قُلْ أُوحِىَ إِلَىَّ أَنَّهُ ٱسْتَمَعَ نَفَرٌۭ مِّنَ ٱلْجِنِّ فَقَالُوٓا۟ إِنَّا سَمِعْنَا قُرْءَانًا عَجَبًۭا ﴿١﴾
হে রাসূল! আপনি নিজ উম্মতকে বলে দিন, আমাকে ওহীযোগে অবগত করা হয়ে ছে যে, নাখলা উপত্যকায় জিনদের এক দল আমার কু রআন তিলাওয়াত শ্রবণ করেছে। অতঃপর তারা নিজেদের জাতির নিকট আগমন করে বলে: আমরা এমন বাণী শ্রবণ করেছি যা তার বর্ণনা ও সাবলীলতায় অতি চমৎকার।
يَهْدِىٓ إِلَى ٱلرُّشْدِ فَـَٔامَنَّا بِهِۦ ۖ وَلَن نُّشْرِكَ بِرَبِّنَآ أَحَدًۭا ﴿٢﴾
আমরা যে বাণী শ্রবণ করেছি তা প্রমাণ করে যে, এটি আক্বীদা, কথা ও কাজে সঠি ক। তাই আমরা এর উপর ঈমান এনেছি। আর আমাদের যে রব এটি অবতীর্ণ করেছেন তাঁর সাথে আমরা কাউকে শরীক করি না।
وَأَنَّهُۥ تَعَـٰلَىٰ جَدُّ رَبِّنَا مَا ٱتَّخَذَ صَـٰحِبَةًۭ وَلَا وَلَدًۭا ﴿٣﴾
আমরা আরো ঈমান এনেছি যে, আমাদের রবের মাহাত্ম্য ও মর্যাদা সমু ন্নত। তিনি স্ত্রী কিংবা সন্তান গ্রহণ করেন নি যেমনটি মু শরিকরা বলে থাকে।
وَأَنَّهُۥ كَانَ يَقُولُ سَفِيهُنَا عَلَى ٱللَّهِ شَطَطًۭا ﴿٤﴾
এদিকে ইবলীস মহান আল্লাহরপ্র তি স্ত্রী ও সন্তানেরসম্বন্ধ জুড়ে দিয়ে তাঁরসাথে বক্র তারঅচরণ দেখায় ।
وَأَنَّا ظَنَنَّآ أَن لَّن تَقُولَ ٱلْإِنسُ وَٱلْجِنُّ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًۭا ﴿٥﴾
আমরা ধারণা করতাম যে, জিন ও ইনসানের মধ্যকার মুশরিকরা তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের ব্যাপারে যে ধারণা পোষণ করতো তারা এতে মিথ্যাবাদী নয় । ফলে তাদের অন্ধ অনু করণে আমরা তাদেরকে সত্য বলে জানতাম।
وَأَنَّهُۥ كَانَ رِجَالٌۭ مِّنَ ٱلْإِنسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍۢ مِّنَ ٱلْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًۭا ﴿٦﴾
জাহেলী যুগে এমন কিছু মানু ষ ছিলো যারা ভয়ানক কোন জায় গায় অবতরণ করলে জিনদের আশ্র য় কামনা করতো এই বলে যে, আমি এ উপত্যকার সর্দারের নিকট তার জাতির বখাটেদের অনিষ্ট থেকে আশ্র য় কামনা করছি। এর কারণে মানু ষ শ্রে ণীর পুরুষেরা জিন শ্রে ণীর পুরুষদেরকে আরো বেশী ভয় করতে লাগলো।
وَأَنَّهُمْ ظَنُّوا۟ كَمَا ظَنَنتُمْ أَن لَّن يَبْعَثَ ٱللَّهُ أَحَدًۭا ﴿٧﴾
হে জিনরা! তোমাদের মতো কিছু মানু ষও এ ধারণা করে যে, আল্লাহ কাউকে তার মৃ ত্যুর পর হিসাব ও প্রতিদানের জন্য পুনরুত্থিত করবেন না।
وَأَنَّا لَمَسْنَا ٱلسَّمَآءَ فَوَجَدْنَـٰهَا مُلِئَتْ حَرَسًۭا شَدِيدًۭا وَشُهُبًۭا ﴿٨﴾
আমরা আসমানের সংবাদ জানতে চাইলে সেটি কে চোরাই পথে আমাদের শ্রবণ থেকে রক্ষী বাহিনী ফিরিশতাদের মাধ্যমে এবং প্রজ্বলিত আগুন দিয়ে ভরপুরপেলাম। যে কেউ আসমানেরনিকটবর্তী হতে চাইলে তাকে সেটি ছুঁ ড়ে মারাহয় । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَـٰعِدَ لِلسَّمْعِ ۖ فَمَن يَسْتَمِعِ ٱلْـَٔانَ يَجِدْ لَهُۥ شِهَابًۭا رَّصَدًۭا ﴿٩﴾
ইতিপূর্বে আমরা আসমানে এমন একটি স্থান বের করে নিতাম যেখান থেকে ফিরিশতাদের আদান-প্রদানকৃত সংবাদগুলো আমরা জেনে নিতে পারতাম। অতঃপরআমরাযমীনেরগণকদেরকে এরসংবাদ অবিহিত করতাম। কিন্তু বর্ত মানে তাপরিবর্ত ন হয়ে গিয়ে ছে। তাই এখন যে শ্রবণ করে সে নিজেরজন্য প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা প্রস্তু ত দেখতে পায় । যখনই সে নিকটবর্তী হয় তখনই তারদিকে এটি প্রে রণ করা হয় এবংএটি তাকে জ্বালিয়ে ফেলে।
وَأَنَّا لَا نَدْرِىٓ أَشَرٌّ أُرِيدَ بِمَن فِى ٱلْأَرْضِ أَمْ أَرَادَ بِهِمْ رَبُّهُمْ رَشَدًۭا ﴿١٠﴾
আমরা এ কঠোর পাহারার কারণ কী তা জানি না। এর মাধ্যমে কি যমীনবাসীর কোন অকল্যাণ কামনা করা হয়ে ছে, না কি আল্লাহ তাদের ব্যাপারে কোন কল্যাণেরইচ্ছা পোষণ করেছেন। বস্তু তঃআমাদেরথেকে আসমানবাসীরসংবাদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ছে।
وَأَنَّا مِنَّا ٱلصَّـٰلِحُونَ وَمِنَّا دُونَ ذَٰلِكَ ۖ كُنَّا طَرَآئِقَ قِدَدًۭا ﴿١١﴾
হে জিন সম্প্র দায়! আমাদেরমধ্যেরয়ে ছে পুণ্যবান মু ত্তাকী। আবাররয়ে ছে পাপিষ্ঠ কাফির। আমরামূ লতঃবিভিন্নরূপীওবিপরীত প্রবৃত্তিপরায় ণ।
وَأَنَّا ظَنَنَّآ أَن لَّن نُّعْجِزَ ٱللَّهَ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَن نُّعْجِزَهُۥ هَرَبًۭا ﴿١٢﴾
আমরা এ দৃঢ় বিশ্বাস রাখি যে, আল্লাহ যখন আমাদের ব্যাপারে কোন কিছু র ইচ্ছা পোষণ করেন তখন তা থেকে আমরা রেহাই পাবো না, না তা থেকে আমরা পালাতে পারবো। কেননা, তিনি আমাদের ব্যাপারে সম্যক অবগত।
وَأَنَّا لَمَّا سَمِعْنَا ٱلْهُدَىٰٓ ءَامَنَّا بِهِۦ ۖ فَمَن يُؤْمِنۢ بِرَبِّهِۦ فَلَا يَخَافُ بَخْسًۭا وَلَا رَهَقًۭا ﴿١٣﴾
আমরাযখন কু রআন শ্রবণ করলাম যাসর্বাপেক্ষাসঠি ক পথেরদিশাপ্র দান করেতখনই এরউপরঈমান আনলাম। তাই যে ব্যক্তি স্বীয় রবেরউপর ঈমান আনলো সে তার পুণ্যের প্রতিদানে কোনরূপ ঘাটতির ভয় করবে না। না তার পূর্বের কৃ ত পাপের সাথে কোন নতু ন পাপ যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা করবে।
وَأَنَّا مِنَّا ٱلْمُسْلِمُونَ وَمِنَّا ٱلْقَـٰسِطُونَ ۖ فَمَنْ أَسْلَمَ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ تَحَرَّوْا۟ رَشَدًۭا ﴿١٤﴾
আমাদের মধ্যে রয়ে ছে এমন মুসলিম যারা আল্লাহর আনুগত্যে অবনমিত। তেমনিভাবে আমাদের মধ্যে সরল সঠি ক পথ থেকে বিচ্যুতও রয়ে ছে। বস্তু তঃ যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আনু গত্য ও নেক আমলের মাধ্যমে অনু গত হবে তারাই মূ লতঃ হিদায়ে ত ও সরল পথ অন্বে ষণকারী।
وَأَمَّا ٱلْقَـٰسِطُونَ فَكَانُوا۟ لِجَهَنَّمَ حَطَبًۭا ﴿١٥﴾
পক্ষান্ত রে সরল সঠি ক পথ থেকে বিচ্যুতরা জাহান্নামের ইন্ধন হবে। যদ্বারা মনুষ্য শ্রে ণীর মধ্য হতে তাদের সদৃশদেরসহ জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে।
وَأَلَّوِ ٱسْتَقَـٰمُوا۟ عَلَى ٱلطَّرِيقَةِ لَأَسْقَيْنَـٰهُم مَّآءً غَدَقًۭا ﴿١٦﴾
যেভাবে তাঁর নিকট এ ওহী করা হয়ে ছে যে, জিনদের একদল কু রআন শ্রবণ করেছে তেমনিভাবে তাঁর নিকট এ ওহীও করা হয়ে ছে যে, যদি জিন ও মানুষরা ইসলামের পথে অটল থেকে এর উপর আমল করে তাহলে আল্লাহ তাদেরকে প্রচু র পরিমাণে পানি পান করাবেন এবং নানাবিধ নিয়ামত দ্বারা তাদেরকে ধন্য করবেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
لِّنَفْتِنَهُمْ فِيهِ ۚ وَمَن يُعْرِضْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِۦ يَسْلُكْهُ عَذَابًۭا صَعَدًۭا ﴿١٧﴾
যাতে করে আমি তাদেরকে এ বিষয়ে পরীক্ষা করতে পারি যে, তারা কি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, না কি তারা এর নাশুকরি করে? বস্তু তঃ যে কু রআন ও তাতে বিদ্যমান উপদেশাবলী থেকে বিমুখ হয় তাকে তার প্রতিপালক এমন কঠি ন শাস্তি তে প্রবিষ্ট করবেন যা সে সহ্য করতে অপারগ।
وَأَنَّ ٱلْمَسَـٰجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا۟ مَعَ ٱللَّهِ أَحَدًۭا ﴿١٨﴾
বস্তু তঃ মসজিদসমূ হ আল্লাহর জন্য নির্ধারিত; অন্য কারো নয় । তাই তোমরা তাতে তাঁর সাথে অন্য কাউকে আহŸান করো না। এতে করে তোমরা গির্জা ও চার্চে রইহুদি এবংখ্রি স্টানদেরন্যায় হয়ে যাবে।
وَأَنَّهُۥ لَمَّا قَامَ عَبْدُ ٱللَّهِ يَدْعُوهُ كَادُوا۟ يَكُونُونَ عَلَيْهِ لِبَدًۭا ﴿١٩﴾
যখন আল্লাহর বান্দাহ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম) আল্লাহর এবাদতের উদ্দেশ্যে নাখলা উপত্যকায় দÐায় মান হলেন তখন জিনরা তাঁর কু রআনতিলাওয়াতশ্র বণেরজন্যেপ্র চÐভিড় জমিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ারউপক্র মহয় ।
قُلْ إِنَّمَآ أَدْعُوا۟ رَبِّى وَلَآ أُشْرِكُ بِهِۦٓ أَحَدًۭا ﴿٢٠﴾
হে রাসূল! আপনি এ সব মু শরিককে বলে দিন, আমি তো কেবল আমার প্রতিপালককে ডাকি; তাঁর ইবাদাতে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না। সে যে কেউই হোক না কেন? ر
قُلْ إِنِّى لَآ أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّۭا وَلَا رَشَدًۭا ﴿٢١﴾
আপনি তাদেরকে বলে দিন যে, আমি তোমাদেরউপরআল্লাহ কর্তৃ ক নির্ধারিত কোন বিপদ প্রতিহত করতে সক্ষম নই। না এমন কোন উপকারসাধন করতে সক্ষম যাআল্লাহ তোমাদেরথেকে বারণ করেন।
قُلْ إِنِّى لَن يُجِيرَنِى مِنَ ٱللَّهِ أَحَدٌۭ وَلَنْ أَجِدَ مِن دُونِهِۦ مُلْتَحَدًا ﴿٢٢﴾
আপনি তাদেরকে বলে দিন যে, আমি আল্লাহর অবাধ্য হলে আমাকে কেউ তাঁর পাকড়াও থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আর না আমি তিনি ব্যতীত অন্যকোন আশ্র য় স্থল খুঁজে পাবো।
إِلَّا بَلَـٰغًۭا مِّنَ ٱللَّهِ وَرِسَـٰلَـٰتِهِۦ ۚ وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَإِنَّ لَهُۥ نَارَ جَهَنَّمَ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا ﴿٢٣﴾
তবে আমি যতটু কু পারি তা হলো এই যে, আল্লাহ তোমাদের নিকট আমাকে যা পৌঁছে দেয়ার জন্য নির্দে শ দিয়ে ছেন এবং যে বার্তা দিয়ে তিনি আমাকে তোমাদের নিকট পাঠি য়ে ছেন আমি তা পৌঁছে দেবো। বস্তু তঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের অবাধ্যতা করে তার ঠি কানা হবে জাহান্নামের আগুন। তথায় সে চিরস্থায়ীভাবেবসবাস করবে। তা থেকে সে কখনো বেরহতে পারবেনা।
حَتَّىٰٓ إِذَا رَأَوْا۟ مَا يُوعَدُونَ فَسَيَعْلَمُونَ مَنْ أَضْعَفُ نَاصِرًۭا وَأَقَلُّ عَدَدًۭا ﴿٢٤﴾
আর কাফিররা তাদের কু ফরীর উপর অটল থাকবে। অবশেষে যখন তারা কিয়ামত দিবসে দুনিয়াতে কৃ ত আযাবের অঙ্গীকারের বাস্ত ব চিত্র প্রত্যক্ষ করবে তখন তারা অবশ্যই জানবে, কে সর্বাপেক্ষা দুর্বল এবং কে সর্বাপেক্ষা নিঃসঙ্গ। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قُلْ إِنْ أَدْرِىٓ أَقَرِيبٌۭ مَّا تُوعَدُونَ أَمْ يَجْعَلُ لَهُۥ رَبِّىٓ أَمَدًا ﴿٢٥﴾
হে রাসূল! আপনি পুনরুত্থান অস্বীকারকারী এ সব মু শরিককে বলুন, আমি জানি না তোমাদের সাথে যে শাস্তি র অঙ্গীকার করা হচ্ছে তা কি নিকটবর্তী, নাকি এরজন্যসুনির্ধারিত এমন কোন সময় রয়ে ছে যাআল্লাহ ব্যতীত অন্যকেউ জানে না।
عَـٰلِمُ ٱلْغَيْبِ فَلَا يُظْهِرُ عَلَىٰ غَيْبِهِۦٓ أَحَدًا ﴿٢٦﴾
কেবল তিনিই সকল অদৃশ্যের খবর রাখেন। তাঁর নিকট কোন কিছু ই গোপন থাকে না। ফলে তাঁর গাইবের সন্ধান কারো কাছে নেই। বরং তিনি এ সম্পর্কীয় জ্ঞানে এককভাবেবিভূ ষিত।
إِلَّا مَنِ ٱرْتَضَىٰ مِن رَّسُولٍۢ فَإِنَّهُۥ يَسْلُكُ مِنۢ بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِۦ رَصَدًۭا ﴿٢٧﴾
তবে আল্লাহ তাঁর রাসূলদের মধ্যে যাঁকে ইচ্ছা তাঁকে যতটু কু চান অবগত করেন এবং তিনি রাসূলের সামনে ফিরিশতাদেরকে প্রে রণ করেন যারা তাঁকে হেফাজত করেন। যেন রাসূল ব্যতীত অন্যকেউ এ ব্যাপারেঅবগত না হতে পারে। ليعلمأن قد أبلغوارسلت ربهم وأحاط بما لديهم وأحص كل شىءعددا
لِّيَعْلَمَ أَن قَدْ أَبْلَغُوا۟ رِسَـٰلَـٰتِ رَبِّهِمْ وَأَحَاطَ بِمَا لَدَيْهِمْ وَأَحْصَىٰ كُلَّ شَىْءٍ عَدَدًۢا ﴿٢٨﴾
যাতে করে রাসূল জানতে পারেন যে, তাঁর পূর্বে যতো রাসূল ছিলেন তাঁরা নিজেদের রবের বার্তাসমূ হ পৌঁছে দিয়ে ছেন যা পৌঁছে দেয়ার জন্য তাঁরা আদিষ্ট হোন। কেননা, আল্লাহ সে ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং আল্লাহ রাসূল ও ফিরিশতাদের নিকট থাকা সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত। ফলে তাঁর নিকট কোন কিছু ই গোপন থাকে না। আরতিনি সর্ব বিষয় কে গণনাকরেরেখেছেন। ফলে তাঁরনিকট কোন কিছু ই গোপন থাকে না। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম