হোমতাফসিরAl-Mumtahana (60)

তাফসির Al-Mumtahana (60) — الممتحنة

মাদানী · 13 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ عَدُوِّى وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَآءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِٱلْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا۟ بِمَا جَآءَكُم مِّنَ ٱلْحَقِّ يُخْرِجُونَ ٱلرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَن تُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ رَبِّكُمْ إِن كُنتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَـٰدًۭا فِى سَبِيلِى وَٱبْتِغَآءَ مَرْضَاتِى ۚ تُسِرُّونَ إِلَيْهِم بِٱلْمَوَدَّةِ وَأَنَا۠ أَعْلَمُ بِمَآ أَخْفَيْتُمْ وَمَآ أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَن يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَآءَ ٱلسَّبِيلِ ﴿١﴾

হে মুমিন সম্প্র দায়! তোমরা যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনয় ন করেছো ও তাঁর প্রবর্তিত বিধান অনুযায়ী আমল করে থাকো, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রæদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না; যাদেরকে তোমরা আপন জানবে ও ভালোবাসবে। অথচ তোমাদের নিকট তোমাদের রাসূলের পক্ষ থেকে যে দ্বীন এসেছে তারা সেটি কে অবিশ্বাস করছে। তারা রাসূলকে নিজ ঘর থেকে বের করে দেয় । তেমনিভাবে তোমাদেরকেও নিজেদের মক্কার ঘর থেকে বের করে দেয় । এ ক্ষেত্রে তারা নিকটাত্মীয় হওয়ার পরওয়া করে না। আর না জ্ঞাতি-বন্ধনের পরওয়া করে। এ সবের কারণ শুধু একটাই যে, তোমরা নিজেদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ঈমান আনয় ন করেছো। তাই তোমরা এ কাজ করো না, যদি তোমরা আমার পথে জিহাদ ও আমার সন্তু ষ্টি র উদ্দেশ্যে বেরিয়ে থাকো। তোমরা তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনমূলক তাদের নিকট মুসলমানদের সংবাদ গোপনে পৌঁছিয়ে থাকো। অথচ আমি তোমাদেরপ্র কাশ্য- অপ্র কাশ্য সবসংবাদই জানি। আমারনিকট এ সবেরকোন কিছু ই গোপন থাকে না। বস্তু তঃযে ব্যক্তি কাফিরদেরসাথে এ ভালোবাসা ও বন্ধুত্বে র সম্পর্ক রাখবে সে সরল পথ থেকে বিচ্যুত হবে এবং সত্যভ্র ষ্টহয়ে সঠি ক পন্থা হারাবে।

إِن يَثْقَفُوكُمْ يَكُونُوا۟ لَكُمْ أَعْدَآءًۭ وَيَبْسُطُوٓا۟ إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ وَأَلْسِنَتَهُم بِٱلسُّوٓءِ وَوَدُّوا۟ لَوْ تَكْفُرُونَ ﴿٢﴾

তারা যদি তোমাদেরকে হাতের নাগালে পায় তাহলে তাদের অন্ত রে লুক্কায়ি ত শত্রæতার বহিঃপ্র কাশ ঘটাবে এবং তোমাদের প্রতি কষ্ট প্রদান ও আঘাতের হাত প্রসারিত করবে। নিজেদের জিহŸাকে গালমন্দ দ্বারা প্রলন্বি ত করবে এবং তারা আকাক্সক্ষা পোষণ করবে যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের সাথে কু ফরী করে তাদের মতো হয়ে যাও।

لَن تَنفَعَكُمْ أَرْحَامُكُمْ وَلَآ أَوْلَـٰدُكُمْ ۚ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ يَفْصِلُ بَيْنَكُمْ ۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ ﴿٣﴾

নিজেদের নিকটাত্মীয় তা কখনো তোমাদের কোন উপকার সাধন করবে না। আর না তোমাদের সন্তানরা। যখন তোমরা কাফিরদেরকে তাদের সুবিধার জন্য ভালোবাসবে। কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তোমাদের মাঝে বিরহ সৃষ্টি করবেন। ফলে তোমাদের মধ্যকার জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে। অতএব, কেউ কারো উপকারে আসবে না। বস্তু তঃ আল্লাহ তোমাদের সকল কাজের সর্বদ্র ষ্টা। তাঁর নিকট তোমাদের কোন আমলই গোপন থাকে না। তিনি অচিরেই তোমাদেরকে এরপ্র তিদান দিবেন।

قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌۭ فِىٓ إِبْرَٰهِيمَ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ إِذْ قَالُوا۟ لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَءَٰٓؤُا۟ مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةُ وَٱلْبَغْضَآءُ أَبَدًا حَتَّىٰ تُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَحْدَهُۥٓ إِلَّا قَوْلَ إِبْرَٰهِيمَ لِأَبِيهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ وَمَآ أَمْلِكُ لَكَ مِنَ ٱللَّهِ مِن شَىْءٍۢ ۖ رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ ٱلْمَصِيرُ ﴿٤﴾

হে মু’মিনরা! তোমাদের জন্য অবশ্যই ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) ও তাঁর সঙ্গী মু’মিনদের জীবনীতে রয়ে ছে উত্তম আদর্শ। তারা যখন নিজেদের মধ্যকার কাফির জাতিকে বললো: আমরা তোমাদের থেকে এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমাদের পূজ্য দেবতাগুলো থেকে মু ক্ত। তোমরা যে ধর্মের উপর রয়ে ছো আমরা তা অবিশ্বাস করলাম। আর তোমাদের ও আমাদের মাঝে শত্রæতা ও ঘৃণা প্রকাশ হয়ে পড় লো। যতক্ষণ না তোমরা এক আল্লাহর উপর ঈমান আনয় ন করবে ও তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না। তাই তোমাদেরও উচিৎ যে, তোমরাও তাদের মতো নিজেদের মধ্যকার কাফির সম্প্র দায়ে র সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করবে। তবে হ্যাঁ, ইবরাহীম (আলাইহিস-সালাম) নিজ পিতাকে যা বললো তা ভিন্ন কথা। যা ছিলো এই যে, আমি অবশ্যই আল্লাহর নিকট তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবো। ফলে তোমরা তাতে তাঁর অনুসরণ করো না। কেননা, তা ছিলো ইবরাহীম (আলাইহিস- সালাম) কর্তৃ ক তাঁর পিতার ব্যাপারে নিরাশ হওয়ার পূর্বের ব্যাপার। তাই কোন মু ’মিনের জন্য মু শরিকের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ নয় । বস্তু তঃ আমি আপনার উপর থেকে আল্লাহর শাস্তি কে প্রতিহত করতে মোটেও সক্ষম নই। হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের সর্ব বিষয়ে আপনার উপর ভরসাকরলাম এবংআপনারপ্র তি তাওবাসহকারেপ্র ত্যাবর্ত ন করলাম। আরকিয়ামত দিবসে আপনারদিকেই প্রত্যাবর্ত ন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةًۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَٱغْفِرْ لَنَا رَبَّنَآ ۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ ﴿٥﴾

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের উপর কাফিরদেরকে বিজয়ী করে আমাদেরকে ফিৎনায় পরিণত করবেন না। তাতে করে তারা বলবে, যদি তারা সত্য পথের পথিক হতো তাহলে আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দেয়া হতো না। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পাপ ক্ষমা করুন। নিশ্চয় ই আপনি প্ররাক্র মশালী। যাঁকেপরাস্ত কারীকেউ নেই। তিনি তাঁরসৃষ্টি ,বিধান ওফায় সালায় প্রজ্ঞাবান।

لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيهِمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌۭ لِّمَن كَانَ يَرْجُوا۟ ٱللَّهَ وَٱلْيَوْمَ ٱلْـَٔاخِرَ ۚ وَمَن يَتَوَلَّ فَإِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْغَنِىُّ ٱلْحَمِيدُ ﴿٦﴾

এ উত্তম আদর্শ থেকে কেবল সে ব্যক্তি ই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে যে আল্লাহর পক্ষ থেকে ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ কামনা করে থাকে। পক্ষান্ত রে যে ব্যক্তি এ উত্তম আদর্শ থেকে বিরত থাকে সে যেন জেনে রাখে যে, আল্লাহ নিজ বান্দাদের ইবাদাতের অমুখাপেক্ষী। তিনি তাদের আনুগত্যের মু খাপেক্ষীনন। বস্তু তঃতিনি সর্বাবস্থায় প্রশংসিত।

۞ عَسَى ٱللَّهُ أَن يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ ٱلَّذِينَ عَادَيْتُم مِّنْهُم مَّوَدَّةًۭ ۚ وَٱللَّهُ قَدِيرٌۭ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ﴿٧﴾

হে মু মিনরা! হতে পারে আল্লাহ তোমাদের শ্রত্রæদেরকে ইসলামে দীক্ষিত করার মাধ্যমে তোমাদের ও তাদের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি করবেন। ফলে তারা তোমাদেরদ্বীনীভাই হিসাবেপরিগণিত হবে। বস্তু তঃআল্লাহ ক্ষমতাবান। তিনি তাদেরঅন্ত রগুলোকে ঈমানেরদিকে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা তাওবা করে তাদের প্রতি ক্ষমাশীল ও দয়াপরবশ।

لَّا يَنْهَىٰكُمُ ٱللَّهُ عَنِ ٱلَّذِينَ لَمْ يُقَـٰتِلُوكُمْ فِى ٱلدِّينِ وَلَمْ يُخْرِجُوكُم مِّن دِيَـٰرِكُمْ أَن تَبَرُّوهُمْ وَتُقْسِطُوٓا۟ إِلَيْهِمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُقْسِطِينَ ﴿٨﴾

যারা ইসালামে দীক্ষিত হওয়ার দরুন তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে নি আর তোমাদেরকে নিজেদের ঘর থেকে বের করে দেয় নি তাদের সাথে ভালো ব্যবহার দেখাতে আল্লাহ বাধা দেন না। তেমনিভাবে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে তাদের সাথে ইনসাফ করতেও কোন বাধা নেই। যেমন আসমা বিনতে আবী বকরের কাফির মা তাঁর নিকট আসলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এ ব্যাপারে অনুমতি চান। ফলে তিনি তাঁকে তার সাথে সদাচরণের নির্দেশ দেন। অবশ্যই আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালোবাসেন। যারা নিজেদের সাথে এবং আপনজন ও অধীনস্থ দের সাথে ইনসাফ করে।

إِنَّمَا يَنْهَىٰكُمُ ٱللَّهُ عَنِ ٱلَّذِينَ قَـٰتَلُوكُمْ فِى ٱلدِّينِ وَأَخْرَجُوكُم مِّن دِيَـٰرِكُمْ وَظَـٰهَرُوا۟ عَلَىٰٓ إِخْرَاجِكُمْ أَن تَوَلَّوْهُمْ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُمْ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ ﴿٩﴾

আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুসুলভ ব্যবহার করতে নিষেধ করেন যারা ঈমান আনার কারণে তোমাদের সাথে শত্রæতা করে, তোমাদেরকে নিজেদের ঘর থেকে বের করে দেয় এবং তোমাদেরকে বের করার কাজে সহযোগিতা করে। বস্তু তঃ তোমাদের মধ্যে যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখবে তারা আল্লাহর নির্দে শ লঙ্ঘন করার ফলে নিজেদের উপর অবিচারকারী হবে।

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا جَآءَكُمُ ٱلْمُؤْمِنَـٰتُ مُهَـٰجِرَٰتٍۢ فَٱمْتَحِنُوهُنَّ ۖ ٱللَّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَـٰنِهِنَّ ۖ فَإِنْ عَلِمْتُمُوهُنَّ مُؤْمِنَـٰتٍۢ فَلَا تَرْجِعُوهُنَّ إِلَى ٱلْكُفَّارِ ۖ لَا هُنَّ حِلٌّۭ لَّهُمْ وَلَا هُمْ يَحِلُّونَ لَهُنَّ ۖ وَءَاتُوهُم مَّآ أَنفَقُوا۟ ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ أَن تَنكِحُوهُنَّ إِذَآ ءَاتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ ۚ وَلَا تُمْسِكُوا۟ بِعِصَمِ ٱلْكَوَافِرِ وَسْـَٔلُوا۟ مَآ أَنفَقْتُمْ وَلْيَسْـَٔلُوا۟ مَآ أَنفَقُوا۟ ۚ ذَٰلِكُمْ حُكْمُ ٱللَّهِ ۖ يَحْكُمُ بَيْنَكُمْ ۚ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌۭ ﴿١٠﴾

ه হে মু মিন সম্প্র দায়! তোমরা যারা আল্লাহরউপরঈমান এনেছো ও তাঁরপ্র বর্তিত বিধান অনু যায়ী আমল করেথাকো তোমাদেরনিকট যখন মু মিন নারীরা কু ফরীর দেশ হতে ইসলামের দেশে হিজরত করে আসে তখন তোমরা তাদের ঈমানের সত্যতা যাচাই করবে। বস্তু তঃ আল্লাহ তাদের ঈমানের খবর জানেন। তাঁরনিকট তাদেরঅন্ত রেরকোন কিছু ই গোপন থাকে না। যদি পরীক্ষারপরতাদেরসত্যতা প্রকাশ পাওয়ারভিত্তিতে তোমরা তাদেরঈমান بلغ আল-কু রআন · তাফসীর সম্পর্কে নিশ্চিত হও তাহলে তাদেরকে নিজেদের কাফির স্বামীর কাছে ফেরত দিবে না। মু মিন নারীদের জন্য কাফির পুরুষদের সাথে বিয়ে বসা অবৈধ। আর কাফির পুরুষদের জন্য মু মিন নারীদেরকে বিয়ে করা অবৈধ। তবে তাদের স্বামীদেরকে তাদের প্রদত্ত মহর দিয়ে দাও। হে মু মিনরা! তোমরা তাদের ইদ্দত পার হওয়ার পর মহর পরিশোধ পূর্বক তাদেরকে বিয়ে করলে তাতে কোন বাধা নেই। বস্তু তঃ যার স্ত্রী কাফির কিংবা ইসলাম থেকে বেরিয়ে পড়ে ছে তাকে সে ধরে রাখবে না। কেননা, কু ফরীর দরুন বিবাহ-বন্ধন ছু টে যায় । তোমরা কাফিরদের নিকট তোমাদের ধর্মচ্যুত স্ত্রীদেরকে দেয়া মহর ফেরত চাও। আর তারাও তোমাদের নিকট তাদের ইসলামে দীক্ষিতা স্ত্রীদের মহর ফেরত চাক। উপরোক্ত মহর আদান-প্রদান হলো আল্লাহর বিধান। তিনি তোমাদের মধ্যে যেভাবে ইচ্ছা ফয় সালা করেন। আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের অবস্থা ও আমলের ব্যাপারে সম্যক অবগত। তাঁর নিকট এ সবের কোন কিছু ই গোপন থাকেনা। তিনি তাঁরবান্দাদেরউদ্দেশ্যেযাপ্র বর্ত ন করেন তাতে প্রজ্ঞাবান।

وَإِن فَاتَكُمْ شَىْءٌۭ مِّنْ أَزْوَٰجِكُمْ إِلَى ٱلْكُفَّارِ فَعَاقَبْتُمْ فَـَٔاتُوا۟ ٱلَّذِينَ ذَهَبَتْ أَزْوَٰجُهُم مِّثْلَ مَآ أَنفَقُوا۟ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ أَنتُم بِهِۦ مُؤْمِنُونَ ﴿١١﴾

أنتم به مؤمنون যদি ধরে নেয়া যায় যে, তোমাদের কিছু নারী ধর্মচ্যুত হয়ে কাফিরদের নিকট চলে গিয়ে ছে এবং তোমরা কাফিরদের নিকট তাদের মহর চাইলে তারা তা প্রদান করে নি এমতাবস্থায় তোমরা কাফিরদের থেকে গনীমতের যে সম্পদ লাভ করো তা থেকে যে সব নারী ধর্মচ্যুত হয়ে চলে গিয়ে ছে তাদের স্বামীদেরকে তাদের কর্তৃ ক মহর হিসাবে দেয়া অর্থ প্রদান করো। আর তোমরা যে আল্লাহতে বিশ্বাসী তাঁর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করো।

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّبِىُّ إِذَا جَآءَكَ ٱلْمُؤْمِنَـٰتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَىٰٓ أَن لَّا يُشْرِكْنَ بِٱللَّهِ شَيْـًۭٔا وَلَا يَسْرِقْنَ وَلَا يَزْنِينَ وَلَا يَقْتُلْنَ أَوْلَـٰدَهُنَّ وَلَا يَأْتِينَ بِبُهْتَـٰنٍۢ يَفْتَرِينَهُۥ بَيْنَ أَيْدِيهِنَّ وَأَرْجُلِهِنَّ وَلَا يَعْصِينَكَ فِى مَعْرُوفٍۢ ۙ فَبَايِعْهُنَّ وَٱسْتَغْفِرْ لَهُنَّ ٱللَّهَ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ﴿١٢﴾

হে রাসূল! আপনার নিকট যখন মু মিন মহিলারা আগমন করে -যেমন মক্কা বিজয়ে র সময় তারা এসেছিল- এ শপথ নিয়ে যে, তারা আল্লাহর সাথে কোন প্রকার শিরক করবে না বরং কেবল তাঁরই ইবাদাত করবে, তারা চু রি করবে না, ব্যভিচার করবে না, এমনকি জাহিলী যুগের প্রথা অনুসারে তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, তাদের স্বামীদের সাথে জারজ সন্তানদেরকে জড়াবে না, ন্যায় কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না যথা বিলাপ করা, চু ল মুÐানো ও গাল চাপড়ানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা তাহলে আপনি তাদেরকে বায় আত করান এবং আপনার নিকট বায় আত গ্রহণের পর আল্লাহর নিকট তাদের পূর্বে কৃ ত পাপের জন্য ক্ষমা চান। আল্লাহ অবশ্যই তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা তাঁর নিকট ক্ষমা চায় তাদের প্রতি ক্ষমাশীল এবং তাদের ব্যাপারে দায়াপরবশ।

يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَوَلَّوْا۟ قَوْمًا غَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا۟ مِنَ ٱلْـَٔاخِرَةِ كَمَا يَئِسَ ٱلْكُفَّارُ مِنْ أَصْحَـٰبِ ٱلْقُبُورِ ﴿١٣﴾

হে মু মিন সম্প্র দায়! তোমরা যারা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছো এবং তাঁর প্রবর্তিত বিধান অনু যায়ী আমল করে থাকো তোমরা এমন জাতির সাথে বন্ধুত্ব করো না যাদের উপর আল্লাহ রাগান্বি ত হয়ে ছেন এবং যারা পরকালে বিশ্বাসী নয় । বরং তারা সে ব্যাপারে এমনই নিরাশ যেমন তারা নিজেদের মৃ তজনদের তাদের নিকট ফেরত আসার ব্যাপারে নিরাশ। যেহেতু তারা পুনরুত্থানে অবিশ্বাসী। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · Al-Mumtahana — الممتحنة

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা