سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ ﴿١﴾
আসমান ও যমীনে থাকা আল্লাহর সৃষ্টি কু ল তাঁর পবিত্রতা ও মাহত্ম্য বর্ণনা করেছে। তিনি সেই প্ররাক্র মশালী যাঁকে কেউ পরাস্ত করতে পারে না। তিনি তাঁরসৃষ্টি ওপরিচালনায় প্রজ্ঞাবান।
لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۖ يُحْىِۦ وَيُمِيتُ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ ﴿٢﴾
আসমান ও যমীনেররাজত্ব এককভাবেকেবল তাঁরই। তিনি যাকে জীবিত রাখতে চান রাখেন। আরযাকে মারতে চান মারেন। তিনি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাবান; তাঁকে কোন কিছু ই অপারগ করতে পারেনা।
هُوَ ٱلْأَوَّلُ وَٱلْـَٔاخِرُ وَٱلظَّـٰهِرُ وَٱلْبَاطِنُ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌ ﴿٣﴾
তিনিই প্রথম;যাঁরপূর্বে কোন কিছু ছিলোনা। তিনিই শেষ;যাঁরপরআরকিছু ই থাকবেনা। তিনিই প্রকাশ্য;যাঁরঊর্ধ্বে কিছু ই নেই। তিনিই অপ্র কাশ্য; যাঁরঅপেক্ষাগভীরেঅন্যকিছু নেই। তিনিই সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত;তাঁরবাইরেকোন কিছু ই নেই।
هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ فِى سِتَّةِ أَيَّامٍۢ ثُمَّ ٱسْتَوَىٰ عَلَى ٱلْعَرْشِ ۚ يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمَا يَنزِلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا يَعْرُجُ فِيهَا ۖ وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ ۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌۭ ﴿٤﴾
ه তিনি আসমান ওযমীনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। যারবিবারদিনে শুরুহয়ে ছে এবংশুক্র বারেশেষ হয়ে ছে। অথচ তিনি চোখেরপলক অপেক্ষাকম সময়ে তা সৃষ্টি করতে সক্ষম। অতঃপরতিনি তাঁরসাথে মানানসই প্রক্রি য়ায় আরশেরউপরগমন করেন ও সমুন্নত হোন। তিনি যমীনে যে সববারিও বীজ প্রবেশ করে তা জানেন এবং তা থেকে যে সব শস্য ও খনিজ দ্রব্যউদ্গত হয় তাও জানেন। আবার তিনি আসমান থেকে যে বৃষ্টি , ওহী ইত্যাদি নাযিল হয় এবং আসমানে যে সব ফিরিশতা, বান্দাদের আমল ও আত্মাগুলো উত্থিত হয় তাও জানেন। হে লোক সকল! তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তিনি তাঁরজ্ঞানেরমাধ্যমে তোমাদেরসাথেই রয়ে ছেন। তাঁরনিকট তোমাদেরকোন কিছু ই গোপন নেই। বস্তু তঃআল্লাহ তোমাদেরসকল কাজের সর্বদ্র ষ্টা। তাঁরনিকট তোমাদেরকোন আমলই গোপন নেই এবংঅচিরেই তিনি তোমাদেরকে সেগুলোরবদলাদিবেন।
لَّهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ ﴿٥﴾
আসমান ও যমীনসমূহের রাজত্ব এককভাবে তাঁরই। এককভাবে তাঁর দিকেই সকল বিষয় প্রত্যাবর্তিত হবে। ফলে তিনি কিয়ামত দিবসে সৃষ্টি কু লের হিসাবগ্র হণ করবেন এবংতাদেরআমলেরপ্র তিদান দিবেন।
يُولِجُ ٱلَّيْلَ فِى ٱلنَّهَارِ وَيُولِجُ ٱلنَّهَارَ فِى ٱلَّيْلِ ۚ وَهُوَ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ﴿٦﴾
তিনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবিষ্ট করেন। ফলে অন্ধকার ছেয়ে যায় এবংমানু ষ নিদ্রা যাপন করে। তেমনিভাবে তিনি দিনকে রাতের মধ্যে প্রবিষ্ট করেন ফলে আলো বিস্তার লাভ করে এবং লোকজন তাদের কাজে সক্রি য় হয় । তিনি স্বীয় বান্দাদের বক্ষদেশের বিষয়ে পরিজ্ঞাত। তাঁর নিকট এর কিছু ই গোপন থাকে না।
ءَامِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَأَنفِقُوا۟ مِمَّا جَعَلَكُم مُّسْتَخْلَفِينَ فِيهِ ۖ فَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مِنكُمْ وَأَنفَقُوا۟ لَهُمْ أَجْرٌۭ كَبِيرٌۭ ﴿٧﴾
তোমরা আল্লাহর উপর ঈমান আনো এবং রাসূলের উপর। আর যে সব সম্পদে আল্লাহ তোমাদেরকে প্রতিনিধি বানিয়ে ছেন সেগুলোকে তাঁর বিধান অনু যায়ী ব্যয় করো। বস্তু তঃ তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনয় ন করেছে এবং তাদের সম্পদকে আল্লাহর পথে ব্যয় করেছে তাদের জন্য তাঁরনিকট রয়ে ছে মহাপ্র তিদান তথাজান্নাত। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
وَمَا لَكُمْ لَا تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ ۙ وَٱلرَّسُولُ يَدْعُوكُمْ لِتُؤْمِنُوا۟ بِرَبِّكُمْ وَقَدْ أَخَذَ مِيثَـٰقَكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٨﴾
কোন্ বস্তু তোমাদেরকে আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নে বাধা দেয় ?! অথচ রাসূল তোমাদেরকে আল্লাহর প্রতি আহŸান করছেন। যেন তোমরা নিজেদের মহান রবের প্রতি ঈমান আনয় ন করো। বস্তু তঃ তিনি তোমাদের নিকট থেকে তোমাদেরকে আপন পিতার পৃষ্ঠ থেকে বের করার সময় অঙ্গীকারগ্র হণ করেছেন যে,তোমরাতাঁরউপরঈমান আনয় ন করবেযদি তোমরাপ্র কৃ ত ঈমানদারহয়ে থাকো।
هُوَ ٱلَّذِى يُنَزِّلُ عَلَىٰ عَبْدِهِۦٓ ءَايَـٰتٍۭ بَيِّنَـٰتٍۢ لِّيُخْرِجَكُم مِّنَ ٱلظُّلُمَـٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ ۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ بِكُمْ لَرَءُوفٌۭ رَّحِيمٌۭ ﴿٩﴾
তিনিই সেই আল্লাহ যিনি তাঁর বান্দাহ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছেন। যাতে তিনি তোমাদেরকে কু ফরী ও অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে ঈমান ও জ্ঞানের আলোর দিকে বের করে নিয়ে আসেন। বস্তু তঃ আল্লাহ তোমাদের উপর দয়াবান ও করুণাশীল। কেননা, তিনি তোমাদের নিকট পথ প্রদর্শক ও সুসংবাদ দাতা হিসাবে তাঁর নবীকে প্রে রণ করেছেন।
وَمَا لَكُمْ أَلَّا تُنفِقُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَلِلَّهِ مِيرَٰثُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ لَا يَسْتَوِى مِنكُم مَّنْ أَنفَقَ مِن قَبْلِ ٱلْفَتْحِ وَقَـٰتَلَ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَعْظَمُ دَرَجَةًۭ مِّنَ ٱلَّذِينَ أَنفَقُوا۟ مِنۢ بَعْدُ وَقَـٰتَلُوا۟ ۚ وَكُلًّۭا وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلْحُسْنَىٰ ۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌۭ ﴿١٠﴾
ه ى ه কোন্ বস্তু তোমাদেরকে আল্লাহরপথে ব্যয় করাথেকে বিরত রাখে?! অথচ আসমান ও যমীনেরসর্বস্বত্ব আল্লাহর। হে মুমিন সম্প্র দায়! তোমাদেরমধ্যে যে মক্কা বিজয়ে র পূর্বে আল্লাহর সন্তু ষ্টি র উদ্দেশ্যে স্বীয় সম্পদ ব্যয় করেছে এবং ইসলামের সাহায্যের উদ্দেশ্যে আল্লাহর পথে ব্যয় করেছে আর যে পরে ব্যয় করেছে এবং কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করেছে তাদের উভয় সমান হতে পারে না। বিজয়ে র পূর্বে যারা আল্লাহর পথে ব্যয় ও যুদ্ধ করেছে তারা আল্লাহর নিকট ওদের তুলনায় অধিক মর্যাদাবান যারা বিজয়ে র পর আল্লাহর পথে ব্যয় ও কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করেছে। তবে আল্লাহ উভয় পক্ষের সাথে জান্নাতেরঅঙ্গীকারকরেছেন। বস্তু তঃআল্লাহ তোমাদেরসকল কাজ সম্পর্কে অবগত। তাঁরনিকট তোমাদেরকোন কাজই গোপন নয় । অচিরেই তিনি তোমাদেরকে এর বদলা দিবেন।
مَّن ذَا ٱلَّذِى يُقْرِضُ ٱللَّهَ قَرْضًا حَسَنًۭا فَيُضَـٰعِفَهُۥ لَهُۥ وَلَهُۥٓ أَجْرٌۭ كَرِيمٌۭ ﴿١١﴾
কে এমন আছে যে নিজ সম্পদকে আল্লাহরউদ্দেশ্যে খুশী মনে ব্যয় করবে, ফলে আল্লাহ তারব্যয়ি ত সম্পদেরবহু গুণ বেশী প্রতিদান দিবেন। আরতার জন্য থাকবেকিয়ামত দিবসে সম্মানজনক প্রতিদান তথা জান্নাত?!
يَوْمَ تَرَى ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَـٰتِ يَسْعَىٰ نُورُهُم بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمَـٰنِهِم بُشْرَىٰكُمُ ٱلْيَوْمَ جَنَّـٰتٌۭ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَا ۚ ذَٰلِكَ هُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ ﴿١٢﴾
সে দিন আপনি দেখতে পাবেন মু ’মিন পুরুষ ও মহিলাদের সম্মুখ পানে ও ডান দিকে তাদের জ্যোতি চলছে এবংতাদেরকে সে দিন বলা হবে, তোমাদের জন্য আজ এমন উদ্যানসমূ হের সুসংবাদ যেগুলোর অট্টালিকা ও বৃক্ষরাজির তলদেশ দিয়ে নদী-নালা প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। এ প্রতিদানই হলোমহাবিজয় । যারসাথে কোন বিজয়ে রতু লনাহয় না।
يَوْمَ يَقُولُ ٱلْمُنَـٰفِقُونَ وَٱلْمُنَـٰفِقَـٰتُ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱنظُرُونَا نَقْتَبِسْ مِن نُّورِكُمْ قِيلَ ٱرْجِعُوا۟ وَرَآءَكُمْ فَٱلْتَمِسُوا۟ نُورًۭا فَضُرِبَ بَيْنَهُم بِسُورٍۢ لَّهُۥ بَابٌۢ بَاطِنُهُۥ فِيهِ ٱلرَّحْمَةُ وَظَـٰهِرُهُۥ مِن قِبَلِهِ ٱلْعَذَابُ ﴿١٣﴾
সে দিন মুনাফিক নারী ও পুরুষরা ঈমানদারদেরকে বলবে: তোমরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করো। যাতে করে আমরা তোমাদের আলো থেকে কিছু গ্রহণ করতে পারি। যা আমাদেরকে পুলসিরাত পার হতে সহযোগিতা করবে। তখন মু নাফিকদেরকে ঠাট্টার ছলে বলা হবে, তোমরা নিজেদের পেছনের দিকে ফিরে গিয়ে পথ দেখার জন্য আলো অন্বে ষণ করো। তখন তাদের সামনে প্রাচীর দেয়া হবে। উক্ত প্রাচীরে রয়ে ছে এমন দরজা যার ভিতরের দিক যেটি মু মিনদেরনিকটবর্তী তাতে রয়ে ছে রহমত। আরবাইরেরদিক যেটি মু নাফিকদেরনিকটবর্তী তাতে রয়ে ছে শাস্তি । بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
يُنَادُونَهُمْ أَلَمْ نَكُن مَّعَكُمْ ۖ قَالُوا۟ بَلَىٰ وَلَـٰكِنَّكُمْ فَتَنتُمْ أَنفُسَكُمْ وَتَرَبَّصْتُمْ وَٱرْتَبْتُمْ وَغَرَّتْكُمُ ٱلْأَمَانِىُّ حَتَّىٰ جَآءَ أَمْرُ ٱللَّهِ وَغَرَّكُم بِٱللَّهِ ٱلْغَرُورُ ﴿١٤﴾
তখন মু নাফিকরা মু মিনদেরকে ডাক দিয়ে বলবে, আমরা কি ইসলাম পালনে ও আনু গত্যের ক্ষেত্রে তোমাদের সাথে ছিলাম না?! মু সলমানরা তাদেরকে বলবে, হ্যাঁ, তোমরা আমাদের সাথেই ছিলে। তবে তোমরা মুনাফিকীর মাধ্যমে নিজেদের নফসকে আক্রান্ত করে সেটি কে ধ্বংস করে দিয়ে ছো। আর তোমরা মু মিনদের ব্যাপারে অপেক্ষমাণ থাকতে যেন তারা পরাজিত হয় । ফলে তোমরা কু ফরীর ঘোষণা দিবে এবং তোমরা আল্লাহ কর্তৃ ক মু মিনদেরকে সাহায্য করার ব্যাপারে ও পুনরুত্থানে সন্দে হ পোষণ করেছো। আর তোমাদেরকে মিথ্যা লোভ-লালসা ধোঁকা দিয়ে ছে। অবশেষে এ অবস্থাতেই তোমাদের নিকট মৃ ত্যু এসে পৌঁছেছে এবং শয় তান তোমাদেরকে আল্লাহর ব্যাপারে ধোঁকা দিয়ে ছে।
فَٱلْيَوْمَ لَا يُؤْخَذُ مِنكُمْ فِدْيَةٌۭ وَلَا مِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ ۚ مَأْوَىٰكُمُ ٱلنَّارُ ۖ هِىَ مَوْلَىٰكُمْ ۖ وَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ ﴿١٥﴾
তাই হে মুনাফিকরা! আজকের দিন তোমাদের থেকে আল্লাহর শাস্তি হতে রেহাই পাওয়ার জন্য কোনরূপ মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না। আর না ওদের নিকট থেকে গ্রহণ করা হবে যারা সঘোষিতভাবে আল্লাহকে অস্বীকার করেছে। বস্তু তঃ তোমাদের ও কাফিরদের শেষ ঠি কানা হলো জাহান্নাম। সেটি তোমাদের অধিক যোগ্য। আর তোমরাও সেটি র অধিক যোগ্য। যা কতোই না নিকৃ ষ্টঠি কানা।
۞ أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَن تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ ٱللَّهِ وَمَا نَزَلَ مِنَ ٱلْحَقِّ وَلَا يَكُونُوا۟ كَٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ مِن قَبْلُ فَطَالَ عَلَيْهِمُ ٱلْأَمَدُ فَقَسَتْ قُلُوبُهُمْ ۖ وَكَثِيرٌۭ مِّنْهُمْ فَـٰسِقُونَ ﴿١٦﴾
যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলে ঈমান এনেছে তাদের কি এখনও সময় আসেনি যে, মহান আল্লাহর স্মরণে ও কু রআনে অবতীর্ণ সুসংবাদ কিংবা দুঃসংবাদ দ্বারা তাদের অন্ত র প্রশান্ত ও বিগলিত হবে?! আর তারা যেন তাদের পূর্বে যে সব ইহুদীদেরকে তাওরাত প্রদান করা হয়েছিলো এবং যে সব খ্রি স্টানদেরকে ইঞ্জীল প্রদান করা হয়ে ছিলো তাদের মত শক্ত অন্ত রের না হয়ে যায় । বস্তু তঃ তাদের ও নবীদের আগমনের মেয়াদ দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের অন্ত র রূঢ় হয়ে যায় । আর তাদের অনেকেই ছিলো আল্লাহর আনু গত্য থেকে তাঁর অবাধ্যতার দিকে বেরিয়ে আসা লোক।
ٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يُحْىِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا ۚ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ ٱلْـَٔايَـٰتِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ ﴿١٧﴾
জেনে রেখো, আল্লাহ যমীনকে খরার পর শস্যাদি উদ্গত করার মাধ্যমে জীবিত করেন। হে লোক সকল! আমি তোমাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর ক্ষমতা ও একত্ব বাদেরপ্র মাণবাহী দলীল প্রমাণাদি স্পষ্ট ভাবেবাতলে দিয়ে ছি। যাতে তোমরা সেগুলো আয় ত্বকরতে পারো। ফলে তোমরা জানবেযে, যিনি শুষ্ক যমীনকে সজীবকরলেন তিনি তোমাদেরকে মৃ ত্যুরপরপুনরুত্থানে সক্ষম। তেমনিভাবেতিনি তোমাদেরশক্ত অন্ত রগুলোকেও বিগলিত করতে সক্ষম।
إِنَّ ٱلْمُصَّدِّقِينَ وَٱلْمُصَّدِّقَـٰتِ وَأَقْرَضُوا۟ ٱللَّهَ قَرْضًا حَسَنًۭا يُضَـٰعَفُ لَهُمْ وَلَهُمْ أَجْرٌۭ كَرِيمٌۭ ﴿١٨﴾
যে সব পুরুষ ও মহিলা কোনরূপ খোঁটা ও কষ্ট না দিয়ে খুশী মনে নিজেদের সম্পদ থেকে ব্যয় করে তাদের আমলের প্রতিদান বহু গুণে বৃদ্ধি করা হবে। তথা একটি পুণ্য দশ থেকে সাত শত এমনকি আরো অধিক হারে দেয়া হবে। তাদের জন্য এর সাথে আরো থাকবে সম্মানী প্রতিদান তথা জান্নাত।
وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦٓ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلصِّدِّيقُونَ ۖ وَٱلشُّهَدَآءُ عِندَ رَبِّهِمْ لَهُمْ أَجْرُهُمْ وَنُورُهُمْ ۖ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَآ أُو۟لَـٰٓئِكَ أَصْحَـٰبُ ٱلْجَحِيمِ ﴿١٩﴾
যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলদের উপর কোনরূপ পার্থক্য ব্যতিরেকে ঈমান এনেছে তারাই সিদ্দীক ও স্বীয় রবের নিকট সাক্ষ্য প্রদানকারী। তাদের জন্য রয়ে ছে তাদেরউদ্দেশ্যেপ্র স্তু ত সম্মানী প্রতিদান। আরতাদেরজন্যরয়ে ছে তাদেরসেই জ্যোতি যা কিয়ামত দিবসে তাদেরসম্মুখ পানে ও ডানে চলবে। আর যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলকে এবং আমার রাসূলের উপর অবতীর্ণ আমার আয়াতসমূ হকে অস্বীকার করবে তারা হবে জাহান্নামী। তারা সেখানে কিয়ামত দিবসে চিরস্থায়ীভাবে অবস্থানের জন্য প্রবেশ করবে। আদৗ সেখান থেকে তারা বের হবে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর
ٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّمَا ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَا لَعِبٌۭ وَلَهْوٌۭ وَزِينَةٌۭ وَتَفَاخُرٌۢ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرٌۭ فِى ٱلْأَمْوَٰلِ وَٱلْأَوْلَـٰدِ ۖ كَمَثَلِ غَيْثٍ أَعْجَبَ ٱلْكُفَّارَ نَبَاتُهُۥ ثُمَّ يَهِيجُ فَتَرَىٰهُ مُصْفَرًّۭا ثُمَّ يَكُونُ حُطَـٰمًۭا ۖ وَفِى ٱلْـَٔاخِرَةِ عَذَابٌۭ شَدِيدٌۭ وَمَغْفِرَةٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ وَرِضْوَٰنٌۭ ۚ وَمَا ٱلْحَيَوٰةُ ٱلدُّنْيَآ إِلَّا مَتَـٰعُ ٱلْغُرُورِ ﴿٢٠﴾
ى জেনে রেখো, দুনিয়ার জীবন কেবল খেল-তামাশা ও অবহেলার। যাকে নিয়ে শরীর খেলা করে ও অন্ত র উদাসীনতা প্রদর্শন করে। আর সৌন্দ র্যের যাকে দিয়ে তোমরা সাজগোজ করো। আর রাজত্ব ও সম্পদ নিয়ে তোমাদের পারস্পরিক অহঙ্কারের। আর ধন-সম্পদ ও সন্তানদের প্রাচুর্য নিয়ে গৌরবের। যেমন বৃষ্টি দ্বারাউদ্গত শস্যদেখেকৃ ষক আনন্দি ত হয় অতঃপরকিছু দিন পরেই এই সবুজ শস্যশুকিয়ে যায় । ফলে হে দর্শক! তু মি সেটি কে সবুজেরপরহলুদ বর্ণ দেখতে পাও। অতঃপরআল্লাহ সেটি কে খড় কু টো বনান যা চু র্ণ-বিচু র্ণহয়ে যায় । পরকালে কাফিরও মু নাফিকদেরজন্য রয়ে ছে কঠি ন শাস্তি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর মুমিন বান্দাদের জন্য রয়ে ছে ক্ষমা ও সন্তু ষ্টি । বস্তু তঃ দুনিয়ার জীবন তো কেবল ক্ষণস্থায়ী সম্পদ; যা টি কে থাকার নয় । ফলে যে ব্যক্তি তার ক্ষয় প্রাপ্ত সম্পদকে পরকালের চিরস্থায়ী ভোগ-সমাগ্রীর উপর প্রাধান্য দিলো সে ক্ষয় প্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্র তস্।
سَابِقُوٓا۟ إِلَىٰ مَغْفِرَةٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا كَعَرْضِ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ أُعِدَّتْ لِلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ ۚ ذَٰلِكَ فَضْلُ ٱللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ ذُو ٱلْفَضْلِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٢١﴾
ه তোমরা সে সব নেক আমলের প্রতি অগ্র সর হও যদ্বারা তোমরা নিজেদের পাপের ক্ষমা লাভ করতে সক্ষম হবে। তথা তাওবাসহ অন্যান্য নৈকট্যের বিষয়াদি। যাতে করে এগুলোর মাধ্যমে সেই জান্নাত লাভ করতে সক্ষম হও যার প্রস্থহলো আসমান ও যমীন বরাবর। এই জান্নাত আল্লাহ ওদের উদ্দেশ্যে তৈরী করেছেন যারা তাঁর উপর ও তাঁর রাসূলগণের উপর ঈমান আনয় ন করেছে। বস্তু তঃ উক্ত প্রতিদান আল্লাহর অনুগ্র হ মাত্র। তিনি তাঁর বান্দাদেরমধ্যে যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। মহান আল্লাহ স্বীয় মু ’মিন বান্দাদেরপ্র তি মহা অনু গ্রহশীল।
مَآ أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٍۢ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِىٓ أَنفُسِكُمْ إِلَّا فِى كِتَـٰبٍۢ مِّن قَبْلِ أَن نَّبْرَأَهَآ ۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌۭ ﴿٢٢﴾
যমীনে খরাসহ অন্যযতো বিপর্যয় ঘটে কিংবা নিজেদেরমধ্যেযে সবআপদ সংঘটি ত হয় তা সৃষ্টি রপূর্বে লাওহে মাহফু জে সংরক্ষিত ছিল। বস্তু তঃএটি আল্লাহর জন্য সহজ।
لِّكَيْلَا تَأْسَوْا۟ عَلَىٰ مَا فَاتَكُمْ وَلَا تَفْرَحُوا۟ بِمَآ ءَاتَىٰكُمْ ۗ وَٱللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍۢ فَخُورٍ ﴿٢٣﴾
এটি এ জন্যযে,যাতে করেহে মানবসমাজ! তোমরা হারানো বিষয়ে রউপরদুশ্চিন্তাগ্র তস্ না হও। আরতিনি যে নিয়ামত দিয়ে ছেন তাতে অহঙ্কারমূ লক আনন্দে ফেটে নাপড়ো। বস্তু তঃআল্লাহ মানু ষকে যাদান করেছেন তাতে কোন অহঙ্কারীদাম্ভি ককে তিনি পছন্দ করেন না।
ٱلَّذِينَ يَبْخَلُونَ وَيَأْمُرُونَ ٱلنَّاسَ بِٱلْبُخْلِ ۗ وَمَن يَتَوَلَّ فَإِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْغَنِىُّ ٱلْحَمِيدُ ﴿٢٤﴾
যারা তাদের উপর যা ব্যয় করা ফরয তাতে কর্পণ্য করে এবং অন্যদেরকে কার্পণ্যের নির্দে শ দেয় তারা ক্ষতিগ্র তস্। যে ব্যক্তি আল্লাহর আনু গত্য হতে মু খ ফিরিয়ে নেয় সে আদৗ আল্লাহরকোন ক্ষতি সাধন করতে পারবেনা। বরংসে কেবল তারনিজেরই ক্ষতি করবে। আল্লাহই ধনাঢ্য। ফলে তিনি নিজ বান্দাদেরআনু ত্যেরপ্র তি মু খাপেক্ষীনন। তিনি সর্বাবস্থায় প্রশংসিত।
لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِٱلْبَيِّنَـٰتِ وَأَنزَلْنَا مَعَهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْمِيزَانَ لِيَقُومَ ٱلنَّاسُ بِٱلْقِسْطِ ۖ وَأَنزَلْنَا ٱلْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌۭ شَدِيدٌۭ وَمَنَـٰفِعُ لِلنَّاسِ وَلِيَعْلَمَ ٱللَّهُ مَن يَنصُرُهُۥ وَرُسُلَهُۥ بِٱلْغَيْبِ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ قَوِىٌّ عَزِيزٌۭ ﴿٢٥﴾
অবশ্যই আমি নিজ রাসূলগণেরপ্র তি সুস্পষ্ট দলীল ও মহান প্রমাণাদি অবতীর্ণ করেছি এবংআমি তাঁদেরসাথে কিতাবও অবতীর্ণ করেছি। তেমনিভাবে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য পরিমাপক অবতীর্ণ করেছি। যাতে মানুষ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। সেই সাথে আমি শক্ত ও সুদৃঢ় লোহা অবতীর্ণ করেছি। তা থেকে অস্ত্র তৈরী করা হয় এবং তাতে রয়ে ছে মানু ষের জন্য তাদের শিল্প ও পেশার উপকারিতাসমূ হ। আর যাতে আল্লাহ বান্দাদের অবগতির জন্য নিশ্চিত হন যে, তাঁকে ও তাঁররাসূলদেরকে কে সাহায্য করে। অবশ্যই আল্লাহ শক্তি ধর, পরাক্র মশালী। তাঁকে কোন কিছু ই পরাস্ত করতে পারে بلغ আল-কু রআন · তাফসীর না। আরনা কোন কিছু তাঁকে অপারগ করতে পারে।
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًۭا وَإِبْرَٰهِيمَ وَجَعَلْنَا فِى ذُرِّيَّتِهِمَا ٱلنُّبُوَّةَ وَٱلْكِتَـٰبَ ۖ فَمِنْهُم مُّهْتَدٍۢ ۖ وَكَثِيرٌۭ مِّنْهُمْ فَـٰسِقُونَ ﴿٢٦﴾
আমি নূহ ও ইবরাহীম (আলাইহিমাস-সালাম)কে রাসূল বানিয়ে পাঠি য়ে ছি এবং তাঁদের সন্তানদেরকে নবুওয়াত ও অবতীর্ণ কিতাবাদি উপহার দিয়ে ছি। ফলে তাঁদের সন্তানদের মধ্যকার কেউ সরল পথ পেয়ে তাওফীকপ্রাপ্ত হয়ে ছে। আবার তাদের মধ্যকার অনেকেই আল্লাহর আনু গত্যের বাইরে রয়ে ছে।
ثُمَّ قَفَّيْنَا عَلَىٰٓ ءَاثَـٰرِهِم بِرُسُلِنَا وَقَفَّيْنَا بِعِيسَى ٱبْنِ مَرْيَمَ وَءَاتَيْنَـٰهُ ٱلْإِنجِيلَ وَجَعَلْنَا فِى قُلُوبِ ٱلَّذِينَ ٱتَّبَعُوهُ رَأْفَةًۭ وَرَحْمَةًۭ وَرَهْبَانِيَّةً ٱبْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَـٰهَا عَلَيْهِمْ إِلَّا ٱبْتِغَآءَ رِضْوَٰنِ ٱللَّهِ فَمَا رَعَوْهَا حَقَّ رِعَايَتِهَا ۖ فَـَٔاتَيْنَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مِنْهُمْ أَجْرَهُمْ ۖ وَكَثِيرٌۭ مِّنْهُمْ فَـٰسِقُونَ ﴿٢٧﴾
অতঃপর আমি আমার রাসূলগণকে প্রে রণ করি। আমি তাঁদেরকে নিজেদের জাতির নিকট একের পর এক প্রে রণ করতে থাকি। এরপর ঈসা ইবনু মারইয়ামকে প্রে রণ করিও তাঁকে ইঞ্জিল প্রদান করি। যারা তাঁরউপরঈমান আনয় ন করেছে ও তাঁরঅনুগত হয়ে ছে তাদেরঅন্ত রেআমি দয়া-মায়া ঢেলে দিয়ে ছি। ফলে তারা পরস্পর ভালোবাসা ও দয়া-মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলো। তবে তারা নিজেদের দ্বীনের মধ্যে বাড়াবাড়ি উদ্ভাবন করে। ফলে তারা নিজেদের জন্য হালাল কিছু কাজ পরিত্যাগ করলো যথা বিবাহ ও যাবতীয় উপভোগ। যা আমি তাদের নিকট কামনা করি নি। বরং তারা দ্বীনের মধ্যে নব উদ্ভাবন স্বরূপ নিজেদেরকে এতে বাধ্য করলো। বস্তু তঃ আমি তাদের নিকট কেবল আল্লাহর সন্তু ষ্টি কমনার দাবি রেখেছিলাম। কিন্তু তারা তা করলো না। তাই তাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে তাদের প্রতিদান দিয়ে ছি। কিন্তু তাদের মধ্যকার অনেকেই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা নিয়ে আগমন করেছেন সে ব্যাপারেআল্লাহরআনু গত্যেরবাইরে।
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَءَامِنُوا۟ بِرَسُولِهِۦ يُؤْتِكُمْ كِفْلَيْنِ مِن رَّحْمَتِهِۦ وَيَجْعَل لَّكُمْ نُورًۭا تَمْشُونَ بِهِۦ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ﴿٢٨﴾
হে আল্লাহর উপর ঈমান আনয় নকারী ও তাঁর প্রবর্তিত বিষয়ে আমলকারীরা! তোমরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁকে ভয় করো এবং তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনয় ন করো। তাহলে তিনি তোমাদেরকে তোমাদের কর্তৃ ক মু হাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও পূর্ববর্তী রাসূলগণের উপরঈমান আনয় নেরদ্বি গুণ প্রতিদান দিবেন। তিনি তোমাদেরউদ্দেশ্যেএমন জ্যোতি প্রদান করবেন যদ্বারাতোমরাদুনিয়ারজীবনে সঠি কপথদেখো এবং কিয়ামত দিবসে তদ্বারা পুলসিরাতের আলো গ্রহণ করতে পারো। উপরন্তু তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন। ফলে তা গোপন করবেন। এমনকি তোমাদেরকে সেগুলোর দরুন পাকড়াও করবেন না। বস্তু তঃ আল্লাহ বান্দাদের প্রতি ক্ষমাশীল ও দয়াপরবশ।
لِّئَلَّا يَعْلَمَ أَهْلُ ٱلْكِتَـٰبِ أَلَّا يَقْدِرُونَ عَلَىٰ شَىْءٍۢ مِّن فَضْلِ ٱللَّهِ ۙ وَأَنَّ ٱلْفَضْلَ بِيَدِ ٱللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ ذُو ٱلْفَضْلِ ٱلْعَظِيمِ ﴿٢٩﴾
হে মুমিনরা! আমি বিশদভাবে তোমাদের উদ্দেশ্যে আমার প্রস্তু তকৃ ত মহা অনুগ্র হ তথা বহু গুণে প্রবৃদ্ধ প্রতিদানের কথা বলে দিয়ে ছি। যাতে করে পূর্বেকার ইহুদি ও খ্রি স্টান রূপী আহলে কিতাব জানতে পারে যে, তারা আল্লাহর অনুগ্র হের ব্যাপারে এমন কোন ক্ষমতা রাখে না যে, তারা যাকে ইচ্ছা কিছু দিয়ে দিবেআরযাকে ইচ্ছা কোন কিছু থেকে বিরত রাখবে। তারা যেন জানতে পারেযে, অনুগ্র হ বলতে সবই মহান আল্লাহরহাতে। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যকার যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। বস্তু তঃ আল্লাহ মহা অনুগ্র হের অধিকারী। যদ্বারা তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যকার যাকে ইচ্ছা অধিকারী করেন। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম