হোমতাফসিরAs-Sajda (32)

তাফসির As-Sajda (32) — السجدة

মাক্কী · 30 আয়াত

পড়ুন · শুনুনPDF ফাইল

الٓمٓ ﴿١﴾

আলিফ লাম মীম। এসব যুক্তাক্ষরের অর্থের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাক্বারার শুরুতে অতিক্রান্ত হয়ে ছে।

تَنزِيلُ ٱلْكِتَـٰبِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِن رَّبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ﴿٢﴾

এই কু রআন যামু হাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিয়ে এসেছেন তাজগতসমূ হেরপ্র তিপালকেরপক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এতে কোন সন্দে হ নেই।

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ ۚ بَلْ هُوَ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ لِتُنذِرَ قَوْمًۭا مَّآ أَتَىٰهُم مِّن نَّذِيرٍۢ مِّن قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ ﴿٣﴾

এসবকাফেররাবলে:মুহাম্মদ তাঁরপ্র তিপালকেরনামে এটি গড়েছেন। বস্তু তঃবিষয় টি এমন নয় । বরংএটি সেই চিরন্ত ন সত্যযাতে কোন সন্দে হ নেই। যা আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। হে রাসূল! আপনি সেসব জাতিকে অবশ্যই সতর্ক করুন যাদের নিকট আল্লাহর শাস্তি র ভয় দেখানোর জন্যে আপনার পূর্বে কোন রাসূল আগমন করেন নি। যাতে তারা সত্য পথের সন্ধান পেয়ে তা অনু সরণ পূর্বক সে অনু যায়ী আমলে ব্রতী হতে পারে।

ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِى سِتَّةِ أَيَّامٍۢ ثُمَّ ٱسْتَوَىٰ عَلَى ٱلْعَرْشِ ۖ مَا لَكُم مِّن دُونِهِۦ مِن وَلِىٍّۢ وَلَا شَفِيعٍ ۚ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ ﴿٤﴾

তিনিই আসমান-যমীন ও এতদুভয়ে রমাঝে বিদ্যমান সবকিছু কে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অথচ তিনি এগুলোকে চোখেরপলকেরকম সময়ে ও সৃষ্টি করতে সক্ষম। অতঃপরতিনি তাঁরশান অনু যায়ীআরশেরউপরসমু ন্নত হন। হে লোক সকল! তোমাদেরজন্যেআল্লাহ ব্যতীত দায়ি ত্বপালনকারীকোন অভিভাবক নেই। আর না তোমাদের প্রতিপালকের নিকট তোমাদের জন্য কোন সুপারিশকারী রয়ে ছে। তোমরা কি চিন্তা-ভাবনা করো না?! আর শিরকমু ক্তহয়ে তাঁরই এবাদত করোযিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ إِلَى ٱلْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍۢ كَانَ مِقْدَارُهُۥٓ أَلْفَ سَنَةٍۢ مِّمَّا تَعُدُّونَ ﴿٥﴾

আল্লাহ আসমান-যমীনের সকল সৃষ্টি র কর্ম পরিচালনা করেন। অতঃপর উক্ত পরিচালনার বৃত্তান্ত তাঁর নিকট এমন এক দিনে যাবে যার মেয়াদ হবে হে লোক সকল! তোমাদের দুনিয়ার হিসাবে হাজার বৎসর।

ذَٰلِكَ عَـٰلِمُ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَـٰدَةِ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ ﴿٦﴾

এহেন পরিচালনারকাজ যিনি করেন তিনি উপস্থি ত-অনুপস্থি ত সবকিছু সম্পর্কে জ্ঞাত। তাঁরনিকট কোন কিছু ই গোপন থাকেনা। তিনি পরাক্র মশালী; তাঁকে পরাস্ত কারী কেউ নেই। তিনি তাঁরশত্রæদেরথেকে প্রতিশোধগ্র হণ করেন। তিনি তাঁরমু ’মিন বান্দাদেরউপরদয়াশীল।

ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥ ۖ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَـٰنِ مِن طِينٍۢ ﴿٧﴾

তিনি প্রত্যেকটি সৃষ্টি র কাজকে নিপুণভাবে করেছেন। আর আদমের সৃষ্টি শুরু করেছেন মাটি দ্বারা কোনরূপ নমু না বিহীন।

ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُۥ مِن سُلَـٰلَةٍۢ مِّن مَّآءٍۢ مَّهِينٍۢ ﴿٨﴾

অতঃপর তাঁর সন্তানাদিকে উক্ত বস্তু র নির্যাস ধাতু থেকে সৃষ্টি করেছেন। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

ثُمَّ سَوَّىٰهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِن رُّوحِهِۦ ۖ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَـٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تَشْكُرُونَ ﴿٩﴾

তারপর তিনি মানুষের সৃষ্টি র পূর্ণতা সুসম্পন্ন করেছেন এবং আত্মা ফু ৎকারে নিয়োজিত ফিরিশতাকে ফু ৎকারের নির্দে শ প্রদানের মাধ্যমে তাতে আত্মা ফুঁ কে দিয়ে ছেন। আর হে মানবকু ল! তোমাদের জন্য কান দিয়ে ছেন যাতে তোমরা শুনতে পাও। আর চোখ দিয়ে ছেন যাতে তোমরা দেখতে পাও। আর অন্ত করণ দিয়ে ছেন যাতে তোমরা অনুধাবন করতে পারো। তবে তোমাদের কম সংখ্যক লোকই আল্লাহ প্রদত্ত নি‘আমতের শুকরিয়া আদায় করে।

وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا ضَلَلْنَا فِى ٱلْأَرْضِ أَءِنَّا لَفِى خَلْقٍۢ جَدِيدٍۭ ۚ بَلْ هُم بِلِقَآءِ رَبِّهِمْ كَـٰفِرُونَ ﴿١٠﴾

পুনরুত্থান অস্বীকারকারী মুশরিকরা বলে: আমরা যখন মারা যাব এবং যমীনে বিলীন হয়ে যাব এবং আমাদের শরীর মাটি তে মিশে যাবে তার পরে কি আমাদেরকে আবারো নতু নভাবে উঠানো হবে? বিবেকে তা আসে না। প্রকৃ তপক্ষে তারা এমন কাফির যে, তারা এর উপর বিশ্বাসই রাখে না।

۞ قُلْ يَتَوَفَّىٰكُم مَّلَكُ ٱلْمَوْتِ ٱلَّذِى وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ ﴿١١﴾

হে রাসূল! পুনরুত্থানকে অস্বীকারকারী এসব মু শরিকদেরকে আপনি বলুন যে, তোমাদেরকে আল্লাহ কর্তৃ ক জান ক্ববজে নিয়োজিত ফিরিশতা মারবেন। অতঃপরশুধু আমারপ্র তিই হিসাবওপ্র তিদানেরউদ্দেশ্যেপ্র ত্যাবর্ত ন করবে।

وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذِ ٱلْمُجْرِمُونَ نَاكِسُوا۟ رُءُوسِهِمْ عِندَ رَبِّهِمْ رَبَّنَآ أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَٱرْجِعْنَا نَعْمَلْ صَـٰلِحًا إِنَّا مُوقِنُونَ ﴿١٢﴾

অচিরেই ক্বি য়ামতের দিন মুশরিকরা কু ফরির কারণে মাথানত ও অপমানিত অবস্থায় প্রকাশ পাবে। তারা অপমান বোধ করে বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা পুনরুত্থান সম্পর্কে যা মিথ্যারোপ করতাম তা দেখে ফেলেছি। আর আপনার পক্ষ থেকে রসূলগণ যা নিয়ে এসেছেন তা শুনে ফেলেছি। অতএবআপনি আমাদেরকে দুনিয়ারজীবনে ফিরিয়ে দিন। আমরানেক আমল করবো। যাতে আপনি আমাদেরউপরসন্তু ষ্টহন। আমরা পুনরুত্থানে ও রাসূলগণ যা নিয়ে এসেছেন তাতে বিশ্বাসী। হে নবী! আপনি যদি মুশরিকদেরকে ওই অবস্থায় দেখতেন! সত্যিই তা বড় কঠি ন একটি অবস্থা।

وَلَوْ شِئْنَا لَـَٔاتَيْنَا كُلَّ نَفْسٍ هُدَىٰهَا وَلَـٰكِنْ حَقَّ ٱلْقَوْلُ مِنِّى لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ أَجْمَعِينَ ﴿١٣﴾

আর আমি যদি প্রতিটি সত্তাকে হেদায় ত ও তাওফীক দানের ইচ্ছা করতাম তবে তাদেরকে তাই করতাম। কিন্তু আমার হিকমত ও ইনসাফ অনুযায়ী নির্ধারিত বাণী হচ্ছে যে, আমি ক্বি য়ামতের দিন ঈমান ও দৃঢ় তার পথ পরিহার করে কু ফরি ও ভ্রষ্টতার পথ অবলম্বন করার কারণে কাফির জিন-ইনসানকে দিয়ে জাহান্নামপূর্ণ করবো।

فَذُوقُوا۟ بِمَا نَسِيتُمْ لِقَآءَ يَوْمِكُمْ هَـٰذَآ إِنَّا نَسِينَـٰكُمْ ۖ وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْخُلْدِ بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿١٤﴾

আর তাদেরকে ধমক ও ভীতি প্রদর্শনমূলক বলা হবে: তোমরা হিসাব দেয়ার উদ্দেশ্যে আল্লাহর সাক্ষাত থেকে দুনিয়ার জীবনে উদাসীন থাকার ফলে শাস্তি ভোগ করো। আমি তোমাদেরকে বেপরওয়াভাবেকঠি ন শাস্তি রমধ্যে নিমজ্জিত রাখলাম। আরদুনিয়ায় কৃ ত পাপেরফল স্বরূপ তোমরা চিরস্থায়ী শাস্তি পেতে থাকবে।

إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِـَٔايَـٰتِنَا ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِّرُوا۟ بِهَا خَرُّوا۟ سُجَّدًۭا وَسَبَّحُوا۟ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ ۩ ﴿١٥﴾

আমার রাসূলের উপর অবতীর্ণ নিদর্শনাবলীর উপর কেবল তারাই ঈমান আনে যাদেরকে উপদেশ দেয়ার পর তারা আল্লাহর প্রশংসাজড়ি ত পবিত্রতা বর্ণনা করে সাজদাবনত হয় । যারা কোন অবস্থায় আল্লাহর এবাদত ও সাজদাহর কাজে অহঙ্কার করে না। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ ٱلْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًۭا وَطَمَعًۭا وَمِمَّا رَزَقْنَـٰهُمْ يُنفِقُونَ ﴿١٦﴾

তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে পৃথক হয়ে যায় । তারা বিছানা ছেড়ে আল্লাহ অভিমুখী হয় । তারা তাঁকে তাঁর শাস্তি র ভয়ে ও রহমতের আশায় তাদের নামায ও অন্যান্য আমলে আহŸান করতে থাকে এবং তারা আমার প্রদত্ত সম্পদ আমার পথে ব্যয় করে।

فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌۭ مَّآ أُخْفِىَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعْيُنٍۢ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٧﴾

কোন মানুষ সে সম্পর্কে জানে না আল্লাহ তার দুনিয়ার জীবনে কৃ ত নেক আমলের প্রতিদান স্বরূপ চক্ষু শীতলকারী কী তার জন্য প্রস্তু ত করে রেখেছেন। এটি এমন মহাপ্র তিদান যাআল্লাহ ব্যতীত কেউ অনু ধাবন করতে পারেনা।

أَفَمَن كَانَ مُؤْمِنًۭا كَمَن كَانَ فَاسِقًۭا ۚ لَّا يَسْتَوُۥنَ ﴿١٨﴾

যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ঈমান রাখে ও তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলে সে আদৗ তার মত নয় যে তাঁর আনুগত্য থেকে বের হয়ে যায় । উভয় পক্ষ প্রতিদানে আল্লাহরদরবারেসমান হতে পারেনা।

أَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ فَلَهُمْ جَنَّـٰتُ ٱلْمَأْوَىٰ نُزُلًۢا بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ﴿١٩﴾

যারা ঈমান আনারপাশাপাশি নেক আমল করেতাদেরসম্মানার্থে আল্লাহরপক্ষ থেকে এমন জান্নাত প্রস্তু ত করা রয়ে ছে যাতে তারা স্থায়ীভাবেথাকবে। যা হবে দুনিয়ার জীবনে তাদের কৃ ত নেক আমলের প্রতিদান।

وَأَمَّا ٱلَّذِينَ فَسَقُوا۟ فَمَأْوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ ۖ كُلَّمَآ أَرَادُوٓا۟ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَآ أُعِيدُوا۟ فِيهَا وَقِيلَ لَهُمْ ذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلنَّارِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ ﴿٢٠﴾

كنتم به تكذبون পক্ষান্ত রেযারা কু ফরিও পাপেরমাধ্যমে আল্লাহরআনু গত্যথেকে বেরিয়ে পড়ে ছে তাদেরউদ্দেশ্যেক্বি য়ামতেরদিন প্রস্তু তকৃ ত ঠি কানা হচ্ছে জাহান্নাম। তারা তথায় চিরস্থায়ী বসবাস করবে। যখনই তারা বের হওয়ার ইচ্ছা করবে তখনই তাদেরকে ফেরত দেয়া হবে এবং বলা হবে, তোমরা ওই আগুনের শাস্তি ভোগ করো যে ব্যাপারেরাসূলগণ কর্তৃ ক ভীতি প্রদর্শন সত্তে¡ও তোমারা তারপ্র তি মিথ্যারোপ করতে।

وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنَ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَدْنَىٰ دُونَ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ ﴿٢١﴾

এসব মিথ্যরোপকারী স্বীয় প্রতিপালকের আনুগত্য থেকে দূরে অবস্থানকারীরা তাওবা না করলে আমি অবশ্যই পরকালে তাদের উদ্দেশ্যে প্রতুস্তকৃ ত শাস্তি র পূর্বে দুনিয়াতে পরীক্ষা ও বিপদের স্বাদ আস্বাদন করাবো। যাতে তারা স্বীয় প্রতিপালকের আনু গত্যের দিকে ফিরে আসে।

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن ذُكِّرَ بِـَٔايَـٰتِ رَبِّهِۦ ثُمَّ أَعْرَضَ عَنْهَآ ۚ إِنَّا مِنَ ٱلْمُجْرِمِينَ مُنتَقِمُونَ ﴿٢٢﴾

আল্লাহর আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ প্রদানের পর যে বেপরওয়াভাবে মুখ ফিরিয়ে তা গ্রহণে অস্বীকার করে তার অপেক্ষা বড় জালিম আর কেউ হতে পারেনা। অবশ্যই আমি কু ফরিও অবাধ্যতাপূর্বক অন্যায় কারীদেরথেকে প্রতিশোধগ্র হণ করবো।

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَـٰبَ فَلَا تَكُن فِى مِرْيَةٍۢ مِّن لِّقَآئِهِۦ ۖ وَجَعَلْنَـٰهُ هُدًۭى لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ﴿٢٣﴾

আমি মূসাকে তাওরাত প্রদান করেছি তাই আপনি হে রাসূল! ইসরা ও মেরাজেররাত তারসাক্ষাতে সন্দি হান হবেন না। আমি মূসারউপরঅবতীর্ণ কিতাবকে বানী ইসরাইলের জন্য ভ্রষ্টতা থেকে হেদায় তের নির্দে শনা প্রদানকারী বানিয়ে ছি। بلغ আল-কু রআন · তাফসীর

وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةًۭ يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا۟ ۖ وَكَانُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا يُوقِنُونَ ﴿٢٤﴾

আর আমি বানী ইসরাঈলদের মধ্যে নেতা বানিয়ে ছি যাদেরকে মানুষ হকের কথায় অনুসরণ করে। তারা তাদেরকে সৎ পথ দেখায় । যখন তারা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মানা ও আল্লাহর প্রতি দা‘ওয়াতের পথে কষ্টে র উপর ধৈর্য ধারণ করেছিল। আর তাদের উপর আল্লাহ কর্তৃ ক অবতারিত আয়াত সমূ হেরউপরদৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করেছিল।

إِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ فِيمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ﴿٢٥﴾

অবশ্যই হে রাসূল! আপনার প্রতিপালক ক্বি য়ামত দিবসে দুনিয়াতে তাদের বিতর্ক পূর্ণ বিষয়ে র ফয় সালা করবেন। ফলে হকপন্থী থেকে বাতিলপন্থীকে পৃথক করবেন এবং প্রত্যেককে যার যার পাওনা বুঝিয়ে দিবেন।

أَوَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْقُرُونِ يَمْشُونَ فِى مَسَـٰكِنِهِمْ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍ ۖ أَفَلَا يَسْمَعُونَ ﴿٢٦﴾

তারা কি অন্ধ হয়ে গেছে? ফলে তাদের পূর্বে কত জাতিকে আমি ধ্বংস করেছি তা তারা বুঝতে পারে না। এইতো তারা ওদের ধ্বংসের পুর্বের বসবাসের আবাসনগুলোর মধ্য দিয়ে চলছে অথচ তাদের অবস্থা থেকে উপদেশ গ্রহণ করছে না। নিশ্চয় ই এসব জাতির কু ফরি ও অবাধ্যতার ফলে তাদের মধ্যে সংঘটি ত ধ্বংসের মধ্যে এমনসব উপদেশাবলী রয়ে ছে যা তাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত রাসূলগণের সত্যতার প্রমাণ বহন করে। আল্লাহর আয়াতসমূ হকে মিথ্যারোপকারী এসবলোকজন কি উপদেশ অর্জ ন, গ্রহণ ও শ্রবণ করেনা?!

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا نَسُوقُ ٱلْمَآءَ إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهِۦ زَرْعًۭا تَأْكُلُ مِنْهُ أَنْعَـٰمُهُمْ وَأَنفُسُهُمْ ۖ أَفَلَا يُبْصِرُونَ ﴿٢٧﴾

পুনরুত্থানকে মিথ্যারোপকারী এসব লোকজন কি দেখে না যে, আমি শস্যবিহীন শুষ্ক যমীতে পানি বর্ষিয়ে এর সাহায্যে উদ্ভিদ উৎপন্ন করি। যা থেকে তাদের উট, গরু ও ছাগল ভক্ষণ করে থাকে এবং তারা ও তাথেকে ভক্ষণ করে। তারা কি এটি দেখে না এবং এথেকে এ কথা ধরে নিতে পারে না যে, যিনি শুষ্ক যমীতে শস্যউদ্গত করতে সক্ষম তিনি মৃ তদেরকে জীবিত করতেও সক্ষম?!

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَـٰذَا ٱلْفَتْحُ إِن كُنتُمْ صَـٰدِقِينَ ﴿٢٨﴾

পুনরুত্থানকে মিথ্যারোপকারী ও তড়ি ৎশাস্তি কামনাকারীরা বলে, ওই বিধান কখন আসবে যে ব্যাপারে তোমরা ধারণা করো যে, অচিরেই ক্বি য়ামতে তোমাদের ও আমাদের মাঝে ফয় সালা হবে। ফলে তোমাদের ঠি কানা জান্নাত হবে আর আমাদের ঠি কানা হবে জাহান্নাম।

قُلْ يَوْمَ ٱلْفَتْحِ لَا يَنفَعُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِيمَـٰنُهُمْ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ ﴿٢٩﴾

ওদেরকে বলে দিন (হে রাসূল) এই অঙ্গীকার মানেই ক্বি য়ামত দিবস। এটি বান্দাদের মাঝে চূ ড়ান্ত ফয় সালার দিন। তখন দুনিয়াতে যারা আল্লাহকে অস্বীকারকরেছে তাদেরক্বি য়ামত প্রত্যক্ষ করারপরসত্যায় ন কোন কাজে আসবেনা। আরনাতাদেরতাওবাও স্বীয় প্রতিপালকেরপ্র তি প্রত্যাবর্ত নের উদ্দেশ্যে তা বিলম্বিত করা হবে।

فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَٱنتَظِرْ إِنَّهُم مُّنتَظِرُونَ ﴿٣٠﴾

অতএব হে রাসূল! আপনি তাদের থেকে তাদের ভ্রষ্টতায় অবিচল থাকার পর মু খ ফিরিয়ে নিন। আর তাদের পরিণতির অপেক্ষা করুন। আপনি তারেকে যে শাস্তি রভীতি প্রদর্শন করছেন তারাতারই অপেক্ষাকরছে। সূত্র: আল-মুখতাসার ফী তাফসীরিল কু রআনিল কারীম

শিখুন · As-Sajda — السجدة

অনুসরণ · পুনরাবৃত্তি · শোনানো · নিবন্ধন ছাড়াই

তাফসির · 31 ভাষা