হোমতাফসিরSaba (34)

তাফসির Saba (34) — سبأ

মাক্কী · 54 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَلَهُ ٱلْحَمْدُ فِى ٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ وَهُوَ ٱلْحَكِيمُ ٱلْخَبِيرُ ﴿١﴾

ওই আল্লাহর উদ্দেশ্যে সকল প্রশংসা যার হাতে আসমান ও যমীনের সৃষ্টি , রাজত্ব ও পরিচালনা। আর তাঁর প্রশংসা পরকালেও। তিনি তাঁর সৃষ্টি ও পরিচালনায় প্রজ্ঞাময় । তাঁরবান্দাদেরঅবস্থাসম্পর্কে পরিজ্ঞাত। তাঁরনিকট এরকোন কিছু ই গোপন নয় ।

يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمَا يَنزِلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا يَعْرُجُ فِيهَا ۚ وَهُوَ ٱلرَّحِيمُ ٱلْغَفُورُ ﴿٢﴾

যমীনে যে পানি ও শস্য প্রবেশ করে তিনি তা জানেন এবং এথেকে যে শস্য বা অন্য কিছু বের হয় তিনি তাও জানেন। আসমান থেকে বৃষ্টি , ফিরিশতা ও রিযিক হিসাবে যা অবতরণ করে তিনি তাও জানেন। আসমানে ফিরিশতা, তাঁর বান্দাদের আমল ও আত্মাসহ যত কিছু উঠে সব কিছু ই তিনি জানেন। তিনি তাঁরমু ’মিন বান্দাদেরপ্র তি দয়ার্দ্র । আরতাঁরপ্র তি তাওবাকারীদেরজন্যক্ষমাশীল।

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَأْتِينَا ٱلسَّاعَةُ ۖ قُلْ بَلَىٰ وَرَبِّى لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَـٰلِمِ ٱلْغَيْبِ ۖ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَلَا فِى ٱلْأَرْضِ وَلَآ أَصْغَرُ مِن ذَٰلِكَ وَلَآ أَكْبَرُ إِلَّا فِى كِتَـٰبٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٣﴾

আর যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছে তারা বলে: আমাদের নিকট আদৗ কিয়ামত আসবে না। হে রাসূল! আপনি তাদেরকে বলে দিন: অবশ্যই তোমাদের নিকট কিয়ামত আসবে; তোমরা যাকে অবিশ্বাস করো। তবে তার সময় আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। তিনিই কিয়ামতসহ অন্যান্য গাইবের খবর রাখেন। আসমান ও যমীনের সর্বাপেক্ষা ক্ষু দ্রপ্রাণী পিপীলিকার ওযনও তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয় । আর তদাপেক্ষা ছোট কিংবা বড় সবই সুস্পষ্ট লিপিকায় লিপিবদ্ধ রয়ে ছে। যাহচ্ছে লাওহে মাহফু জ। যাতে কিয়ামত পর্যতন্ঘটনীয় সবকিছু ই লেখাআছে।

لِّيَجْزِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُم مَّغْفِرَةٌۭ وَرِزْقٌۭ كَرِيمٌۭ ﴿٤﴾

আল্লাহ লাওহে মাহফু জে যা স্থি র করেছেন তা এজন্য যে, যাতে করে ঈমানদার ও নেক আমলকারীদেরকে প্রতিদান দিতে পারেন। উক্ত বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যবান লোকদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে রয়ে ছে তাদের পাপের ক্ষমা। ফলে তিনি তাদেরকে এর কারণে পাকড়াও করবেন না। আর তাদের জন্যরয়ে ছে সম্মানীজীবিকা। যাহচ্ছে কিয়ামত দিবসে তাঁরজান্নাত।

وَٱلَّذِينَ سَعَوْ فِىٓ ءَايَـٰتِنَا مُعَـٰجِزِينَ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌۭ مِّن رِّجْزٍ أَلِيمٌۭ ﴿٥﴾

আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃ ত আয়াতসমূহ বাতিল করার উদ্দেশ্যে প্রচেষ্টা চালিয়ে বলছে যে, এগুলো যাদু। আর আমার রাসূলকে বলছে: গণক, যাদুকর ও কবি। এসব বৈশিষ্ট্যের অধিকারীদের জন্য রয়ে ছে মন্দ ও কঠি ন শাস্তি ।

وَيَرَى ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ ٱلَّذِىٓ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ هُوَ ٱلْحَقَّ وَيَهْدِىٓ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْعَزِيزِ ٱلْحَمِيدِ ﴿٦﴾

আর সাহাবীদের মধ্যকার আলিম সমাজ ও আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে তারা সাক্ষ্য দিয়ে ছে যে, আল্লাহ আপনার প্রতি যে প্রত্যাদেশ অবতীর্ণ করেছেন তাই হক। যাতে কোনরূপ সন্দে হ নেই। আরএটি ই এমন পরাক্র মশালীরদিকে পথ নির্দে শ করেযাঁকে পরাস্ত কারীকেউ নেই। যিনি ইহ ও পরকালে প্রশংসিত।

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ هَلْ نَدُلُّكُمْ عَلَىٰ رَجُلٍۢ يُنَبِّئُكُمْ إِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ إِنَّكُمْ لَفِى خَلْقٍۢ جَدِيدٍ ﴿٧﴾

আর যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছে তারা একে অপরকে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃ ক আনিত বিষয়ে র উপর আশ্চর্য হয়ে ঠাট্টাচ্ছলে বলেছে, আমরা কি তোমাদেরকে এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দিব, যে তোমাদেরকে একথার সংবাদ দেয় যে, তোমরা যখন মৃত্যু বরণ করবে ও তোমরা টু করা টু করা হয়ে যাবে তখন তোমাদেরকে পুনর্বার জীবিত করা হবে?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

أَفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَم بِهِۦ جِنَّةٌۢ ۗ بَلِ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْـَٔاخِرَةِ فِى ٱلْعَذَابِ وَٱلضَّلَـٰلِ ٱلْبَعِيدِ ﴿٨﴾

তারা বলেছে, এ ব্যক্তিকি আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করছে? ফলে আমাদের মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের কথা বলছে।না কি সে পাগল। না বুঝেই তারা এমন কথা বলে। যার কোন বাস্ত বতা নেই। বাস্ত ব কথা তাদের ধারণার অনুকূ লে নয় । বরং আসল কথা হচ্ছে, যারা পরকালে বিশ্বাসী নয় তারা কিয়ামত দিবসে কঠি ন শাস্তি র মধ্যে নিমজ্জিত থাকবে। আর দুনিয়ার জীবনে তারা হক থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে।

أَفَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَىٰ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ ۚ إِن نَّشَأْ نَخْسِفْ بِهِمُ ٱلْأَرْضَ أَوْ نُسْقِطْ عَلَيْهِمْ كِسَفًۭا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَةًۭ لِّكُلِّ عَبْدٍۢ مُّنِيبٍۢ ﴿٩﴾

এ সবপুনরুত্থানেরপ্র তি মিথ্যারোপকারীরা কি দেখেনা তাদেরসামনে যে যমীন রয়ে ছে আরপেছনে যে আসমান রয়ে ছে? আমি চাইলে তাদেরপায়ে র নিচ থেকে যমীনকে ধ্বসিয়ে দিতে পারি। এমনিভাবে চাইলে তাদের উপর আসমান থেকে এক টুকরো ভূপাতিত করতে পারি। এতে অবশ্যই প্রত্যেক ওই সবদাস বান্দারজন্যঅকাট্যনিদর্শন রয়ে ছে যে স্বীয় প্রতিপালকেরআনু গত্যেরপ্র তি বেশীবেশীপ্র ত্যাবর্ত নকারী। সে এরমাধ্যমে আল্লাহরক্ষমতার উপরপ্র মাণ গ্রহণ করবে। কেননা, যিনি এই কাজেরউপরক্ষমতাবান তিনি তোমাদেরমৃ ত্যুও শরীরছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ারপরপুনরুত্থানে সক্ষম।

۞ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ مِنَّا فَضْلًۭا ۖ يَـٰجِبَالُ أَوِّبِى مَعَهُۥ وَٱلطَّيْرَ ۖ وَأَلَنَّا لَهُ ٱلْحَدِيدَ ﴿١٠﴾

আর আমি দাউদকে আমার পক্ষ থেকে নবুওয়াত ও রাজত্ব প্রদান করেছি এবং আমি পাহাড় কে বলেছি, আপনি দাউদের সাথে তাসবীহ পাঠ করো। এমনিভাবেপক্ষিরাজিকেও নির্দে শ দিয়ে ছি। আরআমি তাঁরজন্যলোহাকে নরম করেদিয়ে ছি যাতে তিনি ইচ্ছামত যেকোন বস্ত্র তৈরীকরতে পারেন।

أَنِ ٱعْمَلْ سَـٰبِغَـٰتٍۢ وَقَدِّرْ فِى ٱلسَّرْدِ ۖ وَٱعْمَلُوا۟ صَـٰلِحًا ۖ إِنِّى بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ ﴿١١﴾

হে দাউদ!আপনি এমন বর্ম তৈরী করুন যদ্বারা আপনার যোদ্ধারা তাদের শত্রæদের আক্র মণ প্রতিহত করতে পারে। আর আংটাগুলো সূ²ভাবে নির্ণয় করুন। যাতে এমন বেশী ছোট না হয় যার ফলে আটকে থাকে না। আবার এমন বড় না হয় যার ফলে প্রবেশ করে না। আর নেক আমল করো। তোমরাযাকিছু করোআমি সবই দেখি। আমারনিকট কিছু ই গোপন থাকে নাএবংআমি তারপ্র তিদান দিবো।

وَلِسُلَيْمَـٰنَ ٱلرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌۭ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌۭ ۖ وَأَسَلْنَا لَهُۥ عَيْنَ ٱلْقِطْرِ ۖ وَمِنَ ٱلْجِنِّ مَن يَعْمَلُ بَيْنَ يَدَيْهِ بِإِذْنِ رَبِّهِۦ ۖ وَمَن يَزِغْ مِنْهُمْ عَنْ أَمْرِنَا نُذِقْهُ مِنْ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ ﴿١٢﴾

আর আমি সুলাইমান বিন দাউদের জন্যে বায়ুকে বাধ্য করে দিয়ে ছি। যে সকালে এক মাসের পথ অতিক্র ম করে আর বিকালে এক মাসের পথ অতিক্র ম করে। আর আমি তাঁর জন্য পিতলের পদার্থকে তরল করে দিয়ে ছি। যাতে করে তিনি এর মাধ্যমে যা চান তৈরী করেন। আর আমি তাঁর জন্য জিনদেরকে বাধ্য করে দিয়ে ছি। যারা তাঁর নির্দে শে তাঁর সামনে কাজ করে। তাদের মধ্যে যে আমার নির্দে শিত কাজ থেকে বিরত থাকে তাকে আমি প্রজ্জলিতআগুনেরশাস্তি ভোগাবো।

يَعْمَلُونَ لَهُۥ مَا يَشَآءُ مِن مَّحَـٰرِيبَ وَتَمَـٰثِيلَ وَجِفَانٍۢ كَٱلْجَوَابِ وَقُدُورٍۢ رَّاسِيَـٰتٍ ۚ ٱعْمَلُوٓا۟ ءَالَ دَاوُۥدَ شُكْرًۭا ۚ وَقَلِيلٌۭ مِّنْ عِبَادِىَ ٱلشَّكُورُ ﴿١٣﴾

এসব জিনেরা সুলাইমান যা চান তা করে দেয় । যেমন: নামাযের জন্য মসজিদ নির্মাণ, অট্টালিকা তৈরি, চিত্রাঙ্কন, পানির বড় কু প, ভারি ডেগ যা এত বড় যে, তা উঠানো কষ্ট কর। আমি তাদেরক বলেছি, হে দাউদ পরিবার! তোমরা তোমাদের উপর আল্লাহ প্রদত্ত নিআমতের শুকরিয়া স্বরূপ আমল করো। বস্তু তঃআমারপ্র দত্ত নিআমতেরশুকরিয়া স্বরূপ আমলকারীদের সংখ্যা অতি অল্প । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ ٱلْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَىٰ مَوْتِهِۦٓ إِلَّا دَآبَّةُ ٱلْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُۥ ۖ فَلَمَّا خَرَّ تَبَيَّنَتِ ٱلْجِنُّ أَن لَّوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ٱلْغَيْبَ مَا لَبِثُوا۟ فِى ٱلْعَذَابِ ٱلْمُهِينِ ﴿١٤﴾

আর আমি যখন সুলাইমানের জন্য মৃত্যুর ফয় সালা করলাম তখন জিনদেরকে তা জানানো হয় নি। যখন উই পোকা তাঁর লাঠি খেয়ে ফেলল এরপর তিনি পড়ে গেলেন তখন জিনরা বুঝতে পারল যে, তারা গায়ে বের খবর জানে না। কেননা, তারা যদি জানত তবে সুলাইমানের জন্য তারা এই কঠোর পরিশ্র মের কাজে লেগে থাকত না। যা তারা তাঁকে জীবিত অবস্থায় পর্যবেক্ষক মনে করার ফলে চালিয়ে যাচ্ছিল।

لَقَدْ كَانَ لِسَبَإٍۢ فِى مَسْكَنِهِمْ ءَايَةٌۭ ۖ جَنَّتَانِ عَن يَمِينٍۢ وَشِمَالٍۢ ۖ كُلُوا۟ مِن رِّزْقِ رَبِّكُمْ وَٱشْكُرُوا۟ لَهُۥ ۚ بَلْدَةٌۭ طَيِّبَةٌۭ وَرَبٌّ غَفُورٌۭ ﴿١٥﴾

غفور সাবা সম্প্র দায়ে র আবাসস্থ লে আল্লাহর কু দরত ও তাদের উপর তাঁর অনুগ্র হের সুস্পষ্ট নিদর্শন রয়ে ছে। আর তা হচ্ছে জান্নাত; যার একটি ডান দিকে আর অপরটি বাম দিকে। আমি তাদেরকে বললাম: তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের জীবিকা ভক্ষণ করো, আর তাঁর নিআমতের শুকরিয়া আদায় করো। এটি হচ্ছে উত্তম নগরী। আরইনি হচ্ছেন ক্ষমাশীল প্রতিপালক। যে তাঁরনিকট তাওবাকরেতিনি তাকবুল করেন।

فَأَعْرَضُوا۟ فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ سَيْلَ ٱلْعَرِمِ وَبَدَّلْنَـٰهُم بِجَنَّتَيْهِمْ جَنَّتَيْنِ ذَوَاتَىْ أُكُلٍ خَمْطٍۢ وَأَثْلٍۢ وَشَىْءٍۢ مِّن سِدْرٍۢ قَلِيلٍۢ ﴿١٦﴾

তারা আল্লাহর শুকরিয়া ও তদীয় রাসূলদের উপর ঈমান আনয় ন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখল। ফলে আমি তাদের নিয়ামতকে গজবে পরিবর্ত ন করে তাদেরকে শাস্তি দিলাম। তাদের উপর প্রচÐ ¯্রােত চালিয়ে দিলাম; যা তাদের বাঁধ ভেঙ্গে দিল ও ক্ষেত ডুবিয়ে দিল। আর তাদের দু’টি বাগানের পরিবর্তে এমন দু’টি বাগান দিলাম যেগুলোফল উৎপন্ন করে। তবেতারস্বাদ তিতা। আরএতদুভয়ে রয়ে ছে ফল বিহীন ঝাউ গাছ ওকিছু বরই গাছ।

ذَٰلِكَ جَزَيْنَـٰهُم بِمَا كَفَرُوا۟ ۖ وَهَلْ نُجَـٰزِىٓ إِلَّا ٱلْكَفُورَ ﴿١٧﴾

তাদের এই উপভোগকৃ ত নিআমতের পরিবর্ত ন এজন্য হল যে, তারা কু ফরি ও আল্লাহর নিআমতের না শুকরী করেছে। বস্তু তঃ আমি এমন কঠোর শাস্তি মহান আল্লাহরনিয়ামত অস্বীকারকারী ও কাফিরসম্প্র দায় ব্যতীত অন্য কাউকে প্রদান করিনা।

وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ ٱلْقُرَى ٱلَّتِى بَـٰرَكْنَا فِيهَا قُرًۭى ظَـٰهِرَةًۭ وَقَدَّرْنَا فِيهَا ٱلسَّيْرَ ۖ سِيرُوا۟ فِيهَا لَيَالِىَ وَأَيَّامًا ءَامِنِينَ ﴿١٨﴾

আরআমি ইয়ামানেরসাবাবাসী ও সিরিয়ারগ্রামসমূহ যেগুলোতে আমি বরকত প্রদান করেছি সেগুলোরমধ্যবর্তী স্থানে কিছু কাছাকাছি অবস্থানকারী গ্রাম স্থাপন করেছি এবংতারমাঝে ভ্রমণকে নির্ধারিত সময় সাপেক্ষ করেছি। ফলে তারা সহজে এক গ্রাম থেকে অপরগ্রামে ভ্রমণ করেসিরিয়া পর্যতন্ পৌঁছু তে পারে। আরআমি তাদেরকে বলেছি:তোমরাইচ্ছামত শত্রæ,ক্ষু ধাও পিপাসাথেকে নির্ভ য়ে দিনে ও রাতে ভ্রমণ করো।

فَقَالُوا۟ رَبَّنَا بَـٰعِدْ بَيْنَ أَسْفَارِنَا وَظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ فَجَعَلْنَـٰهُمْ أَحَادِيثَ وَمَزَّقْنَـٰهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّكُلِّ صَبَّارٍۢ شَكُورٍۢ ﴿١٩﴾

صبار شكور তারা তাদের জন্য আল্লাহর প্রদত্ত দূরত্ব কমিয়ে আনার নিয়ামতকে বর্জ ন করল এবং বলল: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি এসব গ্রামগুলোকে সরিয়ে ফেলার মাধ্যমে আমাদের সফরের দূরত্ব কে প্রলম্বিত করুন। যাতে আমরা ভ্রমণের কষ্ট অনুভব করতে পারি, আর আমাদের বাহনের গুণাগুণ প্রকাশ পায় । ফলে আল্লাহর নিয়ামতকে বর্জ ন ও শুকরিয়া আদায় না করা এবং তাদের মধ্যকার গরীবদের সাথে হিংসার মাধ্যমে তারা তাদের নফসের উপর জুলুম করল। তাই আমি তাদেরকে ইতিহাসে উল্লে খ করার মত অবস্থায় পৌঁছে দিলাম। পরবর্তী লোকেরা তাদের অবস্থা বর্ণনা করতে থাকল। আর আমি তাদেরকে দুনিয়াতে বহুদূর পর্যতন্ বিক্ষিপ্ত করে দিলাম যে, কেউ কারো খবর পর্যতন্ জানার উপায় রইল না। এই সাবা সম্প্র দায়ে র উপর অনু গ্রহ ও তাদের কু ফরি এবং নিআমতের না শুকরির কারণে তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণে প্রত্যেক এমনসব ব্যক্তিদের জন্য উপদেশ রয়ে ছে যারা আল্লাহর আনু গত্যে, পাপ পরিহারে ও বিপদে ধৈর্যশীল। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَلَقَدْ صَدَّقَ عَلَيْهِمْ إِبْلِيسُ ظَنَّهُۥ فَٱتَّبَعُوهُ إِلَّا فَرِيقًۭا مِّنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ﴿٢٠﴾

আর ইবলীস যে ধারণা করত যে, সে তাদেরকে হক থেকে পথভ্র ষ্টকরবে তা তাদের উপর বাস্ত বায় ন করেছে। ফলে তারা কু ফরি ও ভ্রষ্টতায় তার অনু সরণ করেছে কেবল মু মিনদের কিছু সংখ্যক লোক ব্যতীত। কেননা, তারা তার আনু গত্য না করার মাধ্যমে তার আশা পূর্ণ হতে দেয় নি।

وَمَا كَانَ لَهُۥ عَلَيْهِم مِّن سُلْطَـٰنٍ إِلَّا لِنَعْلَمَ مَن يُؤْمِنُ بِٱلْـَٔاخِرَةِ مِمَّنْ هُوَ مِنْهَا فِى شَكٍّۢ ۗ وَرَبُّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ حَفِيظٌۭ ﴿٢١﴾

حفيظ তাদের উপর ইবলিসের এমন কোন শক্তি ছিল না যদ্বারা সে তাদেরকে পদানত করে পথভ্র ষ্টকরতে পারত। সে কেবল তাদেরকে চমক লাগাত ও বিভ্রান্ত করত। বরংআমি তাকে এই কাজেরঅনুমোদন দিয়ে ছি। যাতে আমি জানতে পারিযে, কে পরকাল ও তারপ্র তিদানে বিশ্বাসী। আরকে সে ব্যাপারে সন্দি হান। আরহে নবী! আপনারপ্র তিপালক সর্ব বিষয়ে রসংরক্ষক। তিনি তাঁরবান্দাদেরআমলসংরক্ষণ করেন এবংতিনি তাদেরপ্র তিদান দিবেন।

قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱلَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِثْقَالَ ذَرَّةٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَلَا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا لَهُمْ فِيهِمَا مِن شِرْكٍۢ وَمَا لَهُۥ مِنْهُم مِّن ظَهِيرٍۢ ﴿٢٢﴾

شرك وما له منهم من ظهير হে রাসূল! এসব মুশরিকদেরকে বলে দিন, তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে তোমাদের দেবতা বানিয়ে ছো তাদেরকে ডাকো। যেন তারা তোমাদের উপকার কিংবা অপকার সাধন করে। তারা আসমান-যমীনে এক তিল পরিমাণ কোন কিছু করার ক্ষমতা রাখে না। আর তাদের জন্য তাতে আল্লাহর সাথে না কোন অংশীদার রয়ে ছে। আর না কোন সহযোগী। তিনি অংশিদার ও সহযোগী থেকে মু ক্ত।

وَلَا تَنفَعُ ٱلشَّفَـٰعَةُ عِندَهُۥٓ إِلَّا لِمَنْ أَذِنَ لَهُۥ ۚ حَتَّىٰٓ إِذَا فُزِّعَ عَن قُلُوبِهِمْ قَالُوا۟ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ ۖ قَالُوا۟ ٱلْحَقَّ ۖ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْكَبِيرُ ﴿٢٣﴾

তিনি যাকে অনুমতি প্রদান করবেন সে ব্যতীত তাঁর নিকট কেউ সুপারিশ করতে পারবে না। আর আল্লাহ তাঁর পছন্দ ব্যতীত কাউকে সুপারিশের অনুমতি প্রদান করবেন নাতাঁরমাহাত্ম্যেরকারণে। আরতাঁরমাহাত্ম্যএত উঁ চু পর্যায়ে রযে,তিনি যখন আসমানে কথাবলেন তখন ফিরিশতাগণ তাঁর কথার মর্যাদা প্রদর্শনমূলক তাঁদের ডানা নাড়া দেন। অবশেষে যখন তাঁদের অন্ত র থেকে ভয় দূর হয়ে যায় তখন ফিরিশতাগণ জিবরীলকে বলেন:আপনাদের প্রতিপালক কী বলেছেন? জিবরীল বলেন: তিনি সত্য বলেছেন। তিনি স্বকীয় ভাবে সমুন্নত ও ক্ষমতাবান। আর তিনি মহান। অন্যসব তাঁর অপেক্ষা নিচু মানের।

۞ قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ قُلِ ٱللَّهُ ۖ وَإِنَّآ أَوْ إِيَّاكُمْ لَعَلَىٰ هُدًى أَوْ فِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٢٤﴾

হে রাসূল! আপনি এসব মুশরিকদেরকে বলুন: তোমাদেরকে আসমান থেকে বারি বর্ষানোর মাধ্যমে কে জীবিকা প্রদান করেন? আর যমীন থেকে ফসলাদি, শস্য ও ফলমূ ল উদ্গত করার মাধ্যমে জীবিকা প্রদান করেন কে? আপনি বলুন: আল্লাহই তাথেকে তোমাদেরকে জীবিকা প্রদান করেন। আর হে মুশরিকরা! আমরা অথবা তোমরা অবশ্যই হেদায়ে ত কিংবা সুস্পষ্ট পথভ্র ষ্টতায় নিমজ্জিত রয়ে ছি। যে কোন পক্ষকে অবশ্যই এমনটি হতে হবে। কোন সন্দে হ নেই যে,মু মিনরাহচ্ছে হেদায় তপ্রাপ্ত ,আরমু শরিকরাহচ্ছে পথভ্র ষ্ট।

قُل لَّا تُسْـَٔلُونَ عَمَّآ أَجْرَمْنَا وَلَا نُسْـَٔلُ عَمَّا تَعْمَلُونَ ﴿٢٥﴾

হে রাসূল! আপনি বলে দিন, কিয়ামতের দিন আমাদের পাপ সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না। আর না তোমাদের পাপ সম্পর্কে আমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

قُلْ يَجْمَعُ بَيْنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ يَفْتَحُ بَيْنَنَا بِٱلْحَقِّ وَهُوَ ٱلْفَتَّاحُ ٱلْعَلِيمُ ﴿٢٦﴾

আপনি তাদেরকে বলে দিন: কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তোমাদেরকে ও আমাদেরকে সমবেত করবেন। অতঃপর আমাদের ও তোমাদের মাঝে ইনসাফ সহকারে ফয় সালা করবেন। ফলে হকপন্থী আর বাতিলপন্থীর মধ্যে পার্থক্য ফু টে উঠবে। তিনিই সেই হাকিম যিনি ইনসাফ সহকারে ফয় সালা প্রদান করেন।তিনি যে বিষয়ে ফয় সালাকরেন সে বিষয়ে তিনি সম্যকপরিজ্ঞাত।

قُلْ أَرُونِىَ ٱلَّذِينَ أَلْحَقْتُم بِهِۦ شُرَكَآءَ ۖ كَلَّا ۚ بَلْ هُوَ ٱللَّهُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ ﴿٢٧﴾

হে রাসূল! তাদেরকে বলুন: তোমরা আমাকে ওই সব লোকজন দেখাও যাদেরকে তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে অংশীদার বানিয়ে এবাদতে তাঁর সাথে এদেরকে শরীক করে থাক। আদৌ ব্যাপারটি এমন নয় যেমন তোমরা ধারণা করছ যে, তাঁর শরীক রয়ে ছে। বরং তিনি সেই আল্লাহ যাঁকে পরাভূ তকারী কেউ নেই। তিনি তাঁরসৃষ্টি ,ফয় সালাওপরিচালনায় প্রজ্ঞময় ।

وَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ إِلَّا كَآفَّةًۭ لِّلنَّاسِ بَشِيرًۭا وَنَذِيرًۭا وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٢٨﴾

হে রাসূল! আমি সকল মানুষের তরে আপনাকে কেবল রহমত স্বরূপ প্রে রণ করেছি। আল্লাহভীরুদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদদাতা এবং কাফির ও পাপিষ্ঠ দেরকে জাহান্নামেরভীতি প্রদর্শনকারী হিসাবে। কিন্তু বেশিরভাগ মানু ষ তা জানে না। যদি তারা জানত তবেআপনাকে মিথ্যাবাদী বলত না।

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَـٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿٢٩﴾

মু শরিকদেরকে যে শাস্তি র ভীতি প্রদর্শন করা হয় তারা সেজন্য তাড়াহুড়া করে বলে: তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো: তোমাদের অঙ্গীকারকৃ ত সত্য দাবিটি কোথায় ? قل ل كم ميعاد يوم لا تستٔخرون عنهساعة ولا تستقدمون

قُل لَّكُم مِّيعَادُ يَوْمٍۢ لَّا تَسْتَـْٔخِرُونَ عَنْهُ سَاعَةًۭ وَلَا تَسْتَقْدِمُونَ ﴿٣٠﴾

হে রাসূল! শাস্তি র জন্য এসব তাড়াহুড়োকারীদেরকে আপনি বলে দিন যে, তোমাদের জন্য নির্ধারিত মেয়াদ অবশ্যই রয়ে ছে। যাথেকে তোমারা সামান্যতম পিছাতে পারবেনা। আরনাসামান্যতম অগ্র সরহতে পারবে। আরসেটি হচ্ছে কিয়ামত দিবস।

وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَن نُّؤْمِنَ بِهَـٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَلَا بِٱلَّذِى بَيْنَ يَدَيْهِ ۗ وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذِ ٱلظَّـٰلِمُونَ مَوْقُوفُونَ عِندَ رَبِّهِمْ يَرْجِعُ بَعْضُهُمْ إِلَىٰ بَعْضٍ ٱلْقَوْلَ يَقُولُ ٱلَّذِينَ ٱسْتُضْعِفُوا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوا۟ لَوْلَآ أَنتُمْ لَكُنَّا مُؤْمِنِينَ ﴿٣١﴾

যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তারা বলে: আমরা কক্ষনো এ কোরআনে বিশ্বাস করব না। যে কোরআন সম্পর্কে মুহাম্মদ বলে যে, এটি তার উপর অবতীর্ণ করা হয়ে ছে। আরনা পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহেরউপরঈমান আনব। হে রাসূল! আপনি যদি অপরাধীদেরকে দেখতেন যখন কিয়ামত দিবসে স্বীয় প্রতিপালকের নিকট বেঁধে রাখা হবে। একে অপরের সাথে বাক-বিতÐা করবে। একজন অপরজনের উপর দয়ি ত্বভার ও দোষ চাপাবে। দুনিয়াতে দুর্বল অনুসারীরা তাদের উপর প্রতাপশালী নেতাদেরকে বলবে: তোমরা আমাদেরকে বিপথগামী না করলে আমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের উপর বিশ্বাসী হতাম।

قَالَ ٱلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتُضْعِفُوٓا۟ أَنَحْنُ صَدَدْنَـٰكُمْ عَنِ ٱلْهُدَىٰ بَعْدَ إِذْ جَآءَكُم ۖ بَلْ كُنتُم مُّجْرِمِينَ ﴿٣٢﴾

হকের ক্ষেত্রে অহঙ্কার প্রদর্শনকারী নেতারা তাদের ধাপটে দুর্বল অনু গামীদেরকে বলবে: আমরাকি তোমাদেরকে মু হাম্মদ কর্তৃ ক আনিত হেদায়ে ত থেকে বারণ করেছিলাম? না। বরং তোমরা ছিলে জালিম এবং ফাসিদ ও ফাসাদ সৃষ্টি কারী। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَقَالَ ٱلَّذِينَ ٱسْتُضْعِفُوا۟ لِلَّذِينَ ٱسْتَكْبَرُوا۟ بَلْ مَكْرُ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ إِذْ تَأْمُرُونَنَآ أَن نَّكْفُرَ بِٱللَّهِ وَنَجْعَلَ لَهُۥٓ أَندَادًۭا ۚ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّدَامَةَ لَمَّا رَأَوُا۟ ٱلْعَذَابَ وَجَعَلْنَا ٱلْأَغْلَـٰلَ فِىٓ أَعْنَاقِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۚ هَلْ يُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿٣٣﴾

দুর্বল আনু সারীরা হক থেকে অহঙ্কার প্রদর্শনকারী নেতাদেরকে বলবে: বরং তোমরা আমাদেরকে দিন ও রাতভর প্রতারণা করে আল্লাহর সাথে কু ফরি ও তাঁকে বাদ দিয়ে সৃষ্টি রএবাদতেরনির্দে শ প্রদানেরমাধ্যমে বারণ করেছ। আরদুনিয়াতে কু ফরিরবিনিময়ে শাস্তি প্রদর্শন ও তারাশাস্তি প্রাপ্ত হবেএকথা জানার পর তারা অপমানকে ঢেকে রাখবে। আর দুনিয়াতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যের ইবাদাত করা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার কারণে আমি কাফিরদেরঘাড়ে শৃ ঙ্খল চাপিয়ে দিব।

وَمَآ أَرْسَلْنَا فِى قَرْيَةٍۢ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتْرَفُوهَآ إِنَّا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ كَـٰفِرُونَ ﴿٣٤﴾

আর আমি যে জনপদেই অল্লাহর শাস্তি থেকে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নবী প্রে রণ করেছি সেখানকার পদধারী নেতৃ স্থানীয় বিত্তবান উচ্চাভিলাষীরা বলেছে:হে রাসূলগণ তোমরাযানিয়ে প্রে রিত হয়ে ছ আমরাতাতে অবিশ্বাসী। وقالوا نحن أكثرأمولا وأولدا وما نحن بمعذ بين

وَقَالُوا۟ نَحْنُ أَكْثَرُ أَمْوَٰلًۭا وَأَوْلَـٰدًۭا وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ﴿٣٥﴾

আর এসব লোক অহঙ্কার ও দম্ভ ভরে বলেছে: আমরা ধন-সম্পত্তি ও সন্তান-সন্ত তিতে অগ্র ণী। আর তোমরা যে ধারণা করেছ যে, আমরা শাস্তি প্রাপ্ত হব তা মিথ্যা। বরং আমরা না দুনিয়াতে আর না পরকালে শাস্তি প্রাপ্ত হব।

قُلْ إِنَّ رَبِّى يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٦﴾

হে রাসূল! আপনি এসব নিয়ামতপ্রাপ্ত অহমিকাগ্র তস্ লোকদেরকে বলুন: আমার প্রতিপালক যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়ি য়ে দেন পরীক্ষা করার জন্য যে, সে শুকরিয়া আদায় করে, না কি নাশুকরী করে। আবার যাকে ইচ্ছা তার উপর এটি সঙ্কীর্ণ করে দেন যাতে পরীক্ষা করেন, সে সন্তু ষ্টথাকে না কি অসন্তু ষ্টহয় । তবেবেশীরভাগ মানুষ জানে না যে,তিনি প্রজ্ঞাবান। কোন বিষয়ে পূর্ণ হিকমত ব্যতীত ফয় সালা করেন না। হ্যাঁ,যে জানারসে জেনেছে। আর যে না জানার সে জানতে পারে নি।

وَمَآ أَمْوَٰلُكُمْ وَلَآ أَوْلَـٰدُكُم بِٱلَّتِى تُقَرِّبُكُمْ عِندَنَا زُلْفَىٰٓ إِلَّا مَنْ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا فَأُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُمْ جَزَآءُ ٱلضِّعْفِ بِمَا عَمِلُوا۟ وَهُمْ فِى ٱلْغُرُفَـٰتِ ءَامِنُونَ ﴿٣٧﴾

আর তোমরা যে ধন-সম্পত্তি ও সন্তান-সন্ত তি নিয়ে গৌরব করছ তা তোমাদেরকে আল্লাহর সন্তু ষ্টি পর্যতন্ পৌঁছাবে না। বরং যে আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে এবংনেক আমল করেছে কেবল সেই বহুগুণে বর্দ্ধিত প্রতিদান লাভে ধন্য হয়ে ছে। হ্যাঁ, আল্লাহরপথে সম্পদ ব্যয় আরসন্তানদেরদো‘আতাকে নৈকট্য লাভ করিয়ে দেয় । এসব পুণ্যবান মুমিনদের জন্য তাদের আমলের বিনিময়ে বর্দ্ধিত প্রতিদান রয়ে ছে। তারা শাস্তি র ভয় ও পুরস্কার বিচ্ছিন্ন হওয়ারআশঙ্কামু ক্তঅবস্থায় জান্নাতেরউচ্চাসনে নিরাপদে থাকবে।

وَٱلَّذِينَ يَسْعَوْنَ فِىٓ ءَايَـٰتِنَا مُعَـٰجِزِينَ أُو۟لَـٰٓئِكَ فِى ٱلْعَذَابِ مُحْضَرُونَ ﴿٣٨﴾

আর যে সব কাফির মানুষকে আমার আয়াতসমূহ থেকে বারণ করা ও তাদের উদ্দেশ্য সিদ্ধির কাজে প্রাণান্ত কর চেষ্টা চালায় তারা দুনিয়াতে ক্ষতিগ্র তস্ এবংপরাকালেশাস্তি প্রাপ্ত ।

قُلْ إِنَّ رَبِّى يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥ ۚ وَمَآ أَنفَقْتُم مِّن شَىْءٍۢ فَهُوَ يُخْلِفُهُۥ ۖ وَهُوَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ ﴿٣٩﴾

হে রাসূল! আপনি বলুন: আমার প্রতিপালক যাকে ইচ্ছা তার জন্য রিযিক বাড়িয়ে দেন। আর যাকে ইচ্ছা রিযিক কমিয়ে দেন। আর তোমরা যা আল্লাহরপথে ব্যয় করোতিনি তদাপেক্ষাভাল দ্বারাতারপ্র তিদান দেন।আরপরকালে রয়ে ছে বড় পুরস্কার। বস্তু তঃআল্লাহ সর্বোত্তম রিযিকদাতা। ফলে بلغ আল-কু রআন · তাফসীর যে ব্যক্তি জীবিকাচায় সে যেন তাঁরনিকট তাকামনাকরে।

وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ جَمِيعًۭا ثُمَّ يَقُولُ لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ أَهَـٰٓؤُلَآءِ إِيَّاكُمْ كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ ﴿٤٠﴾

হে নবী! সেই দিনের কথা স্মরণ করুন যেদিন আল্লাহ সবাইকে সমবেত করে মুশরিকদেরকে নিন্দা জ্ঞাপন ও ভিতি প্রদর্শনপূর্বক ফিরিশতাদেরকে বলবেন: এরাই কী দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর পরিবর্তে তোমাদের ইবাদাত করতো?

قَالُوا۟ سُبْحَـٰنَكَ أَنتَ وَلِيُّنَا مِن دُونِهِم ۖ بَلْ كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ ٱلْجِنَّ ۖ أَكْثَرُهُم بِهِم مُّؤْمِنُونَ ﴿٤١﴾

ফিরিশতাগণ বলবেন: আপনি পবিত্র ও সম্মানী। আপনি আমাদেরঅভিভাবক; তারা কিছু ই নয় । তাদেরও আমাদেরমাঝে কোন বন্ধুত্ব নেই। বরংএরা শয় তানদের দাসত্ব করত। যারা তাদের সামনে ফিরিশতার রূপ ধারণ করে প্রকাশرপেত। আর এদের বেশীর ভাগই তাদের উপর বিশ্বাসী ছিল।

فَٱلْيَوْمَ لَا يَمْلِكُ بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍۢ نَّفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا وَنَقُولُ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلنَّارِ ٱلَّتِى كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ ﴿٤٢﴾

হাশর ও হিসাবের দিন দুনিয়াতে আল্লাহর পরিবর্তে ইবাদাতকৃ তরা ইবাদাতকারীদের কোন উপকারে আসবে না। আর না কোন অপকার করতে পারবে। যারা অন্যায় ও পাপের মাধ্যমে নিজেদের উপর জুলুম করেছে আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলবো: তোমরাওই শাস্তি ভোগ করো দুনিয়ার জীবনে তোমরা যা অবিশ্বাস করতে।

وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ءَايَـٰتُنَا بَيِّنَـٰتٍۢ قَالُوا۟ مَا هَـٰذَآ إِلَّا رَجُلٌۭ يُرِيدُ أَن يَصُدَّكُمْ عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ ءَابَآؤُكُمْ وَقَالُوا۟ مَا هَـٰذَآ إِلَّآ إِفْكٌۭ مُّفْتَرًۭى ۚ وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمْ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٤٣﴾

আর আপনি যখন এসব অস্বীকারকারী মুশরিকদের সামনে আমার জড় তাহীন সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন তারা তখন বলে: এই ব্যক্তি যা নিয়ে এসেছে এদ্বারা সে কেবলই তোমাদেরবাপ-দাদারআদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে চায় । তারা আরো বলে: এই কোরআন মিথ্যা ও তাঁরবানোয়াট বক্ত ব্যছাড়া আর কিছু নয় । যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করেছে তারা কু রআন সম্পর্কে বলেছে:এটি পুরুষ ও মহিলা এবং পিতা ও পুত্রের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য নির্ঘাত ও সুস্পষ্ট যাদু ।

وَمَآ ءَاتَيْنَـٰهُم مِّن كُتُبٍۢ يَدْرُسُونَهَا ۖ وَمَآ أَرْسَلْنَآ إِلَيْهِمْ قَبْلَكَ مِن نَّذِيرٍۢ ﴿٤٤﴾

আরআমি তাদেরকে এমন কোন কিতাবপ্র দান করিনি যাতাদেরকে বাতলে দিবেযে,এই কোরআন মুহাম্মদ নিজে মিথ্যাবানিয়ে ছে। হে রাসূল! আমি আপনার পূর্বে তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে সতর্ক করার জন্য কোন রাসূল প্রে রণ করি নি।

وَكَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَمَا بَلَغُوا۟ مِعْشَارَ مَآ ءَاتَيْنَـٰهُمْ فَكَذَّبُوا۟ رُسُلِى ۖ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿٤٥﴾

আপনার পূর্বের জাতিরা অবিশ্বাস করেছে যথা আদ, সামূদ ও লুত্ব সম্প্র দায় । আর আপনার সম্প্র দায় । তাদের শক্তি, প্রতাপ ও সম্পদ সংখ্যায় এক দশমাংশও নয় তদুপরি তাদের সম্পদ, ক্ষমতা ও সংখ্যা কোন উপকারে আসেনি। আমার শাস্তি তাদের উপর পতিত হয়ে ছে। অতএব, হে রসূল! আপনি দেখুন, কীভাবে তাদের উপর আমার অসন্তু ষ্টি ও শাস্তি পতিত হয়ে ছে।

۞ قُلْ إِنَّمَآ أَعِظُكُم بِوَٰحِدَةٍ ۖ أَن تَقُومُوا۟ لِلَّهِ مَثْنَىٰ وَفُرَٰدَىٰ ثُمَّ تَتَفَكَّرُوا۟ ۚ مَا بِصَاحِبِكُم مِّن جِنَّةٍ ۚ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌۭ لَّكُم بَيْنَ يَدَىْ عَذَابٍۢ شَدِيدٍۢ ﴿٤٦﴾

بينيدى عذاب شديد হে রাসূল! এসবমুশরিকদেরকে বলে দিন, আমি তোমাদেরকে কেবল একটি বস্তু রপ্র তি ইঙ্গিত ও তারউপদেশ প্রদান করছি যা হচ্ছে এই যে, তোমরা প্রবৃত্তিমুক্ত হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুজন ও একজন করে দÐায় মান হবে। অতঃপর তোমাদের নবীর জীবন চরিতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। আর তাঁর বিবেক, সততা ও আমানত সম্পর্কে যা জানতে পেরেছো তাও দেখবে যাতে প্রমাণিত হবে যে, সে পাগল নয় । বরং সে কেবল তোমাদেরকে কঠি ন শাস্তি بلغ আল-কু রআন · তাফসীর থেকে সতর্ক কারী। যদি তোমরা আল্লাহর শিরক করা থেকে তাওবা না করো।

قُلْ مَا سَأَلْتُكُم مِّنْ أَجْرٍۢ فَهُوَ لَكُمْ ۖ إِنْ أَجْرِىَ إِلَّا عَلَى ٱللَّهِ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ شَهِيدٌۭ ﴿٤٧﴾

হে রাসূল! এসবমুশরিকদেরকে বলে দিন। আমি তোমাদেরনিকট যে হেদায় ত ও কল্যাণ নিয়ে আগমন করেছি তারবিনিময়ে কোন পারিতোষিক ও বদলাচাইনি। (যদি কিছু হয়ে থাকে) তবেতাতোমাদেরজন্য। আমারপ্র তিদান তোকেবল আল্লাহরনিকট। তিনি মহিয়ান;সর্ব বিষয়ে সাক্ষী। তিনি সাক্ষীরয়ে ছেন যে,আমি তোমাদেরনিকট পৌঁছে দিয়ে ছি এবংতিনি তোমাদেরপূর্ণ প্রতিদান দিবেন।

قُلْ إِنَّ رَبِّى يَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَّـٰمُ ٱلْغُيُوبِ ﴿٤٨﴾

হে রাসূল! আপনি বলে দিন। অবশ্যই আমার প্রতিপালক হককে বাতিলের উপর বিজয়ী করার মাধ্যমে তাকে নস্যাত করেন। আর তিনি মহান গায়ে বজান্তা। তাঁরনিকট আসমান-যমীনেরকোন কিছু নাঅজানাথাকে। নাস্বীয় বান্দাদেরকোন আমল লুক্কায়ি ত থাকে।

قُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ ٱلْبَـٰطِلُ وَمَا يُعِيدُ ﴿٤٩﴾

হে রাসূল! এসব অস্বীকারকারী মু শরিকদেরকে বলে দিন: ইসলাম নামক সত্য এসেছে। আর অচল, দুর্বল ও প্রভাবহীন বাত্বি ল দূরীভূ ত হয়ে ছে।

قُلْ إِن ضَلَلْتُ فَإِنَّمَآ أَضِلُّ عَلَىٰ نَفْسِى ۖ وَإِنِ ٱهْتَدَيْتُ فَبِمَا يُوحِىٓ إِلَىَّ رَبِّىٓ ۚ إِنَّهُۥ سَمِيعٌۭ قَرِيبٌۭ ﴿٥٠﴾

হে রাসূল! এসব অস্বীকারকারী মুশরিকদেরকে বলে দিন: আমি যদি তোমাদেরকে যে বার্তা শুনাচ্ছি তাতে বিপথগামী হয়ে থাকি তবে তার ক্ষয় -ক্ষতি কেবল আমারই হবে; তোমাদের নয় । পক্ষান্ত রে আমি যদি সৎপথের সন্ধান পেয়ে থাকি তবে তা আমার মহান প্রতিপালকের ঐশী বাণীর মাধ্যমেই হয়ে ছে। তিনি স্বীয় বান্দাদেরকথাশ্র বণকারী,নিকটবর্তী। আমারকথাশুনতে তাঁরকোন কষ্ট হয় না।

وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذْ فَزِعُوا۟ فَلَا فَوْتَ وَأُخِذُوا۟ مِن مَّكَانٍۢ قَرِيبٍۢ ﴿٥١﴾

হে রাসূল! আপনি যদি দেখতেন এসবঅস্বীকারকারীকে যারা কিয়ামত দিবসেরশাস্তি দেখে ভীত হয়ে পড় বে। তাদেরপালানোরকোন সুযোগ থাকবে না। আরনা আশ্র য় গ্রহণেরকোন সুযোগ থাকবে। তাদেরকে প্রথম ধাপেই সহজভাবেনিকটবর্তী স্থান থেকে পাকড়াও করা হবে। যদি আপনি তা দেখতেন তবেঅবশ্যই এক বিষ্ময় করবিষয় দেখতেন।

وَقَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِهِۦ وَأَنَّىٰ لَهُمُ ٱلتَّنَاوُشُ مِن مَّكَانٍۭ بَعِيدٍۢ ﴿٥٢﴾

তারা যখন তাদের পরিণতি দেখবে তখন বলবে: আমরা কিয়ামত দিবসের উপর ঈমান আনলাম। অথচ ঈমান গ্রহণোপযোগী দুনিয়া যা আমলের জন্য নির্ধারিত ছিল তাথেকে বের হয়ে যাওয়ার পর পরকালে যেখানে শুধু প্রতিদানই দেওয়া হবে তাথেকে কীভাবে আমল গ্রহণ করা হবে?!

وَقَدْ كَفَرُوا۟ بِهِۦ مِن قَبْلُ ۖ وَيَقْذِفُونَ بِٱلْغَيْبِ مِن مَّكَانٍۭ بَعِيدٍۢ ﴿٥٣﴾

আর কীভাবেই বা তাদের থেকে ঈমান আসতে ও স্বীকৃ ত হতে পারে যেখানে তারা পার্থিব জীবনে একে অস্বীকার করেছে। আর সত্য পর্যতন্ উপনীত হওয়া থেকে বহু দূরে থেকে নিছক ধারণার ঢিল ছুঁ ড়ে মারে। ফলে রাসূল সম্পর্কে বলে: তিনি যাদুকর, জ্যোতিষী ও কবি।

وَحِيلَ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَشْتَهُونَ كَمَا فُعِلَ بِأَشْيَاعِهِم مِّن قَبْلُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ فِى شَكٍّۢ مُّرِيبٍۭ ﴿٥٤﴾

আর এসব অস্বীকারকারী ও তারা যা কামনা করে যথা দুনিয়ার চাকচিক্য, কু ফরি থেকে তাওবা, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও দুনিয়ার জীবনে ফেরত আসা এগুলোর মাঝে পর্দা দেয়া হবে যেমনটি করা হয়ে ছিল পূর্ববর্তী অস্বীকারকারী জাতিদের সাথে। তারা রাসূলগণ যে সব বিশ্বাস নিয়ে এসেছিলেন যথা আল্লাহরএকত্ব বাদ ও পুনরুত্থান তাতে এমন সন্দি হান ছিল যা ছিল কু ফরিরপ্র তি উদ্বুদ্ধকারী। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · Saba — سبأ

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা