهِۦٓ أَزْرِى ﴿٣١﴾
আপনি তারই মাধ্যমে আমার পিঠকে শক্তি শালী করুন।
وَأَشْرِكْهُ فِىٓ أَمْرِى ﴿٣٢﴾
আর আপনি তাকে রিসালাতের ক্ষেত্রে আমার অংশীদার বানিয়ে দিন। كى نسبحك كثيرا
كَىْ نُسَبِّحَكَ كَثِيرًۭا ﴿٣٣﴾
যাতে আমরা আপনার বেশি বেশি পবিত্রতা বর্ণনা করতে পারি। ونذكرك كثيرا
وَنَذْكُرَكَ كَثِيرًا ﴿٣٤﴾
আরআপনাকে বেশি বেশি স্মরণ করতে পারি। إنك كنت بنا بصيرا
إِنَّكَ كُنتَ بِنَا بَصِيرًۭا ﴿٣٥﴾
নিশ্চয় ই আপনি আমাদেরকে দেখছেন। আমাদেরকোন ব্যাপারই আপনারনিকট গোপন নয় । قال قد أوتيت سؤلك يموس
قَالَ قَدْ أُوتِيتَ سُؤْلَكَ يَـٰمُوسَىٰ ﴿٣٦﴾
আল্লাহ তা‘আলাবলেন:হে মূ সা! তু মি যাচেয়ে ছোআমি তোমাকে তাই দিয়ে ছি।
وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَيْكَ مَرَّةً أُخْرَىٰٓ ﴿٣٧﴾
আমি তোমাকে দ্বি তীয় বারআরোনিয়ামত দিয়ে ছি।
إِذْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ أُمِّكَ مَا يُوحَىٰٓ ﴿٣٨﴾
যখন আমি আপনার মাকে যা ইলহাম করা দরকার তা ইলহাম করেছি। যার মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে ফিরআউনের ষড় যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর و و
أَنِ ٱقْذِفِيهِ فِى ٱلتَّابُوتِ فَٱقْذِفِيهِ فِى ٱلْيَمِّ فَلْيُلْقِهِ ٱلْيَمُّ بِٱلسَّاحِلِ يَأْخُذْهُ عَدُوٌّۭ لِّى وَعَدُوٌّۭ لَّهُۥ ۚ وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةًۭ مِّنِّى وَلِتُصْنَعَ عَلَىٰ عَيْنِىٓ ﴿٣٩﴾
ى যখন আমি তাঁকে ইলহাম করেছি তখন আমি তাঁকে এ মর্মে আদেশ করেছি যে, আপনি তাকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সিন্দুকে নিক্ষেপ করে সিন্দুকটি কে সাগরে ভাসিয়ে দিন। অতঃপর সাগর অচিরেই তাকে আমার আদেশে পাড়ে নিক্ষেপ করবে। পরিশেষে আমার ও তার শত্রæ ফিরআউন তাকে উঠি য়ে নিবে। বস্তু তঃ আমি তোমার উপর আমার পক্ষ থেকে ভালোবাসা ঢেলে দিয়ে ছি। ফলে মানুষ তোমাকে ভালোবেসেছে। যাতে তু মি আমার চোখের সামনে ও আমার হিফাযতে এবং আমার তত্ত¡াবধানে লালিত-পালিত হও।
إِذْ تَمْشِىٓ أُخْتُكَ فَتَقُولُ هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ مَن يَكْفُلُهُۥ ۖ فَرَجَعْنَـٰكَ إِلَىٰٓ أُمِّكَ كَىْ تَقَرَّ عَيْنُهَا وَلَا تَحْزَنَ ۚ وَقَتَلْتَ نَفْسًۭا فَنَجَّيْنَـٰكَ مِنَ ٱلْغَمِّ وَفَتَنَّـٰكَ فُتُونًۭا ۚ فَلَبِثْتَ سِنِينَ فِىٓ أَهْلِ مَدْيَنَ ثُمَّ جِئْتَ عَلَىٰ قَدَرٍۢ يَـٰمُوسَىٰ ﴿٤٠﴾
ى ى যখন আপনার বোন ঘর থেকে বের হয়ে চলতে শুরু করলো। যে দিকেই সিন্দুকটি ভেসে যায় সে দিকেই সে তার অনুসরণ করে। অতঃপর যারা আপনাকে উঠি য়ে নিয়ে ছে তাদেরকে সে বললো: আমি কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দেবো যে তাকে হিফাযত করবে, দুধ খাওয়াবে ও প্রতিপালন করবে? আমি আপনাকে আপনার মায়ে র নিকট ফিরিয়ে দিয়ে আপনার উপর দয়া করেছি। যাতে তিনি আপনার ফিরে আসায় খুশি হন এবং আপনার জন্য চিন্তি ত না হন। আপনি ঘুষি মেরে সেই ক্বি বতীকে হত্যা করেছেন। অতঃপর আমি আপনাকে শাস্তি থেকে রক্ষা করে আপনার উপর দয়া করলাম। আর আমি আপনাকে একের পর এক সে সকল পরীক্ষা থেকে রক্ষা করলাম যেগুলোর সম্মুখীন আপনি হয়ে ছেন। অতঃপর আপনি নিজ দেশ থেকে বেরহয়ে মাদয়ানবাসীদেরনিকট কয়ে কটি বছরঅবস্থান করেছেন। এরপরহে মূসা! আপনি এমন সময়ে এসে গেলেন যে সময় আপনার সাথে কথা বলার জন্য নির্ধারণ করা হয়ে ছে।
وَٱصْطَنَعْتُكَ لِنَفْسِى ﴿٤١﴾
আর আমি আপনাকে আমার পক্ষ থেকে রাসূল হওয়ার জন্য বাছাই করেছি। আমি আপনার নিকট যা ওহী করবো তা আপনি লোকদের নিকট পৌঁছিয়ে দিবেন।
ٱذْهَبْ أَنتَ وَأَخُوكَ بِـَٔايَـٰتِى وَلَا تَنِيَا فِى ذِكْرِى ﴿٤٢﴾
হে মূসা! আপনি ও আপনার ভাই হারূন আল্লাহর ক্ষমতা ও একত্ব বাদ বুঝায় এমন সকল আয়াত নিয়ে রওয়ানা হোন। আর আমার দিকে দা’ওয়াত দিতে ও আমাকে স্মরণ করতে আপনারা দুর্বল হবেন না।
ٱذْهَبَآ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ﴿٤٣﴾
আপনারা ফিরআউনের নিকট যান। কারণ, সে আল্লাহর সাথে কু ফরি ও গাদ্দারি করার ব্যাপারে সীমাতিক্র ম করেছে। فقولا له قولا لينا لعله يتذكرأو يخش
فَقُولَا لَهُۥ قَوْلًۭا لَّيِّنًۭا لَّعَلَّهُۥ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَىٰ ﴿٤٤﴾
আপনারা তার সাথে ন¤্র কথা বলুন। যার মাঝে কোন কঠোরতা নেই। যাতে সে উপদেশ গ্রহণ ও আল্লাহকে ভয় করে তাঁর নিকট তাওবা করতে পারে।
قَالَا رَبَّنَآ إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَآ أَوْ أَن يَطْغَىٰ ﴿٤٥﴾
মূসা ও হারূন (আলাইহিমাস-সালাম) বললেন: আমরা এ ব্যাপারে ভয় পাচ্ছি যে, তাকে পরিপূর্ণরূপে দা’ওয়াত দেয়ার আগেই সে আমাদেরকে দ্র æত শাস্তি দিবে অথবা হত্যা ইত্যাদির মাধ্যমে আমাদের উপর যুলুম করতে গিয়ে সে সীমাতিক্র ম করবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ لَا تَخَافَآ ۖ إِنَّنِى مَعَكُمَآ أَسْمَعُ وَأَرَىٰ ﴿٤٦﴾
আল্লাহ তা‘আলাতাঁদেরকে বললেন:আপনারাভয় পাবেন না। নিশ্চয় ই আমি সাহায্যও সহযোগিতানিয়ে আপনাদেরসাথেই রয়ে ছি। আপনাদেরও তার মাঝে যা কিছু ঘটবে আমি তা সবই দেখাশুনা করবো।
فَأْتِيَاهُ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرْسِلْ مَعَنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَا تُعَذِّبْهُمْ ۖ قَدْ جِئْنَـٰكَ بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ ۖ وَٱلسَّلَـٰمُ عَلَىٰ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلْهُدَىٰٓ ﴿٤٧﴾
অতঃপরতাঁরা উভয়ে ই তারনিকট এসে তাকে বললেন: হে ফিরআউন! নিশ্চয় ই আমরা উভয় ই তোমারপ্র তিপালকেররাসূল। তাই তু মি আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে পাঠি য়ে দাও। তাদের ছেলেদেরকে হত্যা করে এবং মেয়ে দেরকে বাঁচিয়ে রেখে তাদেরকে আর শাস্তি দিয়ো না। আমরা তোমার নিকট আমাদেরসত্যতারব্যাপারেতোমারপ্র তিপালকেরপক্ষ থেকে প্রমাণ নিয়ে এসেছি। যে ব্যক্তি ঈমান এনে আল্লাহরহিদায়ে তেরঅনুসরণ করবে তার জন্য রয়ে ছে আল্লাহর শাস্তি থেকে নিরাপত্তা।
إِنَّا قَدْ أُوحِىَ إِلَيْنَآ أَنَّ ٱلْعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ ﴿٤٨﴾
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের নিকট এ মর্মে ওহী পাঠি য়ে ছেন যে, নিশ্চয় ই দুনিয়া ও আখিরাতের শাস্তি ওর জন্য, যে আল্লাহর আয়াতসমূহের প্রতি মিথ্যারোপ করে এবং রাসূলগণ যা নিয়ে এসেছেন তা থেকে মু খ ফিরিয়ে নেয় । قال فمن ر بكما يموس
قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَـٰمُوسَىٰ ﴿٤٩﴾
ফিরআউন তাঁদের আনীত বিধানকে অস্বীকার করে বললো: হে মূসা! তোমাদের সেই প্রতিপালক কে যে তোমাদেরকে আমার নিকট পাঠি য়ে ছেন বলে তোমরা ধারণা করছো?
قَالَ رَبُّنَا ٱلَّذِىٓ أَعْطَىٰ كُلَّ شَىْءٍ خَلْقَهُۥ ثُمَّ هَدَىٰ ﴿٥٠﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) বললেন: আমাদের প্রতিপালক তিনি যিনি প্রত্যেক বস্তু কে তার জন্য উপযুক্ত আকৃ তি ও অবয় ব দিয়ে ছেন। অতঃপর তিনি সকল সৃষ্টি কে তার সৃষ্টি র উদ্দেশ্যের পথ দেখিয়ে ছেন।
قَالَ فَمَا بَالُ ٱلْقُرُونِ ٱلْأُولَىٰ ﴿٥١﴾
ফিরআউন বললো: তাহলে পূর্বের জাতিগুলোর কী অবস্থা হবে যারা কু ফরির উপর প্রতিষ্ঠি ত ছিলো?
قَالَ عِلْمُهَا عِندَ رَبِّى فِى كِتَـٰبٍۢ ۖ لَّا يَضِلُّ رَبِّى وَلَا يَنسَى ﴿٥٢﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) ফিরআউনকে বললেন: সে জাতিগুলোর সার্বিক অবস্থা ও পরিস্থি তির জ্ঞান আমার প্রতিপালকের নিকট রয়ে ছে। যা লাওহে মাহফ‚যে লিপিবদ্ধ। আমার প্রতিপালক সেগুলো জানতে কোন ভু ল করেন না এবংযা জানেন তাও ভু লেন না।
ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ مَهْدًۭا وَسَلَكَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًۭا وَأَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۭ فَأَخْرَجْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّن نَّبَاتٍۢ شَتَّىٰ ﴿٥٣﴾
شت ى আমার সেই প্রতিপালকের নিকট যিনি তোমাদের জীবন যাপনের জন্য জমিনকে বিছিয়ে দিয়ে ছেন। আর তোমাদের চলার উপযুক্ত কিছু পথও সেখানে তৈরিকরেছেন। উপরন্তু আকাশ থেকে বৃষ্টি রপানি নাযিল করেছেন। অতঃপরআমি সে পানি দিয়ে বিভিন্ন প্রকারেরউদ্ভিদ জন্ম দিয়ে ছি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
كُلُوا۟ وَٱرْعَوْا۟ أَنْعَـٰمَكُمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ ﴿٥٤﴾
হে মানু ষ! আমি তোমাদের জন্য যে পবিত্র রিযিকের ব্যবস্থা করেছি তা থেকে তোমরা খাও এবং তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোকে সেখানে চরাও। এ উল্লি খিত নিয়ামতগুলোতে বুদ্ধিমানদের জন্য আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও তাঁর এককত্বে র বিশেষ প্রমাণ রয়ে ছে।
۞ مِنْهَا خَلَقْنَـٰكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَىٰ ﴿٥٥﴾
জমিনের মাটি থেকে আমি তোমাদের পিতা আদম (আলাইহিস-সালাম) কে সৃষ্টি করেছি এবং তোমরা মারা গেলে সেখানেই দাফনের মাধ্যমে তোমাদেরকে ফিরিয়ে দেবো। উপরন্তু কিয়ামতের দিন পুনরুত্থানের জন্য দ্বি তীয় বার তোমাদেরকে সেখান থেকেই বের করে আনবো। ولقد أرينهءايتنا كلها فكذب وأبى
وَلَقَدْ أَرَيْنَـٰهُ ءَايَـٰتِنَا كُلَّهَا فَكَذَّبَ وَأَبَىٰ ﴿٥٦﴾
আমি নিশ্চয় ই ফিরআউনেরজন্য সম্পূর্ণরূপে আমারনয় টি নিদর্শন প্রকাশ করেছি। সে তা দেখেও সেগুলোরপ্র তি মিথ্যারোপ করেছে। উপরন্তু সে আল্লাহরপ্র তি ঈমান আনতে অস্বীকৃ তি জানিয়ে ছে। قال أجئتنا لتخرجنا من أرضنا بسحرك يموس
قَالَ أَجِئْتَنَا لِتُخْرِجَنَا مِنْ أَرْضِنَا بِسِحْرِكَ يَـٰمُوسَىٰ ﴿٥٧﴾
ফিরআউন বললো: হে মূসা! তু মি কি তোমার নিয়ে আসা যাদুর মাধ্যমে আমাদেরকে মিশর থেকে বের করে দিতে এসেছো? যাতে মিশরের ক্ষমতা তোমারহাতে চলে যায় ।
فَلَنَأْتِيَنَّكَ بِسِحْرٍۢ مِّثْلِهِۦ فَٱجْعَلْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ مَوْعِدًۭا لَّا نُخْلِفُهُۥ نَحْنُ وَلَآ أَنتَ مَكَانًۭا سُوًۭى ﴿٥٨﴾
হে মূসা! তাহলে আমি অবশ্যই তোমারনিকট তোমারযাদুরন্যায় যাদু নিয়ে আসবো। অতএব,তু মি আমাদেরও তোমারমাঝে একটি নির্দিষ্ট সময় ও স্থান ঠি ক করো। যাথেকে তু মি ওআমরাকখনোই পিছপাহবোনা। তবেজায় গাটি উভয় দলেরমধ্যবর্তী ভারসাম্যপূর্ণ জায় গাহওয়াচাই।
قَالَ مَوْعِدُكُمْ يَوْمُ ٱلزِّينَةِ وَأَن يُحْشَرَ ٱلنَّاسُ ضُحًۭى ﴿٥٩﴾
তখন মূসা (আলাইহিস-সালাম) ফিরআউনকে বললেন: আমাদের ও তোমাদের মধ্যকার নির্দিষ্ট সময় হলো ঈদের দিন। যখন মানুষ তাদের ঈদ উদযাপনের জন্য দুপুরের আগেই একত্রিত হবে। فتولى فرعون فجمع كيده ثم أتى
فَتَوَلَّىٰ فِرْعَوْنُ فَجَمَعَ كَيْدَهُۥ ثُمَّ أَتَىٰ ﴿٦٠﴾
ফিরআউন তখন ফিরেগেলো এবংতারসকল কৌশল ও ষড় যন্ত্র একত্রিত করেসে নির্দিষ্ট জায় গা ও সময়ে প্রতিযোগিতারজন্য উপস্থি ত হলো।
قَالَ لَهُم مُّوسَىٰ وَيْلَكُمْ لَا تَفْتَرُوا۟ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا فَيُسْحِتَكُم بِعَذَابٍۢ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنِ ٱفْتَرَىٰ ﴿٦١﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) ফিরআউনের যাদুকরদেরকে নসীহত করে বললেন: তোমরা সতর্ক থাকো। যাদুর মাধ্যমে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে কখনো আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা রচনা করো না। নতু বা তিনি তাঁর আযাবের মাধ্যমে তোমাদের মূ লোৎপাটন করবেন। বস্তু তঃ যারা আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা রচনা করেছে তারানিশ্চয় ই ক্ষতিগ্র তস্।
فَتَنَـٰزَعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَىٰ ﴿٦٢﴾
মূ সা (আলাইহিস-সালাম) এর কথা শুনে যাদুকররা পরস্পর বাদানু বাদ এবং নিজেদের মাঝে গোপন সলা-পরামর্শ করলো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَٰنِ لَسَـٰحِرَٰنِ يُرِيدَانِ أَن يُخْرِجَاكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِمَا وَيَذْهَبَا بِطَرِيقَتِكُمُ ٱلْمُثْلَىٰ ﴿٦٣﴾
তাদের কিছু যাদুকর অন্য যাদুকরকে গোপনে বললো: নিশ্চয় ই মূ সা ও হারূন যাদুকর। তারা নিজেদের আনা যাদুর মাধ্যমে তোমাদেরকে মিশর থেকে বেরকরেদিতে চায় । উপরন্তু তারাতোমাদেরউৎকৃ ষ্টজীবনাদর্শ এবংউন্নতف কর্ম পদ্ধতি মু ছে ফেলতে চায় ।
فَأَجْمِعُوا۟ كَيْدَكُمْ ثُمَّ ٱئْتُوا۟ صَفًّۭا ۚ وَقَدْ أَفْلَحَ ٱلْيَوْمَ مَنِ ٱسْتَعْلَىٰ ﴿٦٤﴾
সুতরাং তোমরা নিজেদের কলা-কৌশলকে দৃঢ় করো এবং তাতে কোন ধরনের দ্ব ›দ্বকরো না। উপরন্তু তোমরা সারিবদ্ধভাবে অগ্র সর হও। আর তোমরা নিজেদেরসবকিছু একই সাথে নিক্ষেপ করো। বস্তু তঃযে আজ নিজ প্রতিদ্ব ›দ্বীরউপরজয় লাভ করবেসেই উদ্দেশ্যহাসিলে সফল হবে।
قَالُوا۟ يَـٰمُوسَىٰٓ إِمَّآ أَن تُلْقِىَ وَإِمَّآ أَن نَّكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَلْقَىٰ ﴿٦٥﴾
যাদুকররা মূ সা (আলাইহিস-সালাম) কে বললো: হে মূ সা! আপনি দু’টি র একটি চয় ন করুন: আপনি কি নিজের কাছে থাকা যাদুটি নিক্ষেপ করে প্রথমেই প্রতিযোগিতা শুরু করবেন, না আমরা শুরু করবো।
قَالَ بَلْ أَلْقُوا۟ ۖ فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ ﴿٦٦﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) বললেন: বরং তোমরা নিজেদের কাছে যা আছে তা প্রথমেই নিক্ষেপ করো। তখন তারা নিজেদের কাছে থাকা সব কিছু ই নিক্ষেপ করলো। ফলে তাদের যাদুর বলে মূ সা (আলাইহিস-সালাম) এর নিকট মনে হচ্ছিলো তাদের নিক্ষেপিত লাঠি ও রশিগুলো অনেকগুলো মহা সর্প, যেগুলো দ্র æত নড়াচড়া করছে। فأوجس فى نفسه خيفة م وس
فَأَوْجَسَ فِى نَفْسِهِۦ خِيفَةًۭ مُّوسَىٰ ﴿٦٧﴾
তখন মূ সা (আলাইহিস-সালাম) তাদের কর্মকাÐ দেখে নিজের মনের মাঝে ভয় লুকিয়ে রাখলেন।
قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْأَعْلَىٰ ﴿٦٨﴾
আল্লাহ তা‘আলামূসা(আলাইহিস-সালাম) কে সান্ত ¦নাদিয়ে বললেন:তু মি নিজ ধারণাবশত ভয় পেয়োনা। হে মূসা! আপনি নিশ্চয় ই বিজয়ীও ক্ষমতা প্রদর্শনে সবারউপরে।
وَأَلْقِ مَا فِى يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوٓا۟ ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا۟ كَيْدُ سَـٰحِرٍۢ ۖ وَلَا يُفْلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ ﴿٦٩﴾
তু মি নিজের ডান হাতের লাঠি টি ফেলে দাও। ফলে সে সাপে রূপান্ত রিত হয়ে তাদের যাদুকর্মগুলোকে গিলে খাবে। তারা যা করেছে তা কেবল যাদুগত ষড় যন্ত্র । আরযাদুকরযেখানেই থাকু ক নাকেন সে কখনোই উদ্দেশ্যেসফল হতে পারেনা।
فَأُلْقِىَ ٱلسَّحَرَةُ سُجَّدًۭا قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِرَبِّ هَـٰرُونَ وَمُوسَىٰ ﴿٧٠﴾
অতঃপর মূসা (আলাইহিস-সালাম) তাঁর লাঠি টি ফেলে দিলে তা সাপে রূপান্ত রিত হয়ে যাদুকরদের বানানো সাপগুলো গিলে ফেলে। ফলে যাদুকররা আল্লাহরজন্য সাজদায় পড়ে যায় । কারণ, তারা জানতে পারেযে, নিশ্চয় ই মূসা (আলাইহিস-সালাম) এরনিকট যা রয়ে ছে তা কিন্তু যাদু নয় । বরংতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত । তারা বললো: আমরা মূসা ও হারূন (আলাইহিমাস-সালাম) এর প্রতিপালকের উপর ঈমান এনেছি। যিনি সকল সৃষ্টি রইপ্র তিপালক। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ ءَامَنتُمْ لَهُۥ قَبْلَ أَنْ ءَاذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِى عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحْرَ ۖ فَلَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَـٰفٍۢ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ فِى جُذُوعِ ٱلنَّخْلِ وَلَتَعْلَمُنَّ أَيُّنَآ أَشَدُّ عَذَابًۭا وَأَبْقَىٰ ﴿٧١﴾
ى ফিরআউন যাদুকরদের ঈমানকে অস্বীকার করে বরং তাদেরকে হুমকি দিয়ে বললো: আমার অনুমতির পূর্বেই কি তোমরা মূসার উপর ঈমান এনে ফেলেছো?! হে যাদুকররা! নিশ্চয় ই মূসাতোমাদেরই প্রধান যে তোমাদেরকে যাদু শিক্ষাদিয়ে ছে। তাই আমি তোমাদেরসকলেরবিপরীত দিক থেকে হাত-পা কেটে ফেলবো। আর তোমাদের শরীরগুলোকে খেজুর গাছের ডালে মৃত্যু পর্যতন্ শূলে চড়ি য়ে রাখবো। যাতে তোমরা অন্যের জন্য শিক্ষণীয় হও। উপরন্তু তোমরা তখন নিশ্চিতভাবে জানতে পারবে যে, আমাদের মধ্যকার কে বেশি শক্তিশালী ও স্থায়ী শাস্তি দাতা: আমি, না কি মূসার প্রতিপালক?!
قَالُوا۟ لَن نُّؤْثِرَكَ عَلَىٰ مَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْبَيِّنَـٰتِ وَٱلَّذِى فَطَرَنَا ۖ فَٱقْضِ مَآ أَنتَ قَاضٍ ۖ إِنَّمَا تَقْضِى هَـٰذِهِ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَآ ﴿٧٢﴾
যাদুকররা ফিরআউনকে বললো: হে ফিরআউন! আমরা কখনোই আমাদের নিকট আসা সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলীর অনু সরণের উপর তোমার অনু সরণকে প্রাধান্য দেবো না। না আমরা কখনো আমাদের ¯্রষ্টা আল্লাহর উপর তোমাকে প্রাধান্য দেবো। সুতরাং তু মি যা করতে চাও তাই করো। এ নশ্বর জীবনেই কেবল আমাদেরউপরতোমারকর্তৃ ত্বচলবেএবংঅচিরেই তোমারসে কর্তৃ ত্বশেষ হয়ে যাবে।
إِنَّآ ءَامَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغْفِرَ لَنَا خَطَـٰيَـٰنَا وَمَآ أَكْرَهْتَنَا عَلَيْهِ مِنَ ٱلسِّحْرِ ۗ وَٱللَّهُ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰٓ ﴿٧٣﴾
আমরা নিজেদের প্রতিপালকের উপর ঈমান এনেছি এ আশায় যে, তিনি যেন আমাদের পূর্বেকার কু ফরি জাতীয় গুনাহগুলো মু ছে দেন এবং সে যাদুর গুনাহও যা শিখতে, চর্চা করতে ও তা কর্তৃ ক মূসা (আলাইহিস-সালাম) এর সাথে প্রতিযোগিতা করতে তু মি আমাদেরকে বাধ্য করেছো। বস্তু তঃ আল্লাহ তা‘আলাতোমারওয়াদাকৃ ত বস্তু রচেয়ে ও সর্বোত্তম প্রতিদান দানকারীএবংতিনি তোমারহুমকি দেয়াশাস্তি রচেয়ে ও বেশি কঠি ন ও স্থায়ীশাস্তি দাতা। إنه من يأت ربه مجرما فإن له جهنملا يموت فيها ولا يحي
إِنَّهُۥ مَن يَأْتِ رَبَّهُۥ مُجْرِمًۭا فَإِنَّ لَهُۥ جَهَنَّمَ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ ﴿٧٤﴾
নিশ্চয় ই বাস্ত ব ব্যাপার হলো এই যে, যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে কু ফরি করে কিয়ামতের দিবসে তাঁর নিকট আসবে তার জন্যই রয়ে ছে জাহান্নামেরআগুন। যাতে সে প্রবেশ করবেএবংসে চিরকাল সেখানে অবস্থান করবে। সেখানে তারকোন মৃ ত্যুহবেনা। যারফলে সে তথাকারশাস্তি থেকে একটু হলেও শান্তি পেতে পারে। এমনিভাবেসে সেখানে পবিত্র সুখময় জীবন যাপনেরও কোন সুযোগ পাবেনা।
وَمَن يَأْتِهِۦ مُؤْمِنًۭا قَدْ عَمِلَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمُ ٱلدَّرَجَـٰتُ ٱلْعُلَىٰ ﴿٧٥﴾
আর যারা তাদের প্রতিপালকের উপর ঈমান ও নেক আমল করে কিয়ামতের দিন তাঁর নিকট উপস্থি ত হবে সে দিন এ মহান বৈশিষ্ট্যাবলীর অধিকারীদের জন্য রয়ে ছে সুউচ্চ মর্যাদা ও মহা সম্মানজনক স্থান।
جَنَّـٰتُ عَدْنٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ جَزَآءُ مَن تَزَكَّىٰ ﴿٧٦﴾
সে মহা সম্মানজনক স্থান হলো স্থায়ী জান্নাত। যেগুলোর অট্টালিকাসমূ হের নিচ দিয়ে অনেকগুলো নদী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এ উল্লি খিত প্রতিদান এমন সবলোকেরপ্র তিদান, যারা কু ফরিও গুনাহ থেকে পবিত্র রয়ে ছে।
وَلَقَدْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰٓ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِى فَٱضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًۭا فِى ٱلْبَحْرِ يَبَسًۭا لَّا تَخَـٰفُ دَرَكًۭا وَلَا تَخْشَىٰ ﴿٧٧﴾
নিশ্চয় ই আমি মূসা(আলাইহিস-সালাম) এরনিকট এ মর্মে ওহীপাঠি য়ে ছি যে,তু মি আমারবান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রি বেলায় মিশরথেকে বেরিয়ে যাও। যাতে তোমাদের ব্যাপারে কেউই টের না পায় এবং তাদের জন্য লাঠি র আঘাতে সাগরের মাঝে একটি শুকনো নিরাপদ পথ বানিয়ে নাও। ফিরআউন ও তার সাথীরা তোমাকে ধরে ফেলবে এমন ভয় পেয়ো না। আবার সাগরে ডু বে যাওয়ারও আশঙ্কা করো না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَأَتْبَعَهُمْ فِرْعَوْنُ بِجُنُودِهِۦ فَغَشِيَهُم مِّنَ ٱلْيَمِّ مَا غَشِيَهُمْ ﴿٧٨﴾
অতঃপর ফিরআউন তার সেনাবাহিনীকে সাথে নিয়ে তাদের অনুসরণ করলো। ফলে তাকে ও তার সেনাবাহিনীকে সাগরের এমন কিছু ঢেকে নিলো যার মূ ল রহস্য আল্লাহ ছাড়া আর কেউই জানে না। এতে করে তারা সবাই ডু বে ও ধ্বংস হয়ে গেলো। আর মূ সা ও তাঁর সাথীরা নাজাত পেলো। وأضل فرعون قومه وما هد
وَأَضَلَّ فِرْعَوْنُ قَوْمَهُۥ وَمَا هَدَىٰ ﴿٧٩﴾
ফিরআউন কুফরিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে তার জাতিকে পথভ্র ষ্টও বাতিলের ধোঁকায় ফেললো। তাদেরকে সে কখনো হিদায়েতের পথ দেখায় নি।
يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ قَدْ أَنجَيْنَـٰكُم مِّنْ عَدُوِّكُمْ وَوَٰعَدْنَـٰكُمْ جَانِبَ ٱلطُّورِ ٱلْأَيْمَنَ وَنَزَّلْنَا عَلَيْكُمُ ٱلْمَنَّ وَٱلسَّلْوَىٰ ﴿٨٠﴾
আমি বনী ইসরাঈলকে ফিরআউন ও তার সেনাবাহিনীর হাত থেকে মু ক্তি দেয়ার পর তাদেরকে বললাম: হে বনী ইসরাঈল! নিশ্চয় ই আমি তোমাদেরকে শত্রæর হাত থেকে রক্ষা করেছি। আর আমি তোমাদের সাথে এ মর্মে ওয়াদা করেছি যে, আমি তূ র পাহাড়ে র পাশে অবস্থি ত উপত্যকাটি র ডান দিক থেকে মূসার সাথে কথা বলবো। উপরন্তু আমি তোমাদের উপর তীহ ময় দানে আমার নিয়ামতসমূহ তথা মধুর ন্যায় সুমিষ্ট পানীয় এবং সুম্মানী তথা কোয়ে ল পাখির ন্যায় মজাদার গোস্তে র ছোট পাখি নাযিল করেছি।
كُلُوا۟ مِن طَيِّبَـٰتِ مَا رَزَقْنَـٰكُمْ وَلَا تَطْغَوْا۟ فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِى ۖ وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِى فَقَدْ هَوَىٰ ﴿٨١﴾
তোমরা আমার দেয়া রিযিক মজাদার হালাল খাদ্যগুলো খাও। আর তোমরা হালালকে অতিক্র ম করে হারামের দিতে ধাবিত হয়ো না। ফলে তোমাদের উপর আমার অসন্তোষ নাযিল হবে। আর যার উপর আমার অসন্তোষ নাযিল হবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সত্যিই দুর্ভাগা এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ।
وَإِنِّى لَغَفَّارٌۭ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا ثُمَّ ٱهْتَدَىٰ ﴿٨٢﴾
নিশ্চয় ই যে আমার নিকট ফিরে আসবে এবং ঈমান এনে নেক আমল করবে অতঃপর সত্যের উপর অটল থাকবে আমি তার প্রতি অতি ক্ষমাশীল ও প্রচু রমার্জ নাকারী।
۞ وَمَآ أَعْجَلَكَ عَن قَوْمِكَ يَـٰمُوسَىٰ ﴿٨٣﴾
হে মূ সা! কীজিনিস তোমাকে এমন বানিয়ে ছে যে,তু মি নিজ সম্প্র দায় কে পেছনে ফেলে রেখেদ্র æত তাদেরসামনে অগ্র সরহচ্ছো?
قَالَ هُمْ أُو۟لَآءِ عَلَىٰٓ أَثَرِى وَعَجِلْتُ إِلَيْكَ رَبِّ لِتَرْضَىٰ ﴿٨٤﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) বললেন: তারা তো আমার পেছনেই আছে। অচিরেই তারা আমার সাথে একত্রিত হবে। আমি আপনার নিকট নিজ সম্প্র দায়ে রআগে আসলাম যেন আপনারনিকট দ্র æত আসারদরুন আমারউপরআপনি খুশি হয়ে যান।
قَالَ فَإِنَّا قَدْ فَتَنَّا قَوْمَكَ مِنۢ بَعْدِكَ وَأَضَلَّهُمُ ٱلسَّامِرِىُّ ﴿٨٥﴾
আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমি তোমার পেছনে রেখে আসা সম্প্র দায় কে গো-বাছু র পূজার পরীক্ষায় ফেলেছি। সামিরী তাদেরকে সেটি র পূজার জন্য আহŸান করেতাদেরকেপথভ্র ষ্টকরেছে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
فَرَجَعَ مُوسَىٰٓ إِلَىٰ قَوْمِهِۦ غَضْبَـٰنَ أَسِفًۭا ۚ قَالَ يَـٰقَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا ۚ أَفَطَالَ عَلَيْكُمُ ٱلْعَهْدُ أَمْ أَرَدتُّمْ أَن يَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ فَأَخْلَفْتُم مَّوْعِدِى ﴿٨٦﴾
أن يحل عليكم غضب من ر بكم فأخلفتم موعدى অতঃপর মূ সা (আলাইহিস-সালাম) তার সম্প্র দায়ে র নিকট ফিরে এসে গো-বাছু র পূজার দরুন তাদের উপর রাগান্বি ত ও মর্মাহত হয়ে বললেন: হে আমার সম্প্র দায়! আল্লাহ তা‘আলা কি তোমাদের সাথে এ মর্মে সুন্দর একটি ওয়াদা করেননি যে, তিনি তোমাদের উপর তাওরাত নাযিল করবেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। ওয়াদার সময় টুকু দীর্ঘ হওয়ার দরুন কি তোমরা তা ভুলে গেছো? না কি তোমরা নিজেদের এ কর্মের মাধ্যমে চাচ্ছো যে, তোমাদের উপর তোমাদের প্রতিপালকের অসন্তোষ ও শাস্তি নাযিল হোক। আর এ জন্যই কি তোমরা আমি ফিরে না আসা পর্যতন্ তোমাদের নিকট থেকে আনু গত্যের উপর অটল থাকার যে অঙ্গীকার নেয়া হয়ে ছিলো তার বরখেলাফ করেছো?!
قَالُوا۟ مَآ أَخْلَفْنَا مَوْعِدَكَ بِمَلْكِنَا وَلَـٰكِنَّا حُمِّلْنَآ أَوْزَارًۭا مِّن زِينَةِ ٱلْقَوْمِ فَقَذَفْنَـٰهَا فَكَذَٰلِكَ أَلْقَى ٱلسَّامِرِىُّ ﴿٨٧﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) এর সম্প্র দায় বললো: আমরা ইচ্ছাকৃ ত আপনার ওয়াদার বরখেলাফ করিনি। বরং আমরা তা করতে বাধ্য হয়ে ছি। আমরা ফিরআউনের সম্প্র দায়ে র বোঝা বোঝা অলঙ্কার বহন করে এনে সেগুলো থেকে নিষ্কৃ তি পাওয়ার জন্য সেগুলোকে গর্তে ফেলে দিয়ে ছি। যেভাবে আমরা সেগুলোকে গর্তে ফেলেছি সেভাবে সামিরীও তার সাথে থাকা জিব্রীল (আলাইহিস-সালাম) এর ঘোড়ার খুরের মাটি সেখানে ফেলে দিয়ে ছে।
فَأَخْرَجَ لَهُمْ عِجْلًۭا جَسَدًۭا لَّهُۥ خُوَارٌۭ فَقَالُوا۟ هَـٰذَآ إِلَـٰهُكُمْ وَإِلَـٰهُ مُوسَىٰ فَنَسِىَ ﴿٨٨﴾
অতঃপর সামিরী সে অলঙ্কার থেকে বনী ইসরাঈলের জন্য রূহবিহীন একটি গো-বাছু রের অবয় ব বানিয়ে ছে। যে গাভীর আওয়াজের ন্যায় আওয়াজ করে। তখন সামিরীর কাজে ফিতনায় পড়া লোকজনر বললো: এ হলো তোমাদের ও মূ সার মা’বূদ। সে তাকে ভু লে এখানে ফেলে গিয়ে ছে। أفلا يرون ألا يرجع إليهم قولا ولا يملك لهم ض اولا نفعا
أَفَلَا يَرَوْنَ أَلَّا يَرْجِعُ إِلَيْهِمْ قَوْلًۭا وَلَا يَمْلِكُ لَهُمْ ضَرًّۭا وَلَا نَفْعًۭا ﴿٨٩﴾
যারা গো-বাছু রের ফিতনায় পড়ে তার পূজা করেছে তারা কি দেখে না যে, গো-বাছু রটি তাদের সাথে কথা বলে না ও তাদের কোন কথার উত্তর দেয় না। না সে তাদের বা অন্যদের কোন ক্ষতি দূর করতে সক্ষম, না সে নিজের বা অন্যের কোন উপকার করতে সক্ষম?!
وَلَقَدْ قَالَ لَهُمْ هَـٰرُونُ مِن قَبْلُ يَـٰقَوْمِ إِنَّمَا فُتِنتُم بِهِۦ ۖ وَإِنَّ رَبَّكُمُ ٱلرَّحْمَـٰنُ فَٱتَّبِعُونِى وَأَطِيعُوٓا۟ أَمْرِى ﴿٩٠﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) তাদের নিকট ফিরে আসার আগেই হারূন (আলাইহিস-সালাম) তাদেরকে বললেন: স্বর্ণ দিয়ে গো-বাছুর তৈরি এবং তার আওয়াজ করা তোমাদের জন্য পরীক্ষা মাত্র। যাতে মু’মিন কাফির থেকে সুস্পষ্ট ভাবে পৃথক হয়ে যায় । হে আমার জাতি! তোমাদের প্রতিপালক তো তিনি যিনি রহমতের মালিক। না সে যে তোমাদের কোন লাভ-ক্ষতির মালিক নয় । রহমত দেয়া তো তার জন্য অনেক দূরের কথা। তাই তাঁর একক ইবাদাতে আমার অনু সরণ করো। আর তিনি ছাড়া অন্য যে কারো ইবাদাত পরিত্যাগে আমার আদেশ মান্য করো। قالوالن نبرح عليه عكفين حت يرجع إلينا موس
قَالُوا۟ لَن نَّبْرَحَ عَلَيْهِ عَـٰكِفِينَ حَتَّىٰ يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَىٰ ﴿٩١﴾
গো-বাছু র পূজার ফিতনায় পড়া লোকেরা বললো: আমরা এর পূজা করেই যাবো যতক্ষণ না মূ সা (আলাইহিস-সালাম) আমাদের নিকট ফিরে আসেন।
قَالَ يَـٰهَـٰرُونُ مَا مَنَعَكَ إِذْ رَأَيْتَهُمْ ضَلُّوٓا۟ ﴿٩٢﴾
أَلَّا تَتَّبِعَنِ ۖ أَفَعَصَيْتَ أَمْرِى ﴿٩٣﴾
মূসা (আলাইহিস-সালাম) তাঁর ভাই হারূনকে বললেন: যখন আপনি তাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে গো-বাছু র পূজা করে পথভ্র ষ্টহতে দেখলেন তখন তাদেরকে ছেড়ে আমার কাছে আসতে কে আপনাকে নিষেধ করেছে?! আমি আপনাকে তাদের উপর আমার স্থলাভিষিক্ত বানিয়ে ছি, তাহলে আপনি কি আমার আদেশ অমান্য করলেন?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ يَبْنَؤُمَّ لَا تَأْخُذْ بِلِحْيَتِى وَلَا بِرَأْسِىٓ ۖ إِنِّى خَشِيتُ أَن تَقُولَ فَرَّقْتَ بَيْنَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَمْ تَرْقُبْ قَوْلِى ﴿٩٤﴾
যখন মূসা (আলাইহিস-সালাম) তাঁর ভাই হারূনের কর্মের প্রতি ক্ষোভ দেখিয়ে তাঁর দাঁড়ি ও মাথা ধরে টানলেন তখন হারূন (আলাইহিস-সালাম) তাঁর নিকট দয়া কামনা করে বললেন: আপনি আমার দাঁড়ি ও মাথার চু ল ধরবেন না। কারণ, তাদের সাথে থাকার ব্যাপারে আমার নিকট ওজর রয়ে ছে। আমি আশঙ্কাকরছিলাম যে,যদি আমি তাদেরকে একাছেড়ে দেই তাহলে তারাবিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। তখন আপনি বলতেন:আমি তাদেরমাঝে ফাটল ধরিয়ে ছি। আর আমি তাদের ব্যাপারে আপনার অসিয় ত রক্ষা করিনি। قال فما خطبك يسمرى
قَالَ فَمَا خَطْبُكَ يَـٰسَـٰمِرِىُّ ﴿٩٥﴾
মূ সা (আলাইহিস-সালাম) সামিরীকে বললেন: তোমার কী অবস্থা হে সামিরী! কি জিনিস তোমাকে বাধ্য করলো এমন করতে?
قَالَ بَصُرْتُ بِمَا لَمْ يَبْصُرُوا۟ بِهِۦ فَقَبَضْتُ قَبْضَةًۭ مِّنْ أَثَرِ ٱلرَّسُولِ فَنَبَذْتُهَا وَكَذَٰلِكَ سَوَّلَتْ لِى نَفْسِى ﴿٩٦﴾
সামিরী মূসা (আলাইহিস-সালাম) কে বললো: আমি যা দেখেছি তা তারা দেখেনি। আমি জিব্রীল (আলাইহিস-সালাম) কে ঘোড়ায় চড় তে দেখলে তাঁর ঘোড়ার পায়ে র দাগ থেকে এক মু ষ্টি মাটি নিয়ে রাখি। অতঃপর তা গো-বাছু রের অবয় ব বানিয়ে গলানো স্বর্ণের উপর নিক্ষেপ করলে তা থেকে হাম্বা হাম্বা আওয়াজ করা এক শরীরী গো-বাছু র বেরিয়ে আসলো। এভাবেই আমার মণ আমার জন্য এ কর্মকে সাজিয়ে ছে।
قَالَ فَٱذْهَبْ فَإِنَّ لَكَ فِى ٱلْحَيَوٰةِ أَن تَقُولَ لَا مِسَاسَ ۖ وَإِنَّ لَكَ مَوْعِدًۭا لَّن تُخْلَفَهُۥ ۖ وَٱنظُرْ إِلَىٰٓ إِلَـٰهِكَ ٱلَّذِى ظَلْتَ عَلَيْهِ عَاكِفًۭا ۖ لَّنُحَرِّقَنَّهُۥ ثُمَّ لَنَنسِفَنَّهُۥ فِى ٱلْيَمِّ نَسْفًا ﴿٩٧﴾
মূসা(আলাইহিস-সালাম) সামিরীকে বললেন:তু মি এখান থেকে চলে যাও। তু মি যতোদিন বেঁচে থাকবেততোদিন বলবে:আমি কাউকে স্পর্শ করবো না, আবার অন্য কেউও আমাকে স্পর্শ করবে না। ফলে তু মি পরিত্যক্ত ও পরিত্যাজ্য হয়ে ই জীবন যাপন করবে। আর কিয়ামতের দিন তো তোমার হিসাবও শাস্তি রজন্যনির্ধারিত রয়ে ছেই। আল্লাহ তা‘আলা এই ওয়াদারখিলাফকরবেন না। আরতু মি দেখবে,তু মি যে গো-বাছু রকে মা’বূদ বানিয়ে ছো এবং আল্লাহ ব্যতিরেকে যার ইবাদাতে রত রয়ে ছো তার গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেবো যাতে তা নিঃশেষ হয়ে যায় । অতঃপর তার ছাইগুলোকে সাগরে ছিটি য়ে দেবো। যাতে তারকোন নিশানাই নাথাকে।
إِنَّمَآ إِلَـٰهُكُمُ ٱللَّهُ ٱلَّذِى لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۚ وَسِعَ كُلَّ شَىْءٍ عِلْمًۭا ﴿٩٨﴾
হে মানুষ! তোমাদেরসত্য মা’বূদ হলেন আল্লাহ, যিনি ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই। যিনি প্রতিটি জিনিসেরজ্ঞান রাখেন। কোন বস্তু রজ্ঞানই তাঁর আওতার বাইরে নয় ।
كَذَٰلِكَ نَقُصُّ عَلَيْكَ مِنْ أَنۢبَآءِ مَا قَدْ سَبَقَ ۚ وَقَدْ ءَاتَيْنَـٰكَ مِن لَّدُنَّا ذِكْرًۭا ﴿٩٩﴾
হে রাসূল! যেমনিভাবে আমি আপনার নিকট মূসা ও ফিরআউন এবং তাদের সম্প্র দায়ে র সংবাদ বর্ণনা করেছি তেমনিভাবে আমি আপনার নিকট আপনার সান্ত ¦নার জন্য পূর্ববর্তী নবীগণ ও তাঁদের উম্মতদের ঘটনা বর্ণনা করছি। আমি আপনাকে নিজের পক্ষ থেকে কু র‘আন দিয়ে ছি। যাতে উপদেশ গ্রহণকারীরাতাথেকে উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।
مَّنْ أَعْرَضَ عَنْهُ فَإِنَّهُۥ يَحْمِلُ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ وِزْرًا ﴿١٠٠﴾
যে ব্যক্তি তোমার উপর নাযিলকৃ ত এ কু র‘আন থেকে মু খ ফিরিয়ে নিলো তথা তার উপর ঈমান আনেনি এবং তার বিধানাবলীর উপর আমলও করেনি তাহলে সে নিশ্চয় ই কিয়ামতের দিন মহা পাপের বোঝা বহন করবে এবং যন্ত্র ণাদায় ক শাস্তি র উপযুক্ত হবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
خَـٰلِدِينَ فِيهِ ۖ وَسَآءَ لَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ حِمْلًۭا ﴿١٠١﴾
তারা এ শাস্তি তে সর্বদা অবস্থান করবে এবং কিয়ামতের দিন তারা যে বোঝা বহন করবে তা কতোই না নিকৃ ষ্ট!
يَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ ۚ وَنَحْشُرُ ٱلْمُجْرِمِينَ يَوْمَئِذٍۢ زُرْقًۭا ﴿١٠٢﴾
যে দিন ফিরিশতা পুনরুত্থানের জন্য সিঙ্গায় দ্বি তীয় বার ফুঁ দিবে আর আমি সে দিন কাফিরদেরকে নীল চোখা করে একত্রিত করবো। কারণ, তারা কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হওয়ার দরুন তাদের ও তাদের চোখের রং পরিবর্তিত হবে। يتخفتون بينهم إن لبثتم إل اعشرا
يَتَخَـٰفَتُونَ بَيْنَهُمْ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا عَشْرًۭا ﴿١٠٣﴾
তারা চু পিসারে বলবে: তোমরা মৃ ত্যুর পর বারযাখে শুধু দশ রাতই অবস্থান করলে। ن حن أعلمبما يقولون إذ يقول أمثلهم طريقةإن لبثتمإلا يوما
نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ إِذْ يَقُولُ أَمْثَلُهُمْ طَرِيقَةً إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا يَوْمًۭا ﴿١٠٤﴾
আমি জানি তারা চু পিসারে কী বলছে। এর কোন কিছু ই আমার অগোচরে নেই। তাদের বুদ্ধিমান লোকটি বললো: তোমরা মূলতঃ বারযাখে একদিন অথবাতারকিছু বেশিই অবস্থান করেছো।
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّى نَسْفًۭا ﴿١٠٥﴾
হে রাসূল! তারা আপনাকে কিয়ামতের দিনকার পাহাড়সমূহের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। আপনি তাদেরকে বলুন: আমার প্রতিপালক পাহাড় গুলোকে গোড়া থেকেই উপড়ে ফেলে সেগুলোকে ধূলিকণারন্যায় ছিটি য়ে দিবেন। فيذرها قاعا صفصفا
فَيَذَرُهَا قَاعًۭا صَفْصَفًۭا ﴿١٠٦﴾
অতঃপর তিনি পাহাড় গুলোকে যে জমিন বহন করছিলো সেটি কে মসৃণ ও সমতল বানিয়ে দিবেন। যার উপর কোন ঘর কিংবা উদ্ভিদও থাকবে না।
لَّا تَرَىٰ فِيهَا عِوَجًۭا وَلَآ أَمْتًۭا ﴿١٠٧﴾
হে দর্শক! জমিন পুরোসমতল হওয়ারদরুন তু মি তাতে কোন বক্র তাওউঁ চু -নিচু দেখতে পাবেনা।
يَوْمَئِذٍۢ يَتَّبِعُونَ ٱلدَّاعِىَ لَا عِوَجَ لَهُۥ ۖ وَخَشَعَتِ ٱلْأَصْوَاتُ لِلرَّحْمَـٰنِ فَلَا تَسْمَعُ إِلَّا هَمْسًۭا ﴿١٠٨﴾
সে দিন মানু ষ হাশরের মাঠের দিকে আহŸানকারীর ডাকের অনু সরণ করবে। তার অনু সরণ ছাড়া তাদের আর কোন গতি থাকবে না। ভয়ে মহামহিম প্রভু রসামনে সকল আওয়াজই তস্ব্ধহয়ে যাবে। সে দিন শুধু গোপন ফিসফিস আওয়াজ ছাড়াআপনি আরকিছু ই শুনতে পাবেন না।
يَوْمَئِذٍۢ لَّا تَنفَعُ ٱلشَّفَـٰعَةُ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَرَضِىَ لَهُۥ قَوْلًۭا ﴿١٠٩﴾
সেই কঠি ন দিবসে কোন সুপারিশকারীর সুপারিশই উপকারে আসবে না। তবে যাকে আল্লাহ তা‘আলা সুপারিশ করার অনুমতি দিয়ে ছেন এবং সুপারিশের ক্ষেত্রে তার কথার উপর তিনি সন্তু ষ্টরয়ে ছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর يعلمما بين أيديهم وما خلفهم ولا يحيطون به علما
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِۦ عِلْمًۭا ﴿١١٠﴾
মানুষ ভবিষ্যতে যে কিয়ামতেরসাক্ষাত করবেতা সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা ভালোই জানেন। তেমনিভাবেতারা দুনিয়াতে যা পেছনে রেখে এসেছে তা সম্পর্কে ও তিনি ভালো জানেন। তবে সকল বান্দা আল্লাহর সত্তা ও তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে সম্যক অবগত নয় ।
۞ وَعَنَتِ ٱلْوُجُوهُ لِلْحَىِّ ٱلْقَيُّومِ ۖ وَقَدْ خَابَ مَنْ حَمَلَ ظُلْمًۭا ﴿١١١﴾
সেই চিরঞ্জীব যাঁর কখনো মৃ ত্যু হবে না। যিনি তাঁর বান্দাদের সকল বিষয়াদির নিয় ন্ত্র ণক, পরিচালক ও সংরক্ষক। তাঁর সামনে তাদের চেহারাগুলো সদা নত ও অবনমিত। আরসেই ব্যক্তি ক্ষতিগ্র তস্ যে নিজকে ধ্বংসেরদ্বারপ্রান্তে উপনীত করেপাপেরবোঝাবহন করেছে।
وَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌۭ فَلَا يَخَافُ ظُلْمًۭا وَلَا هَضْمًۭا ﴿١١٢﴾
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের উপর ঈমান এনে নেক আমল করবে সে অচিরেই পরিপূর্ণ প্রতিদান পাবে। সে কখনো এ ব্যাপারে যুলুমের আশঙ্কা করবে না যে, তাকে এমন কোন গুনাহের জন্য শাস্তি দেয়া হবে যা সে করেনি। না সে কোনي নেক আমলের সাওয়াব না পাওয়ার আশঙ্কা করবে।
وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَـٰهُ قُرْءَانًا عَرَبِيًّۭا وَصَرَّفْنَا فِيهِ مِنَ ٱلْوَعِيدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ أَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًۭا ﴿١١٣﴾
আমি পূর্ববর্তীদের নিদর্শনাবলী নাযিল করার ন্যায় এ কু র‘আনকে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায় নাযিল করেছি। উপরন্তু আমি তাতে অনেক ধরনের হুমকি ও ভীতির বর্ণনা দিয়ে ছি। যাতে তারা আল্লাহকে ভয় করে অথবা কু র‘আন তাদের জন্য কোন উপদেশ ও শিক্ষার সুযোগ দেয় ।
فَتَعَـٰلَى ٱللَّهُ ٱلْمَلِكُ ٱلْحَقُّ ۗ وَلَا تَعْجَلْ بِٱلْقُرْءَانِ مِن قَبْلِ أَن يُقْضَىٰٓ إِلَيْكَ وَحْيُهُۥ ۖ وَقُل رَّبِّ زِدْنِى عِلْمًۭا ﴿١١٤﴾
আল্লাহ তা‘আলা মহান, পূত-পবিত্র ও সর্বোচ্চ। তিনি এমন মালিক সবকিছু ই যার মালিকানাধীন। যিনি সত্য এবং যাঁর কথা সত্য। মু শরিকরা যা দিয়ে তাঁকে বিভ‚ষিত করে তিনি তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে। হে রাসূল! জিব্রীল তার ওহী পৌঁছানো শেষ করার আগেই আপনি তার সাথে দ্র æত কু র‘আন পড় বেন না। আরআপনি বলুন:হে আমারপ্র তিপালক! আপনি আমাকে যাশিখিয়ে ছেন তারসাথে আমারজ্ঞান আরোবাড়ি য়ে দিন।
وَلَقَدْ عَهِدْنَآ إِلَىٰٓ ءَادَمَ مِن قَبْلُ فَنَسِىَ وَلَمْ نَجِدْ لَهُۥ عَزْمًۭا ﴿١١٥﴾
নিশ্চয় ই আমি ইতিপূর্বে আদম (আলাইহিস-সালাম) কে একটি নির্দিষ্ট গাছেরফল না খাওয়ারআদেশ করেছি। এমনকি আমি এ ব্যাপারেতাঁরউপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছি। উপরন্তু তার পরিণামও বর্ণনা করেছি। কিন্তু তিনি সেই অসিয় তের কথা ভু লে গিয়ে উক্ত গাছের ফল খেয়ে ফেলেন। তিনি মূ লতঃএ ব্যাপারেধৈর্য ধরতে পারেননি এবংআমি তাঁরমাঝে উক্ত অসিয় ত রক্ষারদৃঢ় প্রতীজ্ঞাও দেখতে পাইনি।
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ ٱسْجُدُوا۟ لِـَٔادَمَ فَسَجَدُوٓا۟ إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰ ﴿١١٦﴾
হে রাসূল! আপনি স্মরণ করুন সে সময়ে রকথা যখন আমি ফিরিশতাদেরকে বললাম: তোমরা আদমকে সম্মান প্রদর্শনমূলক সাজদাহ করো। তখন ইবলিস ছাড়া তারা সবাই সাজদাহ করলো। সে মূলতঃতাদেরসাথেই ছিলো; তবেসে তাদেরকেউ নয় । সে অহঙ্কারবশতঃসাজদাহ করতে অস্বীকৃ তি و জানালো।
فَقُلْنَا يَـٰٓـَٔادَمُ إِنَّ هَـٰذَا عَدُوٌّۭ لَّكَ وَلِزَوْجِكَ فَلَا يُخْرِجَنَّكُمَا مِنَ ٱلْجَنَّةِ فَتَشْقَىٰٓ ﴿١١٧﴾
আমি বললাম: হে আদম! নিশ্চয় ই ইবলিস আপনার ও আপনার স্ত্রীর শত্রæ। তাই সে যেন তার কু মন্ত্র ণা দিয়ে আপনাকে ও আপনার স্ত্রীকে জান্নাত থেকে বের করে না দেয় । নচেৎ আপনাকে অনেক দুঃখ-কষ্ট ও অপ্রীতিকর অবস্থা সহ্য করতে হবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর إن لك ألا تجوع فيها ولا تعر
إِنَّ لَكَ أَلَّا تَجُوعَ فِيهَا وَلَا تَعْرَىٰ ﴿١١٨﴾
আপনারব্যাপারেআল্লাহরদায়ি ত্বহলোতিনি আপনাকে জান্নাতে খাওয়াবেন। ফলেআপনি ক্ষু ধার্ত হবেনা। তিনি আপনাকে কাপড় পরাবেন। ফলে আপনি উলঙ্গ থাকবেন না। وأنك لا تظمؤافيها ولا تضح
وَأَنَّكَ لَا تَظْمَؤُا۟ فِيهَا وَلَا تَضْحَىٰ ﴿١١٩﴾
তিনি আপনাকে পান করাবেন। ফলে আপনি কখনো তৃ ষ্ণার্ত হবেন না। তিনি আপনাকে ছায়া দিবেন। ফলে সূর্যের তাপ আপনার নিকট কখনো পৌঁ ছাবে না।
فَوَسْوَسَ إِلَيْهِ ٱلشَّيْطَـٰنُ قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ هَلْ أَدُلُّكَ عَلَىٰ شَجَرَةِ ٱلْخُلْدِ وَمُلْكٍۢ لَّا يَبْلَىٰ ﴿١٢٠﴾
অতঃপর শয় তান আদমকে কু মন্ত্র ণা দিলো এবং তাঁকে বললো: আমি কি আপনাকে এমন একটি গাছ দেখাবো যে ব্যক্তি এ গাছের ফল খাবে তার কখনো মৃ ত্যু হবে না। বরং সে চিরকাল বেঁচে থাকবে। এমনকি সে এমন এক ধারাবাহিক ক্ষমতার মালিক হবে, যা কখনো শেষ হবে না?!
فَأَكَلَا مِنْهَا فَبَدَتْ لَهُمَا سَوْءَٰتُهُمَا وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ ٱلْجَنَّةِ ۚ وَعَصَىٰٓ ءَادَمُ رَبَّهُۥ فَغَوَىٰ ﴿١٢١﴾
এরপরআদম ও হাওয়া সে গাছেরই ফল খেয়ে ছেন যে গাছেরফল খেতে তাঁদেরকে নিষেধকরা হয়ে ছে। ফলে তাঁদেরলজ্জাস্থান প্রকাশ পেয়ে গেলো যা ইতিপূর্বে ঢাকা ছিলো এবং তাঁরা জান্নাতের গাছের পাতাসমূহ ছিঁড়তে ও তা দিয়ে নিজেদের লজ্জাস্থান ঢাকতে লাগলেন। এর দ্বারা আদম (আলাইহিস-সালাম) তাঁর প্রতিপালকের আদেশের বিপরীত কাজ করলেন। কারণ, তিনি সেই গাছের ফল খাওয়া থেকে দূরে থাকার আদেশকে অমান্য করেছেন। তিনি যাতাঁরজন্যজায়ি য নয় তারদিকে ধাবিত হয়ে সীমাতিক্র ম করেছেন।
ثُمَّ ٱجْتَبَـٰهُ رَبُّهُۥ فَتَابَ عَلَيْهِ وَهَدَىٰ ﴿١٢٢﴾
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর তাওবা গ্রহণ করেছেন এবং নবী হিসেবে তাঁকে মনোনয় ন দিয়ে ছেন। উপরন্তু তিনি তাঁকে সত্য পথে চলার তাওফীকও দিয়ে ছেন। و
قَالَ ٱهْبِطَا مِنْهَا جَمِيعًۢا ۖ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّۭ ۖ فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّى هُدًۭى فَمَنِ ٱتَّبَعَ هُدَاىَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَىٰ ﴿١٢٣﴾
আল্লাহ তা‘আলা আদম ও হাওয়াকে বললেন: তোমরা এবং ইবলিস জান্নাত থেকে নেমে যাও। সে তোমাদের শত্রæ আর তোমরাও তার শত্রæ। যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে হিদায়ে তের কিছু আসে তখন যদি তোমাদের মধ্যকার কেউ তার অনুসরণ ও তার প্রতি আমল করে এবং তা থেকে সরে না যায় তাহলে সে কখনো সত্যভ্র ষ্টহবে না। সে আখিরাতে আযাবের সম্মুখীন হয়ে দুর্ভাগ্যবান হবে না। বরং আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِى فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةًۭ ضَنكًۭا وَنَحْشُرُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ أَعْمَىٰ ﴿١٢٤﴾
আর যে আমার স্মরণ থেকে মু খ ফিরিয়ে নিবে এবং তা প্রত্যাখান করবে উপরন্তু তার ডাকে সাড়া দিতে অস্বীকৃ তি জানাবে তার জন্য দুনিয়া ও বরযখে সঙ্কীর্ণ জীবন রয়ে ছে। কিয়ামতেরদিন আমি তাকে অন্ধ ও দলীল হারানোব্যক্তি রন্যায় বানিয়ে হাশরেরমাঠেরদিকে হাঁকিয়ে নেবো।
قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِىٓ أَعْمَىٰ وَقَدْ كُنتُ بَصِيرًۭا ﴿١٢٥﴾
তখন আল্লাহর যিকির বিমুখ লোকটি বলবে: হে আমার প্রতিপালক! আজ কেন আপনি আমাকে অন্ধ বানিয়ে উঠালেন; অথচ আমি তো দুনিয়াতে চক্ষু ষ্মান ছিলাম। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالَ كَذَٰلِكَ أَتَتْكَ ءَايَـٰتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذَٰلِكَ ٱلْيَوْمَ تُنسَىٰ ﴿١٢٦﴾
আল্লাহ তা‘আলা তার উত্তরে বলেন: তু মি দুনিয়াতে এমনই করেছো। তোমার নিকট আমার আয়াতসমূহ আসলে তু মি তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে তা পরিত্যাগ করেছো। তেমনিভাবে আজ তোমাকেও শাস্তি র মাঝে ফেলে পরিত্যাগ করা হবে।
وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى مَنْ أَسْرَفَ وَلَمْ يُؤْمِنۢ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِۦ ۚ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَشَدُّ وَأَبْقَىٰٓ ﴿١٢٧﴾
এ প্রতিদানের ন্যায় আমি ওকেও প্রতিদান দেবো যে চাহিদা নিবারণে হারাম কাজে মগ্ন এবং তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আসা সুস্পষ্ট দলীলসমূহের উপর ঈমান আনা থেকে সে বিরত রয়ে ছে। বস্তু তঃ দুনিয়া ও বরযখের কঠি ন জীবনের চেয়ে ও আখিরাতের আল্লাহর আযাব অনেক ভয় ঙ্কর, শক্তি শালী ও দীর্ঘ স্থায়ী।
أَفَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّنَ ٱلْقُرُونِ يَمْشُونَ فِى مَسَـٰكِنِهِمْ ۗ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّأُو۟لِى ٱلنُّهَىٰ ﴿١٢٨﴾
আমি যে ইতিপূর্বে অনেক জাতিকে ধ্বংস করেদিয়ে ছি সে ব্যাপারটি কি মুশরিকদেরনিকট সুস্পষ্ট হয় নি। তারা তো ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহেরএলাকায় বিচরণ করে এবং তাদের ধ্বংসের নমুনাগুলো দেখতে পায় ?! সে বিস্ত র জাতিসমূহের যে ধ্বংস ও বিনাশ ঘটেছে তাতে নিশ্চয় ই বুদ্ধিমানদের জন্য অনেকশিক্ষণীয় ব্যাপাররয়ে ছে। م ولولا كلمة سبقت من ر بك لكان لزاما وأجل مس ى
وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَكَانَ لِزَامًۭا وَأَجَلٌۭ مُّسَمًّۭى ﴿١٢٩﴾
হে রাসূল! আপনারপ্র তিপালকেরপক্ষ থেকে যদি এ ব্যাপারেচ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হয়ে থাকতো যে, তিনি প্রমাণ দাঁড় করানো ছাড়া কাউকে শাস্তি দিবেন না। তেমনিভাবেতাদেরজন্য যদি তাঁরনিকট নির্ধারিত সময় ঠি ক করা না থাকতো তাহলে তিনি নিশ্চয় ই তাদেরকে দ্র æত শাস্তি দিতেন। কারণ, তারা তো এর উপযুক্ত ই ছিলো।
فَٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ ٱلشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا ۖ وَمِنْ ءَانَآئِ ٱلَّيْلِ فَسَبِّحْ وَأَطْرَافَ ٱلنَّهَارِ لَعَلَّكَ تَرْضَىٰ ﴿١٣٠﴾
ى হে রাসূল! আপনারপ্র তি মিথ্যারোপকারীরাযে বাতিল বিশেষণগুলোআপনারব্যাপারেবলে থাকে সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধরুন। আরআপনি ফজরের সালাতে সূর্য উঠার আগে, আসরের সালাতে সূর্য ডু বার আগে, মাগরিব ও ইশার সালাতে রাতের কিছু সময় , যোহরের সালাতে দিনের প্রথমাংশ শেষে সূর্য হেলে যাওয়ার সময় এবং মাগরিবের সালাতে দিনের দ্বি তীয়াংশ শেষে আল্লাহর নিকট সন্তোষজনক সাওয়াব পাওয়ার আশায় নিজ প্রতিপালকের সপ্র শংস পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَىٰ مَا مَتَّعْنَا بِهِۦٓ أَزْوَٰجًۭا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا لِنَفْتِنَهُمْ فِيهِ ۚ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌۭ وَأَبْقَىٰ ﴿١٣١﴾
আমি এ সকল মিথ্যারোপকারীদেরকে পরীক্ষা করার জন্য দুনিয়ার জীবনের সৌন্দ র্যভোগের যে ব্যবস্থা করেছি সেগুলোর দিকে আপনি তাকাবেন না। কারণ, আমি যা তাদেরকে দিয়ে ছি তা সত্যিই নশ্ব র। আরআপনারপ্র তিপালকেরওয়াদাকৃ ত প্রতিদান -যাতে আপনি খুশি হন- তাদেরকে দেয়া দুনিয়ার নশ্ব র ভোগ-বিলাসের চেয়ে অনেক উত্তম ও দীর্ঘস্থায়ী। কারণ, তা কখনো শেষ হবে না।
وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِٱلصَّلَوٰةِ وَٱصْطَبِرْ عَلَيْهَا ۖ لَا نَسْـَٔلُكَ رِزْقًۭا ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُكَ ۗ وَٱلْعَـٰقِبَةُ لِلتَّقْوَىٰ ﴿١٣٢﴾
হে রাসূল! আপনি নিজ পরিবারকে সালাত আদায়ে রআদেশ করুন। আরতাআদায়ে রক্ষেত্রেআপনি ধৈর্য ধরুন। আমি আপনারকাছ থেকে আপনার নিজের জন্য অথবা অন্য কারো জন্য রিযিক চাই না। আমি আপনার রিযিকের দায়ি ত্বনিলাম। দুনিয়া ও আখিরাতের প্রশংসনীয় পরিণাম সেই মু ত্তাকীদের জন্য যারা আল্লাহকে ভয় করে তাঁর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَقَالُوا۟ لَوْلَا يَأْتِينَا بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّهِۦٓ ۚ أَوَلَمْ تَأْتِهِم بَيِّنَةُ مَا فِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ ﴿١٣٣﴾
নবী (আলাইহিস-সালাম) এর প্রতি মিথ্যারোপকারী এ কাফিররা বললো: কেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে এমন কোন আলামত নিয়ে আসে না যা তাঁর সত্যতা ও রাসূল হওয়া প্রমাণ করবে। বস্তু তঃ এ মিথ্যারোপকারীদের নিকট কি কু র‘আন আসেনি যা তার পূর্বেকার সকল আসমানী কিতাবের সত্যতা প্রমাণ করে?!
وَلَوْ أَنَّآ أَهْلَكْنَـٰهُم بِعَذَابٍۢ مِّن قَبْلِهِۦ لَقَالُوا۟ رَبَّنَا لَوْلَآ أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًۭا فَنَتَّبِعَ ءَايَـٰتِكَ مِن قَبْلِ أَن نَّذِلَّ وَنَخْزَىٰ ﴿١٣٤﴾
ونخز ى আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি এ মিথ্যারোপকারীদেরকে তাদের নিকট রাসূল ও কিতাব পাঠানোর পূর্বেই তাদের কু ফরি ও গাদ্দারির দরুন ধ্বংস করে দিতাম তাহলে তারা কিয়ামতের দিন তাদের কু ফরির ব্যাপারে ওযর পেশ করে বলতে পারতো: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি কেন দুনিয়াতে আমাদের নিকট রাসূল পাঠাননি। তাহলে তো আমরা আপনার শাস্তি র দরুন লাঞ্ছিত ও অপমানিত হওয়ার আগেই তাঁর উপর ঈমান আনতে ও তাঁরআনা আয়াতসমূ হেরঅনু সরণ করতে পারতাম?! ل
قُلْ كُلٌّۭ مُّتَرَبِّصٌۭ فَتَرَبَّصُوا۟ ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ أَصْحَـٰبُ ٱلصِّرَٰطِ ٱلسَّوِىِّ وَمَنِ ٱهْتَدَىٰ ﴿١٣٥﴾
হে রাসূল! আপনি এ মিথ্যারোপকারীদেরকে বলুন: আমরা ও তোমরা প্রত্যেকেই আল্লাহর ফায় সালার জন্য অপেক্ষমান। অতএব, তোমরা অপেক্ষা করো। অচিরেই তোমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারবে, কারা সঠি ক পথের অনু সারী ও কারা হিদায়ে তপ্রাপ্ত । আমরা না তোমরা? সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই