تَبَـٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ ﴿١﴾
সেই আল্লাহরকল্যাণ প্রচু রও মহান যাঁরহাতে রয়ে ছে একক রাজত্ব । বস্তু তঃতিনি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান। তাঁকে কোন কিছু ই অপারগ করতে পারে না।
হোম›তাফসির›Al-Mulk (67)
মাক্কী · 30 আয়াত
تَبَـٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ ﴿١﴾
সেই আল্লাহরকল্যাণ প্রচু রও মহান যাঁরহাতে রয়ে ছে একক রাজত্ব । বস্তু তঃতিনি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান। তাঁকে কোন কিছু ই অপারগ করতে পারে না।
ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْمَوْتَ وَٱلْحَيَوٰةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًۭا ۚ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْغَفُورُ ﴿٢﴾
যিনি জীবন-মরণ সৃষ্টি করেছেন। হে মানুষ! যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন। তোমাদেরমধ্যে কারকারআমল কতো উত্তম। তিনি সেই পরাক্র মশালী যাঁকে কেউ পরাস্ত করতে পারে না এবং তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদেরকে তিনি ক্ষমা করেন।
ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَـٰوَٰتٍۢ طِبَاقًۭا ۖ مَّا تَرَىٰ فِى خَلْقِ ٱلرَّحْمَـٰنِ مِن تَفَـٰوُتٍۢ ۖ فَٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍۢ ﴿٣﴾
যিনি পৃথকভাবে একটি র উপর অপরটি রেখে সাত তস্র আসমান সৃষ্টি করেছেন। হে দর্শক! তু মি আল্লাহর সৃষ্টি তে কোনরূপ খুঁত কিংবা অসামঞ্জস্যতা দেখতে পাবেনা। তু মি আবারও দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেখো। তু মি কি তাতে কোনরূপ ফাটল কিংবা ভাঙ্গন দেখতে পাও?! আদৗ তা দেখতে পাবেনা। বরংতু মি কেবল এক নিপুণ ও সুদৃঢ় সৃষ্টি দেখতে পাবে।
ثُمَّ ٱرْجِعِ ٱلْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ ٱلْبَصَرُ خَاسِئًۭا وَهُوَ حَسِيرٌۭ ﴿٤﴾
অতঃপর তু মি বার বার দৃষ্টি ফিরাও। তোমার দৃষ্টি তোমার দিকে আসমানের সৃষ্টি তে কোনরূপ দোষ-ত্রæটি দেখা ব্যতিরেকে লাঞ্ছিত ও ক্লান্ত হয়ে আর না দেখে ফিরে আসবে।
وَلَقَدْ زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِمَصَـٰبِيحَ وَجَعَلْنَـٰهَا رُجُومًۭا لِّلشَّيَـٰطِينِ ۖ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ ٱلسَّعِيرِ ﴿٥﴾
আমি যমীনেরসর্বাপেক্ষা নিকটবর্তী আসমানকে আলোক-উজ্জল তারকারাজি দিয়ে সৌন্দ র্যমÐিত করেছি। আমি সেগুলোকে সেসবশয় তানেরজন্য নিক্ষেপণ বানিয়ে ছি যারা চু রি করে কথা শ্রবণ করে। ফলে আমি তদ্বারা তাদেরকে পুড়ি য়ে দেই। আর আমি তাদের উদ্দেশ্যে পরকালে সৃষ্টি করে রেখেছি প্রজ্জলিত আগুন।
وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ ۖ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ﴿٦﴾
যারাস্বীয় রবেরসাথে কু ফরীকরেছে তাদেরজন্যরয়ে ছে কিয়ামত দিবসে উত্তপ্ত আগুনেরশাস্তি । বস্তু তঃতারাযে প্রত্যাবর্ত ন স্থলেরপ্র তি প্রত্যাবর্তিত হবে তা কতোই না নিকৃ ষ্ট।
إِذَآ أُلْقُوا۟ فِيهَا سَمِعُوا۟ لَهَا شَهِيقًۭا وَهِىَ تَفُورُ ﴿٧﴾
তাদেরকে যখন আগুনে নিক্ষেপ করাহবেতখন তারাএক বিকট ও কঠোরশব্দ শুনতে পাবে। বস্তু তঃসে ফু টন্ত হাড়ি রন্যায় উথলাতে থাকবে।
تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ ٱلْغَيْظِ ۖ كُلَّمَآ أُلْقِىَ فِيهَا فَوْجٌۭ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَآ أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌۭ ﴿٨﴾
তাতে যারা প্রবেশ করবে তাদের উপর তার রাগের ফলে তার একাংশ অপর অংশ থেকে পৃথক হয়ে ফেটে যাওয়ার উপক্রম হবে। যখনই তাতে কাফিরদের এক দলকে নিক্ষিপ্ত করা হবে তখন নিয়োজিত ফিরিশতাগণ ধ্বমকির স্বরে প্রশ্নকরবেন: তোমাদের নিকট কি দুনিয়াতে এমন কোন বার্তাবাহক আসেননি যিনি তোমাদেরকে আল্লাহরভয় দেখাতেন?! بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌۭ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَـٰلٍۢ كَبِيرٍۢ ﴿٩﴾
কাফিররা প্রতি উত্তরে বলবে: হ্যাঁ, নিশ্চয় ই আমাদের নিকট আল্লাহর শাস্তি থেকে ভীতি প্রদর্শনকারী রাসূল এসেছিলেন। তবে আমরা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করি এবং তাঁকে বলি যে, আল্লাহ কোনরূপ ওহী অবতীর্ণ করেন নি। বরং হে রাসূলগণ! আপনারা তো কেবল এক সুস্পষ্ট ভ্রান্তি র মধ্যেই রয়ে ছেন।
وَقَالُوا۟ لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىٓ أَصْحَـٰبِ ٱلسَّعِيرِ ﴿١٠﴾
কাফিররা বলবে: আমরা যদি উপকারী কথাগুলো শুনতাম এবং সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী বুঝশক্তি রাখতাম তাহলে আমরা জাহান্নামীদের অন্ত র্ভু ক্তহতাম না। বরং আমরা সকল রাসূলের উপর ঈমান আনলে এবং তাঁদের আনিত বিষয় গুলোকে সত্য বলে জানলে আমরা আজ জান্নাতী হতাম।
فَٱعْتَرَفُوا۟ بِذَنۢبِهِمْ فَسُحْقًۭا لِّأَصْحَـٰبِ ٱلسَّعِيرِ ﴿١١﴾
বস্তু তঃতারা আজ নিজেদেরব্যাপারেকু ফরী ও মিথ্যারোপ করারস্বীকৃ তি প্রদান করলো। ফলে তারা জাহান্নামেরই হকদারহলো। বস্তু তঃজাহান্নামীদের জন্য দূরে থাকারই নির্দে শ রইলো।
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌۭ وَأَجْرٌۭ كَبِيرٌۭ ﴿١٢﴾
নিশ্চয় ই যারা একাকী আল্লাহকে ভয় করেছে তাদের জন্য পাওনা স্বরূপ রয়ে ছে পাপসমূহের ক্ষমা। আর তাদের জন্য রয়ে ছে মহা প্রতিদান তথা জান্নাত।
وَأَسِرُّوا۟ قَوْلَكُمْ أَوِ ٱجْهَرُوا۟ بِهِۦٓ ۖ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ﴿١٣﴾
হে লোকজন! তোমরা নিজেদের কথা গোপন রাখো কিংবা প্রকাশ করো আল্লাহ তা সবই জানেন। তিনি তাঁর বান্দাদের অন্ত রের খবর রাখেন। তাঁর নিকট এরকোন কিছু ই গোপন থাকে না।
أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ ٱللَّطِيفُ ٱلْخَبِيرُ ﴿١٤﴾
যিনি সকল সৃষ্টি র ¯্রষ্টা তিনি কি গোপন এবং তদপেক্ষা আরো গোপন বস্তু র খবর জানেন না?! বস্তু তঃ তিনি তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে দয়াপরবশ। তাদের অবস্থাসম্পর্কে তিনি পরিজ্ঞাত। তাঁরনিকট এরকোন কিছু ই গোপন থাকে না।
هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ ذَلُولًۭا فَٱمْشُوا۟ فِى مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا۟ مِن رِّزْقِهِۦ ۖ وَإِلَيْهِ ٱلنُّشُورُ ﴿١٥﴾
তিনি তোমাদের উদ্দেশ্যে যমীনকে বসবাসের জন্য সহজ ও নরম করে দিয়ে ছেন। তাই তোমরা এর পার্শ্বদেশ ও প্রান্ত র দিয়ে ভ্রমণ করো এবং তাতে প্রস্তু ত রাখা তোমাদের জিবীকা ভক্ষণ করো। বস্তু তঃ হিসেব ও প্রতিদানের জন্য এককভাবে তাঁর দিকেই তোমাদের পুনরুত্থান।
ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ ﴿١٦﴾
তোমরা কি আকাশে অবস্থানরত আল্লাহ সম্পর্কে এ ব্যাপারে নিরাপদ হয়ে গেলে যে, তিনি যমীনকে নরম ও বসবাসের উপযোগী করার পর সেইভাবে ফাঁক করে দিবেন না যেভাবে কারূনের জন্য করেছিলেন?! ফলে সে স্থি র থাকার পর আবারো প্রকম্পিত হয়ে উঠবে। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًۭا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ ﴿١٧﴾
না কি তোমরা আকাশে অবস্থানরত আল্লাহ সম্পর্কে এ ব্যাপারে নিরাপদ হয়ে গেলে যে, তিনি আসমান থেকে তোমাদের উদ্দেশ্যে পাথর বর্ষণ করবেন না যেমনটি করেছিলেন লুত সম্প্র দায়ে রউপর। তখন অচিরেই তোমরাআমারভীতি প্রদর্শন সম্পর্কে জানতে পারবেযখন তোমরাআমারশাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। কিন্তু তোমরাশাস্তি প্রত্যক্ষ করলে আদৗতাথেকে উপকৃ ত হবেনা।
وَلَقَدْ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ ﴿١٨﴾
এ সব মু শরিকের পূর্বেকার জাতিরা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। ফলে কু ফরী ও মিথ্যারোপের উপর অটল থাকার দরুন তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি অবতীর্ণ হয়ে ছে। ভেবেদেখো,আমারপ্র তিকারকেমন ছিলো?! অবশ্যই তাছিলোখুবই কঠোর।
أَوَلَمْ يَرَوْا۟ إِلَى ٱلطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَـٰٓفَّـٰتٍۢ وَيَقْبِضْنَ ۚ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا ٱلرَّحْمَـٰنُ ۚ إِنَّهُۥ بِكُلِّ شَىْءٍۭ بَصِيرٌ ﴿١٩﴾
এ সব মিথ্যারোপকারী কি তাদের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া পাখিগুলোকে দেখতে পায় না, তারা কখনো নিজেদের ডানাগুলো বাতাসে প্রসারিত করে। আবারকখনো সেগুলো নিজেদেরসাথে মিলিয়ে নেয় । তাদেরকে যমীনে পড়ে যাওয়া থেকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ আটকে রাখে না। নিশ্চয় ই তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যকঅবগত। তাঁরনিকট কোন কিছু ই গোপন থাকেনা।
أَمَّنْ هَـٰذَا ٱلَّذِى هُوَ جُندٌۭ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ۚ إِنِ ٱلْكَـٰفِرُونَ إِلَّا فِى غُرُورٍ ﴿٢٠﴾
হে কাফিরসম্প্র দায়! আল্লাহ যদি তোমাদেরকে শাস্তি দিতে চান তাহলে তোমাদেরকে রক্ষা করারমত কোন বাহিনী নেই। বস্তু তঃকাফিররা ধোঁকাগ্র তস্; তাদেরকে শয় তান ধোঁকাদিয়ে ছে। ফলে তারাতদ্বারাধোকাগ্র তস্ হয়ে ছে।
أَمَّنْ هَـٰذَا ٱلَّذِى يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُۥ ۚ بَل لَّجُّوا۟ فِى عُتُوٍّۢ وَنُفُورٍ ﴿٢١﴾
আল্লাহ তোমাদের পর্যতন্ জীবিকা পৌঁছাতে না চাইলে তোমাদেরকে রিযিক দেয়ার মতো কেউ নেই। বরং বাস্ত ব অবস্থা হলো এই যে, কাফিররা গোঁড়ামী, অহঙ্কার ও সত্য পরিহারে হঠকারিতা দেখাচ্ছে।
أَفَمَن يَمْشِى مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِۦٓ أَهْدَىٰٓ أَمَّن يَمْشِى سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ ﴿٢٢﴾
যে ব্যক্তি মু শরিক অবস্থায় মু খের উপর উল্টা হয়ে চলে সে কি অধিক সুপথগামী, না ওই মু মিন যে সরল পথের উপর সোজাভাবে চলে সে?!
قُلْ هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَـٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ ۖ قَلِيلًۭا مَّا تَشْكُرُونَ ﴿٢٣﴾
হে রাসূল! আপনি ওই সকল মিথ্যারোপকারী মুশরিককে বলে দিন যে, আল্লাহই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের জন্য কানসমূহ সৃষ্টি করেছেন যদ্বারা তোমরা শ্রবণ করো, চক্ষু সমূ হ সৃষ্টি করেছেন যদ্বারা তোমরা দেখো এবং অন্ত রসমূ হ সৃষ্টি করেছেন যদ্বারা তোমরা অনু ধাবন করো। তবে তোমাদেরমধ্যকারঅতি অল্প সংখ্যক লোকই তাঁরনিয়ামত দ্বারা কৃ ত অনু গ্রহেরশুকরিয়া আদায় করেথাকে।
قُلْ هُوَ ٱلَّذِى ذَرَأَكُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ ﴿٢٤﴾
হে রাসূল! আপনি এই সবমিথ্যারোপকারীমুশরিককে বলে দিন,আল্লাহই তোমাদেরকে যমীনে ছড়ি য়ে ছেন এবংতথায় তোমাদেরবিস্তারঘটি য়ে ছেন। তোমাদের ওই সব দেবতারা নয় যারা কিছু ই সৃষ্টি করতে পারে না। বস্তু তঃ কিয়ামত দিবসে হিসাব ও প্রতিদানের জন্য এককভাবে তাঁর নিকটই তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। তোমাদেরদেবতাদেরনিকট নয় । তাই তোমরাতাঁকেই ভয় করোএবংএককভাবেতাঁরই ইবাদাত করো। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَـٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿٢٥﴾
অসম্ভ ব মনে করে পুনরুত্থান অস্বীকারকারীরা বলে: হে মু হাম্মাদ! আপনি ও আপনার সাথীরা আমাদেরকে যে অঙ্গীকারের কথা শুনাচ্ছেন, যদি আপনারা এর আগমনের দাবীতে সত্য হয়ে থাকেন তাহলে বলুন, তা কখন?!
قُلْ إِنَّمَا ٱلْعِلْمُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ ﴿٢٦﴾
হে রাসূল! আপনি বলুন, কিয়ামতের সংবাদ মূলতঃ আল্লাহর নিকট। তা কখন সংঘটি ত হবে এ সংবাদ তিনি ব্যতীত আর কেউ জানে না। আমি তোমাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করছি সে ক্ষেত্রেআমি কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ক কারীমাত্র।
فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةًۭ سِيٓـَٔتْ وُجُوهُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَقِيلَ هَـٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَدَّعُونَ ﴿٢٧﴾
যখন তাদের উপর অঙ্গীকার বাস্ত বায়ি ত হবে এবং তারা চাক্ষু ষ শাস্তি কে তাদের নিকটবর্তী দেখতে পাবে যা হবে কিয়ামত দিবসে তখন আল্লাহর সাথে কু ফরীকারীদের চেহারা পরিবর্ত ন হয়ে কালো বর্ণ ধারণ করবে এবং তাদেরকে বলা হবে, এটি ই তোমরা দুনিয়াতে কামনা করতে এবং এর জন্য তাড়াহুড়া করতে।
قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِىَ ٱللَّهُ وَمَن مَّعِىَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ ٱلْكَـٰفِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍۢ ﴿٢٨﴾
হে রাসূল! আপনি এ সব মিথ্যারোপকারী মুশরিককে অস্বীকারমূলকভাবে বলে দিন যে, আল্লাহ যদি আমাকে ও আমার সাথীদেরকে মেরে ফেলেন তাহলে তোমরা আমাকে বলো, কাফিরদেরকে আল্লাহর কষ্ট দায় ক শাস্তি থেকে কে রক্ষা করবে? তাদেরকে সে দিন তাঁর পাকড়াও থেকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।
قُلْ هُوَ ٱلرَّحْمَـٰنُ ءَامَنَّا بِهِۦ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِى ضَلَـٰلٍۢ مُّبِينٍۢ ﴿٢٩﴾
হে রাসূল! আপনি এ সব মশরিককে বলে দিন যে, তিনি সেই রহমান যিনি তোমাদেরকে এককভাবে তাঁর ইবাদাতের দিকে আহŸান করেন আমরা তাঁর উপরই ঈমান আনয় ন করলাম এবংএককভাবেতাঁরউপরই আমরা নিজেদেরসর্ব বিষয়ে ভরসা করলাম। অচিরেই তোমরা নিশ্চিতভাবেজানতে পারবে, কে স্পষ্ট ভ্রষ্টতার মধ্যে নিমজ্জিত ছিলো, আর কে সরল পথের পথিক ছিলো।
قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًۭا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَآءٍۢ مَّعِينٍۭ ﴿٣٠﴾
হে রাসূল! আপনি এ সব মু শরিককে বলে দিন: তোমরা বলো, তোমরা যে পানি পান করছো যদি তা যমীনে এমনভাবে নিচে চলে যায় যে পর্যতন্ তোমরা পৌঁছু তে পারবেনাতাহলে কে আছে যে তোমাদেরজন্যপর্যাপ্ত প্রবাহিত পানি আনয় ন করবে?! আল্লাহ ব্যতীত কেউ নেই। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম
অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই